Logo
শিরোনাম

গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব রিপোর্ট:


প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র খুলনার কয়রা অঞ্চল থেকে আরও উত্তর দিকে অগ্রসরের সঙ্গে দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন যশোর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।


সোমবার (২৭ মে) রেমাল সংক্রান্ত আবহাওয়ার ১৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এটি আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে।এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


এছাড়া কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


সেই সিঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।






আরও খবর



বছরে সাড়ে ১৬ লাখের বেশি আয়, বাজেটে আসছে দুঃসংবাদ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডিডিজিটাল ডেস্ক:


আসছে বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে বলে জানা গেছে।


 এ বাজেটে মূলত ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি থেকে তুলনামূলকভাবে কম আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটিই হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট।



জানা গেছে, বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে। বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা। 


এছাড়া এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা আয়ের ওপর করহার ৫ শতাংশ। আগামী বাজেটেও এই হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


তাছাড়া বছরে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আয়কারীদের বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এবারের বাজেটে এই সীমা এক লাখ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা করা হতে পারে। 


তবে আগের মতোই থাকবে করের হার। একইসঙ্গে পরবর্তী ৪ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর বহাল থাকলেও সীমা বেড়ে হতে পারে ৫ লাখ টাকা।


আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে এবার বাজেটে খরচের লাগাম টানা হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ আকার বাড়ানো হলেও এবার মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।


গত জুনে চলতি অর্থবছরের জন্য যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল তার থেকে এই বাজেট মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের অঙ্ক বাড়ানো হচ্ছে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, আয়-ব্যয়ের যে হিসাব বাজেটে দেওয়া হয় তার কোনোটাই লক্ষ্য পূরণ হয় না। প্রতি অর্থবছর শুরুতে যে বাজেট দেওয়া হয়, ৯ মাস শেষে একবার সংশোধন করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে দেখা যায়, বাস্তবায়নের হার আরও কম। 


গত তিন বছর ধরে ঘোষিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা কম ব্যয় হচ্ছে। অর্থ বিভাগের গত এক দশকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বারই বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।





আরও খবর



গাবতলী হাটের আকর্ষণ পাকিস্তানের উট-মিরপুরের দুম্বা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে যতগুলো স্থানে পশুর হাট বসেছে তার মধ্যে গাবতলী অন্যতম। প্রত্যেক বছর এই হাটে চোখ থাকে ক্রেতাদের। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হাটে এবছরের আকর্ষণ পাকিস্তান থেকে আনা উট আর মিরপুরের বিভিন্ন আকৃতির দুম্বা। এসব প্রাণী দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতারা ভিড় করছেন এ হাটে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে গাবতলীর পশুর হটে গিয়ে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে এখনও সেভাবে পশু কেনাকাটা শুরু হয়নি বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। তবে বাজারের আকর্ষণ হিসেবে ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছে পাকিস্তান থেকে আনা দুটি উট।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশাল আকৃতির উট দুটি দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। সাধারণ মানুষের ভিড়ের কারণে অন্য ব্যবসায়ীরা কিছুটা বিরক্ত। তবে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত একটি উটও বিক্রি করা যায়নি।

অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুর থেকে দুটি দুম্বা আনা হয়েছে গাবতলীতে। লোকজন এসে দুম্বা দেখে দাম করে চলে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ দামও বলছে। তবে এখনও সেই দুম্বাগুলো বিক্রি করা যায়নি।

উটের দায়িত্বে থাক পলাশ নামে এক কিশোর জানান, আপাতত উটের দায়িত্বে আমি আছি। উটগুলো পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছে। এর বাইরে আমি আর কিছু বলতে পারব না।

উটের দাম প্রসঙ্গে এই কিশোর জানায়, বড় উটের দাম ২৮ লাখ টাকা আর ছোট উটের দাম ২৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে এক ক্রেতা বড় উট নিতে ২১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। কিন্তু আমাদের লাভ না থাকায় বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ছোট উটের দাম এখন কেউ বলেনি।

দুইটি দুম্বা নিয়ে গাবতলীতে এসেছেন ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বরে দুম্বার খামার আছে। এই খামার থেকে আমি দুম্বাগুলো কিনে এনেছি। দুইটি দুম্বার দাম দিয়েছি ৭ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দাম বলছে।


আরও খবর

রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা

মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪




সরকার দেশকে ধ্বংস করে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব সংবাদদাতা:


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন সেনাবাহিনীর অবস্থা কি? বাহিনী হিসেবে তার সম্মান কোথায় থাকে যখন সাবেক সেনাপ্রধানকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়? 


পুলিশ বাহিনীর মান-ইজ্জত কোথায় থাকে যখন সাবেক আইজিপিকে পালিয়ে যেতে হয় দেশ থেকে। এ থেকে বোঝা যায় সরকার দেশটাকে ধ্বংস করে ফেলেছে।



আজ সোমবার (৩ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।



মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে আপনারা পত্র-পত্রিকা খুললেই দেখতে পারবেন বেনজীরের নজিরবিহীন দুর্নীতি। একই সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ তাকেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একজন এমপিকে পার্শ্ববর্তী দেশে টুকরো টুকরো করা হয়েছে, এই হলো সরকারের চেহারা।’ 


আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি এবং এই অবস্থা তৈরি করেছে বর্তমান সরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


সরকারের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বারবার বলি সাহস থাকলে আসেন, একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন করেন। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনেই প্রকাশ হবে কার কত জনপ্রিয়তা। এই সরকারের শাসনকালে দলীয় সরকারের অধীনে তিনটা নির্বাচনই প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। এরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। গত ১৫ বছরে একটা দানব সরকার সবকিছু ধ্বংস করেছে।’



নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নিজেদেরকে সংগঠিত করার আমরা চেষ্টা করছি। জেল খাটছি । আমরা বারবার জেলে যাচ্ছি কিন্তু আমরা এখনো চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারিনি। এই চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের জন্য আমাদের সংগঠনকে আরও দৃঢ় করতে হবে, নিজেদের মধ্যে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে দূর করে ফেলতে হবে। 


সবাই মিলে এক সঙ্গে এক জোটে নামতে হবে। কারণ এটা বিএনপির সমস্যা না, এটা বাংলাদেশের সমস্যা, জাতির সমস্যা। এই জাতি ভবিষ্যতে টিকবে কি টিকবে না, আপনার ছেলেরা ভবিষ্যতে চাকরি পাবে কি পাবে না, তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারবে কি পারবে না, এর পুরোটাই নির্ভর করছে এই সরকারের পতনের ওপর।’



বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘জিয়া ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন। জিয়ার আহ্বানেই দ্বিধা বিভক্ত জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এটা সরকার মুছে ফেলতে চায়। আমরা শেখ মুজিবের অবদানকে কখনও অস্বীকার করি না। ৪৩ বছর পরেও জিয়াকে এদেশের মানুষ ভোলেনি।


 যারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানকে অস্বীকার করে তারা তো দেশের স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করে। কারন তিনিই স্বাধীনতার ঘোষক।’



জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক সাহিদা রফিক, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ।


আরও খবর



শুরু হচ্ছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি রিপোর্ট:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে আম পরিবহনের জন্য আজ সোমবার (১০ জুন) থেকে চলবে ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’। বিকেল ৪টায় জেলার রহনপুর স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে ট্রেনটি।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল জোনের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা সুজিত কুমার বিশ্বাস রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন।

সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, এ বছর যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন থেকে ছাড়ার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও রাজশাহীসহ ১৫টি স্টেশনে আম তোলা হবে। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. ওবায়দুল্লাহ জানান, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে প্রতিদিন আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ মেট্রিক টন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত এক কেজি আমের ভাড়া দিতে হবে এক টাকা ৪৭ পয়সা। রাজশাহী থেকে এক টাকা ৪৩ পয়সা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান মো. ওবায়দুল্লাহ।


আরও খবর



তুই রাজাকার” কলাম চালু করায় আমি তার পক্ষে কলম ধরেছি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

পুলক ঘটক, সিনিয়র সাংবাদিক :

নাঈমুল ইসলাম খান তার পত্রিকার প্রথম পাতায় তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি ছাপিয়েছিলেন। সেটা উল্লেখ করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, খান সাহেব তারেকের লোক, বা তিনি তারেকের সঙ্গে লাইন দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই খোলাচিঠি তিনি কবে ছাপিয়েছিলেন, সেখানে কি লেখা হয়েছিল, কি ভুল আছে তার কোনো উদ্ধৃতি কেউ দিচ্ছে না। ঢালাও মন্তব্য, “তিনি তারেক রহমানকে খোলা চিঠি দিয়েছিলেন, তারেকের সাথে লাইন দিয়েছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি।” এধরনের প্রচারণা অসততা এবং উদ্দেশ্যমূলক। 

আচ্ছা ভাইয়েরা, মিথ্যা কথা কেন বলেন? তিনি কি সেই খোলাচিঠি তারেক রহমান ক্ষমতাধর থাকা অবস্থায় লিখে তার কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন? চিঠিটি তিনি লিখেছিলেন ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনে ক্ষমতায় আসা সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে – যখন তারেক রহমান কারাগারে। 

বিচার ও শাস্তি থেকে একরকম রেহাই দিয়ে তারেককে চিকিৎসার নামে বিদেশে পাঠানো সঠিক হয়েছে কিনা, তাকে কারাগারে রেখে বিচার প্রক্রিয়া চালালে পরবর্তী রাজনীতিটা কেমন হতো ইত্যাদি প্রশ্নে মতান্তর থাকতে পারে। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এসব নিয়ে অনেক আলোচনা করবেন। তবে এটুকু জেনে রাখুন, তারেককে বিদেশে পাঠানো, নির্বাচন আয়োজন এবং সামরিক বাহিনীর কুক্ষিগত রাজনৈতিক ক্ষমতা নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একজন সাংবাদিকের ঐ খোলা চিঠির অবদান আছে।  

সাংবাদিকের নিজের কন্ঠ থেকে সুর বেরোয় না, অথচ সবচেয়ে বড় সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদের সুরের সমালোচনা লেখে। নিজেরা বলিং, ব্যটিং, ফিল্ডিং কিছুই না পারলেও দক্ষ ক্রিকেটারের ভুল ধরে। নিজেরা খেলতে না জেনেও দক্ষ খেলোয়ারদের খেলা শেখায়। আর নিজেরা রাজনৈতিক না হয়েও রাজনীতি শেখায় ঝানু রাজনীতিবিদকে। সাংবাদিকতা পেশার চরিত্রটাই এমন। নাঈমুল ইসলাম খান আওয়ামীলীগ বা বিএনপি করেন না। তিনি সাংবাদিক। তিনি তারেক রহমানকে খোলা চিঠি লিখে সাংবাদিকতায় কোনো পাপ করেননি। 


২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দৈনিক আমাদের সময়ের প্রথম পাতায় ছাপা হওয়া ঐ খোলা চিঠিতে তারেক রহমানকে নাঈমূল ইসলাম খান যেসব পরামর্শ দিয়েছেন সেগুলো যদি তিনি মানতেন তাহলে জিয়াপুত্র ব্যক্তিগতভাবে উপকৃত হতেন এবং রাজনীতিরও উপকার হতো। 

কারাগার থেকে বেরিয়ে দেশের বাইরে গিয়ে যাতে চিকিৎসা নেন এবং স্বাস্থ্যের যত্ন নেন, তৎকালীন সময়ে বন্দী এক ‘নষ্ট রাজপুত্রকে’ সেই পরামর্শ দিয়েছেন সাংবাদিক। “জুবায়দা ও জায়মার প্রতি ভালবাসা থেকে দেশের সকল মানুষের প্রতি ভালবাসা” শিখতে পরামর্শ দিয়েছেন। 

তাকে পড়াশোনা করতে বলেছেন এবং ইউরোপ ও আমেরিকার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশেষ কোর্সে অংশ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি, এমনকি আটককৃত অবস্থায় তারেক যাদের দ্বারা নিগৃহিত হয়েছেন তাদের প্রতিও, প্রতিহিংসাপরায়ন না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। 

বলেছেন, “দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীত সম্পর্কে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিতে ভ্রান্তি ছিল নিশ্চয়ই। ... বাংলাদেশের খেটে খাওয়া পরিশ্রমী কৃষক-মজুর আরো অনেক ভালো জীবন যাপনের অধিকার রাখে। তাদের কথা একটু বেশি করে ভাবুন....” 

তারেককে ভুল স্বীকার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি লিখেছেন, “আমাদের রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় যে কোন ভুল স্বীকারকে অত্যন্ত অসম্মানজনক ও ক্ষতিকারক বিবেচনা করা হয়। আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিতে এই ধারণা ভিত্তিহীন ও মারাত্মক বিপর্যয়কর।” 

এ লেখায় অপরাধ কোথায়? ওনার লেখাটি বেশ বড়, যাদের ইচ্ছা হয়, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে লেখাটির সমালোচনা লিখুন; গণতন্ত্রে সমালোচনা ও পাল্টা সমালোচনা আত্মোপলব্ধিতে ও সমাজ-মানস গঠনে ভূমিকা রাখে। 

আমি কেন নাঈমুল ইসলামের পক্ষে লিখছি? তার সঙ্গে নিশ্চয় আমার আন্তরিক সুসম্পর্ক আছে। কিন্তু ভাল সম্পর্ক থাকলেও সবার সম্পর্কে সবসময় লেখি না। আমি তার পক্ষে লিখছি, কারণ তিনি ”রাজাকার পুত্র”। একজন রাজাকার পুত্র পত্রিকার সম্পাদক হয়ে সেখানে “তুই রাজাকার” কলাম চালু করার দুঃসাহসী বীরত্ব প্রদর্শন করায় আজ আমি তার পক্ষে কলম ধরেছি। 

একটি প্রতিকূল সময়ে সাংবাদিকতায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নতুন ধারা সৃষ্টির কারিগর হওয়ায় তার কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের দায় আছে। 

 “মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নির্ভীক কণ্ঠস্বর” স্লোগানে ‘আজকের কাগজ’ পত্রিকা আবির্ভাবের সেই সময়টা ভাবুন - ১৯৯১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়া ও এরশাদ হয়ে খালেদা পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাবিরোধী রাজনীতির পুরো সময়টা বিবেচনা করুন। তখনকার প্রভাবশালী বাংলা পত্রিকা ইত্তেফাক ও ইনকিলাব। ইনকিলাব ও তার মালিকের অবস্থান সবাই জানেন। আর ইত্তেফাক সেসময় মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে না হলেও এই চেতনার পক্ষে বিপ্লবী অবস্থানে ছিল না। পত্রিকাটির মালিকরা প্রায় সবসময় ছিলেন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে; তারা মন্ত্রিত্বও নিয়েছেন – ক্ষমতার এ পক্ষে, ও পক্ষে; সব পক্ষেই। তাদের সুবিধাবাদী ক্ষমতারোহন নিয়ে আমাদের কথা নেই, বরং সাথে আছি নীতিতেই আমরাও আছি। 

এরশাদ ও খালেদা সরকারের প্রিষ্ঠপোষকতায় ইনকিলাবের চেয়েও চরম প্রতিক্রিয়াশীল ও উগ্র অবস্থান থেকে প্রকাশিত হতো বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দল ফ্রিডম পার্টির পত্রিকা দৈনিক মিল্লাত। ঐ পত্রিকায় শেখ হাসিনার নামটাও বিকৃত করে করে লেখা হতো; হিন্দুয়ানী ভাষা থেকে জাতিকে উদ্ধারের জন্য ‘জলপ্রপাত’কে লেখা হতো ‘পানিপ্রপাত’। সেনাশাসক এইচ এম এরশাদের দৈনিক জনতা পত্রিকাও ছিল একই লাইনের।       

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সবসময় সুস্পষ্ট অবস্থানে সবেধন নীলমণি ছিল সংবাদ ও বাংলার বাণী। কিন্তু বুদ্ধিজীবী মহলের বাইরে সাধারণ মানুষের কাছে তার প্রবেশ কতটুকু ছিল? 

তবে বলুন, খালেদার আমলে শানিত কলমে “তুই রাজাকার” কলাম চালু করা কার দালালী ছিল? নাঈমুল ইসলাম কি তখন ক্ষমতাসীন দলের তুষ্টিসাধন করে লাভবান হওয়ার সাংবাদিকতা করেছিলেন? অনেকের মতোই সাংবাদিকতায় ও চরিত্রে আপোষকামিতা তথা বিচ্যুতির রেকর্ড খান সাহেবের নেই, একথা কখনোই বলব না। কিন্তু সেকাল থেকে আজ পর্যন্ত তার কর্মকাণ্ডে তাকে কি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের বুদ্ধিজীবী হিসেবে চেনেন? 

অধিক কথা কি বলব, জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাচনের সময় নাঈমুল ইসলাম খানের ভোট কোন পক্ষ প্রত্যাশা করে? ইসলামপন্থী, এরশাদপন্থী, খালেদাপন্থী, ফ্রিডমপার্টিপন্থীরা? নাকি তার ভোটটা আমরা প্রত্যাশা করি? আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একজন হয়ে “রাজাকার পুত্রের” ভোট আপনি পাবেন – এমনটা কেন প্রত্যাশা করেন ভাই? 

আপনিও অন্তরে জানেন নাঈমুল ইসলাম খান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একজন; তার পিতার রাজনৈতিক অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে থাকলেও। আপনি আরও জানেন, নাঈমুল খান একদম অসাম্প্রদায়িক। আপনি জানেন, তিনি সাম্প্রদায়িক বৈষম্য, জাতিগত বৈষম্য, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ইত্যাদির বিপক্ষের মানুষ। তিনি পরিপূর্ণভাবে আধুনিক চিন্তাচেতনা সম্পন্ন বুদ্ধিদীপ্ত মানুষ। 

ছেলে বয়সে ছাত্রশিবির করেছে, এখনো গোপনে জামায়াত-হেফাজতের সঙ্গে টাচে আছে, বাবা-কাকাও ছিল রাজাকার – এমন মানুষও পরিচয় গোপন করে আপনার-আমার সাথে থাকে – মিথ্যা কথা বলে এবং সুবিধা নেয়। আর যে মানুষটা অকপটে তার সত্য পরিচয় দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে তাকে কোনঠাসা করার জন্য তার পিতার অপরাধ দেখিয়ে দেওয়ার মূল মতলব কি? 

আওয়ামী লীগ করে, কিন্তু সেক্যুলারিজম কি জিনিস বোঝে না – আন্তরিকভাবে সাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী; রাজনীতি নিয়ে পুরাই ব্যবসা করে –এমন মানুষকে সালাম দিয়ে চলার চেয়ে অকপটে “রাজাকার পুত্র” হিসেবে নিজেকে স্বীকার করে অনুশোচনা প্রকাশকারী নাঈমুল ইসলাম খানকে সালাম জানানো নৈতিক দায়িত্ব মনে করি। রাজাকারের পরিবারে জন্ম নিলে রাজাকার হওয়াই তার দায়িত্ব, মানুষ হওয়ার অধিকার তার নেই – এমন বিশ্বাস নিয়ে কখনো চলিনি, এমন কথা কখনো বলিনি, ভবিষ্যতেও বলব না। যাদের ভাগে টান পরে তারা এসব বলুক।

গতকাল আমাদের এক রিপোর্টার ভাই একটি দৈনিক পত্রিকায় ডেপুটি এডিটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ফেসবুকে পোস্ট দেখে ওনাকে আমি অভিনন্দন জানিয়েছি। আমাদের বহু সহকর্মী তাকে অভিন্দন জানিয়েছেন। আচ্ছা, ওনাকে অভিনন্দন জানানোর সময় তিনি কোন মতাবলম্বী, কতটা সৎ, কত ইঞ্চি লম্বা – এসব কি আমরা বিবেচনা করেছি? তিনি তার পেশাগত জায়গায় একটি বড় সফলতা অর্জন করেছেন বিধায় আমরা অকুন্ঠে বন্ধু হিসেবে তাকে অভিনন্দিত করেছি। নাঈমুল ইসলাম খান তার পেশাগত জায়গায় যদি কোনও বড় অর্জন করেন, আমরা কি তাকে অভিনন্দন জানাবো না? সাংবাদিকতা পেশাটি কি আমলাদের পদের তুলনায় তুচ্ছ? একজন পত্রিকা সম্পাদক কি সরকারের একজন সচিবের তুলনায় অত্যন্ত নগন্য? তাহলে প্রধানমন্ত্রী তাকে সচিব পদমর্যাদার একটি দায়িত্বে নিয়োজিত করলে কষ্ট কোথায়? 

বলুন দেখি নাঈমুল ইসলাম খান বড় কোনও বিনিয়োগ হাতে নিয়ে যদি আবার বৃহৎ একটি পত্রিকা বের করার উদ্যোগ নেন, তার কাছে চাকরির জন্য যাবেন না – কে কে আছেন? রাজাকার পুত্রের অধিনে চাকরিতে যাবেন – এটা একটা কথা হল? 

নাঈমুল খান দুর্নীতিবাজ ও অসৎ হলে পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন কি কাঙ্খিত? সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত থাকা কি শুধু আমলাদের বিষয়? একজন অসৎ ও দুর্নীতিবাজ সাংবাদিক কি সমাজের অনেক বেশি ক্ষতি করতে পারে না? তার পত্রিকার সম্পাদক হওয়া নিয়ে টেনশন নেই, তাকে অভিনন্দন জানাতেও রাজি আছেন, শুধু তার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস-সেক্রেটারি হওয়া নিয়ে টেনশন – এরকম কেন? অসৎ ও দুর্নীতিবাজ হলে নাঈমুল খানের সম্পাদক থাকা উচিত নয়, তার জেলে থাকা উচিত। সব পেশার জন্য এটাই সত্য হওয়া উচিত। 

 “তুই রাজাকার” কলামের জন্য নাঈম খানের ব্যাপারে বহু মানুষের জ্বলুনি আছে। তারা প্রত্যাশা করে একজন রাজাকার পুত্র তাদের পক্ষে থাকবে। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকরা রাজাকারের বিরুদ্ধে তার কলমকে নেবে, কিন্তু ভয়ে থাকবে তার ভাগটা যেন তিনি নিতে না পারেন।  

নাঈমুল খান দক্ষতা ও বাকপটুতা দ্বারা তার অবস্থান অর্জন করেছেন একথা সত্য। জামাত-বিএনপির লোকজনের ভাষায় তিনি, “চাটুকারিতা” করে হাসিনার আস্থা অর্জন করেছেন। আচ্ছা, ঐ পদে কি শেখ হাসিনার সরকারের বিরোধী কাউকে নিয়োগ দেওয়া আশা করেন? অনেকে আছে, যারা আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে কোনও অবদান ছাড়াই অনেক বড় বড় পদ হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদেরও সমালোচনা হয়। আবার যে দক্ষতার সাথে সরকারের পারপাস সার্ভ করে তারও সমালোচনা হয়। সরকারের যদি তিনি চাটুকারিতা করে থাকেন এবং যদি তিনি যোগ্য হন, তাহলে তো সরকারের রাজনৈতিক নিয়োগে ভুল নেই। একদিন নয়, দু’দিন নয়, বছরের পর বছর নাঈমুল খান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং সংবাদপত্রের মাধ্যমে মানুষের মত প্রকাশ ও জানার অধিকারের পক্ষে কাজ করেছেন। তাতে ভুল-ভ্রান্তি ও বিচ্যুতিও আছে। কিন্তু তার অবদান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে; অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের পক্ষে। এতে আওয়ামীলীগের কতটুকু উপকার বা ক্ষতি হয়েছে তারা বুঝবে।   

আগেও বলেছি, আবার বলছি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদের জন্য সম্ভাব্য যেসব নাম শুরু থেকে আলোচনায় ছিল তারা সবাই দক্ষ, যোগ্য ও উত্তম মানুষ। তারা সবাই প্রতিষ্ঠিত এবং আরও বড় জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। যারা যেখানে কাজ করেন তারা সেখানেই অর্জন প্রত্যাশা করেন এবং লেগে থাকলে প্রাপ্তিও আছে। তাদের কারও নিয়োগে আমার আপত্তি নেই, বরং অর্জনে অভিন্দন জানাবো। 

বিভিন্ন মহল থেকে বিরোধিতার ফলশ্রুতিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নাঈমুল ইসলাম খানের নিয়োগ কিছুটা ঝুলে গেছে, এ আমি জানি। শেখ হাসিনা কোন সাংবাদিককে অথবা কোন আমলাকে তার প্রেস সচিব নিয়োজিত করবেন, এ সিদ্ধান্ত ও এক্তিয়ার সম্পূর্ণ তাঁর। কিন্তু একজন মানুষকে অহেতুক হেনস্তা করা বা অপদস্ত করা অনুচিত কাজ মনে করি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় এক রাজাকার পুত্রের অবদানকে মানুষ যেন শ্রদ্ধায় স্মরণে রাখে।


আরও খবর

ভালো থাকুক পৃথিবীর সব মা

রবিবার ১২ মে ২০২৪