Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

কোরবানির জন্য ২৩ লাখ পশু বাড়তি রয়েছে : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে ডেস্ক:


প্রয়োজনের তুলনায় পশু সরবরাহের ব্যবস্থা বেশি আছে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমান বলেছেন, গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ- সব মিলিয়ে কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা এক কোটি সাত লাখ।


 সেখানে আমাদের প্রস্তুত আছে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ পশু। ২৩ লাখ পশু বাড়তি রয়েছে।



আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে উন্নীত হওয়া উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।



বাজারে এখন কোরবানির গরুর যে দাম চাওয়া যাচ্ছে, তাতে প্রতি কেজির দাম এক হাজার টাকা পড়ে যাচ্ছে। তাহলে কোরবানির পশু বাড়তি থেকে লাভ কী- এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমান বলেন, ‘এই পরিসংখ্যান আপনি কোথায় পেলেন?’


তখন ওই সাংবাদিক বলেন, যারা বিক্রি করছেন এবং যারা কিনছেন, তারা জানাচ্ছেন। এ সময় প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি এতো ডিটেইলসে গেলেন কী পরীক্ষায় বা কীভাবে আপনি জানতে পারলেন?’    


এর পরিপ্রেক্ষিতে আরেকজন সাংবাদিক বলেন, লাইভওয়েটে সাড়ে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। একটা গরুর প্রায় ৬০ শতাংশ বাদ যায়। সে হিসাবে যদি আপনি দাম ধরেন কেজি এক হাজার টাকার ওপরে চলে যায়। 


এর উত্তরে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে যেকোনো পণ্যের দাম নির্ধারিত হয় চাহিদা এবং সরবরাহের ওপর। আমার দায়িত্ব হলো প্রয়োজনের তুলনায় সেই সরবরাহ আছে কি-না তা দেখা। আমি তো পরিসংখ্যান দিলাম। আরও ২৩ লাখ পশু বাড়তি আছে, উদ্বৃত্ত আছে।’


আব্দুর রহমান বলেন, ‘আজকে হয়তো কেউ নানাভাবে গরুর দাম বাড়াতে পারে। চড়া দাম হাঁকাতে পারে। কিন্তু দিন শেষে ওদের ‘মাথায় হাত’ পড়বে। কারণ গরু যোগান তো আমার আছে।’ তিনি জানান, যারা কৌশলে বা নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে দাম হাঁকাচ্ছে, ওদের ‘মাথায় হাত’ পড়তে বাধ্য।


দাম নির্ধারণ করার দায়িত্ব মন্ত্রীর নয় জানিয়ে আব্দুর রহমান আরও বলেন, ‘দাম নির্ধারণ করবে বাজার। সাধারণ অর্থনীতির সংজ্ঞায় সরবরাহ ও চাহিদার যদি সমন্বয় থাকে সে ক্ষেত্রে বাজারই বাজারমূল্য নির্ধারণ করে।’


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও লড়াই চলবে : নেতানিয়াহু

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


সরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, হামাসের সঙ্গে ‘আংশিক’ যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য তার দেশ প্রস্তুত। 



হামাস সব পণবন্দিকে মুক্তি না দিলেও কিছুসংখ্যক পণবন্দির মুক্তির বিনিময়ে হলেও তিনি গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি করতে আগ্রহী। গতকাল রোববার (২৩ জুন) ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এই কথা জানান।



নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো পণবন্দিদের হামাসের কবল থেকে ফিরিয়ে আনা এবং গাজায় হামাসকে শাসন ব্যবস্থা থেকে উৎখাত করা।’ তিনি আরও জানান, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অবসান ঘটাবে এমন কোনো চুক্তিতে তিনি রাজী নন। 



যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের পণবন্দি প্রত্যাবর্তন চুক্তি হলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের পথ তৈরি হবে।



এদিকে, গত শনিবার (২ জুন) থেকে চরম মাত্রায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নেমেছে ইসরায়েলের সাধারণ জনগণ।  দফায় দফায় ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে হাজার হাজার ইসরায়েলি নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সমাবেশ করছে। তাদের দাবি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা এবং বন্দিদের ফেরত আনার জন্য কার্যকর চুক্তির বাস্তবায়ন করা।


গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব ঘোষণা করেছিলেন।  সেখানে উল্লেখ্য করা হয়, ছয় সপ্তাহের জন্য গাজায় যুদ্ধ বিরতির পাশাপাশি হামাসের কাছে থাকা ইসরায়েলি বন্দিদের ‍মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দেওয়া হবে। এই চুক্তি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার পথ সুগম করবে।


যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তারা হামাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।



ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু চ্যানেল-১৪ কে আরও বলেন, ‘রাফায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান প্রায় শেষ। হামাসের বিরুদ্ধেও যুদ্ধের তীব্র পর্যায় শেষের পথে। এর অর্থ এই নয় যুদ্ধ শেষ হতে চলেছে, আমরা রাফায় ভয়াবহ সামরিক অভিযানের সমাপ্তি টানছি। 



 গাজা থেকে হামাসকে উৎখাত করে আমরা স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের নিয়ে একটি বেসামরিক প্রশাসন গঠন করতে চাই যাতে গাজায় মানবিক সাহায্যপণ্য সরবরাহ বজায় থাকে এবং পরে বেসামরিক জনগণের জন্য সুষ্ঠু ও সুন্দর বাসস্থান তৈরি করা যায়।’



আট মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই যুদ্ধে ৩৭ হাজার ৫৯৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। কয়েক লাখ মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। শিশু, নারী, বৃদ্ধ প্রতিদিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। ভেঙে পেড়েছে খাদ্য সরবরাহ ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের কাজ।



আরও খবর



বাজার ঊর্ধ্বমুখী, বেগুনের কেজি ১২০

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। বরবটি, করলা, বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি দাম ১২০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বসে আছে শসা ও কাঁকরোল। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের কেজি দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়। এছাড়া বাজারে মাছ-মুরগির দামও বাড়তি যাচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের সবজির অতিরিক্ত বাড়তি দাম। মাছ ও মুরগির দামেও ঊর্ধ্বগতি। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিকে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে এত বাড়তি দামে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বাজারে দেখা গেছে, প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, গাঁজর প্রতিকেজি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ৮০, গোল বেগুন প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ঢেঁরস প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, কচুর মুখি প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁকরোল প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়, সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, কক প্রতি কেজি ৩৩০ টাকা, লেয়ার প্রতি কেজি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আগের বাড়তি দামেই প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায় এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০০ টাকায়।

পাশাপাশি বাজারে সব ধরনের মাছের দামও বাড়তি যাচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি পাবদা বিক্রি ৫০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, কাতল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, কই প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, গলসা প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, টেংড়া প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় বোয়াল প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় আইড় মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করেই অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। যদিও বিক্রেতারা টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিকে সবজির অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। পাশাপাশি ক্রেতারাও সবজির হঠাৎ এমন দাম বৃদ্ধির কারণে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

রাজধানী মহাখালী বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, বাজারে সবজির এত দাম দেখে নিজেই হতাশ হয়েছি। অন্য সব ধরনের পণ্যের দামই আকাশ ছোঁয়া। সেই সঙ্গে আজ দেখছি সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। বরবটি করলা বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি দাম ১২০ টাকা হয়েছে। ১০০ টাকার ঘরে আছে শসা, কাঁকরোল। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের কেজি দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। মাছ মাংসের দাম তো আগে থেকেই বেশি সাধারণ মানুষ যে সবজি খাবে সেগুলোর দামও দেখছি আজ আকাশ ছোঁয়া হয়ে গেছে। যখন যেভাবে ইচ্ছা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, সেখানে ক্রেতাদের কিছুই বলার নাই কিছুই করার নেই। কোনো সাধারণ মানুষ এত দাম দিয়ে এগুলো কিনে খেতে পারবে না।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস আলীও একই রকম অভিযোগ জানিয়ে বলেন, এক মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, আর পেঁপের কেজি ৫০ টাকা। বাকিগুলো ৮০ টাকার ঘরে। এছাড়া করলা, বেগুন, কাঁকরোল, বরবটি, শসা এগুলোতে হাত দেওয়ার উপায় নেই, কারণ এগুলো দাম ১২০ টাকা পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। বাজার মনিটরিয়ের কোনো উদ্যোগ নেই। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। দামের বোঝা সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।

সব ধরনের সবজির বাড়তি দাম বিষয়ে রাজধানীর গুলশান লেকপাড় বাজারের বিক্রেতা খোরশেদ আলম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই সবজির কিছুটা বাড়তি দাম। তবে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। আজ কারওয়ানবাজারেই পাইকারি সব সবজি কেনার অতিরিক্ত দাম লেগেছে। সেইসঙ্গে রাস্তা খরচসহ পরিবহন খরচ মিলিয়ে খুচরা বাজারে এর দাম আরও বেড়ে গেছে।

একই বিষয়ে কারওয়ানবাজারের সবজি বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে জমিতেই সব ধরনের সবজির গাছগুলো হেলে পড়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ফসলও তুলতে পারেনি কয়েকদিন। সবমিলিয়ে পাইকারি বাজারেই সব ধরনের সবজির সরবরাহ অনেক কম। যে কারণে হঠাৎ করেই সবজির দাম বেড়ে গেছে। বৃষ্টি শেষে আবার সবজি সরবরাহ ঠিক হলে দাম ফের কমে আসবে। এছাড়াও অনেক সবজির ইতোমধ্যে মৌসুম শেষ হয়ে গেছে, শেষ সময়ের অল্প কিছু সবজি আসছে বাজারে। নতুন করে যখন আবার ফসল উঠতে শুরু করবে তখন ফের সবজির দাম কমে আসবে।


আরও খবর



শেখ হাসিনাকে `ইকেবানা’ উপহার পাঠালেন বাবা হারানো জাপানি কন্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ’ইকেবানা’ উপহার পাঠিয়েছেন ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত জাপানি নাগরিক হিরোশি তানাকার মেয়ে আতসুকো তানাকা।

বৃহস্পতিবার (জুলাই ০৪) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে এই উপহার গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এই উপহার এবং আতসুকো তানাকার একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেন।

’ইকেবানা’ হলো ফুল, পাতা, শাখা- প্রশাখার নান্দনিক ও শৈল্পিক উপস্থাপন। সৌন্দর্যের পাশাপাশি জাপানিজ এ শিল্পকলার পেছনে লুকিয়ে থাকে দার্শনিক ভাবধারা।

গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে লেখা চিঠিতে আতসুকো তানাকা লেখেন, এই উপহারটি (ইকেবানা) তার মা নিজের হাতে তৈরি করেছেন। এই উপহারটি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রতিক।


উপহারের ফুল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য প্রশান্তি নিয়ে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানে হোলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলায় ১৮ বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালির, ৭ জন জাপানের, ১ জন ভারতীয় এবং ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত। তিন বাংলাদেশির একজনের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। জঙ্গিদের গুলিতে সেদিন দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হয়েছিলেন।


জাপানি নাগরিকের মধ্যে ৬ জনই ছিলেন ঢাকার মেট্রো রেল প্রকল্পের পরামর্শক। আতসুকো তানাকার বাবা হিরোশি তানাকা তাদেরই একজন।


এছাড়া পরবর্তীতে হোলি আর্টিজানে জিম্মিদের উদ্ধারে পরিচালিত কমান্ডো অভিযানে ৫ জঙ্গি নিহত হয়।


আতসুকো তানাকা তার চিঠির শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন এবং চলতি বছরের শুরুতে টানা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান।


গেল নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিজয় প্রসঙ্গে আতসুকো বলেন, আপনার এই অর্জন আপনার নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার ‘ভিশনের’ ওপর বাংলাদেশের জনগণের আস্থা প্রমাণ।


গত ৩ জুলাই ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এর অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন উল্লেখ করেন তানাকা।


আতসুকো তানাকা ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও সফরের সময় তার সঙ্গে সাক্ষাত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কথা স্মরণ করেন।


আতসুকো বলেন, আপনি (শেখ হাসিনা) যে চিঠি পাঠিয়েছেন সে চিঠি আমার হৃদয়ের ক্ষত নিবারণের অনেক বড় উৎস।


আতসুকো তানাকা বলেন, তার মা একজন পেশাদার শিল্পী এবং তিনি নিজের হাতে এটি (ইকেবানা) বানিয়েছেন।


ফুলের এই উপহারটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য প্রশান্তি দিবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই উপহারটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রতিক (টোকেন)।

বাংলাদেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি কামনা করেন তানাকা।

আতসুকো বাংলাদেশে ‘শান্তির শিক্ষা’ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাইকা বাংলাদেশ অফিসে এক সভায় বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাংলাদেশ কিভাবে পাঠ্য কারিকুলামে ‘শান্তি শিক্ষা’ সংযুক্ত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছে।

কারিকুলামের এই শান্তি শিক্ষাকে সক্রিয় ভাবে প্রসারে মি. ইচিগুচি একটি শান্তি রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করার পরামর্শ দেন বলে জানান আতসুকো তানাকা।

তানাকা বলেন, পুরস্কার বিজয়ী প্রবন্ধ ঢাকা মেট্রোতে প্রদর্শন করা হবে। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শান্তির বিষয়ে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সমাজ সেবাতেও উৎসাহিত করবে।

তানাকা আরও বলেন, ঢাকা মেট্রোতে প্রদর্শিত এই প্রবন্ধ তার বাবার মতো হোলি আর্টিজানে যারা নিহত হয়েছেন তাদের আত্মাকে প্রশান্তি দিবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সকল চেষ্টায় সফলতা কামনা করে চিঠি শেষ করেন আতসুকো।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




গ্রামীণফোনকে শোকজ, জরিমানা হতে পারে ৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কল ড্রপ ইস্যুতে মোবাইল অপারেটরদের আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় সরকার। এ ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



 ইতোমধ্যে কল ড্রপ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় শোকজ করা হয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে। সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ২ কোটি টাকা হতে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে।


বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে জিপিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি-ব্রেইন’ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পেকট্রাম বরাদ্দের তুলনায় ইউটিলাইজেশন কম। গ্রামীণফোন বারবার বলে টাওয়ার কম। কিন্তু টাওয়ার যা আছে, তাতে বিটিআরসি যতটুকু স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছে, সেটা কেন ব্যবহার করছে না? 



কারণ ওই স্পেকট্রাম ইউটিলাইজ করতে গেলে আরও কিছু টেকনোলজি এবং ফাইন্যান্সের বিষয় আছে, যেটা তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল। কেন তারা সেটা করল না? এ কারণে আমরা তাদের শোকজ করেছি। তারা সদুত্তর দিতে না পারলে এক কোটি থেকে তিনশ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে।’



এর আগে, গত ৩০ জুন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক।


বৈঠকে তিনি বলেন, কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাবো।


আরও খবর



রাজধানীজুড়ে যানজট, মেট্রো স্টেশনের গেটে তালা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। এর ফলে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাড়তি চাপ পড়েছে মেট্রোরেলের ওপর। যাত্রীদের চাপ সামলাতে মতিঝিল স্টেশনে প্রবেশ ফটকে তালা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যাত্রীর চাপের কারণে রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয় মেট্রো স্টেশনের গেটে তালা দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় গেটে দায়িত্বরত কাউকে দেখা যায়নি।


এ সময় এক যাত্রী রাফী দেওয়ান বলেন, রাস্তা বন্ধ। তাই ভাবলাম মেট্রো রেলে করে বাসায় ফিরব। কিন্তু এসে দেখি গেট বন্ধ। গেট কেন বন্ধ বলতে পারছি না। অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। ভেতর থেকেও কেউ আসছে না।

বুধবার বিকেল পৌনে চারটায় কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, বসুন্ধরা সিটি প্রান্তের প্রবেশমুখে যাত্রীদের ভিড় সিঁড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে।

এদিকে মতিঝিল স্টেশনের প্রবেশ ফটক আটকে দেওয়া হয়েছে। স্টেশনের বাইরে বহু মানুষ প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল এবং সংবিধানে উল্লেখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করার দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর প্রায় সব সড়কে যানবাহন স্থবির হয়ে আছে। লোকজন অনেকটা বাধ্য হয়ে মেট্রো স্টেশনে ছুটছেন। কিন্তু সেখানেও যাত্রী চাপে ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪