Logo
শিরোনাম

হিমালয় জয় বাংলার মেয়েদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

আজ তো বিশেষণ দেওয়ারই দিন। হিমালয়ঘেঁষা নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়েছে বাংলার মেয়েরা। স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে নিয়েছেন সাবিনারা।

চোটে থাকা সত্ত্বেও শিরোপা লড়াইয়ের ম্যাচে স্বপ্নার ওপর ভরসা রেখেছিলেন বাংলাদেশের কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন। ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে শুরুর একাদশে মাঠে নামিয়েছেন স্বপ্নাকে। তবে দুর্ভাগ্য স্বপ্নার। ইনজুরির কারণে ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যে দলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারকে উঠিয়ে শামসুন্নাহার জুনিয়রকে মাঠে নামান কোচ। তার এই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে মাত্র ৪ মিনিট সময় নেন শামসুন্নাহার।

শামসুন্নাহার-কৃষ্ণার দারুণ ফিনিশারে নেপালের জালে ৩ গোল দিয়ে ছিনিয়ে আনলেন শিরোপা। এই জয়টা তাদেরই প্রাপ্য। সাফের এই ঐতিহাসিক জয়কে কোনোভাবেই আর অবিশ্বাস্য বলা চলে না। নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামে ১৫ হাজার দর্শককে স্তব্ধ করে, তাদের সাক্ষী রেখে শামসুন্নাহার-কৃষ্ণারা সেখানকার আকাশে-বাতাসে লিখে দিয়ে এলেন দক্ষিণ এশিয়ার সেরা নারী ফুটবল দল আমরাই।

ম্যাচের প্রথম মিনিটেই আক্রমণে যায় বাংলার মেয়েরা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে মারিয়া মান্ডার জোরালো শট আটকে দেন নেপাল গোলরক্ষক। ফিরতি শটে সিরাত জাহান স্বপ্না চেষ্টা করলেও লক্ষ্যভেদ হয়নি।

ম্যাচের ১০ মিনিটে গর্জে ওঠা দশরথ স্টেডিয়ামে নীরবতা নামিয়ে আনেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। চোট পাওয়া স্বপ্নার জায়গায় মাঠে নেমে মনিকা চাকমার ক্রস থেকে ডান পায়ের দারুণ ভলিতে গোল করেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের প্রথমবারের মতো গোল হজম করে স্বাগতিক নেপাল।

পিছিয়ে পড়ে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উইং ধরে বেশ ক’বার আক্রমণে উঠেছিল নেপাল। এদিন গোলরক্ষক রুপনা চাকমা ও ডিফেন্ডারদের কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছেন নেপালি ফরওয়ার্ডরা। তবে বিপদ হতে দেননি তারা। ৩৫ মিনিটের মাথায় নেপালের আনিতা বাসনেতের দারুণ এক ফ্রিকিক দুর্দান্ত রিফ্লেক্সে রুপনা ঠেকিয়ে দিলে কর্নার পায় নেপাল।

সেই কর্নার থেকে জটলার মধ্য দিয়ে লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করেও ব্যর্থ নেপাল। গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার মাসুরা পারভীন। ঝিমিয়ে পড়া দশরথ স্টেডিয়াম আবারও জেগে ওঠে তখন। তবে ৪২ মিনিটে কৃষ্ণা রানীর বাঁ-পায়ের দারুণ এক ফিনিশিংয়ে আবারও নীরবতা নেমে আসে গ্যালারিতে। নেপালি ডিফেন্ডারদের ভুলকে কাজে লাগিয়ে অধিনায়ক সাবিনার বল বাড়ান ডি-বক্সে। সেখান থেকে বাঁম পায়ের দারুণ এক ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কৃষ্ণা। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ।

টানা আক্রমণের ফল নেপাল পেয়েছে ম্যাচের ৭০ মিনিটে। আনমার্কড অবস্থায় থাকা আনিতার জোরালো শটে প্রথম গোলের দেখা পায় নেপাল কিন্তু সেটা কেবল ব্যবধানই কমায়।

ঘুরে দাঁড়াতে প্রত্যয়ী নেপালের জালে তৃতীয় গোলটা দেন কৃষ্ণা। কাউন্টার অ্যাটাকে ম্যাচের ৭৭ মিনিটে মনিকার বাড়ানো থ্রু ঠাণ্ডা মাথার দারুণ ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই কৃষ্ণা। ৩-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাবিনারা।



আরও খবর

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট

রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট

শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২




রাঙ্গাবালীতে অনলাইন হোল্ডিং এন্ট্রি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নিজস্ব সংবাদদাতা,রাঙ্গাবালীঃ

ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে অনলাইন ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য  পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে অনলাইন হোল্ডিং ডাটা এন্ট্রি ও রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । এ লক্ষ্যে রোববার সকাল ১০ টায় ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। 

উপজেলা ভূমি অফিস এ আয়োজন করেন। রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের প্রশিক্ষণ হয়। এতে অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।  

এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের  প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ। তিনি ডাটা এন্ট্রি ও রেজিষ্ট্রেশন করার নিয়ম পদ্ধতি বিষয়ে সার্বিক নিকনির্দেশনা দেন প্রশিক্ষণার্থীদের। 

এ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির আব্দুল লতিফ, রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মুরাদুল ইসলাম ও বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ৷ 

সংশ্লিষ্টরা জানান,  জনগণের ভূমি বিষয়ক সেবা প্রাপ্তী সহজকরণ, ভূমি সেবা গ্রহীতাদের স্বল্প ব্যয়ে, স্বল্প সময়ে ও হয়রানিমুক্তভাবে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ভূমি সেবা অটোমেশনের অংশ হিসেবে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।


আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

কলড্রপের ক্ষতিপূরণ বাড়ছে ১ অক্টোবর থেকে

মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২




পঙ্কজ দেবনাথকে আ. লীগ থেকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পঙ্কজ দেবনাথকে আওয়ামী লীগের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ‘সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অর্পিত ক্ষমতাবলে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আপনাকে আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য পদসহ অন্যান্য পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ। উপরিউক্ত বিষয়ে আপনার লিখিত জবাব আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগে জমা দেওয়ার জন্য সাংগঠনিক নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দু’টি পক্ষের দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে প্রায়ই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এর জেরে গত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সময় কয়েকটি খুনের ঘটনাও ঘটে। দু’পক্ষের মধ্যে একপক্ষে আছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মইদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র কামাল খান। পক্ষটি জেলা আওয়ামী লীগের সমর্থনপুষ্ট। অপরপক্ষে আছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ।

অব্যাহতির বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস গণমাধ্যমকে বলেছেন, সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথকে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার একটি চিঠি আজ পেয়েছি। তিনি বলেন, গত চার বছরে মেহেন্দীগঞ্জে দলকে বিভক্ত করে নিজের বলয় সৃষ্টি করে পঙ্কজ দেবনাথ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের হত্যা, নির্যাতন, পঙ্গু করে দেওয়া, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপতৎপরতা চালিয়েছেন। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




এবার ‘সুগার ড্যাডি’ নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন রূপাঞ্জনা মিত্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শোবিজ অঙ্গনে ‘সুগার ড্যাডি’ খুব পরিচিত শব্দ। অনেক অভিনয়শিল্পী ‘সুগার ড্যাডি’ ধরে টিভি বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ফায়দা নেওয়ার অভিযোগ শোনা যায়। এবার ‘সুগার ড্যাডি’ নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র।

বিষয়টি নিয়ে এ অভিনেত্রী তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন, ‘একটা কথা বলতে চাই সেই সব মেয়েদের, যারা কাজ পাওয়ার জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে ‘সুগার ড্যাডি’ ধরছেন। মেয়েগুলোর বয়স ১৬-২০ বছর। এরই মধ্যে আপনারা নিশ্চয় বুঝে গেছেন, ইন্ডাস্ট্রি কী নিয়মে চলে? কেউ কেউ তো আবার বার্থডে পার্টিও থ্রো করাছেন সেসব উটকো সুগার ড্যাডিদের দিয়ে। তাতে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কিছু শিল্পী-পরিচালকরাও যাচ্ছেন।’

কলকাতার মডেল-অভিনেত্রী অর্পিতা মুখার্জির কাণ্ডে তোলপাড় পশ্চিমবঙ্গ। তার বিষয়টি উল্লেখ করে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘এই মেয়েগুলোও কি আগামী দিনে আর্পিতাদের মতো হবে। খুব চিন্তা হচ্ছে। এই মেয়েগুলোকে গাইড করার মতো অভিভাবক নেই? নিজেদের অভিভাবকরাও কীভাবে প্রশ্রয় দেন? এই ‘ফুড চেইন’ যারা পরতে চায় না তারা কি করবে? সেই মেয়েগুলো যারা মাথা তুলে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চায়। তাদের পাশে আপনারা থাকবেন তো?’

এ পোস্ট দেওয়ার পর নেটিজেনদের বড় অংশ তার অভিমতকে সমর্থন জানিয়েছেন। আবার অনেকে দ্বি-মত পোষণ করেছেন। এ নিয়ে চলছে জোর সমালোচনা। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম রূপাঞ্জনার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আরো বেশি ক্ষোভ ঝারেন তিনি। এ অভিনেত্রী বলেন—‘এটা কি সবাই বেশ্যাখানা তৈরি করবে? যারা কষ্ট করে নিজের জায়গা তৈরির চেষ্টা করেন, তাদের কী হবে? কেউ তো ভরসাই করতে পারবে না। নতুন অভিনেতাদের একটু ভাবা উচিত।

এই প্রবণতা কীভাবে তৈরি হয়েছে? না কি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে সব সময়ই এই ধরনের রাস্তা বেছে নিয়েছেন কিছু অভিনয়শিল্পী? এই প্রশ্নের উত্তরে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘হয়তো ছিল। কিন্তু এত বাড়বাড়ন্ত ছিল না। সেই সময়ে পরিবার, মা-বাবার একটা ভয় থাকত; দিনে দিনে এখন সেটাও উড়ে যাচ্ছে।



আরও খবর

ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিতের বিয়ে

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




ইটনায় ভিজিডির চাল বিতরন

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোঃ মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জ:

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার সদর ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের আওতায় ২৬৭ টা হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ০৩ মাসের ৩০ কেজি করে ৯০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়। 

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকালে উপজেলার খাদ্য গুদামের মাঠ থেকে সদর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ২৬৭ টি অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ভিজিডি কার্ডের এই চাল বিতরন করেন ইটনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সোহাগ মিয়া। 

তখন ট্র্যাগ অফিসার (আমার বাড়ি আমার প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা) মোঃ আলী আকবর, সকল ইউপি সদস্য, মহিলা মেম্বার, ইউপি সচিব ও গ্রাম পুলিশ-দফাদারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সোহাগ মিয়া বলেন, সরকারি নির্দেশনা মতো সঠিকভাবে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ইটনা সদর ইউনিয়নের ২৬৭ টা দুস্থ পরিবার কে গত তিন মাসের চাল একসাথে ৯০ কেজি করে বিতরণ করা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য যে, ২০২১- ২০২২ অর্থ বছরে ভিজিডি কর্মসূচীর আওতায় ইউনিয়নের দুস্থ প্রত্যেক নারীকে মাসে ৩০ কেজি করে এই চাউল বিতরণ করা হয়। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে পলিথিনের ছাপড়া ঘরে হাঁটু পানিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম. পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পলিথিনের ছাপড়া ঘরে হাঁটু পানিতে শিক্ষার্থীরা নিচ্ছেন পাঠদান। ঝুঁকিপূর্ন ভবনে দুর্ঘটনার আশংকায় ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি ক্রমান্বয়ে কমছে। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি একটি সাইক্লোন-কাম স্কুল ভবন নির্মাণের।

রোববার সরেজমিনে দেখাগেছে, উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলের অজোপাড়াগায়ে চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোড় গ্রামে ১৪৪নং গাজী আজিজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৪৯ সালে স্থাপিত হয় এ বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থী রয়েছে ৬৮ জন। ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীতে ক্লাশ চলছিলো মাঠের মধ্যে পলিথিন টাঙ্গানো ছাপড়া ঘরে হাঁটু পানিতে।  

একদিকে পূর্নিমার অতিরিক্ত জোয়ারের পানি। অস্থায়ী শ্রেণীকক্ষের ঘরে ছাত্র-ছাত্রীদের হাঁটু পানিতে ভিজে পাঠদান দিচ্ছেন শিক্ষকরা। মাঠের চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। তবুও থেমে নেই পাঠদান। বৈরি আবহাওয়াও মধ্যেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি চোখে পড়ারমত। ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সৈকত হাজরা, অরুন চন্দ্র মিন্ত্রী সহ একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, কবে হবে আমাদের বিদ্যালয়ের নতুন ভবন? এভাবে পানিতে ভিজে ক্লাশ করতে খুবই কষ্ট হয়। বড় স্যাররা আমাদের এ কষ্টের কথা কি জানতে পারবেন। এ রকম নানা প্রশ্ন তুললেন সংবাদকর্মীদের কাছে  কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।

ক্লাশে পাঠদানকারি শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এরকম দিনের পর দিন পার করছি। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য নতুন ভবন দরকার।

১৯৯৫ সালে সরকারিভাবে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট নতুন ভবন হলেও সে ভবনটি এখন ঝুঁকিপূর্ন। সম্প্রতি শ্রেণীকক্ষের পলেস্তরা খসে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন দুই শিক্ষার্থী। অভিভাবকরা আতংকে স্কুলে পাঠাতে চাচ্ছে না ছেলে মেয়েদের।


ছাদে দেখা দিয়েছে ফাটল। শ্রেনীকক্ষের গ্রেড ভিম ভেঙ্গে পড়ে বেড়িয়ে এসেছে রড। দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে দুই শিক্ষার্থী। ঝুঁকিপূর্ন এ ভবনটিতে পাঠদান না করার জন্য সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টার সহকারি শিক্ষা অফিসার পরিদর্শন করে লিখিতভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যালয়টি।  


বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুল মালেক হাওলাদার, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি  মো. ওয়ালিউর রহমান গাজী, সাবেক সভাপতি সন্তোষ কুমার রায় বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থায়ী পলিথিনের ঘরে এভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাশ হচ্ছে। একটি সাইক্লোন কাম-স্কুল ভবন নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী ইউনিয়নের ৩ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সমীর কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষের পলেস্তরা খসে পড়ে দুর্ঘটনার পরপরই। সহকারি শিক্ষা অফিসার পরিদর্শনে এসে ভবনটির শ্রেণীকক্ষে পাঠদান না করার জন্য লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ নির্বাহী প্রকৌশলী দপ্তরে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

এ সর্ম্পকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জালাল উদ্দিন খান বলেন, বিদ্যালয়টি পরিত্যাক্ত ঘোষনার জন্য আবেদনে সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে। নতুন ভবনের জন্য তালিকায় নাম অর্ন্তভূক্ত করে অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হবে।  

উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ন এরকম একটি বিদ্যালয়ের বিষয়ে তিনি অবহিত নন। তবে, সরেজমিনে গিয়ে বিদ্যালয়টি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।  


আরও খবর