Logo
শিরোনাম

ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুজাহিদ সরকারঃ 

দীর্ঘ ১৮ বছর পর বর্ণাঢ্য আয়োজনে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

৩০মে সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ইটনা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক  সম্মেলন (১ম ও ২য় অধিবেশন) অনুষ্ঠিত হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন ইটনা উপজেলা আ.লীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।সম্মেলন উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাড মোঃ জিল্লুর রহমান। 

প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. এম. এ আফজল।বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি,শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা,সদস্য জালাল মহিউদ্দিন,সদস্য এড.সানজিদা খানম, এবিএম রিয়াজুল কবির কাউছার,কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আফজাল হোসেন,কিশোরগঞ্জ -৪ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক,কিশোরগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নুর লিপি,সাবেক সাংসদ সোহরাব উদ্দিন,জেলা আ.লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু,সাংগঠনিক সম্পাদক পীযুষ কান্তি সরকার,ইটনা উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরি কামরুল হাসান,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাছির উদ্দিন রিপন,জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু।এছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

সম্মেলনে ২য় অধিবেশনে ইটনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসানকে সভাপতি এবং সোহরাব উদ্দিন ঠাকুরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে  আগামী ৩ বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় মনবলের কারণেই পদ্মা সেতু নির্মাণ হয়েছ- মেয়র আইভী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল নারায়ণগঞ্জ ঃ

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় মনবলের কারণেই পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। টার্নেল হবে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে। এজন্য জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার আহবান জানান মেয়র আইভী।

সোমবার সন্ধ্যায় জেলা গ্রন্থাগারে নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত অসুস্থ সাংবাদিকদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে  মেয়র আইভী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গঠিত ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কল্যাণ ফান্ড থেকে অসুস্থ পাঁচ সাংবাদিককে আর্থিক এই সহায়তা দেয়া হয়। 

নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল সালামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক আনোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি নাফিজ আশরাফ। 

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্য তুলে ধরে মেয়র আইভী বলেন, ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলো  শীতলক্ষ্যাকে হত্যা করছে। এই নদীকে  রক্ষা করার জন্য  এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। নারায়ণগঞ্জ সদর থেকে আড়াই হাজার উপজেলা পর্যন্ত নৌ পর্যটন রুট তৈরি করারও তাগিদ দেন মেয়র আইভী। 


আরও খবর



এক কোটি পরিবার পাবে টিসিবি পণ্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলতি মাসে সারা দেশে কার্ডধারী এক কোটি পরিবার পাবে টিসিবি পণ্য। প্রত্যেক পরিবার দুই লিটার সয়াবিন তেল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি মসুর ডাল সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারবেন।

বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রতিমাসে টিসিবি থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য কার্ডধারী এক কোটি পরিবারের মাঝে বিক্রি করা হবে।

বুধবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন মোকাব্বির খান এমপি।

টিপু মুনশি জানান, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঢাকাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। এই অধিদপ্তর প্রতিমাসে সারা দেশে ৩০০-এর অধিক বাজারে অভিযান চালিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখাসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার লক্ষ্যে ৪২টি বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিদিন চারটি করে সপ্তাহে ২৮টি টিম ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়লে পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে টিসিবি ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশে তিন হাজার ডিলারের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে ট্রাক সেলের মাধ্যমে খোলা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছে। বর্তমানেও ট্রাক সেলের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে তেল, ডাল, চিনি ও পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য বিক্রি চলছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ভোক্তা পর্যায়ে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক পার্থক্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে পাইকারি এবং খুচরা বাজারে পাঁকা রশিদের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কঠোরভাবে মনিটরিং করছে। এই বিষয়ে কোন অনিয়ম পেলে প্রয়োজনীয় আইননুগ ব্যবস্হা ও গ্রহণ করা হচ্ছে।’


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




শূন্য পদের বিপরীতে ১১ হাজার ৭৬৯ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের বিপরীতে ১১ হাজার ৭৬৯ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। ‘বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি’ ও ‘ওয়েটিং লিস্ট’ থেকে এ শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ করা হয়।

রবিবার (৫ জুন) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি ফল ঘোষণা করেন।

ফলাফল তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এনটিআরসিএ প্রকাশিত বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি ২০২২ এর আওতায় ১৫ হাজার ১৬৩টি শূন্য পদে নিয়োগ সুপারিশের জন্য এবং তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগ সুপারিশের পর যে সব পদে কেউ যোগদান করেনি বা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম দাখিল করেননি এমন তিন হাজার ৭৮১টি পদে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এনটিআরসিএ'র তৃতীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় যে সব পদে কেউ আবেদন করেননি এমন ১৫ হাজার ১৬৩টি শূন্য পদে নিয়োগ সুপারিশ করার জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৭টি আবেদন পাওয়া যায়। এই আবেদনগুলো টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে মেধা ও চাহিদা অনুযায়ী যাচাই বাছাই করা হয়। এতে মোট ৮ হাজার ৩৫৯ জনের আবেদন পাওয়া গেছে। তার মধ্য থেকে মেধা ও চাহিদার ভিত্তিতে ৪ হাজার ৭৫২ জন প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশের জন্য নির্বাচন করা হয়।’

নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশ বা নিরাপত্তা ভেরিফিকেশনের পরে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে বলেও জানান ডা: দীপু মনি।

নির্বাচিত ৪ হাজার ৭৫২ প্রার্থীর মধ্যে এমপিও পদে ৪১৮৫ এবং নন-এমপিও পদে ৫৬৭ জন নির্বাচিত হয়েছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় পদ ২৫০৪টি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় পদ ২২৪৮টি।

একই সঙ্গে এনটিআরসিএ-এর তৃতীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় নির্বাচিত ৩৪ হাজার ৭৩ জন প্রার্থীর মধ্যে নিয়োগ সুপারিশের পর যে সব পদে কোনও প্রার্থী যোগদান করেননি অথবা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম দাখিল করেননি এরুপ ৭ হাজার ১৭ টি পদে বিধি এবং মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওয়েটিং লিস্ট থেকে ২য় মেধাধারীকে নির্বাচন করা হয়েছে।

নির্বাচিত ৭ হাজার ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে এমপিও পদ ৬ হাজার ২০৫টি এবং ননএমপিও পদ ৮১২টি। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় পদ ৪ হাজার ৫৩৯টি এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় পদ ২ হাজার ৪৭৮টি। এ সকল নির্বাচিত প্রার্থীদেরও পুলিশ বা নিরাপত্তা ভেরিফিকেশনের পরে নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা হবে। নিয়োগ সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে এনটিআরসিএ থেকে গত ৩০ মার্চ ২০২১ তারিখে ৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্য পদের মধ্যে ৩৮ হাজার ২৮৩ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। ১৫ হাজার ১৬৩টি পদে কোনও আবেদন না পাওয়ায় প্রার্থী নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি।

নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশ বা নিরাপত্তা ভেরিফিকেশনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রার্থীদের নিকট থেকে প্রাক নিয়োগ জীবন বৃত্তান্ত যাচাই সংক্রান্ত ভিআর ফরম সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্য হতে মোট ৩৪ হাজার ৭৩ জন প্রার্থী ভিআর ফরম প্রেরণ করেন।

গত ২০ জানুয়ারি উল্লিখিত নির্বাচিত ৩৪ হাজার ৭৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ করা হয়।



আরও খবর



পরিবেশ বন্ধু সম্মাননা পেলো সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

নেত্রকোনা জেলা  প্রতিনিধি:

পরিবেশ রক্ষায় নিরন্তর কাজ করায় বিশেষ সম্মাননা পেলো নেত্রকোনার দুর্গাপুরের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসক হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যদের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন নবাগত জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস। 

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক পারভেজ আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর মূর্শেদা খাতুন, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন, নেত্রকোনা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মুখলেসুর রহমান খান, বারসিক জেলা আঞ্চলিক সমন্বয়কারী অহিদুল রহমান প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে এনজিও প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় পরিবেশ দিবস কে ঘিরে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরির বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার দেয়া হয়। এর মাঝে পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এবছর সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং সহ ২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করেন তারা। পরে পরিবেশ বন্ধু স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সংগঠনের পক্ষে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং সংগঠনের সভাপতি রিফাত আহমেদ রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুশান্ত প্রাসাদ। 

সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং এর স্বেচ্ছাসেবকরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি সুসং জনপদের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে লোকালয় থেকে বিরল প্রজাতির অসংখ্য প্রাণী উদ্ধার করে আবারো বনে অবমুক্ত করে আসছে। গত আড়াই বছরে সংগঠনটি মোট ২৩টি রেস্কিউ অভিযানের মাধ্যমে বিপন্ন প্রাণীদের রক্ষা করে আসছেন। এর মাঝে অজগর সাপ ৮টি, বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর ৬টি, সন্ধি কাছিম, মেছো বাঘের ছানা, গন্ধগোকুল, গুইসাপ, গিরগিটি, গাংচিল সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী অবমুক্ত করেছেন।  

স্বেচ্ছাসেবকরা বলছেন, পাহাড়ি সীমান্তবর্তী সুসং-দুর্গাপুরে ছোট-বড় অসংখ্য পাহাড়ি টিলায় একসময় গাছপালা থাকলেও কালের বিবর্তনে গাছপালা নিধনের ফলে বন্যপ্রাণীরা আবাসস্থল হারিয়ে চলে আসছে লোকালয়ে। এর মাঝে অনেক প্রাণী মানুষের নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। প্রাণীদের রক্ষায় এবং বন্যপ্রাণীর প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং। 

তারা আরো বলেছেন, পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সবাইকেই নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি পর্যটন সম্ভাবনাময় সুসং দুর্গাপুরকে বাঁচাতে হলে আগে সোমেশ্বরী নদীকে বাঁচাতে হবে। কারণ উপজেলার মানুষ ও প্রকৃতির প্রাণ স্বচ্ছ জলরাশি সোমেশ্বরী নদীতে মিঠা পানির শুশুক ও বিভিন্ন প্রজাতির কাছিমের অবাধ বিচরণ থাকলেও আজ পুরোপুরি বিলুপ্ত। এছাড়া গত ১২ বছর ধরে স্বার্থন্বেষী মহল ও বালুখেকোদের তাণ্ডবে পুরো নদীই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নিষিদ্ধ বাংলা ড্রেজার বসিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে এ নদীর ঐতিহ্যবাহী মহাশোল মাছ, জলজ প্রাণীসহ সুসং জনপদের পরিবেশে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। তাই সোমেশ্বরীতে বালু উত্তোলন বন্ধ সহ এই জনপদকে বাঁচাতে প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি স্বেচ্ছাসেবকদের।


আরও খবর



একটি হুইল চেয়ার পাওয়ার আকুতি শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী রাবিয়া খাতুনের পরিবারের

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image
আরিফুল ইসলাম আরিফ: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের দিনমজুর হযরত আলীর মেয়ে  রাবিয়া খাতুন (১৮) । জন্ম থেকে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী, হযরত আলীর নিজের জমি না থাকায় অন্যের দেয়া ৬ শতাংশ জমির উপর কোনভবেই ছোট ছোট টিনের ঘর তুলে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে কোনমতেই দিন কাটাচ্ছে।

দিনমজুর হওয়ায় যেদিন কাজ জোটে সেদিন খাবার জোটে, যেদিন কাজ না জোটে সেদিন অনাহারে থাকতে হয় পরিবারের সকলকে। স্ত্রী রনজিনা বেগম স্বামীর কষ্ট দেখে মাঝে মাঝে অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনভাবেই সংসার চালাচ্ছে।

এরই মধ্যেই তাদের সংসারের জন্ম নেয় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী রাবিয়া খাতুন। ছোটকালে রাবিয়া খাতুন কে কোলে নেওয়া ও বিভিন্ন জায়গায় আনা-নেয়া করা সহজ হলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে রাবিয়া খাতুন কে বহন করা পরিবারের লোকজনের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী রাবিয়া খাতুন কে একটি হুইল চেয়ার কিনে দেয়ার টাকা না থাকায় অনেক কষ্টে ঘর বাহির করতে হয় রাবিয়ার মা রনজিনা বেগমকে। বিছানায় শুয়ে থাকতে থাকতে রাবিয়ার পিঠে ঘা পড়ে গেছে।

তাইতো রাবিয়ার চলাফেরা ও বাইরের পৃথিবী দেখার জন্য সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বানদের কাছে একটি হুইল চেয়ারের আবেদন জানিয়েছেন রাবিয়ার পরিবার ও এলাকাবাসী।

প্রতিবন্ধী রাবেয়া খাতুনের  মা রনজিনা বেগম জানান, আমার স্বামী দিনমজুর দিন আনি দিন খাই হুইল চেয়ার কেনার কোন সামর্থ্য আমাদের নাই কোন দয়ালু ব্যক্তি যদি আমার মেয়েটাকে একটা হুইলচেয়ার দিত তাহলে আমরা তাকে অনেক দোয়া করতাম।

এলাকাবাসী আজিজুল হক ও সামিনা বেগম জানান, এই প্রতিবন্ধী মেয়েটাকে ঘর বাহির করতে পরিবারটির অনেক কষ্ট হয় আগে ছোট ছিল সহজেই ঘর বাহির করতে পারত, এখন একটু বড় হওয়ায় ঘর বাহির করতে পরিবারটির খুব কষ্ট হয়। এদের একটি হুইল চেয়ার কেনার সামর্থ নেই কেউ একটি হুইল চেয়ার দান করলে পরিবারটি খুবই উপকৃত হতো।

কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মানিক জানান, এই অসহায় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েটির জন্য একটি হুইল চেয়ার অত্যন্ত প্রয়োজন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হুইলচেয়ার দেয়ার কোন বাজেট নেই সমাজের কোন বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষ যদি এই প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে একটি হুইল চেয়ার দিও তাহলে মেয়েটির বাইরের দুনিয়ায় আলো-বাতাস দেখতো।






আরও খবর