Logo
শিরোনাম

কুমিল্লা সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন আরফানুল হক রিফাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী চুড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড।

আজ বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভা শুরু হয়। শেখ হাসিনা ছাড়াও এতে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মনোনয়ন বোর্ডের সব সদস্য অংশ নিয়েছেন। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে ১৪জন, ৩টি উপজেলা পরিষদে ১৬টি,  ৬টি পৌরসভায় মেয়র পদে  ৪৬টি এবং ১৩৮ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ৬৩০টি দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন আগ্রহী প্রার্থীরা। তাদের মধ্য থেকেই প্রার্থী চুড়ান্ত করবে মনোনয়ন বোর্ড।


আরও খবর



প্রজ্ঞাপন জারি ৬১ জেলা পরিষদ বিলুপ্ত

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

দেশের ৬১ জেলা পরিষদের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় পরিষদগুলো বিলুপ্ত করেছে সরকার। এসব জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের আগপর্যন্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ আইন সংশোধন করে পরিষদের মেয়াদোত্তীর্ণের পর প্রশাসক বসানোর সুযোগ সৃষ্টি করে সরকার। সব ধাপ শেষ করে সংশোধিত জেলা পরিষদ আইনের গেজেট গত ১৩ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। সেই আইনের আলোকে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা পরিষদ বিলুপ্ত করে রবিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৬১টি জেলা পরিষদের মেয়াদ প্রথম সভার তারিখ থেকে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ায় পরিষদগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছে। জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের আগে প্রত্যেক জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অর্পণ করা হলো।

সংশোধিত জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী, রবিবার জেলা পরিষদের ‘সচিব’ পদের নির্বাহী নাম ‘নির্বাহী কর্মকর্তা’ করে, তা সব জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তাদের জানিয়ে দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।


আরও খবর



প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ : গোয়েন্দা নজরদারি বাড়বে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৮৯জন দেখেছেন
Image

আগামী ২২ এপ্রিল থেকে সারা দেশে তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। এই পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নির্বিঘে করতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসর নেয়ার কারণে আরো ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্য পদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্য পদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিকের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন প্রার্থী। সে হিসাবে একটি পদের জন্য প্রতিযোগিতা হবে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে।

শিক্ষক নিয়োগের এই লিখিত পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এর আগে গত ১২ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: হাসিবুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাবিরুল ইসলাম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তোফাজ্জল হোসাইন, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক অসিত বরণ সরকার, জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব শেখ ছালেহ আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন ।

সভায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দেশের সব ডিআইজি, এসপিদের নিয়ে সভা করা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান। তা ছাড়া প্রশ্নপত্র প্রণয়ন স্থানে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে মোবাইল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম জ্যামারের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিটিআরসিকে অনুরোধ জানান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাবিরুল ইসলাম জানান যে, রমজান এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে ওএমআর শিট ও প্রশ্নপত্রের ট্রাংক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে সরবরাহ করতে অনুরোধ করেন।

এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক অসিত বরণ সরকার জানান, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পাদনের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে। তিনি প্রতিটি কেন্দ্রে মেটাল ডিটেকটর স্থাপন এবং মহিলা পরীক্ষার্থীদের কানে পরিহিত কোনো ডিভাইস আছে কি না তা কঠোরভাবে যাচাই করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তা ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব প্রতিরোধে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ১১টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত সার্বিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের নিমিত্ত বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদেরকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।পরীক্ষার দিন প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ এবং প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য ডকুমেন্ট সংবলিত ট্রাংক ঢাকা হতে গ্রহণ, জেলার ট্রেজারিতে সংরক্ষণ এবং উত্তরপত্র ঢাকায় প্রেরণের জন্য জেলা প্রশাসকরা প্রয়োজনীয়সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। কোনো জেলায় পর্যাপ্তসংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে বিভাগীয় কমিশনাররা প্রয়োজনীয়সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিতে পারেন এবং সুপ্ত ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ক্ষমতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

পরীক্ষার দিন প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয়সংখ্যক পুলিশ ফোর্স (মহিলা কেন্দ্রে মহিলা পুলিশসহ) নিয়োগের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগ ও পুলিশ অধিদফতর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া পরীক্ষার দিন কেন্দ্রগুলোতে টহল প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য র্যাব মহাপরিচালক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। যেকোনো ধরনের ইলেকট্রোনিকস কমিউনিকেটিভ ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টর সরবরাহ ও স্থাপন করার জন্য নিমিত্ত পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দেয়ার জন্য জননিরাপত্তা বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মোবাইল নেটওয়াকিং জ্যামার স্থাপন করার নিমিত্ত বিটিআরসি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।




আরও খবর



নিউমার্কেট সংঘর্ষে আহত ৫০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০৫জন দেখেছেন
Image

ব্যবসায়ীদের সাথে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষে ঢাকা কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের ক্যাম্পাসের ভেতর প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

রেডক্রিসেন্ট থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে সকালে নীলক্ষেত মোড় থেকে সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় শিক্ষার্থীরা। এরপর শুরু হয় ব্যবসায়ীদের সাথে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ। সকাল সাড়ে ১০টার পর নীলক্ষেত মোড় থেকে সায়েন্সল্যাব পর্যন্ত এলাকায় থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী এবং এসএ টিভির ক্যামেরাম্যান কবির হোসেন, দীপ্ত টিভির রিপোর্টার সুমিতসহ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

সমস্যা মেটাতে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন ঢাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। ইট-পাটকেল ছুঁড়ে ব্যবসায়ীরা।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ টি এম মঈনুল হোসেন বলেন, আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে সমস্যাটা মেটানো যায়। তবে মার্কেটে ভিড়ের জন্য সামনের দিকে যেতে পারিনি। আমরা এখন পুলিশ প্রসাশনের সাথে কথা বলব। প্রসাশনিক যে তৎপরতা আছে, সেটা চেষ্টা করব। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। শিক্ষার্থীদের কথা শোনানোর চেষ্টা করছি আমরা। এ ঘটনায় কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

দোকানে কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে নিউমার্কেট ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ বাধে। রাত ১২টা থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ তিন ঘণ্টা ধরে চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।


আরও খবর



গাজীপুরের রাস্তায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢল

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৭৭জন দেখেছেন
Image

সদরুল আইন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

ঈদের আগে কারখানা ছুটির পর মানুষের ঢল নেমেছে গাজীপুরের রাস্তায়।

 গাড়ির অভাবে আর যানজটে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে লাখ লাখ মানুষকে।

শনিবার থেকে রোববার  দুপুর পর্যন্ত গাজীপুরে ঢাকা-ময়মমনসিংহ মহাসড়ক ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ে।

শেষ পর্যন্ত বাস না পেয়ে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়ায় মিনিবাসে, মাইক্রোবাসে, ট্রাকে, মোটরসাইকেলে, পিকআপে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রওনা হয়েছেন গন্তব্যের উদ্দেশে।প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে এ যেন হিমালয় আরোহন।

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক জাকির হোসেন। ঈদে স্ত্রী হালিমা বেগম আর মেয়ে জুলেখাকে নিয়ে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার মুকুন্দপুরে গ্রামের বাড়িতে যাবেন।

 তিনি বলেন, ভোর ৫টা থেকে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে বাসের অপেক্ষায় থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কোনো বাসে উঠতে পারেননি তারা।

দু-একটি বাস পেলেও তিনজনের জন্য তিন হাজার টাকা ভাড়া চাওয়া হয় বলে অভিযোগ জাকিরের। নিরুপায় হয়ে বসে থেকে পরে একটি পিকআপে ৫০০ টাকায় বগুড়া পর্যন্ত যাওয়ার জন্য রওনা দেন তারা।

গাজীপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ভাড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা হলেও দ্বিগুণেরও বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “যার যেমন খুশি তেমন ভাড়া নিচ্ছে। কাউকে কিছু বলারও সুযোগ নেই।”

তাদের মতই হাজার হাজার ঘরমুখো মানুষকে চন্দ্রা ত্রিমোড়ে যানবাহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায় রাত ৯টার দিকে। বাসগুলো ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ তাদের।

চন্দ্রা এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ওসি ফিরোজ হোসেন।তিনি বলেন, শনিবার থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত অধিকাংশ কারখানা ছুটি হলে দুপুরে চন্দ্রা এলাকায় মানুষের ঢল নামে।

 গাড়িগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে না পারায় দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। চন্দ্রা মোড়ে হাজার হাজার মানুষ বাসে ওঠার জন্য অপেক্ষা করছে। এ কারণেও যান চলাচল কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অধিকসংখ্যক যাত্রী একসঙ্গে রওনা হওয়ায় গাড়ির অভাব পড়ে বলে জানান গাজীপুর সিটি পুলিশের উপ-কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, “শনিবার দুপুরে অধিকাংশ পোশাক কারখানা ছুটি হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। এতে গাড়ির সংকট দেখা দেয়। গাড়ির তুলনায় যাত্রী বেশি হওয়ায় অনেকেই ট্রাক ও পিকআপে করে রওনা হন।

“তিন দিন আগে এসব গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও গাড়ির অভাবের কারণে আটকানো হচ্ছে না। আটকালে জট লাগতে পারে।”

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সড়কে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলেও একই পরিস্থিতি। বেশির ভাগ কারখানা একযোগে বন্ধ হওয়ায় বাসের অভাব পড়ে। ঘরমুখী মানুষ পিকআপে, ট্রাকে ও মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরতে শুরু করে। এতে বিভিন্ন জায়গায় দেখা দেয় যানজট।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাইপাইল এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন পোশাক শ্রমিক জুলেখা বেগম। তিনি নাটোরে বাড়ি যাওয়ার জন্য পরিবার নিয়ে রওনা হয়েছেন।

জুলেখা বলেন, “যানজটের কারণে এখন বিরক্ত হচ্ছি। আবার মানুষের ঢল বেশি হওয়ায় সুযোগ নিচ্ছে বাস মালিকরা। তারা ইচ্ছামত ভাড়া বাড়াচ্ছে।”

পুলিশ যানজট নিরসনে সচেষ্ট থকলেও ভাড়া বেশি নেওয়ার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।

তবে শনিবারের তুলনায় আজ এসব সড়কসমুহে যানজট সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।ঈদ মঙ্গলবার হবে এমন খবরে অনেকেই ধীরে সুস্থে বুঝে শুনে তাড়াহুড়ো না করে গ্রামের বাড়িতে রওনা হচ্ছেন।ফলে শনিবারের তুলনায় আজ গাজীপুর থেকে উত্তরবঙ্গ ও মযমনসিংহগামী পরিবহনগুলোতে তেমন চাপ পরিলক্ষিত হয়নি।


আরও খবর



ঈদের আগে ভোজ্য তেলের বাজার অস্থির

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

সরকার নির্ধারিত মূল্যে কিছু পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও সেটা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আবার কারখানা থেকেই খোলা সয়াবিন তেলের দাম চাওয়া হচ্ছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট :

সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল উধাও হয়ে গেছে। বেশি দামেও মিলছে না বোতল জাত সয়াবিন তেল।

ক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, গত বুধবার বাজারে সয়াবিন তেল কিনতে গেলে বোতল জাত তেল নেই বলে দোকানদার জানায়। পরে দাম বেশি দেওয়ার কথা বললে ৫ লিটার বসুন্ধরা তেল দেয়। কিন্তু বোতলের সঙ্গে তেলের মূল্য ৭৬০ টাকা লেখা থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ৮৬০ টাকা। বাজারের বিভিন্ন ক্রেতা জানান, বসুন্ধরা ৫ লিটার তেলে সঙ্গে ৫ কেজি আটা, তীর ৫ লিটার তেলের সঙ্গে ২ লিটার সরিষার তেল নিতে বাধ্য করছে, তা না হলে তারা সয়াবিন তেল বিক্রি করছে না। এতে বাধ্য হয়ে অনেকেই তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

বাউফল (পটুয়াখালী) : গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাউফল বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানে বোতলজাত তেল নেই। আবার খোলা তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক দোকানদার বোতলজাত তেলই বিক্রি করছেন না। এদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকটে সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

সোয়াবিন তেলের দাম জানতে গেলে পৌর সদরের লোকনাথ ভান্ডারের দোকানি সঞ্জয় কুমার বনিক সাংবাদিকদের বলেন, এক সপ্তাহ থেকে বোতলজাত তেল সংকট চলছে।

পৌরসদরের বাসিন্দা ক্রেতা রিয়াজ বলেন, গত ১০ দিন আগে খোলা সয়াবিন তেল কিনলাম ১৮০ টাকা কেজি। সেই তেল এখন কিনতে হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে।

পৌর সদরের বাংলাবাজার এলাকার আরেক ব্যবসায়ী আবদুল জলিল বলেন, সয়াবিন তেলের চাহিদা আছে কিন্তু সরবরাহ নেই। ডিলাররা বলছেন সরবরাহ বন্ধ।’

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) : বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার সয়াবিন তেল ২০০ টাকা লিটার মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। এতে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। বিক্রেতাদের দাবি, এক সপ্তাহ যাবত কোনো কোম্পানি সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে না। তাই বাজারে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। যাও পরিমাণে অল্প পাওয়া গেলেও বেশি দরে কিনে বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বোয়ালমারী বাজারের মেসার্স সাহ স্টোর, দত্ত ভান্ডারসহ বিভিন্ন স্থানের একাধিক মুদি দোকানদার বলেন, ইন্দোনেশিয়া তেল রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর থেকেই মুনাফালোভীরা তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ফরিদপুরের সভাপতি শেখ ফয়েজ আহমেদ বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পেছনে ডিলার ও পাইকারদের হাত রয়েছে বলে আমাদের ধারণা। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান নিয়মিত করা হলে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অবৈধভাবে মুনাফা অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। প্রায়দিনই বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। খোঁজখবর নিয়ে এর সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাট : বাগেরহাটে সয়াবিন তেলের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। তেল কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ভোক্তারা। খোলা তেলও বিক্রি হচ্ছে বোতলজাত তেলের থেকে বেশি দামে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অগ্রিম টাকা দিয়েও কোম্পানি থেকে তেল পাচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের প্রধান বাজারসহ অধিকাংশ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। যেসব দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল রয়েছে, তারা ১৬০ টাকা গায়ের রেটে ১৭০ টাকা লিটার বিক্রি করছেন। এছাড়া খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান বলেন, দাম বেশি নেওয়ার অপরাধে আমরা বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানাও করেছি। বর্তমানে যদি কোনো ব্যবসায়ী এ ধরনের কাজ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২