Logo
শিরোনাম

হামাস নির্মূল হবে না, বললেন ব্লিঙ্কেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফা শহরে ইসরায়েলি বাহিনী পূর্ণ মাত্রার স্থল অভিযান চালালেও হামাসকে নির্মূল করা সম্ভব হবে না। বরং তা হামাসকে একত্রিত হতে ও পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে বলে মন্তব্য করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির মিট দ্য প্রেস শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ব্লিঙ্কেন বলেন, ইসরায়েল এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যা হামাসের বাকি সদস্যদের পুনঃসংঠিত হতে সাহায্য করবে। আবার ইসরায়েলি বাহিনী যদি রাফা শহর ছেড়ে চলে যায়, তাহলে হামাস আবারও এই এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে নেবে। আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের ফেস দ্য নেশন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে ইসরায়েলকে এখন গাজা থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।

আমরা দেখেছি, ইসরায়েল উত্তর গাজায় পূর্ণ মাত্রার স্থল অভিযান চালানোর পরও হামাস সেখানে ফিরে এসেছে। এমনকি, খান ইউনিসেও সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সদস্যরা একত্রিত হচ্ছেন। সুতরাং ইসরায়েল রাফায় তাদের সর্বাত্মক শক্তি কাজে লাগালেও হামাসকে নির্মূল করা অসম্ভব। দেখা যাবে, হাজার হাজার সশস্ত্র হামাস সদস্য বাকি রয়ে গেছেন।

ব্লিঙ্কেন বলেন, গাজায় হামলা চালাতে ইসরায়েল যে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের নজরে এসেছে। ইসরায়েলি হামলার ফলে গাজার হাজার হাজার নিরপরাধ বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ইসরায়েল সম্ভবত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, রাফায় হামলা চালানোর পরিবর্তে, ইসরায়েলের উচিত একটি বিশ্বাসযোগ্য যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা উপস্থাপন করা।

আমরা ইসরায়েলের বিরোধিতা করছি না; বরং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দীর্ঘস্থায়ী ও করার দেশটিকে সুরক্ষার আরও ভালো উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোববার (১২ মে) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের সঙ্গে ফোনকলে কথা বলার সময় রাফায় বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করেছি।


আরও খবর



সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে ছিল যে ১০ শেয়ার

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক রিপোর্ট:


 সপ্তাহে (২৬-৩০ মে) প্রধান শেয়ারবাজার  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৪১২টি প্রতিষ্ঠান। 


এরমধ্যে ১১৫টির দর বেড়েছে, ২৪৮টির দর কমেছে, ২৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২২টির লেনদেন হয়নি।


সপ্তাহটিতে সবচেয়ে বেশি দর কমেছে পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স লিমিটেডের। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৯.৫৪ শতাংশ কমেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এই তথ্য জানা গেছে।


সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষ তালিকায় স্থান পাওয়া অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে যমুনা ব্যাংকের ১৭.৩১ শতাংশ, প্রগতি ইন্সুরেন্সের ১৪.৩১ শতাংশ, ইজেনারেশনের ১৩.৫৪ শতাংশ।


এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ১৩.১৫ শতাংশ, খান ব্রাদার্সের ১২.৯৫ শতাংশ, সালভো কেমিক্যালের ১২.০২ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১১.৯০ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১১.৩০ শতাংশ এবং ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ১১.১০ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।



আরও খবর



শেকৃবি উপাচার্যের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ইউজিসির তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটার ডেস্ক:


শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, টেন্ডারবাজি, একাডেমিক ও প্রশাসনিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। 


ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দকে আহ্বায়ক এবং পাবলিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক মো. গোলাম দস্তগীর কে সদস্য সচিব করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।



বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ইউজিসির পাবলিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান সাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।


তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, ‘৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।’


চিঠিতে বলা হয়েছে, উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তপূর্বক কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুপারিশ সংবলিত একটি প্রতিবেদন কমিশন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করবে, তদন্তের স্বার্থে কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট যে কোনো নথি, নিয়োগ পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনো ডকুমেন্টস ও আনুষঙ্গিক কাগজ-পত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাসহ তার অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবে। 


কমিটি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট যে কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।গত ১৬ মে শেকৃবি উপাচার্যের নানা অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ আমলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে। একইসঙ্গে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দফাওয়ারি বক্তব্য কমিশনে পাঠাতে বলে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিষয়গুলোর ব্যাখ্যাসহ জবাব দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত ইউজিসি নেবে।’


আরও খবর



তারল্য সংকট ব্যাংক ঋণে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার এবং তারল্যসংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণে। পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। 


এপ্রিলে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা বিগত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তার আগে মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যের নিচে নেমে এসেছে। 


আর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৬২ শতাংশ। এরপর টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।



একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঋণ বিতরণ বেড়েছিল। কিন্তু ঈদের পরেই এপ্রিলে এসে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আর অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 


আবার গত বছরের জুলাইয়ের পরই ঋণের সুদহার বেড়েছে অনেক বেশি। জুনের পর সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেওয়ার পরই তা ক্রমান্বয়ে বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সে জন্য ব্যবসায়ীরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদহারকেও বিবেচনায় নিয়ে কম ঋণ নিচ্ছেন। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে ঋণ বন্ধ রেখেছে। 


এজন্য ঋণের প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে কমছে। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে ডলারের রেট বাড়ছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি করার ক্ষেত্রে নানা হিসাব করছেন; যার কারণে ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাসে একটা প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এই ঋণ বিতরণের হার কমে মে মাসে দাঁড়ায় ১১.১১ শতাংশ। জুন মাসে প্রবৃদ্ধির হার কমে হয় ১০.৪০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.২৮ শতাংশ। 


আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৭৫ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৬৯ শতাংশ। তবে অক্টোবরে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০.০৯ শতাংশ হয়। পরে নভেম্বরে কমে তা হয় ৯.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বরে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.১৩ শতাংশে। 


এরপর আবার কমতে শুরু করে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯.৯৫ শতাংশ এবং ৯.৯৬ শতাংশে। কিন্তু মার্চে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি। 


মার্চে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। তার পরের মাস এপ্রিলে আবার কমে তা এক ডিজিটের ঘরে নেমে আসে। এ মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯.৯০ শতাংশ।


আরও খবর



বছরে সাড়ে ১৬ লাখের বেশি আয়, বাজেটে আসছে দুঃসংবাদ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডিডিজিটাল ডেস্ক:


আসছে বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে বলে জানা গেছে।


 এ বাজেটে মূলত ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি থেকে তুলনামূলকভাবে কম আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটিই হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট।



জানা গেছে, বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে। বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা। 


এছাড়া এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা আয়ের ওপর করহার ৫ শতাংশ। আগামী বাজেটেও এই হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


তাছাড়া বছরে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আয়কারীদের বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এবারের বাজেটে এই সীমা এক লাখ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা করা হতে পারে। 


তবে আগের মতোই থাকবে করের হার। একইসঙ্গে পরবর্তী ৪ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর বহাল থাকলেও সীমা বেড়ে হতে পারে ৫ লাখ টাকা।


আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে এবার বাজেটে খরচের লাগাম টানা হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ আকার বাড়ানো হলেও এবার মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।


গত জুনে চলতি অর্থবছরের জন্য যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল তার থেকে এই বাজেট মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের অঙ্ক বাড়ানো হচ্ছে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, আয়-ব্যয়ের যে হিসাব বাজেটে দেওয়া হয় তার কোনোটাই লক্ষ্য পূরণ হয় না। প্রতি অর্থবছর শুরুতে যে বাজেট দেওয়া হয়, ৯ মাস শেষে একবার সংশোধন করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে দেখা যায়, বাস্তবায়নের হার আরও কম। 


গত তিন বছর ধরে ঘোষিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা কম ব্যয় হচ্ছে। অর্থ বিভাগের গত এক দশকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বারই বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।





আরও খবর



ঢাকায় কনসার্টের পরেরদিন মাকে হারালেন মোনালি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক :

ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী মোনালি ঠাকুরের মা মারা গেছেন। ১৮ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয়েছে মোনালির মা মিনতি ঠাকুরের।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোনালি ঠাকুরের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার বড় বোন মেহুলি ঠাকুর। শুক্রবার (১৭ মে) মেহুলি ফেসবুকে লেখেন, ‘শিকল ছিঁড়ে গেছে...অবশেষে কষ্টের অবসান...। বেলা ২টা বেজে ১০ মিনিটে মা স্থির হয়ে গেছে।’

ইনস্টাগ্রামে মায়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে মোনালি ঠাকুর লিখেছেন, ‘কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে লড়াই করব মা, এই একাকিত্ব এই যন্ত্রণা বড্ড অসহায় লাগছে। কিন্তু এবার সময় এসে গেছে, তাকে লাইফ সাপোর্ট থেকে বের করে নেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাকে এবং তৈরি হতে হবে।


আমার মাকে শান্তি দাও ঈশ্বর এবং আমাকে সাহায্য করো। এখন মাকে ছাড়া আমার জীবনটাই বা কীভাবে কল্পনা করব। আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না।’

এদিকে মায়ের মৃত্যুর একদিন আগে ঢাকায় কনসার্ট করে গেছেন মোনালি। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কলকাতা থেকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এক গানের অনুষ্ঠান অংশ নেন এই শিল্পী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে গান শোনানোর কথা ছিল তার। আগেই চুক্তি সেরেছিলেন গায়িকা। তাই আর না করতে পারেননি। কথা রেখে ঢাকায় এসে মঞ্চে পারফর্ম করে গেছেন।

তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ঢাকার একটি কনসার্টে মোনালি ঠাকুর গান গাইছেন তার মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার খবর পাওয়ার পরেও। আর সেখানেই তিনি তার মাকে উদ্দেশ্য করে গেয়েছেন।

বিষন্ন মনে মোনালির কণ্ঠে শোনা যায় রবীন্দ্রসংগীত। যেখানে মাকে উদ্দেশ্য করে এই সংগীতশিল্পী গাইলেন ‘তুমি রবে নীরবে’। গাইতে গাইতে গলা বুজে আসে গায়িকার। কেঁপে যায় গলা। তবুও গান থামান না তিনি।


আরও খবর