Logo
শিরোনাম

জুলাইয়ের শেষে শিশুরা টিকা পাবে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

জুলাইয়ের শেষে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. খুরশিদ আলম।

আজ সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বুস্টার ডোজ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে চলমান ভ্যাকসিন কার্যক্রমসহ অন্যান্য সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আগামী মাসে (আগস্ট) পাঁচ বছর থেকে এগারো বছরের শিশুদের করোনার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্ত্রী বলেন, শিশুদের টিকা কার্যক্রমে কিছুটা দেরি হওয়ার কারণ হলো আমরা এখনও নিবন্ধন তালিকা পাইনি। এছাড়া আমাদের টিকা পেতেও একটু সময় লেগেছে। কিছু টিকা আমরা এরইমধ্যে পেয়েছি। এর বাইরে আরও তিন কোটি টিকা আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পাওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, নিবন্ধন তালিকা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। আবারও তাদের সঙ্গে বসব। নিবন্ধনের কার্যক্রমটা যদি তারা তাড়াতাড়ি করতে পারে, আমরাও তাড়াতাড়ি শুরু করে দিতে পারব। 


আরও খবর



বেড়েছে অধিকাংশ পণ্যের দাম , বিপাকে মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সপ্তাহ ব্যবধানে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার। দাম বেড়ে গেছে মাছ-মাংস ও শাক-সবজিসহ প্রায় প্রতিটি পণ্যের। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ও আগানগর এবং রাজধানীর নয়াবাজার ও কারওয়ানবাজারসহ বেশকটি বাজার ঘুরে। কোরবানির ঈদের বাকি এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময়। রোজার ঈদের আগে যেভাবে পণ্যের দাম বেড়েছিল, বর্তমানেও ঠিক একই পরিস্থিতি বাজারে।

ক্রেতাদের দাবি, প্রতিদিনই বাড়ছে কোনো না কোনো পণ্যের দাম। এর বিপরীতে কিছুই কমছে না, আর কমলেও খুবই নগণ্য। এতে সংসার চালানোই দায়!

রাশেদুল ইসলাম নামে বেসরকারি এক চাকরিজীবী বলেন, এমনিতেই পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। প্রতিদিনই বাড়ছে পণ্যের দাম। ঘোষণা করা হয়েছে নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা। ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর আরও সুযোগ পেয়েছেন। আরেক ক্রেতা নয়ন বলেন, কোরবানি আসছে। এ সুযোগে মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ানোর যেন উৎসবে মেতে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজারে দারুচিনি ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা, জিরা ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, এলাচ প্রকারভেদে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা, গোলমরিচ ৮৮০ থেকে ৯০০ টাকা, লবঙ্গ ১৬০০ থেকে ১৬৫০ টাকা, তেজপাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শুকনো মরিচ মানভেদে ৩৮০ থেকে ৪৩০ টাকা, আলুবোখারা ৯৯০ টাকা, কাজুবাদাম ১২৫০ থেকে ১৩০০ টাকা ও ধনিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের দাম বাড়ার ফলে আমদানি কমায় মসলার দাম বেড়েছে পাইকারি বাজারগুলোতে। ফলে দাম বাড়ছে খুচরা বাজারেও। আমদানি না বাড়লে ঈদে দাম আরও বাড়তে পারে।

কারওয়ানবাজারের পাইকারি বিক্রেতা রাকিব জানান, ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি পর্যায়ে খরচ বেড়ে গেছে। যে কারণে সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। অবশ্য বাজেটের কোনো প্রভাব এখনও পড়েনি।

এছাড়া, কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। আর কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি দেশি রসুন ২৩০-২৪০ টাকা, আর আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। এছাড়া কেজিতে ২০-৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

এদিকে, সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে শাক-সবজির দাম। বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০ টাকা, কহি ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, লতি ৬০-৮০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা ও কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, প্রতি পিস লাউ ৫০ টাকা ও চালকুমড়া ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লালশাক ১৫ টাকা, পাটশাক ১০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, কলমিশাক ১৫ টাকা ও পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। তবে দাম কমেছে কাঁচা মরিচের। খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬০ টাকা। আর পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, কাঁচা মরিচের দাম কমলেও, বেড়েছে অন্যান্য সবজির। মূলত সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে।

স্বস্তির খবর নেই ডিম ও মাংসের বাজারেও। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা ও কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কমে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায়। প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৭০০-৭৫০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৪০-৩৫০ টাকায়। এছাড়া, জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকায়। তবে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খাসির মাংস এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।

দাম কমেনি ডিমেরও। মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, আর সাদা ডিম ১৫৫ টাকায়, আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

এদিকে, ইলিশ বাদে স্বস্তির খবর নেই মাছের বাজারে। প্রায় সব ধরনের মাছে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকার মতো। বিক্রেতাদের অজুহাত, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে।

বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০-২৪০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬৫০ টাকা ও চাষের কৈ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়। এছাড়া আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ইলিশের দাম। এ মুহূর্তে প্রতি কেজি ইলিশের দাম পড়ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। যদিও ৮০০-৯০০ গ্রাম ইলিশ ১৪০০ টাকা ও ৬০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকায়।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই। ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয় না। এতে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পায়। আর বিক্রেতারা বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধুদের দৌরাত্ম্য কমবে।


আরও খবর



কোভিশিল্ডের পর এবার কোভ্যাক্সিনেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া!

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

অ্যাস্ট্রাজেনেকার পর এবার প্রশ্নের মুখে ভারতীয় ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, যারা কোভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তাদের এক তৃতীয়াংশেরই এক বছর পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে চর্মরোগ ও রক্ত জমাট বাধার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে কোভ্যাক্সিনে।

সম্প্রতিই এক গবেষণায় জানা গেছে, ব্রিটিশ-সুইস ওষুধ নির্মাতা কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড ভ্যাক্সিনে বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে। ভারতে সেরাম ইনস্টিটিউট অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গেই তৈরি করেছিল এই ভ্যাক্সিনটি। অ্যাস্ট্রাজেনেকার পক্ষ থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়ার পরই যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছিলেন, তারা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে ভুগছিলেন। তখন স্বস্তিতে ছিলেন যারা কোভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন। এবার কোভ্যাক্সিনেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানা গেল।

স্প্রিঙ্গলার লিঙ্ক নামক একটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত গবেষণাতেই বলা হয়েছে, ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে কিশোরীদের মধ্যে, যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে?

জানা গেছে, ভারতের বেনারসের হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল। মোট ১ হাজার ২৪ জন এই সমীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬৩৫ জন সদ্য কৈশোরে পা দিয়েছেন এবং ২৯১ জন প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। এক বছর ধরে এই সমীক্ষা গবেষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, ৩০৪ জন কিশোর-কিশোরী (৪৭.৯ শতাংশ) এবং ১২৪ জন প্রাপ্তবয়স্কের (৪২.৬ শতাংশ) শ্বাসযন্ত্রে ভাইরাল সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ৬৩৫ জন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে ১০.৫ শতাংশেরই ত্বকের রোগ দেখা দেয়। ৪.৭ শতাংশ কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে স্নায়ুর রোগ দেখা দিয়েছে এবং ১০.২ শতাংশ কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সাধারণ রোগ দেখা গিয়েছে। ২৯১ জন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও একই সমস্যা দেখা গিয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সাধারণ ব্যাধিগুলির শতাংশ ছিল ৮.৯ শতাংশ। পেশি এবং হাড় সম্পর্কিত রোগ ৫.৮ শতাংশের মধ্যে এবং স্নায়ু সম্পর্কিত রোগ ৫.৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা গিয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আরও মারাত্মক।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ৪.৬ শতাংশ নারীদেরই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড সম্পর্কিত সমস্যা বা অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে। ২.৭ শতাংশের চোখের সমস্যা এবং ০.৬ শতাংশ নারীদের মধ্যে হাইপোথাইরয়েডিজমের সমস্যা দেখা গেছে। ০.৩ শতাংশের স্ট্রোক এবং ০.১ শতাংশের মধ্যে গুইলেন-বেরি সিন্ড্রোম দেখা গিয়েছে। জিবিএস হল এমন একটি বিরল রোগ যেখানে দেহ ধীরে ধীরে প্যারালাইজড হয়ে যায়।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দুটি ডোজ গ্রহণকারী প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কোভ্যাক্সিনের তিনটি ডোজ গ্রহণকারী প্রাপ্তবয়স্কদের ঝুঁকি চার গুণ বেশি।

কোভ্যাক্সিন নেওয়ার পর কতজনের মৃত্যু হয়েছে?

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে, চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন নারী ও একজন পুরুষ ছিলেন। চারজনেরই ডায়াবেটিস ছিল। তিনজন প্রাপ্তবয়স্কেরও উচ্চ রক্তচাপেরও সমস্যা ছিল। চারজনের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে স্ট্রোকের কারণে।

একটি মৃত্যু কোভিড-পরবর্তী রাইনোসেরিব্রাল মিউকোরমাইকোসিসের জেরে হয়েছিল। এটি একটি বিরল রোগ যা প্রধানত নাক, প্যারানাসাল সাইনাস এবং মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে।

চতুর্থ মৃত্যু একজন নারীর, যিনি টিকা দেওয়ার পরে বেশ কয়েকবার অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। যদিও তার অজ্ঞান হওয়ার কারণ জানা যায়নি।


আরও খবর



প্রতিবছরই হবে বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের অধীনে ২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০২৪-২৬ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপদের আরও উৎসাহিত করতে ফান্ড তৈরি করা হচ্ছে। এরইমধ্যে ১০০ কোটি টাকা এ খাতে বিনিয়োগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও ৫০০ কোটি টাকা আবেদন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ খাতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের অধীনে ২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড থাকবে এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এ সময় প্রযুক্তিখাতে বেসিসের দাবি করা কর অব্যহতির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় এই প্রযুক্তিখাতের রফতানি আয় ছিল ২৬ মিলিয়ন ডলার। সেই রফতানি আয় এখন ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই কর অব্যাহতি উঠিয়ে নেওয়া হলে, এই খাত সংকটের মধ্যে পড়বে। আরও ৫ বছর কর অব্যাহতি থাকলে এই খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের সফটওয়্যার খাত এখন বিশ্বমঞ্চে মাত্র নিজেদেরকে মেলে ধরছে। এক্ষেত্রে কর অব্যাহতি উঠিয়ে নিলে সম্ভাবনাময় এ খাত সংকটের মুখে পড়বে। তাই অন্তত আরও ৫ বছর এই খাতে কর অব্যাহতি থাকা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান জানান, চলতি অর্থবছরেও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ওপর করারোপ করা হচ্ছে না। তবে এবারের বাজেট ঘোষণায়, কোন অর্থবছর থেকে এ খাতে কর বসবে তা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম, বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বেসিসের সদস্যরাসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


আরও খবর

জাপানে চালু হলো সিক্স-জি

সোমবার ১৩ মে ২০২৪




কিশোর গ্যাংয়ের আশ্রয়দাতাদের তালিকা প্রস্তুত, শিগগিরই অভিযান

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজের প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরাই এসব গ্যাংকে আশ্রয় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


 রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে কিশোর গ্যাংয়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজি এমনকি খুনের ঘটনার পর তৎপর হয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে শুরু হয় তাদের আশ্রয়দাতাদের সন্ধান।



র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাংয়ের আশ্রয় দাতাদের তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। শিগগিরই এসব গ্যাং নির্মূলে অভিযান শুরু হবে।



আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কমিটির আগের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। আজকের বৈঠকে ওই কার্যবিবরণী অনুমোদন দেওয়া হয়।



বৈঠকে র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে, কিশোর গ্যাং সমাজের জন্য অ্যালার্মিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিশোর গ্যাং নির্মূলের জন্য অভিযান পরিচালনা করে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ছাড়া পেয়ে পুনরায় অপরাধকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।’


র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘কোথায় কোন কিশোর গ্যাং আছে, তাদের কারা আশ্রয় দিচ্ছে, তার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। অতি শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।’


এদিকে আজকের বৈঠকে আলোচিত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ‘হত্যা’ ও পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।


রাজধানীতে ছয় গ্যাং গ্রুপের ৫০ জন গ্রেপ্তাররাজধানীতে ছয় গ্যাং গ্রুপের ৫০ জন গ্রেপ্তার

কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সামছুল হক দুদু, ময়েজ উদ্দিন শরীফ, চয়ন ইসলাম, মো. সাদ্দাম হোসেন (পাভেল) এবং হাছিনা বারী চৌধুরী।


আরও খবর



দেশে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের শঙ্কা রয়েছে : দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


মেগা সিটি রাজধানী ঢাকা ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।



 তবে, এবার ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিলেন খোদ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। 


এতে প্রায় ২০ শতাংশ ভবন ধসে লাখ লাখ মানুষ আটকা পড়তে পারে বলেও শঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।



আজ বুধবার (১২ জুন) বাংলাদেশের সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপে’ অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।



ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার অন্তর্ভুক্ত। যেকোনো সময় বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। এতে ২০ শতাংশ বিল্ডিং কলাপস হয়ে যেতে পারে।



 ঢাকা শহরে লাখ লাখ লোক আটকা পড়তে পারে। অনেক লোকের মৃত্যুর আশঙ্কাও রয়েছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে  কাজ করছি।’



তবে ভয়ের কারণ নেই জানিয়ে মহিববুর রহমান বলেন, ‘মন পরিস্থিতি বহু দেশে হয়ে আসছে। যেমন, তুরস্কে ভূমিকম্প হয়। কিন্তু তারা দুর্যোগ সহনীয় অবকাঠামো ও সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। যে কারণে সমস্যা এলে তা সমাধান করার সক্ষমতা তারা তৈরি করেছেন।’


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনো রকম ভূমিকম্প হয়, সেজন্য শহুরে অঞ্চলে ব্যাপকভাবে স্বেচ্ছাসেবী তৈরি করতে কাজ করছি। ভবনগুলো যদি ধসে যায়, তাহলে সেগুলো পরিষ্কার করা ও মানুষকে উদ্ধারে আমরা ব্যাপকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।’



এত উচ্চমাত্রার ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা তিনি কীসের ভিত্তিতে দিচ্ছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মহিববুর রহমান বলেন, ‘নির্দিষ্ট গবেষণার ভিত্তিতেই আমি এমন কথা বলেছি। এ নিয়ে আমাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে।’


ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে করণীয় সম্পর্কে জানাতে গিয়ে মহিববুর রহমান বলেন, ‘ভবিষ্যতে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ রেখে যেতে চাইলে পুরো জাতিকে দুর্যোগের বিষয়ে সচেতন করতে হবে।’



সরকারের প্রস্তুতি জানাতে গিয়ে মহিববুর রহমান বলেন, ‘যদি কোনো রকম ভূমিকম্প হয়, সেজন্য শহুরে অঞ্চলে ব্যাপকভাবে স্বেচ্ছাসেবী তৈরি করতে কাজ করছি। ভবনগুলো যদি ধসে যায়, তাহলে সেগুলো পরিষ্কার করা ও মানুষকে উদ্ধারে আমরা ব্যাপকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।’


সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় রিমাল বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল জানিয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এতবড় ঝড় হওয়ার পর একজন মৎস্যজীবীও মারা যাননি, একটা নৌকাও ডোবেনি।



 আগামী দিনেও যেকোনো সময় ঝড় আসতে পারে, দুর্যোগ মন্ত্রণালয় কেবল বন্যাই না, টর্নেডো কিংবা বন্যাও হতে পারে, সিলেটে পাহাড়ধসে তিনজনকে আমরা হারিয়েছি, যে কারণে সারাক্ষণ ও সারা বছর আমাদের মন্ত্রণালয়কে কাজ করতে হয়।’



আরও খবর