Logo
শিরোনাম

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কালো তালিকায় ইসরায়েল

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:

যুদ্ধক্ষেত্রে শিশুদের রক্ষায় ব্যর্থ দেশ ও সশস্ত্র বাহিনীর তালিকায় ইসরায়েলকে সংযুক্ত করতে যাচ্ছে জাতিসংঘ। তবে বিশ্ব সংস্থাটির এমন সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে ইহুদি রাষ্ট্রটি। খবর এএফপির।

যদিও জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছ থেকে আগামী ১৮ জুনের আগে বার্ষিক ‘শিশু ও সশস্ত্র সংঘাত’ বিষয়ক প্রতিবেদনটি প্রকাশের সম্ভাবনা নেই। 

তবে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জিলাড আরডান তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে আরডান বলেন, ‘এই লজ্জাজনক সিদ্ধান্তে আমি বিস্মিত ও বিরক্ত।’

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তার অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বলেন, ‘হামাসের অযৌক্তিক দাবিকে গ্রহণ করে জাতিসংঘ নিজেকেই আজ নিজেকে কালো তালিকাভুক্ত করল।’

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগের উদ্ধৃতি দিয়ে নেতানিয়াহু আরও লেখেন, ‘ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের অন্যতম ন্যায়পরায়ণ সামরিক বাহিনী এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের এমন ঢালাও সিদ্ধান্ত এটির কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।’

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মানসুর বলেন, ‘ইসরায়েলকে এই লজ্জার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলেও তাদের হামলায় নিহত শিশুদের জীবন ফিরে আসবে না কিংবা পঙ্গু হয়ে পড়া মানুষের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে না।’

এক্স হ্যান্ডেলে রিয়াদ মানসুর আরও বলেন, ‘এটা সঠিক নির্দেশনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। দুমুখো নীতি ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণে ইসরায়েল যে সুবিধা ভোগ করে আসছিল এবং যার কারণে আমাদের শিশুদের জীবন হুমকির মুখে পড়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে তা কিছুটা হলেও দূর হবে।’

এদিকে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, হামাস এবং আরেকটি ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন ইসলামিক জিহাদের নামও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জিলাড আরডান অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বলেন, ‘আজকে জাতিসংঘ মহাসচিবই কালো তালিকাভুক্ত হলেন।’

আরডান বলেন, ‘জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সিদ্ধান্তের ফলে হামাস তাদের কাজে আরও বেশি করে স্কুল ও হাসপাতালগুলোকে ব্যবহার করতে থাকবে। এই সিদ্ধান্ত হামাসকে আশা জোগাবে।’

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নজিরবিহীন হামলায় এক হাজার ১৯৪ জন নিহত হওয়ার মাধ্যমে সূচনা হয় হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ। পাল্টা প্রতিশোধ নিতে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের অবস্থানে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। 

চলমান এই হামলায় এ পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৭৩১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক লোক। গাজার সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজার শিশু।


আরও খবর



নওগাঁয় বিষাক্ত সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বিষাক্ত সাপের কামড়ে মাহতাফ আলী (৫৯) নামের এক বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ২২ জুন সকালে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন। নিহত মাহতাব আলী ঐ গ্রামের মৃত মোবারক আলী মন্ডলের ছেলে। 

জানা যায়, শনিবার সকাল ৯ টারদিকে মরিচের ক্ষেতে জমে থাকা বৃষ্টির পানি বের করে দিতে যায় কৃষক মাহতাব আলী। সেখানে একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১১ টারদিকে তার মৃত্যু হয়।

সাপে কেটে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করে মৃতদেহ পরিবার (স্বজনদের) নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



সংসদে অর্থ বিল উঠছে আজ, বাজেট পাস রোববার

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



নানান আলোচনা-সমালোচনার পরও কালো টাকা সাদা করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটছে না সরকার।



 কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রেখেই রোববার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে পাস হচ্ছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট। নতুন এই বাজেট কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে।



বড় কোনো সংশোধনী ছাড়াই জাতীয় সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন হচ্ছে আজ শনিবার (২৯ জুন)। এর আগে ৬ জুন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আসন্ন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 


চলতি সংসদ অধিবেশনেই সংসদ সদস্যরা বিধানের তীব্র সমালোচনা করেন।



অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে ছোটখাটো দু-একটি বিষয় ছাড়া তেমন কোনো বড় সংশোধনীর সম্ভাবনা নেই।


এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা প্রত্যাহার নিয়েও ছিল আলোচনা-সমালোচনা। নানান জল্পনা কল্পনা শেষে এমপিদের গাড়ি আমদানিতে ৪০ শতাংশ কর বসানোর প্রস্তাব করা হয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে।



এছাড়া কর অবকাশ সুবিধার পাশাপাশি শর্ত সাপেক্ষে ইকোনমিক জোন ও হাইটেক পার্কের বিনিয়োগকারীদের ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানিতে আগের মতোই জিরো ডিউটি সুবিধা বহাল থাকতে পারে।


প্রস্তাবিত বাজেটে সংসদ সদস্যদের আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবু হাসান মাহমুদ আলী। তবে শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর নাও হতে পারে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানিতে বিদ্যমান আদেশ সংশোধনের কোনো উদ্যোগ এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। ফলে আগের মতো এবারও এমপিরা শুল্কমুক্ত কর সুবিধা ভোগ করতে পারেন।


এনবিআর সূত্র জানায়, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।



 পরে মঙ্গলবার (২৬ জুন) বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।


সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যায়ক্রমে কর অব্যাহতি কমিয়ে কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ)। পাশাপাশি আর্থিক খাত সংস্কারের পরামর্শ ও দিয়েছে সংস্থাটি।


আন্তর্জাতিক এ সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, আইন প্রণেতাদের গাড়ি আমদানিতে থাকা কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম জোরদার করতে চেয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সংসদ সদস্যদের এ সুবিধা পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার প্রস্তাবটি পাস না হওয়ার সম্ভাবনা আছে।


প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের আগে আইন প্রণেতাদের গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট বসানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল আইন মন্ত্রণালয়।


জানা গেছে, কর অবকাশ সুবিধার পাশাপাশি কিছু শর্ত সাপেক্ষে ইকোনমিক জোন ও হাই-টেক পার্কের বিনিয়োগকারীদের ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানিতে আগের মতই জিরো ডিউটি সুবিধা বহাল থাকতে পারে।



 এছাড়া শেয়ারবাজারে ক্যাপিটাল গেইনের উপর নতুন করে আরোপ করা ট্যাক্স অব্যাহত থাকতে পারে।


অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদের প্রবল সমালোচনার মুখেও কালো টাকা সাদা করার বিধান থেকে সরছে না সরকার। এ সুযোগ বহাল থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে ১৫ শতাংশ কর প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই ছাড়াই কালো টাকা সাদা করতে পারবেন। সরকারি কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন করতে পারবে না।


নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো করদাতা ফ্ল্যাট ও জমির মতো স্থাবর সম্পত্তির জন্য নির্ধারিত হারে কর প্রদান করলে এবং নগদ, সিকিউরিটিজ, ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয় স্কিমসহ অন্যান্য সম্পদের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না।


আরও খবর



যারা দল ছেড়ে গেছে তারা নিভে গেছে : শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


আওয়ামী লীগের নেত্রী বলেন, দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করার জন্য আমরা সবকিছু করেছি। মাছ, মুরগি, ডিম উৎপাদন, মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি করে মানুষের চাহিদা মিটাতে সক্ষম হচ্ছে।  


এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  



সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে দলীয় সভাপতি জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর জাতীয় সংগীত বাজানো হয়৷ জাতীয় সংগীত শেষে আওয়ামী প্রধান বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এবং আসন গ্রহণ করেন। এরপর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন শেখ হাসিনা।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রতিটি অর্জনে আওয়ামী লীগের অবদান রয়েছে। 


২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। আমরা আগামী ১০০ বছরের জন্য ডেল্টা প্লান তৈরি করেছি। দেশ এগিয়ে যাবে। বারবার আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করে তারা ব্যর্থ হয়েছে।


শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ জন্ম থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ স্বাধীন করার পর মাত্র অল্প কিছুদিন সময় পেয়েছিল জাতির পিতা। কিন্তু  ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে হত্যা করে ফেলে।  


শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেশের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি। দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। দেশে অতিদারিদ্র্য বলে কেউ থাকবে না। দেশে কারিগরিসহ শিক্ষার উন্নয়ন ও স্মার্ট জনগণ তৈরি, খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছি।


  আওয়ামী লীগের নেত্রী বলেন, দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করার জন্য আমরা সবকিছু করেছি। মাছ, মুরগি, ডিম উৎপাদন, মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি করে মানুষের চাহিদা মিটাতে সক্ষম হচ্ছে।  


এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  



সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে দলীয় সভাপতি জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর জাতীয় সংগীত বাজানো হয়৷ জাতীয় সংগীত শেষে আওয়ামী প্রধান বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এবং আসন গ্রহণ করেন। এরপর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন শেখ হাসিনা।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রতিটি অর্জনে আওয়ামী লীগের অবদান রয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। আমরা আগামী ১০০ বছরের জন্য ডেল্টা প্লান তৈরি করেছি। দেশ এগিয়ে যাবে। বারবার আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করে তারা ব্যর্থ হয়েছে।


সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আমন্ত্রিত অতিথিসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আমন্ত্রিত অতিথিসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



সেন্ট মার্টিনে প্রকট খাদ্য সঙ্কট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশের দক্ষিণে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে খাদ্য সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে৷ দ্বীপ থেকে উপজেলা টেকনাফের নৌ যোগাযোগ ২০ দিন ধরে বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের কারণে নাফ নদী ব্যবহার করা যাচ্ছে না৷ নৌপথ ছাড়া যোগাযোগের আর কোনো তেমন পথ নাই৷

আরেকটি বিকল্প সেন্ট মার্টিন থেকে জাহাজযোগে কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ৷ এটা সময়সাপেক্ষ এবং শুধু জাহাজ দিয়েই সম্ভব৷

তবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, 'এখন সেন্ট মার্টিনের বাসিন্দারা চাইলে নাফ নদী ব্যবহার করে মূল ভূখণ্ডে যাতায়াত করতে পারেন

আর আইএসপিআর আর জানিয়েছে, 'সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কাছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের একাধিক জাহাজ মিয়ানমারের জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণসহ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় থেকে নিয়মিত টহল দিচ্ছে৷

 

সেন্ট মার্টিন টেকনাফের একটি ইউনিয়ন৷ জনসংখ্যা ১০ হাজারের মতো৷ সেন্ট মার্টিনের ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান জানান, 'এই ২০ দিনে মাত্র একবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেন্ট মার্টিনে খাদ্যসামগ্রী পঠানো হয়েছে৷ আর সেটা ছিল জেলে এবং যারা সরকারের ভিজিএফ কার্ডধারী৷ ফলে এখন খাদ্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে৷

তিনি বলেন, 'সেন্ট মার্টিনের কিছু মানুষ জেলে আর অধিকাংশই কৃষক৷ চাহিদার ২০ ভাগ খাদ্যও এখানে উৎপাদন হয় না৷ জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ আছে৷ বন্ধ আছে পর্যটন৷ ফলে আয়ের উৎস যেমন বন্ধ তেমনি বাইরে থেকে খাদ্য আনারও কোনো সুযোগ নাই৷

'আর তিন-চার দিনের মধ্যে যদি খাদ্য সরবারাহ করা না হয় তাহলে অনেককেই অনাহারে থাকতে হবে,' জানান তিনি৷

একই কথা বলেন সেন্ট মার্টিনের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান৷ তিনি বলেন, 'আমাদের এখানে ঈদ নাই৷ আতঙ্কে আর খাদ্য সংকটে আমাদের দিন কাটছে৷ দ্বীপের মানুষের হাতে কোনো কাজ নেই৷ নৌ চলাচল বন্ধ থাকায় তারা কাজের জন্য কোথাও যেতে পারছেন না৷ দোকানে যে চাল, তেল, ডাল পাওয় যাচ্ছে তার দাম অনেক৷ শাকসবজি শেষ হয়ে গেছে৷ চলাচল শুরু না হলে সামনের দিনে আমরা কী খাবো তাই ভেবে পাচ্ছি না৷

'আমাদের খোঁজ কেউ নিচ্ছে না৷ না জনপ্রতিনিধি, না প্রশাসন৷ একবার মাত্র খাদ্য পাঠিয়ে তারা চুপচাপ আছেন৷ ওই খাদ্যে কয়জনের হয়!

টেকনাফ স্পিডবোট মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলম বলেন, 'গত দু'দিন ধরে আমরা গোলাগুলির শব্দ পাচ্ছি না৷ তবে দূরে মিয়ানমারের সমুদ্র সীমায় তাদের যুদ্ধজাহাজ এখনো অবস্থান করছে৷ আর বাংলাদেশের সমূদ্র সীমায় নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের দুটি জাহাজ টহল দিচ্ছে৷ আমরা খুব কষ্টে আছি৷ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্বীপের বাইরে নেয়ার কোনো সুযোগ নাই৷ একটির নামমাত্র স্বাস্থকেন্দ্র আছে সেখানে সাধারণ রোগেরও চিকিৎসা সম্ভব নয়৷ আর খাদ্য সামগ্রী দ্রুত ফুরিয়ে আনছে৷

'আমাদের এখন দরকার নাফ নদীর চ্যানেলটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত করে দেয়া৷ তা না হলে আসলে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়েই থাকব৷ কারণ সমূদ্র পথে জাহাজ দিয়ে কক্সবাজারে আমাদের যোগাযোগ সম্ভ নয়৷ যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বোট চালক, মাঝিমল্লাররাও বেকার হয়ে পড়েছেন৷

কক্সবজারের জেলা প্রশাসক জানান, 'তাদের খাদ্যের প্রয়োজন হলে আমরা আরো খাদ্য পাঠাবো৷ আর এখন তারা চাইলে নাফ নদী ব্যবহার করতে পারেন৷

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'ওখানে যা হচ্ছে তা তো মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার৷ সেন্ট মার্টিনের লোকজন আবহাওয়ার কারণে এখন নৌপথ ব্যবহার করছেন না৷ তারা তো এই পরিস্থিতির মধ্যেই আসাযাওয়া করেন৷ তারপরও আমরা আরো একটু পরীক্ষা করে তাদের এই নৌপথ ব্যবহারের জন্য বলব৷ তবে এখন ব্যবহারে কোনো বাধা নেই৷

এদিকে আইএসপিআর এক বিবৃতিতে বলেছে, 'বর্তমানে মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমার নৌবাহিনীর একাধিক যুদ্ধজাহাজ অপারেশন পরিচালনা করছে৷ মিয়ানমার নৌবাহিনী সেন্ট মার্টিনের অদূরে মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় অবস্থানের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে অবহিত করছে৷ এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ১২ জুন প্রতিবাদ জানায়৷

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কাছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের একাধিক জাহাজ মিয়ানমারের জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণসহ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় থেকে নিয়মিত টহল দিচ্ছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়৷

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারে চলমান অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যৌথ অপারেশন পরিচালনা করছে৷ মিয়ানমার সামরিক বাহিনী এবং আরাকান আর্মির এই সংঘর্ষের কারণে নাফ নদী এবং নদী-সংলগ্ন মোহনা এলাকায় বাংলাদেশি বোটের উপর অনাকাঙ্খিত গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটছে৷ এই ধারাবাহিকতায় মিয়ানমার নৌবাহিনী সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অদূরে মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় এবং নাফ নদীর মিয়ানমার সীমানায় অবস্থান করে মিয়ানমারের দিকে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করছে৷ একই সঙ্গে আরাকান আর্মিও মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজ ও বোট লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করছে৷ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় চলমান রয়েছে৷

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার উইং-এর মহাপরিচালক মিয়া মোহাম্মদ মইনুল কবিবের কাছে সোমবার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আইএসপিআর বিবৃতিতে যা বলেছে এর বাইরে আমাদের কাছে আর কোনো বাড়তি তথ্য নেই'

এদিকে মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক সামরিক অ্যাটাশে ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল অব. এম শহীদুল হক বলেন, 'নৌবাহিনী এখন যে টহল দিচ্ছে এটা আরো আগে করলে ভালো হতো৷ তাহলে সেন্ট মার্টিনের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হতো না৷ এখন দরকার দ্রুত নাফ নদীর চ্যানেলটি নিরাপদ করে সেন্ট মার্টিনের যোগাযোগ চালু করা৷'

তবে নতুন আরেকটি সমস্যার কথা বলেন তিনি৷ তিনি বলেন, 'আরকান আর্মি কিন্তু রোহিঙ্গা বিরোধী৷ তারা বুধিডং ছেড়ে রোহিঙ্গাদের চলে যেতে বলেছে৷ এর আগে তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে৷ এখন ওই রোহিঙ্গারা কোন দিকে মুভ করে তা বাংলাদেশের নজরে রাখা উচিত৷ তা নাহলে নতুন একটি সংকট হতে পারে৷

তার কথা, 'সেন্ট মার্টিন নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা না জেনে শুনে কথা বলছেন৷ সেন্ট মার্টিন কোনো পক্ষেরই টার্গেট না৷ আমরা মাঝখানে পড়ে গেছি৷ তবে আমাদের শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে৷

একই ধরনের কথা বলেন মিয়ানমারের সিটুয়েতে বাংলাদেশের সাবেক মিশন প্রধান মেজর অব. মো. এমদাদুল ইসলাম৷ তিনি বলেন, 'আরাকান আর্মির নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গাদের এখন মিয়ানমার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে৷ বলা হচ্ছে, তাদের হয়ে যুদ্ধ করলে নাগরিকত্ব দেয়া হবে৷ এতে আমাদের এখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হতে পারে৷ সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷

তিনিও মনে করেন, সেন্ট মার্টিন মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বা আরকান আর্মির টার্গেট নয়৷ তাই এব্যাপারে রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বহীন কথা বলা উচিত নয়৷ তবে বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই শক্ত অবস্থানের জানান দিতে হবে৷
সূত্র : ডয়চে ভেলে


আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কমতে পারে ৭ দিন, সিদ্ধান্ত আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:



প্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন মিলিয়ে মোট ২০ দিনের ছুটি চলছে। গত ১৩ জুন শুরু হওয়া এ ছুটি আগামী ২ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 



তবে সেই ছুটি সাতদিন কমানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ঈদুল আজহার ছুটি বাদে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল হতে এমন আভাস দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। সেই সিদ্ধান্ত নিতে আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বৈঠকে বসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।



জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হবে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।


 পরে মন্ত্রী ব্রিফিং করে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। তবে ছুটি সাতদিন কমতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।


ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনার কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো– নতুন কারিকুলামে চলতি বছরের বেশ গ্যাপ রয়েছে। শীত ও অতি গরমের কারণে এবার ১৫ দিনের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেই ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মের ছুটি কাটছাঁট করা হবে।



 সেক্ষেত্রে শীতকালীন ছুটি কিছুটা বাড়তে পারে। পাঠদানের কর্মদিবস সারা বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। তাই গ্রীষ্মের ছুটি এক সপ্তাহ কমতে পারে।


চলতি বছরের শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে এবার ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন, যা চলার কথা আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত। তবে ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে গেলে আবারও শিক্ষাপঞ্জিতে কাটছাঁটের প্রয়োজন পড়বে। 


আরও খবর