Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

গাঁজাসহ মাদক কারবারি শাজাহানকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব- ১৩

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট: 

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সঙ্গবদ্ধ অপরাধী, অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে।


এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখ আনুমানিক পৌনে চারটায় ঘটিকার সময় লালমনিরহাট জেলার সদর থানাধীন পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের উমা পতি হরনারায়ন গ্রামস্থ এলাকা হতে ২.৭ গাঁজাসহ একজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। উক্ত মাদক ব্যবসায়ী বহুদিন যাবত লালমনিরহাট জেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে তার উপর সার্বক্ষণিক নজরদারি এর মাধ্যমে র‌্যাব-১৩, রংপুর এর চৌকস আভিযানিক দল মাদক ব্যবসায়ীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং মাদক ব্যবসায়ী শাজাহান মিয়া (২৩), পিতা-আব্বাস আলী, সাং-আফজাল নগর, থানা-লালমনিরহাট সদর, জেলা-লালমনিরহাট’কে আটক করতে সক্ষম হয়। ধৃত মাদক ব্যবসায়ীকে লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী স্বীকার করে যে, দীর্ঘদিন যাবৎ সে লালমনিরহাট জেলাসহ পাশের জেলাগুলোতে অবৈধ মাদক ব্যবসা করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য  লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর  থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মাহমুদ বশির আহমেদ

স্কোয়াড্রন লিডার উপ-পরিচালক (মিডিয়া) পক্ষে অধিনায়ক।


আরও খবর



সুফিবাদ চর্চা বিবেক জাগ্রত হয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম : সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

আত্মার মাধ্যমে মন দেহের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আবার মন হলো তত্ত্ব, তত্ত্ব মানে জ্ঞান। অর্থাৎ জ্ঞানই সব পরিচালনা করে। মানব হল সত্তা। এর দুটো অংশ। একটি আত্মা, অপরটি মন; যা দেহে অবস্থান করে। দেহ, আত্মা ও মনের সমন্বয়ে পূর্ণ মানব। মনের অন্য রূপ হলো বিবেক। বিবেক দ্বারা সে সত্য মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণ করে। বিবেকের অপর নাম চেতনা। চেতনা হল একটি শক্তির নাম, এই শক্তি সুপ্তভাবে প্রতিটি মানবের মধ্যে বিদ্যমান। যিনি এই শক্তিকে জাগ্রত করতে পারে, তিনি মহা শক্তিধর আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। অন্তর্নিহিত এ শক্তিকে জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন ধর্ম। অর্থাৎ ধর্মচর্চা। ধর্ম মানুষকে প্রাকৃতিকতা শিক্ষা দেয়, ধর্ম সুবুদ্ধিতে নিরন্তর চর্চায় রাখে।

ধর্মের দুটো দিক। একটি আনুষ্ঠানিকতা, অপরটি আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা হলো ধর্মের বাইরের বাতাবরণ। অর্থাৎ বইয়ের মলাটের মত। এর ভেতরেই রয়েছে ধর্মের প্রকৃত রূপ; যার নাম আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা অংশ নিয়ে বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠীর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায়, এমনকি একই ধর্ম অনুসরণকারীদের মধ্যেও মতবিরোধ দেখা যায়। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব সংঘাতেও লিপ্ত হয়। অপরদিকে আধ্যাত্মিকতা সকল ধর্মের মানুষ গ্রহণ করে। এর সাথে কারো মতবিরোধ নেই, সে যেই ধর্মের হোক না কেন।

মূলত ধর্ম প্রাকৃতিকতার সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয়। প্রাকৃতিকতা ব্যতীত প্রকৃতির মালিকের সন্ধান পাওয়া যায় না। প্রাকৃতিকতা ধারণের নামই আধ্যাত্নিকতা। আধ্যাত্মিকতা ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে, বিবেককে জাগ্রত করে। ইসলাম ধর্মসহ পৃথিবীর সকল ধর্মই নৈতিকতা তথা সত্যকে ধারণ ও মিথ্যাকে বর্জনের শিক্ষা দিয়েছে। ধর্ম কখনো অনৈতিকতাকে সমর্থন করেনি, এখনো করে না,এবং ভবিষ্যতেও করবে না। প্রকৃতির নিয়মে সৃষ্টির মধ্যে একে অপরের সাথে আন্তসংযুক্ত,একে অপরের উপর নির্ভরশীল, আত্মার সাথে সম্পর্কিত। এমনকি আল্লাহর সাথেও সংযোগকৃত ও সম্পর্কিত। আর মানুষ মানুষে সম্পর্ক তো আছেই। সম্পর্কিত বলেই অপরের ব্যথায় ব্যতীত ও সুখে আনন্দিত হয়। ধরি কেউ একজন বাংলাদেশে খাদ্য গ্রহণ করছেন, এমতবস্থায় সংবাদ মাধ্যমে শুনতে পেয়েছেন যে আমেরিকায় বিমান দুর্ঘটনায় অনেক লোক প্রাণ হারিয়েছেন। সাথে সাথে মনের ভেতর বিরুপ প্রভাবসহ খাদ্য গ্রহণে অস্বস্তিবোধ হয়। এথেকে বোঝা যায়একে অপরকে না চিনলেও পারস্পারিক আন্ত:সম্পর্ক ও আন্তঃসংযোগ আছে। ধর্ম এটিকে অটুট রাখতে শিক্ষা দেয়,বিচ্ছিন্ন হতে দেয় না। সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবারের মতো। তাই কর্তৃত্ব নয় বরং সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে (এ বন্ধনকে) অটুট রাখতে ধর্ম সহায়তা করে। এইজন্য যুগে যুগে যুগসংস্কারকসহ আল্লাহর আউলিয়াগণ বিভিন্ন তরিকা ও দর্শনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও বেলায়েতের শক্তি দিয়ে মানবকে ধর্মচর্চায় প্রভাবিত ও উদ্বুদ্ধ করে। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের (শক্তির) প্রভাবে মানবের অহংকারকে ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ করে। এবং মনুষ্যত্ব ধারণে সহায়তা করে।

আবার অন্যদিকে কতকব্যক্তি ধর্মকে বিশ্বাস করেন, গ্রহণ করেন ও ধর্মগ্রন্থকে সম্মান করেন কিন্তু এটি যে একটি জ্ঞানগ্রন্থ তা বুঝে উঠতে পারে না। কারণ এদেরকে কিছু ধর্মব্যবসায়ী অন্ধকারে নিমজ্জিত করে রেখেছে।এই শ্রেণীর লোক সমাজে বেশি। আবার কতক ব্যক্তি আছেন যারা মুখে ধর্মের কথা বলে কিন্তু ধর্ম ধারণ করে না। এরা ধর্মকে পেশা ও ব্যবসা হিসেবে নেয়। সামান্য স্বার্থের জন্য ধর্মকে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে। ধর্মের লেবাস পরিধান করে মানুষ মানুষে বিভেদ বিচ্ছিন্ন করে। সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এরকম কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী আছে, যাদের কারণে অতি উৎসাহী কিছু লোক না বুঝে, কিংবা বুঝে অথবা পরিকল্পিতভাবে ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে। উভয়ই জন্তু থেকেও অধম। এরা সমাজ রাষ্ট্র সহ সকলের জন্য ক্ষতিকর।

অথচ ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে বিভেদ বিচ্ছিন্নতা নয়, সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সংযুক্তি; কর্তৃত্ব ও প্রভুত্ব নয় বরং একে অপরের ভাই মনে করে সেবার মানসিকতা নিয়ে সমগ্র বিশ্বকে একটি পরিবার মনে করে এবং সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।এর নাম সুফিবাদ। এজন্য যুগে যুগে ধর্মকে হৃদয়ে ধারণ করে সুফি সাধকগণ প্রেম, বিনয়, উদারতার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন সমাজকে একত্রিত থাকার শিক্ষা দেন। সকল ধর্মই শান্তির কথা বলে। তবে সর্বশেষ অতি সহজ, আধুনিক যুগোপযোগী ও বৈজ্ঞানিক ধর্মের নাম ইসলাম। ইসলাম শব্দের অর্থই হলো শান্তি।পূর্ণ শান্তি ও জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। ইসলাম দিয়েছে সকল ধর্মানুসারীদের নিরাপত্তার অধিকার, স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার, সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার, নারীদের দিয়েছে (শালীনতার ভিত্তিতে) ব্যবসাসহ কর্ম করার অধিকার।

 সার্বিকভাবে সর্ব বিষয়ে উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। সুফিরা বলেছেন, প্রয়োজনে নিজস্বার্থ কিছু ত্যাগ করে হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার নাম ইসলাম। আর কিছুলোক নিজস্বার্থের জন্য ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে।তারা ইসলামকে রাজনৈতিক দলে পরিনত করেছে। আর এই কুকর্মগুলো করা হয় ধর্মের দোহাই দিয়ে। এর চেয়ে জঘন্য ও নিকৃষ্ট কর্ম আর কী হতে পারে! এদের কারণে বিশ্ব সমপ্রদায় মনে করে ইসলাম মানে জঙ্গিবাদ, মারামারিহানাহানি, হিংসা, বিভেদ বিচ্ছিন্নতা। ইসলাম মানে ওজনে কম দেয়া, অকারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা।ফলে ইসলামসহ শান্তির বার্তাবাহক, আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী, মানবকুলসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের রহমত হিসেবে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) প্রেরিত হযরত আহম্মদ মোস্তবা মোহাম্মদ মোস্তফা (দ.)কে তারা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। এজন্য আমরাই দায়ী। তাই ধর্মকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর ভাব ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। যাঁরা ধর্মের নৈতিকতা ও ভাব হৃদয়ে ধারণ করে, তাঁদের দ্বারা সমাজে কখনো অকল্যাণ হতে পারে না। ন্যূনতমও যে ধর্ম ধারণ করে, সে কখনো ওজনে কম দিতে পারে না, অকারণে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি ও গুদামজাত করতে পারে না, সে খাদ্যে ভেজাল দিতে পারে না, রমজান মাসে অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারে না। ধার্মিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার নিয়ন্ত্রণে এনে মূল্য বৃদ্ধি করে না, বরং অল্প মুনাফা করে সন্তুষ্ট থাকে। তাঁরা দেশের দুর্যোগ ও খাদ্য সংকটকালে গুদামজাত না করে রাষ্ট্র, সরকারের সাথে একত্রিত হয়ে জনগণের কষ্ট দূরীকরণে ভূমিকা রাখে। এঁরাই ধার্মিক। এঁদের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়।

 ধর্ম ধারণকারীর প্রতিটি কর্মে প্রাকৃতিকতা প্রকাশ পায়। তাঁর দ্বারা কখনো প্রকৃতির দূষণ হতে পারে না, অপ্রয়োজনে বৃক্ষ কর্তন করে অক্সিজেন ধ্বংস করে না। পাহাড় কেটে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করে না, (পাহাড় ভূমির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ভূকম্পন নিয়ন্ত্রণে রাখে, পাহাড় কর্তনে পরিবেশ ভারসাম্য হারায়। ফলস্বরূপ অতিমাত্রায় ভূকম্পন হয়, অতিবর্ষণে পাহাড় ধসে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়), সে পানি দূষণ করে না। সুফিবাদ চর্চা বিবেককে জাগ্রত হয়। ফলে সে সত্যমিথ্যার প্রভেদ বুঝতে পারে। সবসময় যেকোনো কর্মে সতর্ক থাকে। তাঁর আল্লাহভীতি ও প্রেমানুভূতি জন্মে। ফলে আল্লাহ ধর্মে যা করার নির্দেশনা দিয়েছেন, যা করতে নিষেধ করেছেন এসব পালনে সতর্ক থাকে। সুফিবাদি মানুষের বিবেক সব সময় কথা বলে। যেটা মানবের জন্য কল্যাণকর তা করা এবং অমঙ্গলজনক কর্ম না করার জন্য ভেতর থেকে নির্দেশনা দেয়। আল্লাহভীতির কারণে সে জানে কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে। তাই এক প্রকার দায়িত্ববোধ জন্মে। ফলে কোনো অনৈতিক কর্ম করার পূর্বে একবার চিন্তা করে। বিবেক প্রতিনিয়ত তাকে দংশন করে। হৃদয়ের গভীর থেকে অদৃশ্য শক্তি কিংবা কে যেন বলে দেয় এটি মন্দ কর্ম, এটি করিও না। আধ্যাত্মিকতা ধমের্র মূল অংশ।

আধ্যাত্মিকতা আত্মসম্পর্কিত ইবাদত। এটি আত্মাকে আলোকিত করে, আত্মাকে মহাত্মার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করে। প্রেমাগুণ দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। আর এই কর্মটি করতে সহজ হয় যদি কোনো কামেল পীরের সংস্পর্শে করা যায়। একজন আধ্যাত্মিক মুরশিদ  জ্ঞান, সংস্পর্শ, অনুগ্রহ দ্বারা ভক্ত শিষ্যের প্রেমাগুণকে প্রজ্জ্বলিত করে, এবং প্রেমাগুণে পুড়ে তাকে প্রকৃত মানবে পরিণত করে। এর নাম সালাত।এর নাম এবাদত। প্রেমাগুণে জ্বলে আত্মাকে ভস্ম করে আলোকিত করার নাম সালাত। এটি আমিত্ব, অহংকারসহ নফসকে পুড়ে ছাই করে দেয়, সর্বপ্রকার অপকর্ম থেকে দূরে রাখে।পবিত্র কোরআন শরীফে আছে,ইন্নাস সালাতা তানহা অনিল ফাহসাই ওয়াল মুনকার অর্থাৎ নিশ্চয় নামাজ মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। একজন কামেল মুরশিদ শিক্ষা ও দীক্ষা দিয়ে পাপিষ্ট ব্যক্তিকে অনৈতিক কর্ম থেকে বিরত রাখা সহ আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। এবং তাঁকে এমন এক নেশায় আসক্ত করে, যে নেশায় মত্ত হয়ে প্রতিনিয়ত আল্লাহর নৈকট্যতা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল থাকে। যে নেশায় সকালে আসক্ত হলে রাতে শেষ হয়ে যায় সেটি প্রকৃত নেশা নয়। এটি ভোগের নেশা। অতএব এমন নেশায় আসক্ত হও যে নেশায় একবার মত্ত হলে পরমকে না পাওয়া পর্যন্ত কাটে না, এটি হলো প্রেমের নেশা। পার্থিব নেশায় আসক্ত হলে জ্ঞান, বিবেক, বুদ্ধি সবই লোপ পায়।

যে প্রেমাস্পদকে ভালোবাসে, সে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতিটি বস্তুকে ভালোবাসে। সুফিসাধকগণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন কীভাবে প্রকৃতিকে ভালবাসতে হয়, প্রকৃতির সেবা করতে হয়। যে প্রকৃতি ও প্রকৃতির ভাষা বোঝে না, প্রকৃতির ঋণ অস্বীকার করে; সে কখনো স্রষ্টার অনুগ্রহ পায় না।সে স্রষ্টা থেকে অনেক দূরে। প্রকৃতি প্রেমব্যতীত স্রষ্টাপ্রেমী হওয়া যায় না। ধর্মের (সূফীবাদ) চর্চা মানুষকে প্রকৃতির প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে, নীরবতা, নির্জনতার দিকে নিয়ে যায়। অপ্রয়োজনীয় কথা ও কর্ম থেকে বিরত রাখে। আবার প্রয়োজনে সঠিক সময়ে সত্য কথা বলে, মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। এজন্য বর্তমানে আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ বিনির্মাণে সুফিবাদ চর্চার বিকল্প নেই। কোনো ধর্মই কখনো দেশ ও সমাজের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় এরকম অনৈতিক শিক্ষা দেয় না। ধর্ম ন্যায়ের কথা বলে, জ্ঞানের কথা বলে, সত্যের কথা বলে, মানবকল্যাণের কথা বলে ;সর্বোপরি সুবুদ্ধির কথা বলে। সুবুদ্ধির মধ্যে সত্য নিহিত। সুবুদ্ধির বর্ণনা দিতে গিয়ে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের মহান সুফিসাধক সৈয়দ সাইফ উদ্দিন আহমেদ আল মাইজ ভান্ডারী বলেন, সুবুদ্ধিতে খোদা, সুবুদ্ধিতে রাসুল (দ.),সুবুদ্ধিতে ইসলাম, সুবুদ্ধিতে কোরআন, সুবুদ্ধিতে ঈমান, সুবুদ্ধিতে মানবতা। সুফিবাদ ধারণ করলে মানুষ সুবুদ্ধির পথে অগ্রসর হয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সুবুদ্ধির বিকল্প নেই।

ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তির মধ্যে একদিকে আল্লাহ ভীতি, অন্যদিকে আল্লাহর প্রেম সৃষ্টি হয়। ভীতির কারণে অনৈতিক কর্ম থেকে দূরে থাকে। কারণ সে জানে একদিনে পরকালে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। তাই সদা সর্বদা সতর্ক থাকে। অপরদিকে প্রেমের কারণে সমগ্র সৃষ্টির কণায় কণায় স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে। ফলে সে সৃষ্টির প্রতি সদয় হয়।এবং প্রেমাস্পদের স্মরণে সদা সর্বদা মগ্ন থাকে। অতএব যে ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা ও আচারিকতাকে প্রাধান্য দেয়, মূলভাব (নৈতিকতা) হৃদয়ে ধারণ করে না, তার অনুভূতি জাগ্রত হয় না। অনুভূতি ব্যতীত উপলব্ধি আসে না, উপলব্ধি ব্যতীত জ্ঞানচক্ষু ফোটে না,আত্মা পরিশুদ্ধ ও আলোকিত হয় না। আর পরিশুদ্ধ আত্মাই মহাত্মার সাথে মিলন করতে পারে। তাই বিশ্বে সাম্যবাদ ও শান্তি ফিরিয়ে আনার অন্যতম ও উৎকৃষ্ট উপায় হলো সূফীবাদ চর্চা।


আরও খবর



মতিউরের বিরুদ্ধে দূর্নীতি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।


রোববার (২৩ জুন) দুদকের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুদক জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করে কাজ শুরু করেছে কমিশন। আগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখবে তারা। 



তার সম্পদের বিষয়ে সব কিছুই তদন্ত করে দেখবে কমিশন। মতিউরের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয় গত ৪ জুন। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


এর আগে আজই এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


তার ছেলের কারণে মতিউর রহমান কিছুদিন ধরে আলোচনায় আছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক।



 সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হইছে। 


১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে বলা হয় এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।


এর পর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে।


এদিকে আজই অর্থ মন্ত্রণালয় মতিউর রহমানের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। 



তবে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



আরও খবর



আজিজ আহমেদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ খুলল পেন্টাগন

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ খুলেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

দপ্তরটি বলেছে, আজিজের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তা পুনঃনিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সময় বুধবার পেন্টাগনের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জেনারেল আজিজের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে পেন্টাগনের অভিমত ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তরের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর মনে করে, জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

ব্রিফিংয়ে প্যাটের কাছে পেন্টাগন অ্যাক্রেডিটেড প্রতিনিধি মুশফিকুল ফজল আনসারী জানতে চান, পেন্টাগন কীভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারত্ব নির্দেশ করছে। কারণ বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজকে তার উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ ব্যাপারে পেন্টাগন কী ভাবছে, আমি কী তা জানতে পারি?

জবাবে পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার বলেন, আপনি যেমনটা জানেন এবং আপনার প্রশ্নেও উল্লেখ করেছেনব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত থাকার দায়ে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জেনারেল (আজিজ) আহমেদের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। গত মে মাসে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে শক্তিশালী করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে, সেটিকে পুনঃনিশ্চিত করছে এবং দুর্নীতি রোধে সেখানে (বাংলাদেশে) যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে সমর্থন করে বিভাগটি (পেন্টাগন)।

তিনি আরো বলেন, আমি এই বলে শেষ করতে চাইবাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। অবাধ এবং মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল, সামুদ্রিক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোয় দুদেশের অভিন্ন স্বার্থ ও মুল্যবোধের ভিত্তিতে সেখানে অংশীদারত্ব বিরাজমান রয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারত-চীন দুই দেশই প্রস্তাব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের পাশাপাশি চীনও প্রস্তাব দিয়েছে এবং দুটো প্রস্তাবই বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জুন) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভারত সফরে তিস্তার পানি বণ্টন নয়, মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ প্রকল্প নিয়ে চীনের পক্ষ থেকেও প্রস্তাব আছে। তবে যাদের প্রস্তাব লাভজনক হবে, তাদেরটাই গ্রহণ করবে বাংলাদেশ৷


তিনি বলেন, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেই আমরা এগিয়ে যাব। আমার দেশের মানুষের কল্যাণে বিশেষ করে দেশের উন্নয়নে যার সঙ্গে যতটুকু সম্পর্ক রাখা দরকার, সেটা করে যাচ্ছি। 



ভারত আমাদের চরম দুঃসময়ের বন্ধু, তারা রক্ত দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে; কাজেই তাদের গুরুত্বটা আমাদের কাছে এমনিতেই আছে। আবার চীন যেভাবে নিজেকে উন্নত করেছে, সেখান থেকে আমাদের শেখার আছে। 



সবকিছু ভেবেই আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। প্রস্তাব তো অনেক আসে। যেখান থেকে যে প্রস্তাবই আসুক না কেন, সেই প্রস্তাবটা আমার দেশের জন্য কতটুকু প্রযোজ্য হবে এবং কল্যাণকর হবে সেটা ভেবেই গ্রহণ করা হবে।


পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷ গঙ্গা চুক্তি-২০২৬ সালে নবায়ন না হলেও চুক্তি চলমান থাকবে৷



 টেকনিক্যাল গ্রুপ এসে কাজ করবে, তারপর সমঝোতা হবে৷ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তিনি বিরোধিতা করছেন, তার দেশের কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে। এবারও দিল্লিতে গিয়ে দেখলাম, মমতা নেই। আমরা তো সবার সঙ্গেই একসঙ্গে কাজ করতে চাই৷


তিনি বলেন, তিস্তা প্রজেক্ট নিয়ে চীন ও ভারত দুদেশই প্রস্তাব দিয়েছে। অবশ্যই আমরা বিবেচনা করব, কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে আমাদের দেশের মানুষের কল্যাণে আসবে। ভারত বলেছে তারা করতে চায়, তারা টেকনিক্যাল গ্রুপ পাঠাবে, অবশ্যই তারা আসবে।



 চীনও একটা ফিজিবিলিটি স্টাডি করছে, ভারতও একটা করবে। আমাদের কাছে যাদেরটা সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য এবং লাভজনক মনে হবে, আমরা তাদেরটাই গ্রহণ করব। চীন সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে৷ ভারতও করবে৷ হ্যাঁ, ভারত যদি এটা করে দেয়, তাহলে তো হলোই৷ তাহলে তো প্রতিদিন পানি নিয়ে প্যানপ্যান শুনতে হয় না৷



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আড়াই’শ শিশু শিক্ষার্থী পেলো একটি করে সিদ্ধ ডিম

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

 চাঁদপুর প্রতিনিধি::

বিদ্যালেয়ে আড়াই"শ শিশু শিক্ষার্থী পেলো একটি করে সিদ্ধ ডিম। শিশুদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে এই আযোজন করেছে উপজেলা  সম্পদ কার্যালয়। ১০ জুলাই (বুধবার) প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর এলকার টোরাগড় স্বর্ণকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের ডিম এই খাওয়ানো হয়।

এ উপলক্ষে এদিন বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহিন মিয়া বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণির মোট ২৫০ জন শিশু শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে সিদ্ধ ডিম তুলে দেন।

 বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্’র সভাপ্রধানে ও প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামালের সঞ্চালনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহিন মিয়া বলেন, প্রাণিসম্পদ দিবস উপলক্ষে ২৫০ শিক্ষার্থীকে ডিম খাওয়ানো হয়েছে। ডিমে সুলভ মূল্যে উচ্চমাত্রার প্রোটিন পাওয়া যায়।  শিশুর মেধা বিকাশে সুপার ফুড হিসেবে কাজ করে ডিম। ডিমের পুষ্টিগুণ শিশু শুধু মেধাই বিকাশ করে না চোখেরও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। তাই, প্রতিনিয়ত শিশুকে ডিম খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেন তিনি।

 অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সদর ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী, উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য মো. আবুল হাসেম ভুইয়া, সিনিয়র শিক্ষক রওশন আরা খানম, রুপালী রানী ঘোষ, জাহানারা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফাহমিদা আক্তার, সহকারী শিক্ষকসহ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর