Logo
শিরোনাম

হজ্বে বায়তুল্লাহ ও জিয়ারতে মদিনা মনোয়ারা..সৈয়দ মইনুদ্দিন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ২৩৪জন দেখেছেন
Image

আওলাদে রাসূল (দঃ) সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমদ বহুবার পবিত্র হজ্বব্রত পালন করেন আশেকান ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে। অনেক আলেমকে পবিত্র হজ্ব পালনে পূর্ণ আর্থিক সহযোগিতা করেন তিনি। আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহকে ধরে আল্লাহ্ তায়ালার দরবারে এবং মদিনা শরীফে কদমে মোস্তফায় (দঃ) ভক্তদেরকে হাওলা করেন তিনি। দোয়ার প্রতিটি পবিত্র স্থানে তিনি দেশ-জাতি-মুসলিম উম্মাহ সহ আশেকানদের কল্যাণের জন্য নিভূতে আবেগ জড়িত কন্ঠে ফরিয়াদ করেন। ১৯৯৭ সালে পবিত্র মক্কায় মিনার তাবুতে যখন আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলছিল। তখন তিনি “ইয়া গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী, ইয়া গাউসুল আজম বাবাভান্ডারী” ৩ বার বলা মাত্র আগুন অন্যদিকে চলে যায়। বাংলাদেশী হাজীরা নিরাপত্তা লাভ করেন গায়েবী ভাবে। প্রিয় নবীজি (দঃ) স্বয়ং তাঁকে হজ্ব কবুলসহ অসংখ্য সু-সংবাদ প্রদান করেন। রহমতের ফিরিশতা মুজদালেফায় তাঁকে আরাফাতের দোয়া কবুলের সুসংবাদ দিয়ে যান এবং আরশ-আজীম তাঁর মাথার উপর ঘুরতে দেখেন।

আওলাদে মোস্তফা (দঃ) সৈয়দ মইনুদ্দীনের অসংখ্য কারামত ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রত্যক্ষ করেছেন হজ্ব কাফেলা সাথীগণ পবিত্র হারামাইনের ভূখন্ডে। আল্লাহ ও রাসূল (দঃ) তাঁর উপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তাঁর বুজুর্গী সর্বত্র পরিলক্ষিত হয়। ২০০৬ সালে প্রিয় নবীজি (দঃ) রিয়াতুল জান্নাতে তাঁকে এবং উনার আওলাদে পাকগণসহ আশেকান হাজীদের প্রতি বিশেষ নজরে করম এনায়েত করেন। বাবে জিব্রিলের সম্মুখে বহুবার তাঁর বুজুর্গী পরিলক্ষিত হয় ।

সুন্নীয়তের ময়দানে তাঁর অবদান

আহ্লে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রেসিডেন্ট হিসাবে সমগ্র বিশ্বে তাঁর অবদান সর্বজন বিদিত। রাজধানী ঢাকায় প্রতি বছর ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র জশ্নে জুলুসে-ঈদে-মিলাদুন্নবী (দঃ) এর বিশাল সমাবেশ তাঁরই নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। শুধু বাংলাদেশ নয় বরঞ্চ তাঁর নির্দেশেই আশেকান মাইজভান্ডারী সমগ্র বিশ্বে ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) জুলুস সহকারে উদ্যাপন করে আসছে। থাইল্যান্ডের খলিফা আলহাজ্ব গাফফার চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মিলাদুন্নবী (দঃ) এর সমাবেশে সেখানকার রাজ প্রধান অতিথি হিসাবে আসন অলঙ্কিত করে থাকেন। সুন্নীয়তের প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে তিনি বহু মাদ্রাসা-মসজিদ ও খানকাহ শরীফ নির্মাণ করেন। সুন্নীয়তের মুখপাত্র হিসাবে “নূর-এ রহমান” তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত হচ্ছে নিয়মিতভাবে। শরীয়ত-তরিকত ও সুন্নীয়তের এবং বিশ্ব মানবতার খিদমতের লক্ষে তিনি ‘আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া’ নামক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এ আন্জুমান বাংলাদেশ তার অগ্রযাত্রাকে যেমনি অব্যাহত রেখেছে। এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকাসহ সমগ্র বিশ্বে আন্জুমানের বৈদেশিক শাখাসমূহ রয়েছে।

বিশ্বশান্তির দূত হুজুর কেবলা

তিনি শুধু শরীয়ত ও তরীকতের প্রচার-প্রসারেই ক্ষান্ত নন, বরঞ্চ বিশ্বশান্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। গত ২৭শে আগষ্ট ২০০৫ আফ্রিকার ঘানার ভাইস প্রেসিডেন্ট কর্তৃক পুলিশ লাইন ময়দানে “ অভৎরপধহ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ওংষধসরপ গরংংরড়হ ভড়ৎ ড়িৎষফ ঢ়বধপব ্ এযধহধ ঘধঃরড়হধষ ঈবষবনৎবঃরড়হং” এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলনে “ ঞযব এৎধহফ অসনধংংধফড়ৎ ভড়ৎ ওংষধস, টহরাবৎংধষ ঢ়বধপব, জবপড়হপরষরধঃরড়হ, ঝঢ়রৎরঃঁধষ টঢ়ষরভঃসবহঃ ধহফ উবাড়ষড়ঢ়সবহঃ ড়ভ ঃযব ঐঁসধহরঃু ওহঃবৎহধঃরড়হধষ অধিৎফ ড়ভ ঃযব উবপধফব ভড়ৎ ঃযব ুবধৎ ২০০৫” ‘বিশ্বশান্তির দূতের’ সম্মননায় ভূষিত হন, যা সমগ্র বাঙ্গালী ও মুসলিম উম্মাহ্র জন্য বিরল সম্মান। প্রিয়নবী রাহ্মাতুল্লিাল আলামিনের নূরানী আওলাদ হিসাবে সমগ্র বিশ্বে তিনি শান্তির দূত হিসাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বেলায়েতের সম্রাট গাউছে দাওরাঁ হুজুর কেবলা

আমাদের প্রাণপ্রিয় মুর্শেদ কেবলা (মাঃজিঃআঃ) তো মাদারজাত (মাতৃগর্ভ) অলী হিসাবে পৃথিবীতে আগমন করেন। বাল্যকাল থেকেই যাঁর বেলায়তের প্রকাশ ঘটেছিল। একবিংশ শতাব্দীর ত্রাণকর্তা ও দিশারী হিসাবে আমরা তাঁকে পেয়েছি। তাঁর হাজারো কারামত রয়েছে। তিনি “ কারামতের মুখাপেক্ষী নন, বরং কারামত তাঁর মুখাপেক্ষী”। ‘শাজরায়ে কাদেরীয়া গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া’ অধ্যয়ণ করলে আমরা তার কিছু কারমতের নমুনা খুঁজে পাবো। এছাড়া ‘একটি জীবন, একটি দর্শন’ নামে তার পূর্নাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ আমরা তা বিস্তারিতভাবে জানতে পারবো। তরীকতে তাঁর তালিম অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নিখুঁত। তাঁর সাহচর্য যারা লাভ করেছেন, তাঁরা হয়েছেন সোনার মানুষ, সঠিক তাপস, তরীকতের নামে সমাজে যে বিদয়াত ও কুসংস্কার ছিল, তার বিরুদ্ধে সারা জীবন তিনি আপোষহীন সংগ্রাম করে যান। দুনিয়ার কোন মোহ-লোভ-লালসা তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। বাতিল ও অসত্যের সাথে তিনি কোনদিন আপোষ করেননি। তিনি তো হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হোসাইনের রক্তীয় বংশীয় ধারা, নবী বংশের উজ্জল প্রদীপ। ১৯৮৮ ইং সালে ঢাকায় প্রেস কনফারেন্সে ঘোষণা করেন “সুন্নীয়ত ও ঈমানের জন্য রক্ত দিতে হলে সর্বপ্রথম আমি মইনুদ্দীনই রক্ত দিতে প্রস্তুত”।
পরিশেষে আমরা বাংলাদেশ সরকার বিশেষতঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে সবিনয় অনুরোধ করছি, বাংলার এ কৃতি সন্তানের জীবনাদর্শ ও কর্মকান্ডকে পাঠ্যক্রমের তালিকা ভুক্ত করুন।
আমরা নোবেল পুরস্কার অথরিটীর কাছে আকুল আহবান জানাচ্ছি, চলতি শতকের এ মনীষী ও শান্তির দূতকে আধ্যাত্মিক ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদানে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। তাতে মানবতার মান বাড়বে। গুণীদের সম্মান সমুন্নত হবে। ইতিহাস আপনাদেরকে স্মরণ করবে।

সারা বিশ্বের মানবতা ও মুক্তির দিশারী, অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের শান্তির দূত, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার কল্যাণাকামী, আধাঁরে আলোর পথ প্রদর্শক, এ সময়ের মাইজভান্ডার দরবার শরীফের শিরমণি, নবী (দঃ) এর ত্রিশ তম বংশধর, গাউছে দাওরাঁ, শায়খুল ইসলাম হযরতুলহাজ্ব আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ ছিঃ আঃ)। তিনি চলে গেলেন, বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লাখো-লাখো ভক্ত আশেকানদের অশ্রু জলে ভাসিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। তিনি গত ১৭ আগষ্ট সিঙ্গাপুরের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নানিল্লাহে…………..রাজিউন)। তাঁর এই প্রয়াণে সুন্নীয়তের ঝান্ডা বাহক অসীম সাহসী নির্লোভ, ত্যাগী একজন মহা-মানবকে আমরা হারালাম।

প্রতি বছর মাইজভান্ডার দরবার শরীফের এ মহান আউলিয়া, গাউছে দাওরাঁ, শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, শায়খুল ইসলাম আওলাদে রাসূল (দঃ) হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ) এর মহান ২৭শে মাঘ মোতাবেক ৯ই ফেব্রুয়ারী পবিত্র জন্মদিন এবং প্রতি বছর ১৭ ই আগষ্ট পবিত্র ওফাত দিবসে হাজির হয়ে তাঁর ফয়ুজাত ও বরকত লাভে ধন্য হই এবং সঠিক পথে চলার দিশা গ্রহণ করি। আল্লাহ পাক আমাদেরকে তাঁরই সান্নিধ্যে হাজির হয়ে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (কঃ) ও গাউছুল আজম বাবাভান্ডারী কেবলা (কঃ) নূরানী নেগাহে করম হাসিল করে ধন্য হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন!



(সংগৃহীত)


আরও খবর



লুহানস্কের ৮০ শতাংশই এখন রুশ বাহিনীর দখলে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্কের ৮০ শতাংশ দখলে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মেয়র সেরহি হাইদাই।

তিনি বলেছেন, রাশিয়ান সেনারা এ সপ্তাহে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনে নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। লুহানস্ক অঞ্চলেও তারা হামলা ব্যাপকভাবে জোরদার করেছে।

এর আগে রুশ বাহিনী ক্রিমিন্না শহর দখলে নেওয়ার পর মেয়র হাইদাই বলেছিলেন, রাশিয়ানরা এখন রুবিঝনে এবং পোপাসনা নগরীকে হুমকি দিচ্ছে। সেই সময় তিনি সেখানকার সকল বাসিন্দাকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। 

উল্লেখ্য, লুহানস্ক হচ্ছে দোনবাসের একটি অঞ্চল। দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে একত্রে দোনবাস বলা হয়। গত ২১ ফেব্রুয়ারি এ দুই অঞ্চলকে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর এ অঞ্চলকে নিরস্ত্রীকরণ করতে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। 


আরও খবর



সোনাইমুড়ী থানায় মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

জনগণের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ঈদুল ফিতরের ছুটি সংক্রান্তে বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভা করে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে থানার আয়োজিত অনুষ্ঠানে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিলের সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন চাটখিল-সোনাইমুড়ী থানার সার্কেল এ এন এম সাইফুল ইসলাম খান, উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার রূহুল আমিন, পৌরসভার মেয়র ভিপি নুরুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ মমিনুল হক বাকের, সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাবুল বাবু, পৌরসভা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক দুলাল, সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার মোঃ শাহজাহান, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক খলিলুর রহমান, সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাব সভাপতি খোরশেদ আলম, জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশ, পৌরসভা কমিউনিটি পুলিশের যুগ্ম সম্পাদক নিজাম উদ্দিন নান্নু। মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন ঈদের ব্যস্ততা নিয়ে ঘরমুখী মানুষ তাদের ঘরেই থাকবেন আর এই মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং রাতের আধারে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চলাচল সহজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার জন্য পুলিশকে নিরলস ভূমিকা পালন করতে হয়, এতে করেই এ ডিপার্টমেন্টকে মানুষ শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখা উচিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন দুলাল, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আবু সায়েম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য বেল্লাল হোসেন পাটওয়ারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, পৌরসভার কাউন্সিলর, সাংবাদিক, ইউপি সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যাংক ম্যানেজার, থানার অফিসার-ফোর্সসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


আরও খবর



ইলিশের নামে বিক্রি হচ্ছে ‘সার্ডিন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বাজার থেকে প্রকৃত ইলিশ কিনেই যেন প্রবাসীরা ঘরে ফিরতে পারেন তার জন্য হতে হবে একটু সাবধান ও সচেতন। কারণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ছেয়ে গেছে নকল ইলিশে।

গোটা যুক্তরাষ্ট্রেই বাংলাদেশি গ্রোসারিগুলোতেই ইলিশের নামে একই আদলের মাছ ‘সার্ডিন’ ও ‘চৌক্কা’ বিক্রি করা হচ্ছে। ইলিশের নামে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি দাম নিয়ে একটি অসাধু চক্র এই ভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি করছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে দুই শতাধিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ঈদের পরই বাংলা বর্ষবরণ কর্মসূচি পালন করবেন।

এদিকে, প্রবাসী ক্রেতাদের অভিযোগ, নিউ ইয়র্কের বাজার থেকে ইলিশ মাছ কিনে নিয়ে রান্না করার পরও তারা ইলিশের সেই ঘ্রাণ বা স্বাদ পাচ্ছেন না। এই মাছগুলো দেখতে ইলিশের মত হলেও এগুলোতে খুব বেশি কাটা। আর ভাজলে তাতে ইলিশের মতো তেলও বের হয় না।

যুক্তরাষ্ট্রে পবিত্র রমজানের কারণে প্রায় ৩৫টি অঙ্গরাজ্যে বসবাসকারী লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবারও যথাসময়ে বাংলা বর্ষবরণের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। প্রতিবছর এপ্রিলে বর্ষবরণের আনন্দে প্রবাসীরা মেতে উঠলেও এবার সে উৎসব থেকে সকলেই বঞ্চিত হয়েছেন। তবে রোজার পরই ঈদ আনন্দ ও বাংলা বর্ষবরণ জমজমাটভাবে পালনের চিন্তা করছেন প্রবাসীরা।

নিউ ইয়র্কের ৫টি বৃহৎ পৌরসভা ব্রঙ্কস, কুইন্স, জামাইকা, ম্যানহাটন ও ব্রুকলিনের প্রায় অর্ধশত বাংলাদেশি মালিকানাধীন গ্রোসারিগুলো থেকে ইলিশ মাছ কিনে নিয়মিত প্রতারিত হচ্ছেন প্রবাসী ক্রেতারা। এসব এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা ইলিশের দামে দেদারছে বিক্রি করেছে সার্ডিন মাছ। কিন্তু প্রবাসী ক্রেতারা বিশেষ করে বাইরের অঙ্গরাজ্যের ক্রেতারা কেউ কোন প্রতিবাদ করছেন না। কারন অনেকেই জানেন না কোথায় এবং কীভাবে অভিযোগ করতে হয়।

এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের জনবহুল ও বাংলাদেশি অধুষ্যিত নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, পেনসিলভানিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, ইলিনয়স, কলারাডো, ডেলাওয়ার, জর্জিয়া, কানসাস, ম্যারিল্যান্ড, মিশিগান, সাউথ ক্যারোলিনা, ওয়াশিংটন ডিসি ও কেন্টাকির বাংলাদেশি মালিকানাধীন গ্রোসারিগুলোতে নকল ইলিশ বিক্রির প্রতারক চক্রটি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আসল ইলিশের দামও হাঁকাচ্ছেন তারা। তবে মাছ বিক্রেতারা ইলিশ বলে যে মাছ বিক্রি করছে, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ‘সার্ডিন’, ও ‘চৌক্কা’। এগুলো দেখতে ইলিশের মতো হলেও এতে ইলিশের স্বাদ-গন্ধ কিছুই নেই।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ‘সার্ডিন’ দেখতে আকারে জাটকার মতো হলেও ‘চৌক্কা’ মাছ আকারে বেশ বড়। এটি লম্বায় ইলিশের অনেকটাই কাছাকাছি। তবে ইলিশের চেয়ে চওড়ায় কম। আর ইলিশের চেয়ে সার্ডিন ও চৌক্কার চোখের আকার বড়। অনেকেই তাই ইলিশের মত দেখতে এসব মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ‘সার্ডিন’ দেখতে আকারে জাটকার মতো হলেও ‘চৌক্কা’ মাছ আকারে বেশ বড়। এটি লম্বায় ইলিশের অনেকটাই কাছাকাছি। তবে ইলিশের চেয়ে চওড়ায় কম। আর ইলিশের চেয়ে সার্ডিন ও চৌক্কার চোখের আকার বড়। অনেকেই তাই ইলিশের মত দেখতে এসব মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশের নদীকেন্দ্র ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে ‘সার্ডিন ও চৌক্কা সমুদ্রের মাছ হলেও অনেক সময় নদীর মোহনায় চলে আসে। জেলেদের জালে ইলিশের সঙ্গে এসব মাছও ধরা পড়ে। চেহারায় কিছুটা সাদৃশ্য থাকায় অনেকেই মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ভালো করে খেয়াল করলে পার্থক্য বোঝা যায়।’

জানা যায়, পরিপূর্ণ ইলিশ লম্বায় ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। সার্ডিন ও চৌক্কা আকারে ইলিশের ধারে-কাছে যেতে পারে না। সাগরে সারা বছরই কম-বেশি সার্ডিন ও চৌক্কা ধরা পড়ে। বিদেশ থেকেও আমদানি হয় সার্ডিন। তবে নববর্ষের আগে বেশি আমদানি হয়। তবে অনেক ধরনের মাছ একসঙ্গে আমদানি হয় বলে কী পরিমাণ সার্ডিন আসে সেই পরিসংখ্যান নেই।


আরও খবর



সোনারগাঁয়ে বালু ফেলে জমি দখলের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০৮জন দেখেছেন
Image

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার দড়িকান্দি এলাকায় জমিতে বালু ফেলে দখল করার চেষ্টা চালিয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। এতে বাধা দেওয়ায় জমির মালিককে প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার ওই জমির মালিক এসএম জামাল উদ্দীন বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তিনি উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০১০ সালের ২২ ফেব্রæয়ারী ২৯৪৭ নং দলিলে সোনারগাঁ উপজেলার ছোট কৃষ্ণাদী মৌজায় এসএ/আরএস ৭৮/৭৯ নং দাগে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং তাদের দখলে রয়েছে। সম্প্রতি একটি কোম্পানীর পক্ষ নিয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে আব্দুল লতিফ, মাহমুদুল হাসান দুলাল, খলিলুর রহমান, নাসির উদ্দীন ওবায়দুল সহ ১০/১৫ জনের একটি দল ওই জমিতে বালু ফেলে ভরাট করে দখল করা চেষ্টা চালায়। এ সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বাধা দিলে তারা জানায় এই জমি রাখতে হলে প্রতি মাসে তাদের মাসোহারা দিতে হবে এবং প্রাননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

জামাল উদ্দীন জানান, সন্ত্রাসীরা দীর্ঘ দিন ধরে তাদের ক্রয়কৃত ১৬ শতাংশ জমি জোরপূর্বক বালু ফেলে দখল করার চেষ্টা চালায়। আমরা বাধা দেওয়ায় তারা মাসিক মাসোহারা দাবি করে এবং প্রাননাশের হুমকি দিয়ে যায়।  

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান দুলাল জানান, আমি কোম্পানীতে চাকুরী করি মাত্র। আমার জমি দখল করার ক্ষমতা নেই। তিনি জমি দখল করার সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন। 

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তদনস্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আরও খবর



ঢাকা কলেজে ঈদের ছুটি আজ থেকেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ১০০জন দেখেছেন
Image
ছবি: সংগৃহীত

এক দোকানে খাবারের বিল পরিশোধ নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

তিনি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে আমরা দেখছি। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ এপ্রিল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হলেও ঢাকা কলেজে যেহেতু ক্লাসের পরিবেশ নেই, তাই আজ থেকে এই কলেজে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যাবে। আগামী ৫ মে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঢাকা কলেজও খোলা হবে। 

মঙ্গলবার বিকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সকাল থেকে থাকলে হয়তো পরিস্থিতি আরেকটু ভালো হতে পারত। তবে তারাও চেষ্টা করেছেন, এখনো তারা চেষ্টা করছেন থামানো। আমি ছাত্র-ব্যবসায়ী সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাই। 

এর আগে সোমবার মধ্যরাতে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রায় আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে রাত আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আবারও চলে এ সংঘর্ষ। 

দুপুরের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া শুরু করলে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকের কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর