Logo
শিরোনাম

গঙ্গা চুক্তি অনুযায়ী পানি পাচ্ছে না বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গঙ্গা চুক্তির চেয়ে গত দুই থেকে তিন বছর বেশি পানি পেলেও এবার চুক্তির চেয়ে অনেক কম পানি পেয়েছে বাংলাদেশ। শুকনো মৌসুমে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী হার্ডিঞ্জ সেতুর উজান ও ভাটিতে পদ্মার পানির স্তর নেমে যাওয়ায় এ অঞ্চলে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এক সময়ের প্রমত্তা পদ্মা পরিণত হয়েছে ছোট নদীতে। মৃত্যু ঘণ্টা বেজেছে এই অঞ্চলের সুতা নদী, কমলা নদী, ইছামতি নদী ছাড়াও আরও অন্তত ১৭টি নদীর।

ভারতের সঙ্গে গঙ্গা চুক্তি হয়েছিল সেই ২৮ বছর আগে। এর মধ্যে জলবায়ুর পরিবর্তন হয়েছে, পানির চাহিদা বেড়েছে, অনেক কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে। তাই পদ্মাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এবং এ অঞ্চলের মানুষকে বাঁচাতে গঙ্গা পানি চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এবারের ফারাক্কা দিবসের প্রাক্কালে এমন দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে নদী গবেষক ও বিশ্লেষক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীকে নদীর মত করে বাঁচতে না দিলে প্রাণ-প্রকৃতি ক্রমেই ধ্বংস হয়ে যাবে। এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পৃথিবী। গঙ্গা পানি চুক্তি রিভিউ করে তা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষক ও পরিবেশবিদরা।

তাদের মতে, পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পদ্মাসহ সকল শাখা নদী এখন মৃতপ্রায়। ফলে বছরের পর বছর ধরে হুমকির মুখে পড়ে আছে পদ্মার দুই পাড়ের পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও হাইড্রোলজি বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতীয় প্রতিনিধি দল এ বছর খরা ও অনাবৃষ্টির ফলে ফারাক্কায় পানির প্রবাহ কমে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন। ঈশ্বরদীর পাকশী পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মায় পানির প্রবাহও কমেছে একই কারণে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে মরুময়তার হাত থেকে রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০ বছরের পানি চুক্তি হয়। সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেব গৌড় ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হায়দ্রাবাদ হাউজে ঐতিহাসিক ৩০ শালা পানি চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে প্রতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেয়ার কথা।

পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৬৯ কিউসেক। তার আগের দিন মঙ্গলবার এখানে পানি পাওয়া গেছে ২৬ হাজার ৬৫৬ কিউসেক।

পাবনা হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন জানান, বুধবার ভারতীয় নদী কমিশনের সদস্য ও নির্বাহী প্রকৌশলী অপর্ভা রাজ ও সুদীপ্তা মাহান্তিসহ ভারতীয় প্রতিনিধি দল পদ্মা নদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সরেজমিনে পানি পরিমাপ করেছেন। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন তারা পনির প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানান। তিনি বলেন, পানির প্রবাহ প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে।

ভারতীয় নদী কমিশনের সদস্য ও নির্বাহী প্রকৌশলী অপর্ভা রাজ বলেন, পানি কমের কারণে এখন ফারাক্কা প্রান্তে যে পানি প্রবাহ হচ্ছে তা দুই ভাগে ভাগ করে অর্ধেক বাংলাদেশে দেয়া হচ্ছে।

পরিবেশবিদ ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর শাহনেওয়াজ সালাম বলেন, পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র এখনো হুমকির মুখে। এসব থেকে রক্ষা পেতে আমার মনে হয় নতুন করে গঙ্গার পানি চুক্তি হওয়া দরকার।

উত্তরাঞ্চলীয় পানি পরিমাপ বিভাগ ও পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেয়ার কথা। সে অনুযায়ী বর্তমানে আমরা কম পানি পাচ্ছি।


আরও খবর



খুলছে অফিস, চলবে নতুন সূচিতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

পবিত্র ঈদুল আজহার পাঁচ দিনের ছুটি শেষে আগামীকাল বুধবার খুলছে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। ১৯ জুন থেকে আট ঘণ্টা করে অফিস করবেন সরকারি চাকরীজীবীরা।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী এবার ঈদুল আজহার তিন দিনের ছুটি শুরু হয় গত রোববার। শেষ হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন)। তার আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা মোট পাঁচ দিন ছুটি উপভোগের সুযোগ পান।

বুধবার (১৯ জুন) থেকে সরকারি-আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে। নতুন এ নিয়মে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিসহ) আট ঘণ্টা অফিস করতে হবে।

গত ৬ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় করা হয়েছিল দৈনিক সাত ঘণ্টা। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস করেছিলেন চাকরিজীবীরা।


আরও খবর



কুয়েতে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩৫

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ


কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলের মানগাফ শহরে একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছে। আজ বুধবার (১২ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির।



দেশটির ফরেনসিক বিভাগের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইদ আল-ওয়াইহানের উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েতের প্রতিবেদনে বলা হয়, মানগাফের ওই ভবনে আগুনে মৃতের সংখ্যা ৩৫ ছাড়িয়েছে। 


প্রাথমিকভাবে ১৫ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যাদের মধ্যে চারজন পরে মারা গেছে।



এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আল-গারিব বলেছেন, প্রাথমিকভাবে বেশকিছু প্রাণহানি ও আহতের তথ্য পাওয়া গেছে।


বুধবার ভোর সাড়ে ৪টায় ফায়ার বিভাগ কর্মীরা ঘনবসতিপূর্ণ একটি বাসভবনে আগুনের সূত্রপাতের খবর পায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।


 ভবনটির বাসিন্দারা ঘুমাচ্ছিলেন। ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে না পারায় অধিকাংশ প্রাণহানি হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল।  



সূত্রের তথ্যমতে, বর্তমানে ভবনটিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের ব্যবস্থাপনায় ব্যস্ত সময় পার করছে কর্তৃপক্ষ। একাধিক ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা ওই ভবনে কাজ করছে। নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা চলছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৩ জনকে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছিলেন অনেকে। এর মধ্যে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।



আহতদের মধ্যে ২১ জনকে আল-আদান হাসপাতালে, ছয়জন আল-ফারওয়ানিয়াহ হাসপাতালে, একজন আল-আমিরি হাসপাতালে, ১১ জন মুবারক হাসপাতালে এবং চারজনকে জাবের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত ও নিবিড় পরিচর্যা প্রদানে মেডিকেল টিমগুলো অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে এবং সম্ভাব্য সর্বোত্তম চিকিত্সা পরিষেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে। 


আহতদের ফলোআপ করার জন্য এবং তাদেরকে মানসিকভাবে ও তাদের পরিবারকে নৈতিকভাবে সমর্থন দেওয়ার জন্য বিশেষায়িত মেডিকেল টিমও গঠন করা হয়েছে।



আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

আমার বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই। যে মাংসের টুকরো ছুঁয়ে দেখতে পারি। সে মাংসের টুকরোকেই বাবা মনে করে জানাজা করাতে চাই।

কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে নৃশংসভাবে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও হত্যার পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে কাঁদতে কাঁদতে এসব কথা বলেন নিহত এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। শুক্রবার (২৪ মে) বিকেল ৫টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন। মানববন্ধন চলাকালে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাবা হারানোর ব্যথা-কষ্ট বোঝেন। তিনি আমার বাবা হারানোর বেদনা বুঝবেন। তার বাবার হত্যার বিচার করেছেন, আমার বাবা হত্যার বিচারও করবেন। হত্যার পরিকল্পনাকারীকে ধরার পরই খতিয়ে দেখা যাবে আসলে সে এত বড় অপকর্ম কেন ঘটালো। এর বিচার অবশ্যই হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে। গতকালও কথা বলেছি। আমরা আইনের আশ্রয় নেব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছেন, আওয়ামী লীগের দলীয় সর্বোচ্চ অভিভাবকরা আছেন, তারা আমাদের পরামর্শ দেবেন এবং তারা অবশ্যই তাদের দলীয় এমপি হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। কালীগঞ্জের মানুষের সুখে দুঃখে যিনি সবসময় পাশে থেকেছেন সেই মানুষটির হত্যার বিচার আমরা চাই। আমরা কোনো শৃঙ্খলাহানি করতে চাই না।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ। এ সময় নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান মতি, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসেনসহ আওয়ামী লীগের সকল ইউনিটের নেতাকর্মী ও এলাকাসী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে রিপোর্টঃ

দেশ রক্ষায় তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তরুণ-যুবক সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। 


কারণ এই সংগ্রাম শুধু বিএনপির একার নয়, এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করার সংগ্রাম।


আজ বুধবার (১২ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংকট-উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


ক্ষমতাসীন সরকারকে প্রধান শত্রু উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। আমাদের সুর একটাই এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। 



আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে, শিগগির আমাদের আন্দোলন আরও বেগমান হবে। আমরা সব দল এক হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারক সরাতে পারি, কীভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি, সে লক্ষেই আমরা সংগ্রাম করছি।’



নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আসুন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করি। বিশেষ করে গণতন্ত্র এবং ভোটের অধিকার রক্ষার লড়াই। আমাদের লক্ষ্য একটাই এই সরকারকে সরিয়ে দেয়া।



 মানুষ জেগে ওঠেছে। আমরা হয়তো তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারি নাই। তবে নতুন সূর্যোদয় হবেই। সেখানে অবশ্যই আমাদের পৌঁছাতে হবে।’


মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘এই সরকারের অপকীর্তি বলে শেষ করা যাবে না। এরা রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি তারা অর্থনৈতিক কাঠামোও ধ্বংস করেছে।


বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য দেন।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে পারে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন করে চালু হতে পারে জিএসপি সুবিধা। এরই মধ্যে দেশটির কংগ্রেসে এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ফের জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে চাইলে বাংলাদেশকে পূরণ করতে হবে দেশটির দেয়া অ্যাকশন প্ল্যান। বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন, ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির ল্যাবার অ্যাটাশে লিনা খান।

রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশন দুর্ঘটনার রেশ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জিএসপি সুবিধা হারায় বাংলাদেশ। ফিরে পেতে নেয়া হয়েছে বেশ কিছু পদক্ষেপ। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার জন্যে স্কিমটি বন্ধ রেখেছে মার্কিনিরা।

এটি ফের চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে শুরু হয়েছে আলোচনা। যেখানে বাংলাদেশ পেতে পারে অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই দেশটির তরফ থেকে বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি, কাজের মান ও পরিবেশ, শ্রমিকের সংগঠন করবার স্বাধীনতাসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা তুলে দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের হাতে। লিনা খান জানান, তার দেশ আশা করে, ২০২৬ সাল নাগাদ সব শর্ত পূরণে সক্ষম হবে ঢাকা।

প্রথম মার্কিন ল্যাবার অ্যাটাশে লিনা খান বলেন, বাংলাদেশ যদি জিএসপি সুবিধা ফেরত পেতে চায়, তবে আন্তর্জাতিক নিয়ম বা শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি আইএলওকে দেয়া সময় অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে সব শর্ত পূরণে সক্ষম হবে।

তার দাবি গেল কয়েক বছরে বাংলাদেশে কাজের পরিবেশ সুরক্ষিত হয়েছে যেমন, তেমনি অভিযোগ আছে শ্রমিক ও শ্রম অধিকার কর্মীদের স্বাধীনভাবে সংগঠন করবার অধিকার ক্ষুন্নের অভিযোগ।

প্রথম মার্কিন ল্যাবার অ্যাটাশে লিনা খান বলেন, আমাদের কিছু বিষয়ে গভীর উদ্বেগ আছে। যেমন- শ্রমিক হয়রানি, সংগঠন বিরোধী মনোভাব ও কার্যকলাপ, শ্রম অধিকারকর্মীদের সংগঠন করবার স্বাধীনতা খর্ব ও মামলার মতন বিষয়গুলোতে। অথচ আমরা গত ১০ বছরে কাজের পরিবেশের নিরাপত্তার দারুণ অগ্রগতি দেখেছি, যা প্রশংসার যোগ্য।

ভিন্ন এক প্রশ্নে লীনা বলেন, মার্কিনিদের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম লক্ষ্য শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করা। তাই বাংলাদেশেও একে সম্মান জানাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।


আরও খবর