Logo
শিরোনাম

ক্ষমতা দখল করে শাসকগোষ্ঠী আরও হিংস্র হয়ে উঠেছে: ফখরুল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ‘ডামি’ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে আরও হিংস্র হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 


নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে শুক্রবার (১৭ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।


এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় নাশকতার একটি মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনকে  কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।



ফখরুল ইসলাম বলেন, অবৈধ রাষ্ট্রক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মিথ্যাচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অপকৌশলের মাধ্যমে বিএনপিসহ গণতন্ত্রমনা বিরোধী দল, ভিন্ন মত ও পথের মানুষদের ওপর নিষ্ঠুর দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। 


মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় সাজা প্রদানসহ জামিন নামঞ্জুর করে বিরোধী নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠানোর মাধ্যমে দখলদার আওয়ামী সরকার দেশে ‘নব্য বাকশালী’ শাসন কায়েম করেছে বলে বিবৃতি জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 



বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াসউদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মিথ্যা’ মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তিনি।



আরও খবর



আন্তর্জাতিক আদালতের রায় প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় সামরিক অভিযান স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে যে রায় দিয়েছে জাতিসংঘভিত্তিক আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত, তা প্রত্যাখ্যান করেছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা।

সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, গাজায় ক্ষমতাসীন সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংস করা এবং গোষ্ঠীটির কব্জায় থাকা জিম্মিদের উদ্ধারে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় হামাস-ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ বাঁধার প্রায় দুমাস পর গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে আদালতে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মামলার কার্যক্রমের মধ্যেই রাফায় অভিযান স্থগিতের আর্জি জানিয়ে আবেদন করেছিল বাদিপক্ষ। সেই আবেদনের জবাবে শুক্রবার রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ দিয়ে রায় দেন আদালত।

শুক্রবার জাতিসংঘ আদালতের এই রায়ের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই রায়কে ভুয়া, ভয়ানক এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থীউল্লেখ করে বলা হয়, প্রত্যেক দেশেরই আন্তর্জাতিক আইন ও মূল্যবোধ অনুসরণের ভিত্তিতে নিজেদের নাগরিক ও সীমানা রক্ষার অধিকার রয়েছে এবং ইসরায়েল ঠিক তা ই করছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাফার বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়িয়ে সেখানে অভিযান চালাতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য সেখানকার শত্রু ঘাঁটিগুলোতে অভিযান চালানো। বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ক্ষতিসাধন নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতামার বেন-গিভির, যিনি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিশেষ আস্থাভাজন এবং ইসরায়েলে ক্ষমতাসীন জোট সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শরিক রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা জাতিসংঘ আদালতের রায়কে সরকারি প্রত্যাখান করেছেন। শুক্রবার আদালতের রায়ের পর ইসরায়েলের ফার্স্ট প্রাইম মিনিস্টার ডেভিড বেন গুরিয়ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় বলেছেন, ইহুদিদের ভবিষ্যত ইহুদিদের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে। অ-ইহুদিদের সিদ্ধান্তের ওপর নয়।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জন মানুষকে হত্যা করে হামাস যোদ্ধারা। সেই সঙ্গে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় ২৪২ জনকে।

জবাবে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী, যা এখনও চলছে। গত সাত মাসের যুদ্ধে গাজায় ইতোমধ্যে ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭০ হাজার। হতাহতদের ৫৬ শতাংশই নারী এবং শিশু।

রাফা শহরটির অবস্থান মিসর-গাজা সীমান্তে। ইসরায়েলি অভিযানের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে প্রাণ বাঁচাতে গত কয়েক মাসে গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাফায় জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনি। গত এপ্রিলে প্রথম রাফায় সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

এদিকে, চলমান এই যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলকে ব্যাপকভাবে সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই যুক্তরাষ্ট্রও গাজায় সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে। এমনকি ইসরায়েল এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তিকে আমলে না নেওয়ায় সেখানে অস্ত্র সরবরাহ স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি।

সাধারন বেসামরিক ইসরায়েলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশও রাফায় সারিক অভিযানের পক্ষে। যে কোনো মূল্যে তারা হামাসের কব্জায় থাকা জিম্মিদের উদ্ধার চান।

তেল আবিবের একটি স্টার্ট আপ বিনিয়োগ কোম্পানিতে চাকরিরত ৩৯ বছর বয়সী আদি লেভানন রয়টার্সকে জাতিসংঘ আদালতের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সত্যি কথা বলতে, এই রায় হাস্যকর। কারণ আমাদের নারী, পুরুষ, কিশোর-কিশোরী এবং বয়স্ক লোকজন এখন জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। তাদেরকে উদ্ধার করা সবচেয়ে জরুরি। একটি দেশ যখন তার নাগরিকদের উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনতে চাইছে, তখন তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা নিরর্থক।

সূত্র: রয়টার্স


আরও খবর



গুণগত মানের চা রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি রিপোর্ট:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চা রপ্তানির পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকার উৎপাদনের পাশাপাশি গুণগতমানের চা রপ্তানি বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে। 


তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ১৩টি দেশে চা রপ্তানি করে ২০২৩ সালে প্রায় ২৭২ মিলিয়ন টাকা আয় হয়েছে। চা রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে রপ্তানিতে নগদ ভর্তুকি প্রদান, শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার প্রদান, আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ, দেশীয় চায়ের প্রচার প্রচারণা বৃদ্ধিতে দূতাবাসগুলোকে আরও গতিশীল করাসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’



আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে গতকাল সোমবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে চতুর্থবারের মতো এ বছর ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৪’ উদযাপন হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য—‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’, যা সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”


শেখ হাসিনা বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন। 


পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় ১৯৫৭ সালে শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ঢাকার মতিঝিলে চা বোর্ডের কার্যালয় স্থাপিত হয়।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা চা শ্রমিকদের শ্রমকল্যাণ, যেমন বিনামূল্যে বাসস্থান, সুপেয় পানি, প্রাথমিক শিক্ষা ও রেশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাগান মালিকদের নির্দেশনা প্রদান করেন। 


তিনি চা শ্রমিকদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং ভোটাধিকার প্রদান করেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদান এবং চা বোর্ডে যোগদানের তারিখকে স্মরণীয় করতে ৪ জুনকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।’



শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক গৃহীত নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের চা শিল্প এখন টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হয়েছে। চা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার বড় বাগানের পাশাপাশি সমতলে ক্ষুদ্রায়তন চা আবাদে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। গত দুই দশকে দেশের উত্তরাঞ্চলে সমতল ভূমিতে চা আবাদে বিপ্লব ঘটেছে।’



প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে পঞ্চগড় জেলায় প্রথম চা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চা চাষে বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।


 চা চাষের ফলে এসব জেলায় মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ অঞ্চলের চা শিল্পের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৩ সালে সরকার পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করে। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দৈনিক মজুরি বৃদ্ধিসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।’



শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম স্তম্ভ হলো স্মার্ট অর্থনীতি। আমি প্রত্যাশা করি, চা শিল্পে স্মার্ট কমার্স বাস্তবায়ন ও বহুমুখী রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎপাদনকারী ও বিপণনকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করবে।


আরও খবর



রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর বাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঘূর্ণিঝড় রেমালে যাদের ঘরবাড়ি ভেঙেছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, যাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে, তাদেরকে আমরা ঘর তৈরি করে দেব। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো নির্মাণের উপকরণ দিয়ে সহায়তা করব।

আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা এবং ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সুবিধাভোগীদের কাছে জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর করা হয়। এদিন সারাদেশে গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দিন আগে ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস হয়ে গেল। সেখানে হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মধ্যে আমরা তালিকা করেছি কোন কোন এলাকায় কতগুলো ঘর পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কতগুলো আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে।

 যাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে তাদের আমরা ঘর তৈরি করে দেব। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো নির্মাণের উপকরণ দিয়ে সহায়তা করব। প্রাকৃতিক দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের পাশে আমরা আছি। প্রাথমিকভাবে যা যা প্রয়োজন তা দিয়ে যাচ্ছি।

যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের চিন্তার কোনো কারণ নেই জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেকে যেন ঘর নির্মাণ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা আমি করে দেব। এরই মধ্যে সেভাবে আমার প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রত্যেক এলাকা থেকে আমরা তথ্য সংগ্রহ করেছি। সে অনুযায়ী আমরা সহায়তা পাঠাব।

তিনি বলেন, জাতির পিতাকে হত্যা করার পর অবৈধভাবে ক্ষমতার দখলকারীরা এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে ব্যস্ত ছিল। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জনগণের সেবক হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

তখন থেকেই ভূমিহীন মানুষদের জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তখন বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তারপরও ভূমিহীন মানুষদের মধ্যে ঘর তৈরি করার জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প নিয়ে আমরা ঘর বানাতে শুরু করি।



আরও খবর



রাইসির জানাজা ও দাফন কোথায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জানাজা ও দাফনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মে) তাবরিজে এ আনুষ্ঠানিতকা শুরু হবে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা তাসনিম ও আনাদোলু।

ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের কর্মকর্তাদের বরাতে তাসনিম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি তার সঙ্গে নিহত সফরসঙ্গীদেরও তাবরিজে দাফন করা হবে। তার আগে, মরদেহগুলো তাবরিজের ফরেনসিক বিভাগে রাখা হবে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান ও আরও কয়েকজন কর্মকর্তার মৃত্যুতে পাঁচ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান।

সোমবার (২০ মে) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শোক ঘোষণা করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ নিহত সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, রাইসি একজন কঠোর পরিশ্রমী সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাইসি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তিনি তার জীবন ইসলাম ও ইরানের জনগনের জন্য উৎসর্গ করেছেন।

গত শনিবার (১৮ মে) আজারবাইজান সফরে যান প্রেসিডেন্ট রাইসি। রোববার (১৯ মে) দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সাথে দুই দেশের যৌথভাবে নির্মিত একটি বাঁধ উদ্বোধন করেন। সেখান থেকে তিনটি হেলিকপ্টারের বহর নিয়ে ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের রাজধানী তাবরিজে ফিরছিলেন রাইসি ও তার সঙ্গে থাকা অন্য কর্মকর্তারা।

পথে পূর্ব আজারবাইজানের জোলফা এলাকার কাছে দুর্গম পাহাড়ে রাইসিকে বহনকারী বেল-২১২ মডেলের হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে, রাইসি ও আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ হেলিকপ্টারের সব যাত্রী নিহত গেছেন।


আরও খবর



মেগা প্রকল্পের চিত্র তুলে ধরে জনগণকে ধোকা দেওয়া হচ্ছে: এবি পার্টি

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 


ডিজিটাল ডেস্ক:


‘মেগা প্রকল্পের চিত্র তুলে ধরে জনগণকে ধোকা দেওয়া হচ্ছে’ বলে মনে করে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। বুধবার (১৫ মে) দুপুরে রাজধানীর বিজয় নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন দলের নেতারা। 


অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, আমদানি-রফতানির নামে ডলার পাচার ও উচ্চ-দ্রব্যমূল্যে জনগণের চরম ভোগান্তির প্রতিবাদে এই মিডিয়া ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে এবি পার্টি। 



এতে বক্তব্য রাখেন—দলের আহ্বায়ক সোলায়মান চৌধুরী, সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু ও পার্টির অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। 


মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের চিত্র তুলে ধরে জনগণকে ধোকা দেওয়া হচ্ছে। নিজেদের সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে সরকার দলীয় লোকজন ও কিছু আমলা। 


প্রকৃতভাবে এখন দেশে রিজার্ভের পরিমাণ এসে দাঁড়িয়েছে ১৩ বিলিয়ন ডলারে। যদিও সরকার বলছে, এর পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু আইএমএফসহ আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ১৩ বিলিয়ন ডলার।’ 



সোলায়মান চৌধুরী আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ কাজ পাচ্ছে না, অথচ প্রতিবেশী একটি দেশের হাজার হাজার মানুষ এখানে অবৈধভাবে কাজ করছে। দেশের টাকা বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। 


ব্যাংকগুলো জবর দখল করে দলীয় লোকজনের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। রিজার্ভ আজ শূন্য হতে চলেছে। দেশ আজ অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার চোরাবালিতে আটকে গেছে।’ 


এ সময় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক বিএম নাজমুল হক, যুগ্ম সদস্য সচিব ও দফতর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।  


আরও খবর