Logo
শিরোনাম

গজারিয়ায় বসুন্ধরার শ্রমিকদের বোনাসের দাবিতে সড়ক অবরোধ বিক্ষোভ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

 গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

গজারিয়া উপজেলার আনারপুরায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড কোম্পানির শ্রমিক'রা বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে।

রবিবার দুপুর ২ঘটিকায় ফ্যাক্টরী সংলগ্ন মহাসড়ক অবরোধ করে তাঁরা।

জানা যায়,কনভার্ট শাখা ইউনিট ৩ এর প্রায় ২হাজার শ্রমিকের ঈদ বোনাস,১৭ মাসের পাওনা ওভারটাইম বেতন না দেয়া সহ নানাভাবে শ্রমিকদের হয়রানির অভিযোগে তাঁরা এই অবরোধ করেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শ্রমিক জানান,দীর্ঘদিনের ওভারটাইমের টাকা না পেয়ে তাঁরা মানবেতর জীবন যাপণ করছেন।আন্দোলন করার জন্য একাধিক শ্রমিক চাকুরী হারানোর ভয়ে আছেন।

নজরুল ইসলাম নামে এক শ্রমিক জানান,আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য আমাদের ক'জনের দীর্ঘদিন যাবৎ প্রমোশন হচ্ছে না,নিজের জীবন নিয়েও শংকিত তিনি।

এ বিষয়ে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিঃ(ইউ-৩)এর হেড অফ প্রজেক্ট ইঞ্জিঃমোঃআবুল হাসান বলেন, ধারাবাহিক বোনাস না দেওয়ার দাবি সত্য,এই মাসের বোনাস আজ'ই শ্রমিকদের মোবাইল একাউন্টে ট্রান্সপার করা হয়েছে।

রাস্তা অবরোধের বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন,অবরোধের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেন,সেই সাথে অবরোধের কারণে যে যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল তা অল্পকিছু ক্ষনের মধ্যেই স্বাভাবিক হয়ে যায়।

সার্বিক বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃজিয়াউল ইসলাম চৌধুরী বলেন,দাবি আদায়ে মহাসড়ক অবরোধ কোন ভাবেই কাম্য না,আমরা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিব।


আরও খবর



মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে আমিষের অবদান অনস্বীকার্য

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর মৎস্য পণ্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সুস্থ-সবল ও মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে নিরাপদ আমিষের অবদান অনস্বীকার্য। এ লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। রবিবার শুরু হচ্ছে এই মৎস সপ্তাহ।

প্রতিবছরের মতো এবারও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে জেনে প্রধানমন্ত্রী আনন্দিত হন। এ উপলক্ষে দেশের মৎস্য চাষি ও মৎস্যজীবীসহ মৎস্য খাতসংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, বিপুল সম্ভাবনাময় এ মৎস্য খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাই আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘রূপকল্প-২০৪১’ অর্জনের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ মৎস্য সম্পদের পাশাপাশি সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ একটি অপার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্য প্রজাতির সর্বোচ্চ আহরণ মাত্রা নির্ধারণ করে সমুদ্র মৎস্য সম্পদের স্থায়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাগরে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া লং লাইনার ও পার্সসেইনার নৌযানের মাধ্যমে একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় টুনা এবং সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সামুদ্রিক জলসীমায় অবৈধ, অনুল্লিখিত এবং অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌকায় ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম ও অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে পরিবীক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্যের মজুত নিরূপণ, তার যথাযথ সংরক্ষণ ও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রবর্তনের মাধ্যমে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ একটি নবায়নযোগ্য সম্পদ, যার বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন দেশের জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত হিসেবে মৎস্য খাতকে চিহ্নিত করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার সবার অংশগ্রহণে মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য আজ সর্বজনবিদিত। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে বাংলাদেশ তৃতীয়, বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে পঞ্চম, সামুদ্রিক ও উপকূলীয় ক্রাস্টাসিয়া উৎপাদনে অষ্টম ও ফিনফিস উৎপাদনে ১২তম স্থান অধিকার করেছে। ইলিশ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে প্রথম, তেলাপিয়া উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ এবং এশিয়ায় তৃতীয়।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




ফুলবাড়িতে,বন্যায়

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ আগস্ট 2০২2 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে,২০২২-২৩ অর্থবছর খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি পূর্ণবাসন কর্মসূচির আওতায় রোপা আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

০২(আগষ্ট) মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর ফুলবাড়ী এর বাস্তবায়নে কৃষি অফিস চত্বরে সকালে,উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ শত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের

মাঝে প্রতি বিঘায় ৫ কেজি রোপা আমন ধান বীজ,১০কেজি ডিএপি ও ১০কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সুমন দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, রায়হান উদ্দিন ও উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ। 


আরও খবর



দেশে অপ্রচলিত নতুন ছয় মাদক জব্দ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  দেশে অপ্রচলিত নতুন ছয় মাদক জব্দ হয়েছে। বিদেশ থেকে পার্সেলের মাধ্যমে আনা হতো এগুলো। এসব মাদক হলো- এক্সট্যাসি, হেম্প, মলি, অ্যাডারল এবং ফেন্টানিল। এ ছাড়া তাপ নিয়ন্ত্রণ গ্রো-টেন্টের মাধ্যমে অভিনব পন্থায় তৈরি মাদক ‘কুশ’ জব্দ করেছে এলিট ফোর্স র‌্যাব। এসব মাদকের কারবার করে আসছিলেন ওনাইসি সাঈদ ওরফে রেয়ার সাঈদ নামের এক উচ্চশিক্ষিত যুবক। তিনি মাদকবিজ্ঞানী হওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। 

র‌্যাব জানিয়েছে, বিভিন্ন অপ্রচলিত ও নতুন মাদক বিক্রি এবং তাপ নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে কুশ তৈরি করতেন সাঈদ। রীতিমতো এসব মাদক নিয়ে তিনি গবেষণা শুরু করেন। এ ছাড়া কুশ মাদক দিয়ে তৈরি করতেন বিশেষ সার। ভবিষ্যতে দেশের বাইরেও কুশ রপ্তানির পরিকল্পনা ছিল তার। এজন্য তার বাসায় কুশ প্লান্টের ফার্ম তৈরি করেন। টেস্ট অ্যান্ড ট্রায়াল হিসেবে সাঈদ মোহাম্মদপুরে ফ্ল্যাটের ভেতর তাপ নিয়ন্ত্রণ গ্রো-টেন্ট পদ্ধতিতে চাষ শুরু করেন। তার প্রতিটি মাদকের বোতলে তাপমাত্রা দেওয়া। কোন বোতলে কোন মাত্রা দিতে হবে, সব উল্লেখ করে রেখেছিলেন। তবে ওনাইসি নিজে মাদক সেবন করেন না। কিন্তু আমেরিকায় পড়াশোনা করার সময় নতুন মাদকের প্রতি তার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সেই আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন অপ্রচলিত এক্সট্যাসি আনতেন। কখনো নিজে আবার কখনো পার্সেলের মাধ্যমে আমদানি করতেন। আর মাদকের টাকা পাঠাতেন হুন্ডির মাধ্যমে। এসব মাদক রাজধানীর বিভিন্ন পার্টিতে বিশ্বস্ত সার্কেলের মাধ্যমে সরবরাহ করতেন।

র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে অপ্রচলিত এই নতুন ছয় মাদকদ্রব্যসহ ওনাইসি সাঈদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তার কাছ থেকে ১০১ গ্রাম কুশ, ৬ গ্রাম হেম্প, ০.০৫ গ্রাম মলি, ১ গ্রাম ফেন্টানল, ১২৩ পিস এক্সট্যাসি, ২৮ পিস অ্যাডারল ট্যাবলেট, ১৮ গ্রাম কোকেন এবং ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ও অর্ধলক্ষাধিক ডলার জব্দ করা হয়। পাশাপাশি কুশ তৈরির সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।

খোন্দকার আল মঈন বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে অপ্রচলিত, তবে বিভিন্ন উন্নত দেশে প্রচলিত এমন কিছু মাদক পার্সেলের মাধ্যমে ঢাকায় এনে বিক্রি করছে। যাতে ধীরে ধীরে যুবসমাজকে মারাত্মক আসক্ত করে তুলছে। এমন গোয়েন্দা নজরদারির পর গুলশান এলাকা থেকে ওনাইসি সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে মোহাম্মদপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে তাপ নিয়ন্ত্রণ গ্রো-টেন্টের মাধ্যমে অভিনব পন্থায় বিদেশি প্রজাতির কুশ তৈরির প্লান্ট ও সেটআপ জব্দ করা হয়।

নতুন মাদকের আমদানি, প্রক্রিয়াজাতের বিষয়টি তদন্ত করবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এই নতুন মাদকের আমদানি করতে গিয়ে বিদেশে মুদ্রা অবৈধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন তিনি। সবমিলে তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, মাদক মামলা, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ওনাইসি সাঈদ দেশে একটি স্বনামধন্য ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে আমেরিকায় যান। সেখানে বিবিএ ও মালয়েশিয়ায় গিয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সাল থেকে দেশে অবস্থান করছেন।

থাইল্যান্ডে থাকা অবস্থায় ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের ফয়সাল নামক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। যার মাধ্যমে সাঈদ নতুন মাদক সম্পর্কে জানতে পারেন।

ওনাইসি সাঈদ প্রায় ৪ বছর ধরে এক্সট্যাসিসহ অন্য উচ্চমূল্যের মাদকের কারবারে জড়িত। দেশে তার ৭-৮ জন সহযোগী আছে।

র‌্যাব আরো জানায়, সাঈদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ছিল নতুন মাদক তৈরি করা। সে অনুযায়ী মাদক প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে উন্নত দেশে সরবরাহের লক্ষ্যে কুশ প্লান্টের ফার্ম তৈরি করেছেন। টেস্ট অ্যান্ড ট্রায়াল হিসেবে সাত মাস আগে মোহাম্মদপুরে ভাড়া ফ্ল্যাটের ভেতরে তাপ নিয়ন্ত্রণ গ্রো-টেন্ট পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেন। সেই ফার্ম থেকে একবার হারভেস্ট ও পরে প্রসেস করে কুশ মাদক ?উৎপাদন করেন; যা দেশের বিভিন্ন মাদকাসক্তের কাছে বিক্রি করতেন। নতুন মাদক প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে বিক্রি করে লাভবান হওয়াই ছিল তার লক্ষ্য।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




সাজেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যাবসায়ী আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন রাঙ্গামাটি ঃ 

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন এলাকা থেকে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪৮০ পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম সহ চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়িকে আটক  করেছে সেনাবাহিনী বাঘাইহাট জোন। 

শুক্রবার ২৯ জুলাই দুপুরে  বাঘাইহাট জোন,৬ ইস্ট বেঙ্গল, জোন  কমান্ডার লেঃ কর্নেল মুনতাসির  রহমান চৌধুরী,পিএসসি এর নির্দেশে সাজেক আর্মি  ক্যাম্পের  কমান্ডার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ইবনুল বায়াৎ মোঃ ফজলে এলাহী এর নেতৃত্বে একটি  বিশেষ টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করেন। আটক মাদক ব্যাবসায়ী  সাজেক গেস্ট হাউজ এর মালিক (অংশীদার) মোঃ জনি, সে দিঘিনালা এলাকার  মোঃ আলমগীরের ছেলে।  সেনাবাহিনী জানায় অভিযানে   ৪৮০ পিস ইয়াবা,  ফুয়েল পেপার  ২০০ টি, ইয়াবা সেবনের জন্য  বোতলের সিপি ০৩ টি, কাগজের পাইপ ০৭ টি এবং নগদ মাদক বিক্রির ২৬,০০১ টাকা সহ আটক করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীকে জব্দকৃত মালামাল সহ  সাজেক থানায় হস্তান্তর করা হয়। সাজেক থানার ওসি মোঃ নুরুল ইসলাম বিষয়টি   নিশ্চিত  করে  বলেন উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। 

বাঘাইহাট সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মুনতাসীর রহমান চৌধুরী, পিএসসি,   বলেন পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং সাজেক পর্যটন এলাকায় মাদক দ্রব্য থেকে যুব সমাজকে রক্ষার  জন্য  সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে সবার উপরে দেশ। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের জনগণ এবং দেশের সম্পদ রক্ষার জন্য সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ কাজের ধারাবাহিতা অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বাবার শরীরের চাপায় শিশু সন্তানের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রফিকুল ইসলাম পঞ্চগড় ঃ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ঘুমানোর সময়ে বাবার শরীরের চাপায় সমাপ্তি হাজদা নামে (৩) মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ জুলাই) গভির রাতে জেলার আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের দোহসুর আদিবাসী পল্লিতে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, নিহত শিশু সমাপ্তি হাজদা একই এলাকার শনিরাম হাজদার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে শিশুটিকে নিয়ে তার মা পাটি বিছিয়ে বিছানার নিচে ফ্লোরে ঘুমাচ্ছিলো। এক সময় শিশুটির বাবা শনিরাম বাড়িতে এসে বিছানায় ঘুমাতে গেলে ঘুমের ঘোরে নিচে থাকা শিশুটির উপর পড়ে যায়। এতে শনিরামের শরীরের চাপায় ঘটনাস্থলে শিশুটি মারা যায়। আজ সোমবার (১১ জুলাই) সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহের প্রাখমিক সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। আটোয়ারী থানার এসআই শাহিন আল মামুন বলেন, পারিবারিক ও স্থানীয় ভাবে জানা যায় বাবা শনিরাম নেশাগ্রস্ত ছিলো। মাঝে মধ্যে নেশা করে বাড়িতে আসতো। আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর