Logo
শিরোনাম

গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রংপুরবাসীর জনজীবন। একটু প্রশান্তির জন্য ফুটপাতে ঠান্ডা শরবত পান করছে সাধারণ মানুষ। গাছের ছায়া কিংবা শীতল কোনো স্থানে ছুটতে দেখা গেছে অনেককে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভ্যাপসা গরমে অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ছে কর্মজীবী মানুষজন। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

গাছের ছায়াতলে বিশ্রাম নিতে নিতে রিকশাচালক আব্দুর রহিম বলেন, গরমে রিকশা নিয়ে বের হয়ে মহাবিপদে। যাত্রীও নাই ভাড়াও নাই। তাই রিকশা বন্ধ করে গাছের নিচে আশ্রয় নিচ্ছি।

পথচারী গোলাম মাওলা বলেন, ভ্যাপসা গরমে বাজার করতে এসে বাজার না করেই বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করছে। সূর্য উঠার পর থেকে রোদের তাপ অনেক বেড়ে গেছে। রোদের তাপে বের হওয়া বড়ই দুষ্কর।

এদিকে তাপদাহ বেড়ে যাওয়ায় নগরীতে বেড়েছে ঠান্ডা পানীয়র চাহিদা। ফুটপাতে বিক্রি করা লেবুর শরবত, আখের রস ও ফলমূল কিনে খাচ্ছেন অনেকে। একইসঙ্গে চাহিদা বেড়েছে ডাব ও কোমল পানীয়র।

কনফেকশনারী দোকানদাররা জানান, তীব্র গরমে কোমলপানীয়, জুস ও আইসক্রিম খুব চলছে। এছাড়া শহরের ইলেক্ট্রনিক্স দোকানগুলোতে পাখা বিক্রির ধুম লেগেছে।

আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম কামরুল হাসান বলেন, এবছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এটি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দুদিন তাপমাত্রা উঠানামা করবে। তবে শিগগিরই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলেই গরম কমে যাবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

করোনার মহামারি স্বাস্থ্যবিধির উপর নজর রেখে দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর চাষাঢ়া রাম কৃষ্ণ মিশন আশ্রমে সোমবার বেলা এগারটা থেকে শুরু হওয়া কুমারী পূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত পূণ্যার্থী অংশগ্রহণ করেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই পূণ্যার্থীরা রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে আসতে শুরু করে। প্রদ্বীপ জ্বেলে শঙ্খ বাজিয়ে উলুধ্বণি দিয়ে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে দেবীর আসনে বসিয়ে তাঁরচরণে প্রণাম করে পূজো করা হয়। মন্ত্র পাঠের মধ্যদিয়ে পূণ্যার্থীরা করজোরে দেবীর কাছে শান্তি কামনা করেন।

এবার কুমারী দেবীরূপে মন্ডপে অধিষ্ঠিত হয় দেওভোগ ভূইঁয়ারবাগ এলাকর বিদ্যা নিকেতন হাই স্কুলের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী মিষ্টু চক্রবর্ত্তী। মিষ্টু চক্রবর্ত্তী নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের দেওভোগ এলাকার দিপঙ্কর চক্রবর্ত্তী ও সম্পা রাণী চক্রবর্ত্তী’র কন্যা। শাস্ত্র মতে, প্রতিটি মেয়ের মাঝে মা বিরাজমান। সেটা জেনে কুমারী পূজা করা হয়।  শিশুদের মাধ্য থেকেই ভগমান আর্ভিবুত হয়। তাই শিশুদের মন নিস্পাপ বলে পুজা করা হয়।


আরও খবর



বাজারে দাম বেড়েছে মুরগি, সবজি ও ডিমের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দাম বেড়েছে মুরগি, সবজি ও ডিমের। এছাড়া বাজারে অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম।

বাজারে বেড়েছে সবজির দাম। কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। বাজারে সিমের কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে সিমের কেজি ছিল  ২৪০ টাকা, করলা  ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০, পেঁপের কেজি ৪০, বরবটির কেজি ‌৯০ এবং ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা।

এসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।

বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। এছাড়াও লালা চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডালের কেজি ১০০ টাকায়। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।

বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের দাম বেড়ে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২২০ টাকা।

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। একদিন আগেও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছিল ১৬০ টাকা কেজি। ২০ টাকা দাম বেড়ে সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিসিক কেমিক্যাল পল্লী কাজে ধীর গতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এক যুগ পেরিয়ে গেছে নিমতলী ট্র্যাজেডির। তবু ঢাকার মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গড়ে ওঠা কেমিক্যাল গোডাউন সরেনি। ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নবাব কাটরার নিমতলীতে কেমিক্যাল গোডাউনে সংঘটিত দুর্ঘটনায় বহু হতাহতসহ সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধসহ আবাসিক এলাকা থেকে কেমিক্যাল কারখানা-গোডাউন সরাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে ‘বিসিক কেমিক্যালপল্লী’ গড়ার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। পরে বৃহৎ পরিসরে ও অধিক উপযোগী স্থান হিসেবে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা নির্ধারণ করে ১ম সংশোধন আনা হয়।

জুলাই ২০১৮ থেকে শুরু হয়ে জুন ২০২২ পর্যন্ত ৫ বছরে প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি মাত্র ৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। এখন আবার ভূমি অধিগ্রহণে ১১০ কোটি ১৩ লাখ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে জমির কাজ সম্পন্ন করতে প্রকল্প মেয়াদ এক বছর অর্থাৎ জুন ২০২৩ পর্যন্ত বৃদ্ধি বাস্তবসম্মত কি না—এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, অনুমোদিত ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) অনুসারে ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বন্যার সর্বোচ্চ লেভেল পর্যন্ত মাটি ভরাট করে সব পূর্ত কাজ সম্পন্ন করতে আরো দেড় বছর লাগবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ জুন ২০২৪ পর্যন্ত হলে ভালো হয়।

প্রকল্প এলাকায় বন্যার পানির সর্বোচ্চ লেভেল পর্যন্ত মাটি ভরাট, লেক খনন ইত্যাদি কাজের জন্য প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাব করা হয়েছে। জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়ে ব্যয় ৬৫৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৪০ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং এর বাস্তব অগ্রগতি ৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, মুন্সীগঞ্জ জেলায় বিসিক কেমিক্যাল শিল্পপার্ক, বিসিক মুদ্রণ শিল্পপার্ক, বিসিক হালকা প্রকৌকল ও বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন শিল্পপার্ক, বিসিক প্লাস্টিক শিল্পপার্ক বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিসিক এপিআই শিল্পপার্ক বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে মুন্সীগঞ্জ জেলা মাল্টিসেক্টরাল শিল্প হাব হিসেবে গড়ে উঠবে।

পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ১ম সংশোধিত প্রকল্পটি জুন ২০২২ সালে শেষ হওয়া জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পর প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে এসেছে। প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়াকরণ-সংক্রান্ত পরিপত্র অনুসারে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে তিন মাস আগে সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যা প্রতিপালন করা হয়নি।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ভূমি উন্নয়নব্যয় ১৩০ কোটি ১৭ লাখ টাকা টাকা থেকে ১১০ কোটি ১৩ লাখ টাকা বৃদ্ধি করে ২৪০ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা অত্যাধুনিক বলে মনে হয়েছে।

সময়-ব্যয় বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রকল্পের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ছে। সময় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন। ঢাকা বিভাগের কেরানীগঞ্জের পরিবর্তে এখন মুন্সীগঞ্জে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

ভূমি উন্নয়ন খাতে বিপুল পরিমাণ ব্যয়বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক জানান, মূল অনুমোদিত ডিপিপিতে ১০ ফুট পর্যন্ত মাটি ভরাটের সংস্থান ছিল। কিন্তু পরে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে যে ভূমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা নিচু জমি। ভূমি উন্নয়নের জন্য বন্যার পানির সর্বোচ্চ লেভেল পর্যন্ত গড়ে ১৭ ফুট পর্যন্ত মাটি ভরাটের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। যে কারণে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় বাড়ছে। ফ্ল্যাড লেভেল হাই করা হচ্ছে। যাতে প্রকল্প এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ না করে।

পরিকল্পনা কমিশন জানায়, প্রকল্প এলাকাটি দুটি নদী ধলেশ্বরী ও ইছামতীর মিলনস্থলে অবস্থিত। এমন একটি স্থানে কেমিক্যালপল্লী স্থাপনে অবশ্যই পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হবে। এ ছাড়া নদীতীর থেকে অন্তত ১০০ ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে কেমিক্যালপল্লীর বাউন্ডারি নির্মাণ এবং সে আলোকে লে-আউটপ্ল্যান সংশোধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রকল্প এলাকায় কেমিক্যাল শিল্প ও গোডাউন উভয় ধরনের স্থাপনাই থাকবে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প এলাকায় যে সাততলা অফিস ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানেই মেডিকেল সেন্টার ও নামাজ পড়ার স্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে আলাদা করে মেডিকেল সেন্টার ও মসজিদ নির্মাণ প্রয়োজন হবে না এবং সরকারি অর্থের সাশ্রয় হবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




স্মার্টফোন আসক্তিতে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :   করোনাভাইরাসের ধকল কাটিয়ে সশরীরে ক্লাসে ফিরেছে অনেক আগেই। নিয়মিত ক্লাস করছে, পরীক্ষাও দিচ্ছে। কিন্তু করোনাকালীন ক্লাস-পরীক্ষা চলেছে অনলাইনে। এই সময়ে স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ ছিল তাদের সঙ্গী। এখন এই সঙ্গীই সর্বনাশের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। গেল অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় মিলেছে এর প্রমাণ। শিক্ষার্থীরা আশঙ্কাজনক হারে খারাপ করেছে। দ্বিগুণ হয়েছে ফেল করা শিক্ষার্থী।

রাজধানীর প্রথম সারির কয়েকটি স্কুলের অর্ধবার্ষিক বা অর্ধসাময়িক পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশি ফেল করা বিষয়ের তালিকায় গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞান ও ধর্মশিক্ষা। ক্লাস অনুযায়ী ফেলের হার ৭০-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত।

ক্লাস শিক্ষকরা বলছেন, করোনায় দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা হাতের লেখায় অনেক পিছিয়ে গেছে। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারছে না। নবম শ্রেণিতে বিশেষ বিষয়ের ওপর জ্ঞানের মাত্রা অনেক কম। সে কারণে ফেলের হার বেড়ে গেছে।

হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রী জানায়, বিজ্ঞান বিভাগে তাদের ৬০ জন ছাত্রী রয়েছে। অর্ধসাময়িক পরীক্ষায় ৪২ জন ফেল করেছে। এক থেকে চার বিষয় পর্যন্ত কেউ কেউ ফেল করেছে। তার মধ্যে উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞানে ফেল বেশি। তবে ফেল করা অনেক মেয়ে ক্লাস শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেটে পড়ে। স্যারদের কোচিংয়ে পড়েও তারা ফেল করেছে। বিজ্ঞানের বিষয়গুলো অনেক কঠিন মনে হচ্ছে। গণিতের অনেক সূত্র ভুলে গেছি। সেগুলো নতুন করে মুখস্ত করতে হচ্ছে। একটি অধ্যায়ে স্যাররা একটি অংক করিয়ে বাকিগুলো আমাদের করতে বলেন। সেগুলো একার পক্ষে সমাধান করতে পারছি না। স্যারকে বললে ভালো করে আর বেঝাতে চান না।

আবার ক্লাস শিক্ষক বলছেন, বাড়িতে কাজ দিলে সেটি ক্লাসে করতে পারছে না। দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে থাকায় হাতের লেখায় তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত বই পড়লেও গত দুই বছর লেখার প্র্যাকটিস কম করেছে বলে পরীক্ষায় তারা খারাপ করছে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবু সাঈদ ভূইয়া বলেন, করোনার ক্ষতি এখনো আমাদের শিক্ষার্থীরা ধকল কাটিয়ে ওঠেনি। স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের অনেক শিখন ঘাটতি হয়েছে। তবে করোনার মধ্যে আমরা প্রথম ও নিয়মিত অনলাইন ক্লাস শুরু করি। সে কারণে অনেকে পড়ালেখায় এগিয়ে থাকলেও হাতের লেখার গতি ও সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার অভ্যাস ভুলতে বসেছে। অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে সবাই যুক্ত হতে না পারায় খুব বেশি সহায়ক হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিক আহসান বলেন, করোনায় আমাদের শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পোষাতে চলমান বাড়তি ক্লাস নেওয়া বা বাড়তি মনিটরিং পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষার্থীরা ক্ল্যাসিকাল সাবজেক্টের একটি লেভেল বা লেয়ার অতিক্রম করতে পেছনের জ্ঞানগুলো বুঝতে না পারলে পরের স্তরে সমস্যা হয়। তার মধ্যে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় রয়েছে। এগুলোর শিখন ঘাটতি কাটাতে আরও বেশ কিছু কার্যকর প্রোগ্রাম দরকার। প্রতিবেশী শিক্ষার্থীর মধ্যে লার্নার গ্রুপ তৈরি করে ক্লাসরুমের বাইরেও কিছু কার্যক্রমে যুক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে অন্যদের কাছে শেখার সুযোগ তৈরি হবে। শুধু ক্লাসরুমে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে না। অ্যাসাইনমেন্টগুলো আরও চিন্তা-ভাবনা করে প্রজেক্টভিত্তিক করে তুলতে হবে। যেন শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বাইরে, বাড়িতে ও অবসরে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তার সমস্যার সমাধান করতে পারে। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

পঞ্চগড়ে বোদা উপজেলায় করোতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে নারী শিশুসহ অন্তত ২৪ জন মারা গেছেন। এই ঘটনায় অর্ধশতাধিক নিখোঁজ রয়েছে বলেছে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের আওলিয়া ঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বোদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কুমার রায় ২৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় আরও অন্তত ৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২