Logo
শিরোনাম

কাঁচাবাজারে নাকাল নিম্নআয়ের মানুষ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মৌসুম শেষ হওয়ার দুই-তিন মাস দুয়েক না যেতেই চড়া আলু পেঁয়াজের দাম। দুই সপ্তাহে দ্বিগুণের বেশি দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। স্বস্তি নেই সবজি মাছ মাংসেও। ষাটের নিচে নেই তেমন কোনো সবজি। শুক্রবার (২৪ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের মানুষের প্রধান সবজি প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। এক প্রায় দুই মাস ধরেই এই দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানির পরও কমেনি পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। আবারও ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে কাঁচা মরিচের দাম।

বাজারে দেখা যায় ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে, প্রতি কেজি ২২০-২৩০ টাকা। যা কয়েক সপ্তাহ ধরে একই দামে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সোনালি পাকিস্তান জাতের মুরগী ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। লেয়ার মুরগী লাল ৩৫০-৩৭০, সাদা ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার উপরে।

মাছের বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ২০০ টাকার নিচে তেমন কোনো মাছ নেই। সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২২০-২৫০ ও পাঙাশ ২১০ থেকে ২৪০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা। ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০, চাষের শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়।

এদিকে আবারও উত্তাপ ডিমের বাজারে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৫৫ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০-৫৫ টাকা। যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

সবজির বাজারে লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, টমেটো ৬০-৭০ টাকা, করল্লা ৮০-৯০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৫০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, শশা ৫০-৬০, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০, কাঁচা কলা ডজন ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে পাট শাক ১৫-২০ টাকা, কলমি শাক ১০-১৫ টাকা, পালং ১০-১৫ টাকা, লাউ শাক ৩০-৪০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ৩০-৪০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর



ভারতে নির্বাচন ঘিরে গুজবের ছড়াছড়ি, ফলাফলের অপেক্ষায় জনগণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সিনিয়র প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় নির্বাচন শুরু হয় ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা এই নির্বাচন ছিল অন্য যেকোনো বারের তুলনায় অন্যরকম। 


ঘাত-প্রতিঘাত, সংঘাতের তথ্যও ছড়িয়েছিল বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে, অনলাইন, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব ছিল অন্য যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত। 


এ সবকিছু ছাপিয়ে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটির জনগণ। আগামীকাল মঙ্গলবার জানা যাবে, ভারতের নতুন ভাগ্য নির্মাতার নাম। খবর এএফপির।


ফরাসি সংবাদ সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের নির্বাচন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই নির্বাচন ঘিরে অনলাইনে অনেক মিথ্যা সংবাদ, তাৎক্ষণিক বার্তা, বিকৃত ভিডিও ও মনগড়া ক্যাপশনের পাশাপাশি অসংগতিপূর্ণ ছবি পোস্ট করা হয়।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইন্ডিয়া হেট ল্যাব সংস্থাটি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং গুজব নিয়ে গবেষণা করে থাকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফ্যাক্ট চেকাররা ছয় সপ্তাহ ধরে সাত ধাপের ভোটদানের প্রক্রিয়াতে ৪০টিরও বেশি নির্বাচন সম্পর্কিত গুজব রটানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা রাজনৈতিক বিভাজনকে বাড়িয়ে তোলে। 



সংস্থাটির রকিব হামিদ নায়েক জানান, ভারতের এই নির্বাচনে নজিরবিহীন গুজব ছড়াতে দেখা গেছে। এমনকি, এসবের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে উসকে দেওয়ার মতো ষড়যন্ত্রও ছিল বলে দাবি করেন তিনি। 


নির্বাচন ঘিরে মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বলা হয়, ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বলিউড তারকারা বিরোধী দলগুলোকে সমর্থন করছে এবং একজন ব্যক্তি একাধিক ভোট প্রদান করছে। তবে, তা মিথ্যা।



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী ঘরানার রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ভারতের ২০ কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও ভয় ও বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সমালোচনার মুখে পড়ে।



 ভিডিওগুলোতে বেশিরভাগ মোদির নিজের বলা উসকানিমূলক বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে বলা হয়, বিরোধীদলগুলো, বিশেষ করে কংগ্রেস মুসলমানদের পক্ষে ভারতের সম্পদ বিতরণ করার পরিকল্পনা করছে।



ইন্ডিয়া হেট ল্যাবের রকিব হামিদ নায়েক বলেন, এই ধরনের পোস্টের উদ্দেশ হলো—ধর্মীয় ভিত্তিতে ভোটারদের মেরুকরণ করা এবং মুসলমানদের প্রতি অন্যদের ভয় ও শত্রুতা সৃষ্টি করা। 


ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে জয় লাভের জন্য ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানোর কৌশল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কেবল দুর্বলই করেনি, সমাজে বিভাজন ও ঘৃণার বিপজ্জনক বীজও বপন করছে।


নির্বাচনে প্রথম থেকে রাজনৈতিক প্রচারণায় গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর পিছনে প্রধান লক্ষ্য ছিলেন বিরোধী কংগ্রেস দলের নেতা রাহুল গান্ধী। তার বক্তব্য, ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হতো অসম্পূর্ণ বা অপ্রাসঙ্গিক উপায়ে। 



আবার অনেক লেখায় দেখা যায়, রাহুল গান্ধী জনগণকে মোদিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যা ছিল মিথ্যা তথ্য ও গুজব।গুজবের আরও কিছু উদাহরণের মধ্যে ছিল ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব হওয়া।


এ সময় একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু মন্দিরের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাবি করা হয় মন্দিরটি ধ্বংসের জন্য রাহুল গান্ধী দায়ী, যা মূলত পাকিস্তানের একটি মন্দিরের ছবি ছিল।



আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির জবাবদিহিতা দাবি করলো টিআইবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


বিডি টু ডে রিপোর্ট:


পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‌্যাব প্রধান বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। 


গতকাল সোমবার (৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। এতে বেনজীর আহমদের দুর্নীতির জবাবদিহিতাও দাবি করে সংস্থাটি।



টিআইবি বলেছে, ‘উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের লাগামহীন ক্ষমতার অপব্যবহার ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের মতো ব্যক্তিত্ব’ তৈরি করে এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতাকে ক্ষুণ্ন করে। এ ধরনের নির্যাতনে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ একইসঙ্গে সাবেক পুলিশপ্রধান যাদেরকে নিজেদের জমি বিক্রি করতে বাধ্য করেছিল, সেসব লোকদের ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে তারা।



বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাবেক আইজিপি ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে জমি বিক্রি করতে মানুষকে বাধ্য করেছিলেন। মূলত তিনি প্রথমত সংখ্যালঘুদের বেছে নিয়েছিলেন। আর এই কাজগুলো করার জন্য তিনি নিজের এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থার কর্মীদের নিয়োগ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।’



বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের কাছে সব দুর্নীতিবাজের তথ্য আছে। এ ধরনের স্বীকৃতি বিরল হওয়া সত্ত্বেও একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা কীভাবে দুর্নীতির এমন সুস্পষ্ট সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তা সরকারকে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।’



টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে জোরপূর্বক সম্পত্তি অর্জন করা হয়েছে।


 ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের সম্ভাবনা কৌশলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে মূল অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রয়োজন।’


সাবেক আইজিপির দুর্নীতি নিয়ে চলমান তদন্তে তার অবৈধ সম্পদ সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসব গুরুতর অভিযোগের পরও কীভাবে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবার দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইফতেখারুজ্জামান।


ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচার হলে শুধু সাবেক আইজিপি নয়, যারা তাকে সহযোগিতা করেছেন তাদেরও বিচার করতে হবে।


সাবেক পুলিশ প্রধানের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শনের জন্য সব দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির নাম প্রকাশ এবং জড়িত সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।


টিআইবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শনের জন্য দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ এবং এর সঙ্গে জড়িত সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি করতে ব্যর্থ হলে নাগরিকদের মধ্যে নিছক নাটকীয়তা হিসেবে এই ধারণাটি আরও দৃঢ় হবে।’


আরও খবর



একাত্তরে পাকিস্তান-বাংলাদেশ যুদ্ধ নিয়ে ইমরানকে মুখ বন্ধ রাখার পরামর্শ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি  ডিজিটাল ডেস্ক:



১৯৭১ সালের পাকিস্তান-বাংলাদেশ যুদ্ধ নিয়ে মন্তব্য করা থেকে ইমরান খানকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।


 তিনি বলেছেন, এ ইস্যুতে বেশিদূর কথাবার্তা চললে দেশের রাজনীতিতে উদ্বেগ উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে।


কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইমরান খানের পক্ষ থেকে একটি বার্তা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ‘প্রকৃত দেশদ্রোহী জেনারেল ইয়াহিয়া খান না কি শেখ মুজিবুর রহমান তা জানার জন্য প্রত্যেক পাকিস্তানির উচিত হামুদ উর রহমান কমিশনের প্রতিবেদনটি পড়া।’


১৯৭১ সালে যৌথ বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়ে পূর্ব পাকিস্তান খোয়ানোর পর পাকিস্তানের সাবেক বিচারপতি হামুদ উর রহমানকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার।


 এই কমিশনের মূল দায়িত্ব ছিল, কেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে ইসলামাবাদের দূরত্ব সৃষ্টি হলো এবং এই যুদ্ধ হলো তার কারণ অনুসন্ধান করা।



হামুদ উর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিশন নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমাও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর আপত্তির কারণে আজ পর্যন্ত সেই প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি।


দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে আদিয়ালা জেলে রয়েছেন ইমরান খান। কারাগারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ নেই।


 তাই পোস্টটি তার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। জানা গেছে, ইমরানের এক্স একাউন্টটি বর্তমানে পরিচালনা করছেন তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের সোশ্যাল মিডিয়া টিম।



জিও টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, ‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ পাকিস্তানের একটি স্পর্শকাতর বিষয়। এটি একটি ট্র্যাজেডি এবং ইমরান খানও এ সম্পর্কে ভালোভাবেই ওয়াকিবহাল। 


কিন্তু তারপরও তিনি ইস্যুটি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।’


‘ইমরান খানের প্রতি আমার পরামর্শ এবং আহ্বান থাকবে, তিনি যদি দেশের রাজনীতি অস্থিতিশীল করতে না চান, তাহলে যেন নিজের মুখ বন্ধ রাখেন।’




আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখো মানুষ। কেউ গেছেন গ্রামের বাড়িতে, আবার কেউ পরিবার নিয়ে বেড়াতে গেছেন কোনো পর্যটন স্থানে। ফলে রাজধানীতে মানুষের চাপ নেই বললেই চলে।

মানুষের চাপ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সড়কেও। দেখা যায়নি চিরচেনা যানজট। গণপরিবহনে ওঠার জন্য নেই কোনো হুড়াহুড়ি। সবমিলিয়ে ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর রাজপথ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর কুড়িল, বাড্ডা, রামপুরা, শান্তিনগর ও পল্টন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে ঢাকার রাজপথে যানবাহন ও যাত্রীদের উপস্থিতি একেবারেই কম। রাস্তায় হাতেগোনা কয়েকটি গণপরিবহন চলছে, এসব বাসেও যাত্রীর সংখ্যা খুব কম। অন্যদিকে রাস্তায় কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন, সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করছে।

রাস্তায় বের হওয়া মানুষজন জানান, ঈদের ছুটিতে রাস্তা ফাঁকা থাকায় এক ঘণ্টার রাস্তা ১০-১৫ মিনিটে যাওয়া যাচ্ছে।

রাজধানীর রামপুরা থেকে বাসে উঠে ২০ মিনিটে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছেছেন রজব আলী। তিনি বলেন, ফাঁকা ঢাকায় ঈদের ছুটিতে ঘুরতে বের হয়েছি। রাজধানীতে মানুষের চাপ নেই বললেই চলে। মাত্র ২০ মিনিটের রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোড এসেছি। আগে এ রাস্তায় এলে তো ঘণ্টা পার হয়ে যেত। ফাঁকা ঢাকায় ঘুরতে ভালোই লাগছে।

এদিকে, ফাঁকা ঢাকায় অনেকে রিকশায় চেপে ঘুরতে বের হয়েছেন। রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে রিকশায় করে ঘুরতে বের হওয়া যাত্রী শামসুল হক বলেন, এবারের ঈদ ঢাকাতে পালন করেছি। ঈদে সবচেয়ে ভালো লাগে ঢাকার ফাঁকা রাস্তা। এসময়ে রিকশা দিয়ে ঘুরতে খুব ভালো লাগে। তাই আজ পরিবার নিয়ে বের হয়েছি রিকশা দিয়ে ঘোরাঘুরি করার জন্য।

তবে রাস্তা ফাঁকা হলেও কিছুক্ষণ পরপর গণপরিবহন দেখা যাচ্ছে ঢাকার রাস্তায়।ঢাকায় যে অল্পসংখ্যক মানুষ রয়ে গেছেন তারা ঈদের ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় যাচ্ছেন, ঘুরতে বের হচ্ছেন। এ কারণে স্বল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়েই গণপরিবহন চলছে। ঈদের উপলক্ষ্যে ভাড়া কিছুটা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান যাত্রীরা।

সদরঘাট থেকে উত্তরাগামী ভিক্টর ক্লাসিকের একটি বাসের চালক জুনায়েদ বলেন, এখন রাস্তায় চাপ নেই, যাত্রীও নেই। তারপরও মাঝেমধ্যে কিছু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে, সেজন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। সদরঘাট থেকে উত্তরা এখন পর্যন্ত দুই ট্রিপ দিয়েছি। রাস্তা একদম ফাঁকা, কোথাও বিন্দুমাত্র যানজট নেই।


আরও খবর



মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছে না তৃণমূল, মমতার স্পষ্ট বার্তা

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:



ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না তৃণমূল কংগ্রেস। বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।


লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে গতকাল শনিবার বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর তিনি বলেন, রোববার (৯ জুন) মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দেবে না।



বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমরা এখনো আমন্ত্রণ পাইনি। আমন্ত্রণ পেলেও আমরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেব না।’


মমতা আরও বলেন, এই সরকার অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিকভাবে গঠিত হচ্ছে। তাই তারা এই সরকারকে শুভকামনা জানাতে পারেন না। তবে তারা দেশ ও দেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।



এদিকে টানা তৃতীয় বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে বসছেন নরেন্দ্র মোদি। আজ রবিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। এর মাধ্যমে কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহেরুর পর ভারতে টানা তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হবেন বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি। একই দিন শপথ নেবেন তার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও।


এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কার্যত সাজ সাজ রব দিল্লি জুড়ে। রাজধানীতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। থাকছে তিন স্তরের নিরাপত্তা। নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাত দেশের রাষ্ট্র নেতারা।


 অন্যরা হলেন—শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংঘে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, সিসিলিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ আফিফ, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ কুমার জুগনাথ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল প্রচন্ড এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী সেরিং তোবগে। এছাড়াও এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ৮ হাজারের বেশি বিশিষ্টজনকে।


টানা দুই মেয়াদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ক্ষমতায় ছিল মোদির দল বিজেপি। তবে এবারের নির্বাচনে তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। যদিও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। 


তাই জোট শরিকদের ওপর ভর করেই তৃতীয় বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মোদি। গত শুক্রবার এনডিএ জোটের নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেন। এরপরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কেন্দ্রে নতুন সরকার গঠনের জন্য মোদিকে আমন্ত্রণ জানান।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24