Logo
শিরোনাম

কু‌মিল্লার পুজামন্ড‌পের মামলায় ২কাউ‌ন্সিলরসহ ৮জন জেলহাজ‌তে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কু‌মিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ

কুমিল্লার নানুয়া দিঘীরপা‌ড়ের পুজামন্ড‌পের ঘটনার মামলায় সিটি করপোরেশনের সদ্যবিজয়ী দুই কাউন্সিলরসহ মোট আটজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।                              মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ এর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক আতাব উল্লাহ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

আসামিপক্ষের স্বজনরা জানান, মামলার পর আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। 

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. একরাম হোসেন, বিষ্ণপুর মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকার বাসিন্দা ও ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. গোলাম কিবরিয়া, শুভপুর এলাকার বাসিন্দা ও ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন, দক্ষিণ চর্থা এলাকার বাসিন্দা আবদুল ল‌তি‌ফের ছে‌লে আমির হোসেন ফয়েজী, মো. রাসেল, মোবারক আলীর ছে‌লে মফিজুল ইসলাম, সুলতান আহ‌মে‌দের ছে‌লে মান্নান মিয়া ও শুভপুর এলাকার আবদুল অ‌হি‌দের ছে‌লে নজির আহমেদ।

আদালতের মামলার ন‌থি থে‌কে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরীর নানুয়ার দিঘিরপাড় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা নিয়ে মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে মঙ্গলবার মামলার ধার্য‌্য তা‌রি‌খে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এসময় বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 এ বিষয়ে কুমিল্লার আদালত পরিদর্শক মজিবুর রহমান জানান,পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় পৃথক দু’টি মামলা হয়। কারাগারে পাঠানো ৮জন ওই দুটি মামলার আসামি। তারা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্কালীন জামিনে ছিলেন। তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে আদালতে হাজিরা দিতে আসলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। 

এড ইসমাইল হো‌সেন জানান,বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২০২১ সালের মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনে আসার পর মঙ্গলবার মামলার ধার্য‌্য তারিখে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না-মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।                    আসামীগণের পক্ষে মামলা শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট কাইয়ূম হক রিংকু, ৫ বারের সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইসমাইল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সহিদ উল্লাহ, এডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী,এডভোকেট নজির আহম্মেদ হোসাইনীসহ আরো অনেক উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।


আরও খবর



সোনারগাঁয়ে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার হাতুরাপাড়া গ্রামে গত শুক্রবার রাতে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার সোনারগাঁ থানায় ইসমাইল হোসেন বাদি হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের হাতুরাপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের হাবিবুল্লার দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত শুক্রবার দুপুরে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে তার ছেলে বাবুল, মনির, আফজাল হোসেন, আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে মুকবুল হোসেন, বাবুলের ছেলে আসাদুল্লাহসহ ৮/১০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাবিবুল্লাহ বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ভাই মজিবর, ইমরান, ইব্রাহীমকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাক্তক জখম করে। পরে হামলাকারিরা বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত হাবিবুল্লাহ জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই বাচ্চু মিয়ার লোকজন আমার পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম করে বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। অপর দিকে বাচ্চু মিয়া জানান, ঘটনাটি ঘটেছে সত্য। তবে ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলে দাবি করেন। সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আরও খবর



অ্যান্টিবায়োটিকের অপ ব্যবহারে স্বাস্থ্যখাতে বিপর্যয়

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দেশের সব জরুরি ও বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ৫০ শতাংশেরও বেশি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এতে দেশের পুরো জনগোষ্ঠী যে কোনো ধরনের মহামারির বিরুদ্ধে অরক্ষিত থেকে যেতে পারে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকাভুক্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি ওষুধ ক্রমশ অকার্যকর হয়ে পড়ছে বলে ২০১৭ থেকে ২০২১ এর মধ্যে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর) পরিচালিত এই সারভেইলেন্স গবেষণা থেকে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদি সাবরিনা ফ্লোরা গতকাল একটি অনুষ্ঠানে বলেন, 'এই গবেষণা থেকে যে বার্তা পাওয়া গেছে, তা হচ্ছে পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। এই অনুষ্ঠানে ১০টি প্রাধান্য পাওয়া প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে ২১টি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়।

ওষুধগুলো মূত্রনালীর সংক্রমণ, সেপ্টিসেমিয়া, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ক্ষত সংক্রমণের মতো রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা হয়েছিল।

৯টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াগুলোর ৯ শতাংশ পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত সব অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে সহনীয়।

ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং পরজীবীর মতো অণুজীবকে ধ্বংস করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতাকে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বলা হয়।

ফ্লোরা বলেন, 'এএমআর অন্য এক ধরনের মহামারি। আমাদের এমন হওয়া উচিত নয় যে—রোগ নির্ণয় হলো, সেই রোগের ওষুধও আছে কিন্তু সেটা রোগ সারাতে পারছে না।'

ওয়ান হেলথ বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়কারী নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ডেটা দেখে মনে হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার প্র্যাকটিশনারদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

'আমাদের এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে হবে। পেশাদারদের শক্তিশালী উদ্যোগ নিতে হবে। এএমআর জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনীতি উভয়ের জন্যই একটি চ্যালেঞ্জ,' তিনি যোগ করেন।

অ্যান্টিবায়োটিকগুলোকে মূলত তিনটি সেটে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এগুলো হচ্ছে, প্রাথমিক পর্যায়ের সংক্রমণের জন্য 'অ্যাক্সেস গ্রুপ', উচ্চ সহনশীল ব্যাকটেরিয়ার জন্য 'ওয়াচ গ্রুপ' এবং পরিশেষে সব বিকল্প ব্যর্থ হলে 'রিজার্ভ গ্রুপ।'

২১টি অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে ৭টি অ্যাক্সেস গ্রুপ, ৯টি ওয়াচ গ্রুপ এবং ২টি রিজার্ভ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে ১৫টি ক্রমশ অকার্যকর হয়ে পড়ছে বলে পরীক্ষায় উন্মোচিত হয়েছে।

২০২১ সালে ওয়াচ গ্রুপের ওষুধ সেফটাজিডিম ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সালে এর অকার্যকারিতার হার ছিল ৬২ শতাংশ।

একই সময়সীমার মধ্যে ওয়াচ গ্রুপের বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতা বেড়েছে, যেমন সেফিক্সিম (৫২ থেকে ৫৮ শতাংশ), সেফেপিম (৫৭ থেকে ৬১ শতাংশ), সেট্রিয়াক্সোন ৫২ থেকে ৬৫ শতাংশ), সিপ্রোফ্লোক্সাসিন (২০ থেকে ৪০ শতাংশ) ও কার্বাপেনেম (২০ থেকে ৪০ শতাংশ)।

একই সময়ে অ্যাক্সেস গ্রুপের ওষুধ ডক্সিসাইক্লিন ও টেট্রাসাইক্লিনের উপযোগিতা বেড়েছে। তাদের অকার্যকারিতার হার কমে যথাক্রমে ৪৭ থেকে ৩৯ শতাংশ এবং ৫৮ থেকে ৫৪ শতাংশ হয়েছে।

আইইডিসিআরের লিড ইনভেস্টিগেটর ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান জাকির হোসেন হাবীব বলেন, 'এর পেছনে কারণ হতে পারে এই ওষুধগুলোর কম ব্যবহার। চিকিৎসকরা মূলত ওয়াচ ও রিজার্ভ গ্রুপের ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন।'

অ্যাক্সেস গ্রুপের ওষুধের মধ্যে উপযোগিতা হারিয়েছে এ রকম ওষুধ হচ্ছে নাইট্রোফিউরানটয়েন, সালফামেথোক্সাজোল-ট্রাইমেথোপ্রিম, অ্যাম্পিসিলিন, অ্যামোক্সিসিলিন-ক্লাভুলানেট ও জেন্টামাইসিন। তবে পেনিসিলিনের উপযোগিতা সামান্য বেড়েছে।

রিজার্ভ গ্রুপের ওষুধ অ্যাজট্রিওনামের অকার্যকারিতা ৫৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬১ শতাংশ হয়েছে এবং লিনেজোলিডের ক্ষেত্রে তা ৩৭ শতাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসেনশিয়াল ড্রাগস অ্যান্ড মেডিসিনের কারিগরি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ রামজি ইসমাইল বলেন, 'আমরা ফার্স্ট-লাইন অ্যান্টিবায়োটিক (অ্যাক্সেস গ্রুপ) হারিয়ে ফেলছি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় লাইন অ্যান্টিবায়োটিকগুলো ব্যয়বহুল এবং টক্সিক।

তিনি আরও জানান, নতুন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের ক্ষেত্রে গবেষণার পাইপলাইনে শুধুমাত্র অল্প কিছু আশাব্যঞ্জক বিকল্প রয়েছে।

এএমআরের সঙ্গে মোকাবিলায় ইসমাইল 'ওয়ান হেলথ' দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বনের আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ওয়ান হেলথে ভালো উন্নতি করেছে।

ওয়ান হেলথে স্বীকার করা হয় মানুষ যে পরিবেশে থাকে এবং সে পরিবেশের অন্যান্য প্রাণীদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সঙ্গে তার নিজের স্বাস্থ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

কোনো কোনো দেশে চিকিৎসার চেয়ে খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিক বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

'আমাদের এই ফ্র্যাজাইল ওষুধের অপব্যবহারে অবদান রাখে এমন সমস্ত আচরণকে চিহ্নিত করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে,' তিনি যোগ করেন।


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




লজ্জার বিশ্বরেকর্ড বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইয়াশফি রহমান :  মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ইনিংসেই বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য রান করেছিলেন। তিন সপ্তাহ পেরোতেই আরও ৬ শূন্যের বিশ্বরেকর্ডে নাম লেখালো বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট দল।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য রানে সাজঘরের পথ ধরেছেন। তারা হলেন-মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, সদ্য পদত্যাগী অধিনায়ক মুমিনুল হক, নুরুল হাসান সোহান, মোস্তাফিজুর রহমান ও খালিদ আহমেদ।

ব্যাটারদের এই ব্যর্থতায় অ্যান্টিগা টেস্টে মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান লড়াকু ফিফটি (৫১) না হাঁকালে লজ্জাটা আরও বড় হতে পারতো। ম্যাচে একমাত্র এবাদত হোসেন ৩ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন।

সাকিব-তামিমে একশর নিচে আউট হওয়ার লজ্জা কোনও মতে এড়িয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এড়াতে পারেনি শূন্যরানে আউট হওয়ার লজ্জার বিশ্বরেকর্ড। ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য রানে আউট হয়েছেন।

এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই ঢাকায় ২০০২ সালে প্রথমবার বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য করেছিলেন। সেই ইনিংসে ৮৭ রানে অলআউট হয়েছিল টাইগাররা। এর ২০ বছর পর চলতি মৌসুমে লঙ্কানদের বিপক্ষে ছয় ব্যাটার শূন্য করলেও মুশফিকুর রহীম ও লিটন দাসের মহাকাব্যিক জুটিতে ৩৬৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।

টেস্ট ইতিহাসে ৬ ব্যাটার শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনা মাত্র সাতবার। এর মধ্যে তিনবারই বাংলাদেশের নাম। একবার করে এই লজ্জার রেকর্ডে নাম তুলেছে পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও নিউজিল্যান্ড।


আরও খবর



বাংলাদেশের ফুটবল আরও এগিয়ে যাবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইয়াশফি রহমান : কাতার বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে আগামী নভেম্বরের ২১ তারিখে। জমজমাট এই আসর উপলক্ষে বিশ্ব ভ্রমণে রয়েছে ট্রফি। সেই ধারাবাহিকতায় ট্রফি এবার বাংলাদেশে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি’ বরণ উপলক্ষ্যে বুধবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের লবিতে আগত প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।

ফিফা ট্রফির বাংলাদেশ ভ্রমণের ফলে দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম উৎসাহিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের খেলাধুলায় বিশেষ করে ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা স্মৃতিচারণ করেন।

শেখ হাসিনা জানান, তার পিতামহ, পিতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ভাইয়েরা অত্যন্ত ক্রীড়ামোদী ও ক্রীড়াবিদ ছিলেন। তার সন্তান এমনকি নাতি-নাতনিরাও ক্রীড়ামোদী ও ক্রীড়াবিদ।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফির আগমনে ফিফা, কোকাকোলা ও বাফুফে কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফুটবল বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।’

সবশেষে ফিফা ও কোকাকোলার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সিনিয়র সচিব) খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন, বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দীন, বাফুফে সাধারণ সম্পাদক, মো. আবু নাইম সোহাগসহ ফিফা, কোকাকোলা ও বাফুফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে বিকালে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতিনিধিরাসহ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করেন এবং ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফিটি প্রদর্শন করেন।

কাতার বিশ্বকাপ সামনে রেখে গত ১২ মে দুবাই থেকে কোকাকোলার আয়োজনে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্বভ্রমণ শুরু হয়। ৫৬টি দেশ ঘোরার পথে ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক কোকাকোলার উদ্যোগে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসেছে ট্রফিটি।


আরও খবর



সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল লুহানেস্কের সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে ইউক্রেনের সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। রুশ সেনারা পূর্বাঞ্চলীয় শহরটি ঘিরে ফেলায় তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খবর সিএনএনের।

সেভেরোদোনেৎস্কের পাশের শহর লিসিচানস্কের দখল দুই-একদিনের মধ্যে রুশ সেনাদের আয়ত্তে চলে আসতে পারে।

ফলে লুহানেস্কের সেভেরোদোনেৎস্ক এবং লিসিচানস্ক দখল করতে পারলে পুরো অঞ্চলটি রাশিয়ার অধীনে চলে আসবে। লুহানেস্কের গভর্নর সেরহি হাইদাই বলেন, ইউক্রেনীয় সেনাদের সেভেরোদোনেৎস্ক ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এখানকার শীর্ষ কমান্ডার।

তিনি বলেন, সেনাদের পিছিয়ে অন্যত্র চলে যেতে এবং সেখান থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লুহানেস্কের গভর্নর আরও জানিয়েছেন, রুশ বাহিনীর অব্যাহত বোমা হামলার কারণে সেভেরোদোনেৎস্ক পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ার পথে।

শহরের ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। শহরের যেসব ভবন বা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ৮০ শতাংশ ভেঙে ফেলতে হবে।

রুশ হামলায় এখনো অনেক ভবন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে লুহানেস্কের শেষ ইউক্রেনীয় শহরটিও পতন হতে যাচ্ছে।


আরও খবর