Logo
শিরোনাম

গরীবের মাতা শেখ হাসিনা আবারও যেন প্রধানমন্ত্রী হয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বাগেরহাট প্রতিবেদক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাধ জানাতে এসে তৃপ্তির হাসির দুনয়ন থেকে অশ্রু ছেড়ে দিয়ে সফল ভাতা ভোগী সুবিধাভোগী কুলসুম বেগম (৯০) বৃদ্ধা বললেন, তিনিতো মমতাময়ী মা সন্তানের ব্যথা তো সেই বোঝেন। আবারও যেন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয় দোয়া করি আল্লাহর নিকট।

  বুধবার বিকেল ৫ টায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি সিরাজ উদ্দিন মোমোরিয়াল কলেজ মাঠে উপজেলা পরিষদের আয়োজনে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায়  সুবিধাভোগী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে এ কথাগুলো বললেন সফল সুবিধাভোগী অনেকেই নূরুজাহান বেগম (৮০), মর্জিনা বেগম (৭৫), আয়সা বেগম (৬৫), আব্দুল মান্নান শেখ (৭৫), সুলতান মুন্সী (৮০) ও ইসাহাক হাওলাদার (১০৩)। এরা প্রত্যকেই বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগীর আওতায়। বৃদ্ধ বয়সে সংসারের নিজ নিজ সন্তানেরা অভাবের তাড়নায় পিতা মাতার খোঁজ খবর না নিলেও সরকারের  দেওয়া এ ভাতা পেয়ে  প্রাপ্ত সুবিধাভোগীরা খুশি। তারা মনের আনন্দে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দু’ হাত তুলে দোয়া করে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।  আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন। উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. মোশারেফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এমদাদুল হক, পৌরসভা মেয়র এসএম মনিরুল হক।

   অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশীদ, চেয়ারম্যান মো. আকরামুজ্জামান, মো. সাইদুর রহমান, মো. হুমায়ুন কবির মোল্লা ও কাউন্সিলর মো. শাহিন শেখ। মোরেলগঞ্জে প্রায় ৯০ হাজার পরিবার ৪১ প্রকারের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়মিত সুবিধা পাচ্ছেন। 


আরও খবর



বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বিএসএফের গুলিতে মো. রাজু মিয়া (২৮) নামে এক বাংলাদেশী নিহত হয়েছে। নিহত রাজু মিয়া বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের গড়িয়ালী গ্রামের হবিবর আলীর ছেলে।



বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



অস্ত্র-গুলিসহ দুই রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির নগরভিটা সীমান্তের পিলার নম্বর ৩৭৬/৫ এস নামক স্থানে গতকাল রাত আনুমানিক ১টার দিকে গরু চোরাকারবারী করতে গেলে রাজু গুলিবিদ্ধ হয় এবং ঘটনাস্থলে নিহত হয়। তার মরদেহ বর্তমান বিএসএফের কাছে রয়েছে।


ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. তানজীর আহম্মদ বলেন, আমরাও ঘটনাটা শুনেছি তবে, সে বাংলাদেশী নাকি ইন্ডিয়ান এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। 



আমরা পতাকা বৈঠকের জন্য তাদেরকে আহবান করেছি। পতাকা বৈঠকের পরে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।


 


আরও খবর



বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের নামে ভাওতাবাজি করে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  ডিজিটাল ডেস্ক :


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের নামে এরা ভাওতাবাজি করে। 


আমাদের সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী শক্তি আমাদের অভিন্ন শত্রু। এই অভিন্ন শত্রু বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। আমাদের আজকে শপথ এই অভিন্ন শক্তিকে পরাজিত করতে হবে। পরাভূত করতে হবে। আমাদের বিজয়কে আমরা সুসংহত করবো।



রোববার (২৩ জুন) সকালে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।


ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ছয় বছর পর শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অন্ধকারে আশার আলো হয়ে এসেছিল। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে। 



তিনি এসেছিলেন বলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুত্থান হয়েছে। গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল স্বাধীনতার আদর্শের প্রত্যাবর্তন।


শেখ হাসিনার অর্জন বাংলাদেশের জন্য সারা পৃথিবীতে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে বিশ্বব্যাংককে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন আমরাও পারি।


 আমাদের সামর্থ্যের প্রতীক, আমাদের সক্ষমতার প্রতীক এই পদ্মা সেতু নিজের টাকায় করেছেন।


তিনি আরও বলেন, জিয়ার পরে এরশাদ, এরশাদের পর বেগম খালেদা জিয়া - একুশ বছর ধরে আমরা অন্ধকারে ছিলাম। একুশ বছর ধরে আমাদের গণতন্ত্র ছিল নির্বাসনে। 


আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বিজয়ের নায়ক, স্বাধীনতার স্থপতিকে বাদ দিয়ে উদযাপন করা হতো।


ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এই দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীনতম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। আমরা এক কথায় বলতে পারি, সংগ্রাম, সাফল্য ও সংস্কৃতির বর্ণিল প্রতিভাসের নাম আওয়ামী লীগ।




আরও খবর



সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে ৫ শতাধিক বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  টুডেস ডেস্ক:


ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সিরাজগঞ্জে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনা নদীর পানি। 



সেইসঙ্গে জেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। মাত্র সপ্তাহের ব্যবধানে পানির তোড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ৫ শতাধিক বাড়ি ও ফসলি জমি। 


আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ১২ ঘণ্টায় ২১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে কাজিপুর মেঘাই পয়েন্টে নদীর পানি বেড়েছে ২৪ সেন্টিমিটার।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যমুনায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী, সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ও শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর এবং কৈজুরী ইউনিয়নে এক সপ্তাহ ধরে তীব্র ভাঙন চলছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিওব্যাগ ফেললেও বর্ষা মৌসুমে তা কোনো কাজেই আসছে না। 



বরং প্লাবিত হচ্ছে নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা। এছাড়াও চলনবিলসহ ফুলজোড়, ইছামতি, হুড়াসাগর, বড়াল, গোহালা, গুমানি নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে।


খাস রাজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দক্ষিণ খাসরাজবাড়ী গুচ্ছগ্রামের ৬০-৭০টি বাড়িঘর ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গুচ্ছগ্রামের মানুষগুলো ফের ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।



সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া মুন্সী জানান, এ ইউনিয়নে এক মাসে দুই শতাধিক বাড়িঘর ও তিন হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে হাটবয়ড়া, দোগাছি, বড়কয়ড়া, ছোটকয়ড়া, চন্ডাল বয়ড়া, বেড়াবাড়ি, কৈগাড়ি, দোরতা ও বর্ণি গ্রামের আরও পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর, চার কিলোমিটার পাকা রাস্তা, কয়েকশ একর ফসলি জমি, বন্যা ও দুর্যোগকালীন আশ্রয়কেন্দ্র মুজিবকেল্লা, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর অধীন ১২৬টি ব্যারাক, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক ও ছয়টি সরকারি প্রাইমারি স্কুল।


কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন খোকন বলেন, কয়েকদিন ধরে হাঁটপাচিলে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।  ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও। এলাকাবাসী ত্রাণ চায় না, এক বান্ডিল টিনও চায় না। তারা চায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, জালালপুর ও কৈজুরী ইউনিয়নের হাঁটপাচিল এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন কবলিতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সহযোগিতা করা হবে।


এদিকে পাউবো সূত্র জানায়, ২০২১ সালে যমুনার ভাঙনরোধে শাহজাদপুরের এনায়েতপুর থেকে কৈজুরী পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৬৫০ কোটি টাকার এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও মাত্র অর্ধেক শেষ হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।


সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, নদীভাঙন রোধে আমরা প্রকল্পের পাশাপাশি জিওটিউব ডাম্পিং শুরু করেছি। এছাড়া পাউবোর ড্রেজার দিয়ে চ্যানেলটিকে প্রশস্ত করার চেষ্টা করছি। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জন্য খনন কাজ চলছে। সেই সঙ্গে ভাঙনরোধে কাজ করা হচ্ছে।




আরও খবর



২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিল থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: আগামী বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এপ্রিল থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। 

এ বিষয়ে পরীক্ষা শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সমন্বয় কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেছেন, আগে এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে শুরু করা হলেও করোনার কারণে ঠিকসময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

এবার কিছুটা এগিয়ে আনা হয়েছে। আগামী বছর থেকে এপ্রিলেই এই পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর কর্মকর্তারাও মনে করেন জুন-জুলাই মাস বর্ষা থাকে। এই সময়ে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার জন্য খুব উপযুক্ত সময় নয়। কিন্তু করোনার কারণে পিছিয়ে থাকায় কিছু করারও ছিল না।

 তবে তারা আশাবাদী, আগামী বছর থেকে আবারও প্রায় স্বাভাবিক সময়ের মতো পরীক্ষা নেওয়া যাবে।

প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতো। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলোভাবে চলছে। এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা নভেম্বরেও শুরু করতে হয়েছে। পরীক্ষাও হয়েছে কাটছাঁট করা পাঠ্যসূচিতে। এখন তা ধীরে ধীরে এগিয়ে আনা হচ্ছে।

এবারের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে রোববার (৩০ জুন) থেকে। তবে সিলেট বিভাগ বাদে সারা দেশে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

 বন্যা পরিস্থিতির কারণে শুধু সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল সেগুলো যথারীতি হবে।


আরও খবর



নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মবিরতি চলমান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সিনিয়র রিপোর্টার :

'বৈষম্য নিপাত যাক-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক' এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য দূরীকরণ সহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাতিলের দাবীতে টানা ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারা দেশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মবিরতি পালনের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যকার বিভিন্ন বৈষম্যের প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টা থেকে নওগাঁ শহরের চকবিরাম নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কার্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। এসময় নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা ডিজিএম আকিয়াব হোসেনের নেতৃত্বে এজিএম রাজু হাসান ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এসময় নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা, ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, মাঠ পর্যায়ে কর্মচারীদের চুক্তি ভিত্তিক চাকুরি নিয়মিত না করা সহ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বিভিন্ন অনিয়মের শিকার হচ্ছে সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ করে স্মার্ট ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে অভিন্ন চাকুরী বিধি ও সকল চুক্তিভিত্তিক, অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরি নিয়মিতকরনের দাবি জানান মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষনাও দেওয়া হয়।


আরও খবর