Logo
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার (২৭ মে) দলটির সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আবহাওয়া ভালো হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যাবে।

দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি রোববার রাত ৮টার দিকে উপকূলে আঘাত করে।

এই ঝড়ের প্রভাবে গতকাল থেকে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, ভোলা, চট্টগ্রামে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বরিশালের রূপাতলীতে দেয়াল চাপায় মারা গেছেন দুজন।

সোমবার (২৭ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকায় দেয়াল চাপায় মারা যান সাইফুল ইসলাম হৃদয় নামের এক পথচারী।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হাফিজুর, ডিপিএস তুষারের নিয়োগ বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



মাজহারুল ইসলাম মাসুম/ সদরুল আইন:


প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব (ডিপিএস) হাসান জাহিদ তুষার ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।



বুধবার তাদের নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।



‘এমপি আনার হত্যার উদ্দেশ্য এখনও অজানা’

পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী হাসান জাহিদ তুষারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো। 


এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল সেই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো।


প্রসঙ্গত, মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণকারী হাসান জাহিদ তুষার দীর্ঘদিন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


 সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি তুষারকে ফের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হয়। এর প্রায় চার মাস পর তার নিয়োগ বাতিল হলো।


এদিকে গাজী হাফিজুর রহমান ২০০৮ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ পদে নিয়োগ পান। 


তিনি ছাত্রজীবনে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভিপি ছিলেন। পরবর্তীতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন।


আরও খবর



আনার চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিল তা আমরা কখনোই বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  ডেস্ক:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা আমরা কখনোই বলিনি।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হাইওয়ে পুলিশের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময় বলা হয়েছে তিনি চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত– আপনারা কী মনে করছেন? জবাবে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এমপি আনার, তা আমরা কখনোই বলিনি।

তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলে আসছি ঝিনাইদহ সন্ত্রাস-পূর্ণ একটি এলাকা। ওখানে সত্যিকারে কী হয়েছে, সেটা আমাদের জানতে হবে। আমরা তদন্ত করছি, তদন্তের পর আপনাদের সবকিছু জানাব।


আরও খবর



ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমি করলে অশ্লীল: ময়ূরী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক :


বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া বরাবরই খোলামেলা পোশাকে পর্দায় হাজির হয়ে ভক্তদের মনে ঝড় তোলেন ফারিয়া। 


এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকিনি পরা একটি ছবি শেয়ার করেছেন ফারিয়া; যা দেখে উত্তাল নেটদুনিয়া।


ফারিয়ার এমন লুকের ছবি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চিত্রনায়িকা পলি অভিনেত্রীর বিকিনি লুকের ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নুসরাত ফারিয়া, তোমাকে দেখতে সুপার লাগছে।’



পলির সেই পোস্টে মন্তব্য করতে দেখা গেছে চিত্রনায়িকা ময়ূরীকে। যেখানে ফারিয়ার খোলামেলা ছবির সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, নুসরাত ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমরা করলে অশ্লীল। ময়ূরীর এমন কমেন্টে চুপ থাকেননি পলিও। 


সেই মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এইবার বুঝলা দোস্ত, কেনো পোস্ট করলাম।’


 

ঢালিউডের অশ্লীল যুগের নায়িকা বলা হয় চিত্রনায়িকা ময়ূরী ও পলিকে। পর্দায় তাদের অভিনীতি বেশকিছু সিনেমা নিয়ে ব্যাপক আপত্তি রয়েছে দর্শকমহলে। যদিও নিজেদেরকে ‘অশ্লীল’ যুগের নায়িকার তকমায় ভীষণ আপত্তি রয়েছে পলি-ময়ূরীর।


তবে নেটিজেনদের ধারণা, হয়তো সেই আপত্তি থেকেই ফারিয়ার খোলামেলা ছবি নিয়ে ‘খোঁচা’ দিতে দেখা গেল তাদেরকে। তবে সমালোচকদের মন্তব্য কিংবা আপত্তিকে পাত্তাই দেননা ফারিয়া। বর্তমানে ভ্যাকেশন মুডে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।


সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে দেখা গেছে ফারিয়াকে। শ্যাম বেনেগাল নির্মিত ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।


আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪




১৪ দলে ভাঙনের সুর

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

১৪ দলকে পুনর্গঠন এবং সক্রিয় করার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। 

ওই বৈঠকে ১৪ দলের নেতাদের মান অভিমান ভাঙানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নেন। গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৪ দলের বিভিন্ন নেতারা আবেগঘন কথাবার্তা বলেন, হতাশার কথা বলেন। 

তাদেরকে কীভাবে অবজ্ঞা, অবহেলা করা হচ্ছে তার ফিরিস্তিও তুলে ধরেন। বিশেষ করে নির্বাচনে ১৪ দলকে উপেক্ষার বিষয়টি সামনে চলে আসে। 

প্রধানমন্ত্রী অবশ্য ধৈর্য্যের সঙ্গে সবার বক্তব্য শুনেছিলেন। এরপর তিনি ১৪ দলকে সক্রিয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর পরপরই ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা বিভিন্ন বিষয়ে ধীরে ধীরে কর্মসূচি পালনের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন। 

কিন্তু এরমধ্যেই গতকাল বাজেটের পর ১৪ দলের মধ্যে ভাঙনের সুর লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

১৪ দলের অন্যতম শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি এই বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাশেদ খান মেনন এই বাজেটকে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এর ফলে দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিকরা সুবিধা পাবে, সাধারণ মানুষ কষ্ট পাবে। 

একই রকম অবস্থান গ্রহণ করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনিও এই বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করেছেন। 

অতীতে কোন সময় আওয়ামী লীগের শরিকরা বাজেট নিয়ে সরাসরি ভিন্নমত পোষণ করেনি। বাজেট নিয়ে তাদের ভিন্ন মত তারা জোটের ফোরামে আলোচনা করেছেন এবং সেই অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে পরামর্শ দিয়েছেন। 

কিন্তু এবার সম্পূর্ণ চিত্রটা ভিন্ন। বাজেটের পরপরই রাশেদ খান মেনন এবং হাসানুল হক ইনু মুখ খুলেছেন। তারা সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এই প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে যে, তাহলে কী ১৪ দল ভেঙে যাচ্ছে? 

একটি জোটের মধ্যে শরিকরা সরাসরি কী সরকারের অবস্থান বা প্রধান দলের অবস্থানের সমালোচনা করতে পারে? 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেট নিয়ে সমালোচনার সঙ্গে ১৪ দলের ভাঙনের কোন সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব অর্থনৈতিক কৌশল এবং নীতি রয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির একটি অর্থনৈতিক অবস্থান আছে। তারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মনে করছে, বাজেট সঠিক হয়নি। 

অন্যদিকে জাসদও বাজেটকে ইতিবাচকভাবে দেখছে না। সেটা প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু ১৪ দলীয় জোট একটি আদর্শিক জোট। এই জোটের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সম্পৃক্ত রয়েছে। কাজেই আদর্শিক জোট সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে ভেঙে যাবে এমনটি মনে করেন না কোন রাজনৈতিক বিশ্লেষকই। 

তবে এখন যেহেতু জাসদ, সাম্যবাদী দল বা ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারে নেই, কাজেই তাদের স্বাধীন অবস্থান রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ১৪ দলের শরিক সবাই নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যারা যে দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন সেই দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারবেন না, অবস্থান গ্রহণ করতে পারবেন না। 

সেটা করলে তাহলে তা ‘ফ্লোর ক্রসিং’ হিসেবে বিবেচিত হবে। কাজেই ১৪ দলের শরিকরা যদি শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে বাজেটের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে সেখানে একটি অন্যরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। 

তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল স্বাধীন সত্তা। যে কোন বিষয়ে তাদের মতামত দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে তারা বাজেটের পক্ষেই অবস্থান নিবে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন।

আরও খবর



আদিতমারিতে পাওনা টাকা নিয়ে স্কুল ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট :

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলায় বন্ধুর কাছে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে মধু চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত মধুসুধন  চন্দ্র ভাদাই ইউনিয়নের রুহানীনগর এলাকার মৃত সুবাস চন্দ্রের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরে উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের রুহানী নগরে সতিনদীতে থেকে স্কুলছাত্র ফরহাদ আলীর (১৬) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 মৃত স্কুলছাত্র ফরহাদ একই ইউনিয়নের শীববাড়ি এলাকার গরু ব্যবসায়ী শাহাজান আলীর ছেলে।

সে আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

 ঘটনা স্থলে পরিদর্শনে আসা পুলিশ সুপার জানায়,‌ মধু একটি মোটরসাইকেল কিনে পাশের গ্রামের শীববাড়ির ফরহাদের কাছে বিক্রি করেন। সেই মোটরসাইকেলের টাকা লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ  হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল নিয়ে ফরহাদ বাড়ি থেকে বের হয়, আর ফেরেনি স্কুলছাত্র ফরহাদ। ছেলের সন্ধান না পেয়ে আদিতমারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ফরহাদের বাবা। সেই জিডির সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। প্রথমদিকে ফরহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি মধু কাছে পাওয়া যায়। এসময় তাকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে মধুর দেওয়া তথ্যমতে তার বাড়ি থেকে অস্ত্র ও পাশের ভেটশ্বর নদী থেকে ফরহাদের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  

আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আরও জানান, যদি এই হত্যা কান্ডের সাথে আরও কেউ জড়িত থাকে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।  

পরিদর্শন শেষে ফেরার সময় রাস্তায় নিহত ফরহাদের স্বজনরা অবরোধ করে ন্যায় বিচারের আশায়।


আরও খবর