Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

জননিরাপত্তা নিশ্চিতে অপচেষ্টা প্রতিহত করুন : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সাহস ও আন্তরিকতার সাথে রুখে দাঁড়াতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম বাহিনী হিসেবে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অশুভ তৎপরতা প্রতিহত করতে হবে। আপনাদের সততা, সাহস ও আন্তরিকতার সাথে এটা করতে হবে।

সোমবার  সকালে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ৪৪তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তি বজায় রাখা তার সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।

 

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুষ্ঠু অর্থনৈতিক পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অব্যাহত রাখা পূর্বশর্ত। দেশে এমন পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের অর্জিত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে সততার সাথে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি দেশের সরকারি-বেসরকারি কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ বাহিনী আনসার-ভিডিপির ৬১ লাখ সদস্যের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

বৃহৎ এই বাহিনীটিতে দুটি নারী ব্যাটালিয়ন এবং একটি বিশেষায়িত ব্যাটালিয়নসহ মোট ৪২টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।


সূত্র : ইউএনবি

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় তারে বাঁধা সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নওগাঁর জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক হচ্ছে সমবায় সড়ক। সমবায় চত্বরের পাশ দিয়ে চলে গেছে এই সড়কটি। এই সড়কের সঙ্গে অবস্থিত নওগাঁ চক্ষু হাসপাতাল ও ড্যাফোডিল জুনিয়র স্কুল। সমবায় এই সড়কটি মুক্তির মোড়ের জেলা পরিষদের পার্কের প্রধান গেইট এর বিপরীত দিক দিয়ে চলে গেছে এটিম মাঠ ও উকিলপাড়ার মধ্যে। 

তাই প্রতিনিয়তই শত শত শিক্ষার্থীরা জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে চলাচল করে থাকেন। এছাড়াও এ অঞ্চলের বাসিন্দারাও দীর্ঘদিন যাবত সটকাট রাস্তা হিসেবে এই সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, এই সড়কের সঙ্গে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে নওগাঁ গাঁজা উৎপাদনকারী (অংশীদার) পূর্ণবাসন সমবায় সমিতি লিঃ কর্তৃক পরিচালিত গাঁজা সমবায় হিমাগার। বর্তমানে পরিত্যক্ত এই হিমাগারের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি ডাব গাছের সঙ্গে তার দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় প্রাচীর টি পথচারীদের উপর ভেঙ্গে পড়তে পারে। তাই বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন মরণফাঁদ নামক সড়কের এই সীমানা প্রাচীর টির দ্রুত সংস্কার চান স্থানীয়রা।  

পথচারী মাকসুদুর রহমান বলেন, প্রতিনিয়তই সন্তানদের নিয়ে একাধিকবার এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় কোমল-মতি শিক্ষার্থীরা একা চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে। প্রধান সড়কে অধিকাংশ সময় যানজট লেগে থাকার কারণে আবাসিক এলাকার বাসিন্দাসহ অধিকাংশ পথচারীরা এই নিরিবিলি সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সমবায় হিমাগারের সীমানা প্রাচীরটির কোন সংস্কার না করায় এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি অপসারণ করে দ্রুতই নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে সড়কটি কে নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

সদর উপজেলা প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন বলেন, যেহেতু ঐ সড়কটি পৌর সভার মধ্যে অবস্থিত তাই এই বিষয়ে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে পৌর কর্তৃপক্ষ। 

নওগাঁ পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ নজমুল হক সনি বলেন, আমাকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম. রবিন শীষ বলেন, আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনিরাপদ সড়কটিকে নিরাপদ করতে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। 


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমারে ৬২ সৈন্যকে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় গত তিন দিনে অন্তত ৬২ জন সেনা ও কয়েকটি ঘাঁটি হারিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

গত কয়েক দশক ধরে সামারিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী। সর্বশেষ অভ্যুত্থানের পর থেকে সামরিক বাহিনীর সাথে গ্রামাঞ্চলে মারাত্মক সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী। বিদ্রোহী বাহিনীর একটি দল সম্প্রতি চীন সীমান্তে জান্তা লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক আকস্মিক হামলা চালিয়েছে

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অং সান সুচির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার সময় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সামরিক বাহিনী। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থিদের বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করে জান্তা। স্থানীয় এক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীর মতে, সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানে চার হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন কয়েক হাজার। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর অভিযানের মুখে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়েছে জান্তা বাহিনী। 

ইরাবতী জানায়, সাগাইং, মাগওয়ে, মান্দালা, কাচিন ও কারেন প্রদেশে সংঘর্ষের খবর মিলেছে। পিডিএফ বাহিনীর অভিযানের মুখে জান্তা বাহিনী তাদের মিশন ছেড়ে পালিয়ে গেছে।  

২৬ জানুয়ারি থেকে ৪০০ জান্তাসেনা নিয়ে একাধিকবার মিতওয়ে শহর দখলের চেষ্টা করেছে সরকার। তবে তা এখন পিডিএফ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে। 

গোষ্ঠীটি জানায়, ত্যাগ করা এই সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ১৫ জন সেনার মরদেহ পেয়েছে তারা। এছাড়া সংঘাতে জান্তা বাহিনীর আরও ৪০ জন সদস্য আহত হয়েছে বলে জানায় তারা। 


আরও খবর



চুরির অপবাদে যুবককে নির্যাতন,মরদেহ পুলিশ হেফাজতে

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট:

লালমনিরহাট কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অপবাদে নির্যাতনের শিকার হওয়ায় অভিমানে বিষপানে নুরুল আলম (২৮) নামে এক নরসুন্দর আত্নহত্যা করেছেন। রোববার(২৫ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার তুষভাণ্ডার ইউনিয়নের কাঞ্চনশ্বর দুল্লার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুর আলম ওই এলাকার মৃত নওশের আলীর ছেলে। 

তার পাঁচ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে সেলুনের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির পাশে দুল্লারবাজারে একটি মটরসাইকেল দেখতে পায়। সেখানে কাউকে না পেয়ে গাড়িটি তার বাড়ির সামনে এনে রাখেন। পরবর্তী রোববার সকালে গাড়ির মালিক একই এলাকার আসাদুল খোঁজ পেয়ে তার কাছে এসে মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে মটরসাইকেল চায়। মটরসাইকেল নেওয়ার পরে তাকে কৌশলে দুল্লারবাজার ক্লিনিকের সামনে নিয়ে তাকে দেওয়া টাকা হাতিয়ে এলোপাতাড়ি  মারধর করে।

এসময় আসাদুলের পিতা আজিজুল, চাচা নাজুল্লা কিল-ঘুষি সহ বুকের উপর উঠে ব্যাপক আহত করে। একপর্যায়ে অভিমানে ওই যুবক বাজার থেকে বিষ নিয়ে বাড়িতে এসে সবার অজান্তে বিষপান করে আত্মহত্যা করে।

নিহত যুবকের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী মটরসাইকেল রাতে বাজারে পেয়ে বাড়ির সামনে এনে রেখেছিলো। সে মোটরসাইকেল চালাতেও পারেনা। আজ সকালে তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে চুরির অপবাদে মারধর করে। সেই অভিমানে আমার স্বামী আত্মহত্যা করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবীর বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আমাদের পুলিশ সেখানে পাঠানো হয়েছে। পরিবার অভিযোগ শুনে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিয়ম-নীতি না মেনে গভীর নলকূপ এলাকায় অ-গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রায় ৩ যুগ আগে স্থাপিত গভীর নলকূপের সেঁচ কমান্ডিং এলাকায় অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ চালিত অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপনের অভিযোগ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ঐ অবৈধ অ-গভীর নলকূপ এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও মাত্র ৩ দিন পরই ফের পূণঃ সংযোগ দেয়া হয়। এনিয়ে গভীর নলকূপ এর সেঁচ এলাকার চাষিদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। 

অবৈধ অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ মালিকের খুঁটির জোর কোথায় তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চাঁন্দাশ ইউনিয়ন এর পন্ডিতপুর গ্রামের অফেল বর্ম্মণের ছেলে শ্রী কর্ণেক বর্ম্মণ অভিযোগ করেন যে, পন্ডিতপুর মৌজায় ১৯৯০ সালে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ বিস্তর সরকারি টাকা ভর্তুকি দিয়ে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন। গত ৩ যুগ থেকে এই গভীর নলকূপের আওতায় আনুঃ ৩শ একর জমিতে সেঁচ দিয়ে আসছেন। উপকার ভোগী কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠন করে স্বল্প ব্যয়ে সেঁচ দেয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি একই মৌজায় ঐ গ্রামের পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণের স্ত্রী কামনা রাণী একটি বিদ্যুৎ চালিত অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপন করে গভীর নলকূপের আওতাভূক্ত জমিতে অবৈধ ভাবে সেঁচ দিচ্ছেন। অগভীর নলকূপের আশে পাশের চাষিদের এখান থেকে পানি নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে চাষিদের সেঁচ বাবদ গভীর নলকূপের চেয়ে অতিরিক্ত বেশি টাকা দিতে হচ্ছে কৃষকদের। এছাড়া গভীর নলকূপের সেঁচের আওতায় জমি কমে যাওয়ায় গভীর নলকূপ পরিচালনাকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ স্থাপন ও পাকা ড্রেন তৈরি করলেও অবৈধ অ-গভীর নলকূপ থেকে একই এলাকায় ফিতা পাইপ ও কাঁচা ড্রেন খনন করে সেঁচ দেয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় হচ্ছে। এভাবে বেশিদিন চললে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে এলাকা মরুকরণের দিকে যাবে। 

তিনি অভিযোগ করেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কামনা রাণীর নামে পন্ডিতপুর মৌজার ৩১৫ দাগে বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন দেয়। এখান থেকে গভীর নলকূপের দূরত্ব মাত্র ৭' ফুট। অথচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ক্ষুদ্রসেঁচ নীতিমালা ২০১৪ এর ধারা ৫.৩.১ (ঙ) ২ অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপ থেকে অ-গভীর নলকূপের দূরত্ব কমপক্ষে ১৭শ' ফুট হতে হবে। এছাড়া বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ ৩১৫ দাগে অ-গভীর নলকূপটি স্থাপনের অনুমোদন দিলেও এর বোরিং করা হয় এর থেকে বেশ কিছু দূরে ৩১৯ দাগে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়মানুযায়ী কোন বিদ্যুৎ খুঁটি থেকে ১৩০ ফুটের বেশি দূরত্বে সংযোগ দেয়া যায়না। ৩১৫ নং দাগে বোরিং করা হলে তা ২০০ ফুটের বেশি দূরত্বে হতো। তাই ৩১৯ দাগে এটি খনন করা হয়। বিএমডিএ এর নিয়মানুযায়ী অনুমোদিত স্থান স্থানান্তরের কোন বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই অন্য দাগে খনন করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারাও অবৈধ ভাবে ৩১৫ দাগের পরিবর্তে ৩১৯ দাগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। 

শ্রী কর্ণেক বর্ম্মণ গত ১৪ জানুয়ারি এব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ মহাদেবপুর জোনের সহকারি প্রকৌশলী ইমাদাদুল হক ১৬ জানুয়ারি ঐ অবৈধ অ-গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মহাদেবপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বরাবর পত্র দিলে অবৈধ অ-গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিএমডিএ এর সহকারি প্রকৌশলী তার পত্রে উল্লেখ করেন যে, ১৯৯০ সালে স্থাপিত গভীর নলকূপ থেকে মাত্র ১০৫০ ফুট দূরে ওই অ-গভীর নলকূপটি স্থাপন করা হয়েছে যা সমন্বিত ক্ষুদ্র সেঁচ নীতিমালা ২০১৯ এর পরিপন্থি। ঐ অ-গভীর নলকূপের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই ও সঠিক দাগ নম্বরে স্থাপন করা হয়নি। বর্তমান দাগ ও খতিয়ান নং সঠিক নয়। বিধিবহির্ভূতভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া একই কমান্ডিং এরিয়ায় অযাচিতভাবে দু'টি সেঁচ যন্ত্র স্থাপন করার কোন প্রয়োজন নাই। এতে পানি ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও অসন্তোষ সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। বিধিবহির্ভূতভাবে অন্য দাগে স্থাপন, সেঁচ নালা স্থাপন ইত্যাদি কর্মকান্ড সেঁচ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম। সার্ভিস ড্রপ তার টেনে অনুমোদিত ভাবে এস'টি'ডব্লিউ স্থাপন ভূগর্ভস্থ পানি নীতিমালার পরিপন্থি। 

নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঐ সংযোগটি সে-সময় বিচ্ছিন্ন করলেও মাত্র ৩ দিন পর ফের পূণঃসংযোগ দেয়।

বিষয়টি জানতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ এর মহাদেবপুর অফিসে গিয়ে জানা যায় সহকারি প্রকৌশলী ছুটিতে আছেন। তার দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারি প্রকৌশলী এবাদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গত বছরের নতুন সার্কুলার অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপ থেকে এস'টি'ডব্লিউ এর দূরত্ব হবে কমপক্ষে ১৫৫০ ফুট হতে হবে। পন্ডিত পুরের এস'টি'ডব্লিউটি এর চেয়ে কম দূরত্বে রয়েছে। বিষয়টি সংশোধন করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। 

এব্যাপারে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কামনা রাণীর স্বামী পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদকর্মীদের কিছু বলতে রাজি হননি। 

জানতে চাইলে, নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মহাদেবপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রবিউল আলম ৩১৯ দাগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, কাগজে কলমে ৩১৫ দাগ থাকলে তার কর্মীরা সে দাগেই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কিন্তু অগভীর নলকূপটি যে ৩১৯ দাগেই খনন করা হয়েছে তা তিনি মানতে নারাজ।

উপজেলা সেঁচ কমিটির সভাপতি ও মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহাগ জানান, যে সব জায়গায় অনিয়ম হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পন্ডিতপুরে গভীর নলকূপের কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে অবৈধভাবে অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়ে থাকলে সেটাও সংশোধন করা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে অসংখ্য গভীর নলকূপের কমান্ডিং এরিয়ায় বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। এনিয়ে এলাকার চাষিদের মধ্যে চরম বিরোধ চলে আসছে। এনিয়ে দলাদলী, মারামারি সংঘটিত হয়েছে। উদ্ভব হয়েছে অসংখ্য মামলা মোকদ্দমার। সচেতন মানুষ এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অবৈধ ও অপ্রয়োজনীয় সেঁচযন্ত্র বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ৭২ কেজি গাঁজা উদ্ধার সহ মনির হোসেন (৪২) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব। এ সময় প্রাইভেট কার চালক কৌশলে পালিয়ে যায়। বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় নওগাঁ সার্কিট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র‍্যাব-৫ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ শেখ সাদিক। গাঁজা সহ আটককৃত যুবক মনির হোসেন হলেন, সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার কুচরাই গ্রামের মোসলেমের ছেলে। জানা যায়, বুধবার মাদক ব্যবসায়ী মনির ও আলমগীর কুমিল্লা হতে নওগাঁর বদলগাছী এলাকায় প্রাইভেট কার এ গাঁজা নিয়ে আসবে। এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাবের চৌকস আভিযানিক দল নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৪ মাথায় গোয়েন্দা নজরদারী বাড়িয়ে দিয়ে চেকপোস্ট স্থাপন করে এবং তল্লাশী করার সময় প্রাইভেট কারে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৭২ কেজি গাঁজা ও প্রাইভেট কার সহ মুনির হোসেন কে হাতেনাতে আটক করেন। তবে চালক আলমগীর কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে প্রাইভেট কারে লুকিয়ে রাখা গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

মেজর শেখ সাদিক আরো বলেন, আটতকৃত মনির ও পলাতক আলমগীর (চালক) চিহ্নিত পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা কুমিল্লার সীমান্তবর্তী অঞ্চল হতে গাঁজার চালান সংগ্রহ করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাইভেট কার নিয়ে গাঁজা সরবরাহ করে আসছিল। বুধবার দুপুরে আটককৃত মুনির হোসেন কে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করেন বদলগাছী থানা পুলিশ।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪