Logo
শিরোনাম

কু‌মিল্লায় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে অপর ভাইয়ের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ 

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে আঘাতে ছোট ভাই মো.জাহাঙ্গীর আলম (৩২)র ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে।                            বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার  দিকে পৌর এলাকার উত্তর ভিংলাবাড়ি হাশেম ব্যাপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।                   নিহত জাহাঙ্গীর আলম কোম্পানীগঞ্জ সাফল্য সমবায় সমিতি নামে একটি এনজিওতে চাকরি করতেন এবং  উত্তর ভিংলাবাড়ি এলাকার মৃত আবুল হাশেম ব্যাপারী ছেলে। এ ঘটনার পর থেকে  বড় ভাই আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছে। 

প্রতিবেশী মো. জালাল উদ্দিন ও প্রত্যাক্ষদর্শী মো. রুবেল জানান, নিহত জাহাঙ্গীর আলমের বাবা আবুল হাশেম ব্যাপারী কোম্পানীগঞ্জ বাজারে পেয়াজের ব্যবসা করতেন। তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় পাশ্ববর্তী ব্যবসায়ী আবদুর রহিম নামে এক ব্যক্তির কাছে সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা পাওনা ছিলেন।  গত ৮ মাস আগে আবুল হাশেম ব্যাপারী মারা যাওয়ার পূর্বে পাওনা সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা দুই ভাইয়ের মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে পরিশোধ করতে বলে যান আবদুর রহিমকে ওই সময়ে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন বলেও আবদুর রহিম সবাইকে আশ্বাস দেন। পরে বড় ভাই আলমগীর হোসেন টাকা পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে গত সপ্তাহে দেনাদার আবদুর রহিমের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রীম নিয়ে আসেন। এ খবর পেয়ে ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম বড় ভাই আলমগীর হোসেনের কাছ পাওনা আদায়ের ৫০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা তাকে দিতে চাপ দেন। ওই ২০ হাজার টাকা নিয়ে গত দুইদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে কথা কাটাকাটি ও তর্ক চলে আসছিলো।   

 পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে বড় ভাইয়ের কাছে ফের ২০হাজার টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করেন করেন ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম। আলমগীর হোসেন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এনিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বড় ভাই আলমগীর হোসেন ঘর থেকে ছুরি এনে ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের পেটের নিচে বা পাশে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই জাহাঙ্গীর আলম মারা যান। পরে প্রতিবেশীরা দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।  

 স্থানীয় শা‌হিন আলম জানায়, ঘাতক বড় ভাই আলমগীর উচ্ছঙ্খল স্বভাবের এবং এলাকার কাউকে সে পরোয়া করে না। এ কারণে এলাকার কেউ তাকে পছন্দ করে না। সে এর আগেও বিভিন্ন অপরাধ কর্মকা‌ন্ডে জড়িত ছিলেন। অপরদিকে নিহত জাহাঙ্গীর দুইদিন পর সিলেটের চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সে আর যেতে পারল না।  এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ ধর বলেন, ‘ঘটনাটি প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটেছে। খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে  প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকে ঘাতক আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে’।


আরও খবর



বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল: বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌(জিপিআই) ২০২২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৬তম। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) বিশ্ব শান্তি সূচকের এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

বুধবার (১৫ জুন) অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক শান্তি সূচক-২০২২ প্রকাশ করে। সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।

গত বছর অবশ্য একই সূচকে ৯৭তম অবস্থান থেকে সাত ধাপ এগিয়ে ৯১তম অবস্থানে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ।

সংবাদমাধ্যম বলছে, সবশেষ প্রকাশিত সূচকের ১৬তম সংস্করণে শান্তির দিক থেকে বাংলাদেশকে মধ্যম বিভাগে রাখা হয়েছে। সূচকে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে তার অবস্থানের উন্নতি করলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এর অবস্থানের অবনতি হয়েছে।

বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ। শান্তির সূচকে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে আঞ্চলিক র‌্যাংকিংসে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ভুটান। এরপরে নেপাল ও শ্রীলঙ্কা রয়েছে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে। আরও স্পষ্ট করে বললে গত বছর বাংলাদেশের দখলে থাকা স্থানটিতে চলতি বছর জায়গা পেয়েছে শ্রীলঙ্কা।

অস্ট্রেলিয়ার ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় গত এক বছরে সব অঞ্চলের মধ্যে শান্তিতে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে। তবে এরপরও এটি সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন শান্তিপূর্ণ অঞ্চল রয়ে গেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে নাম রয়েছে ভুটানের। বৈশ্বিকভাবে এই দেশটির অবস্থান ১৯তম। এছাড়া দেশটি ইউরোপ, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর আমেরিকার বাইরে জিপিআই-তে সর্বোচ্চ র‌্যাংকযুক্ত দেশ।

অন্যদিকে চলতি বছর বাংলাদেশের জায়গায় এসেছে শ্রীলঙ্কা। জিপিআইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যান বিবেচনায় নেওয়ার কাট-অফ তারিখের পর শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক সংঘাত ঘটেছে। তবে এর আগেই সামগ্রিক স্কোরে ৩.৬ শতাংশ উন্নতি করে ৯০তম অবস্থানে চলে আসে শ্রীলঙ্কা।

এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক শান্তি সূচকে নেপাল ৭৩তম অবস্থানে, ভারত ১৩৫তম অবস্থানে এবং পাকিস্তান রয়েছে ১৪৭তম অবস্থানে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) তৈরি বিশ্ব শান্তির সূচকে বাংলাদেশ ২০২২ সালে ২.০৬৭ স্কোর করেছে। অন্যদিকে গত বছর এই স্কোর ছিল ২.০৬৮। মূলত কোনো দেশের স্কোর যত কম হয়, সেই দেশ তত শান্তিময়।

বুধবার প্রকাশিত সূচকের ১৬তম সংস্করণে ১৬৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও অঞ্চলকে তাদের শান্তির স্তর অনুসারে পরিমাপ করে তালিকায় স্থান দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

চলতি বছর আইসল্যান্ড আবারও বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসাবে তালিকায় শীর্ষে স্থান পেয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে দেশটি। এরপরই তালিকায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ডেনমার্ক ও অস্ট্রিয়া।

অন্যদিকে টানা পঞ্চম বছরের মতো বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছে আফগানিস্তান। এর আগের চারটি দেশ হচ্ছে ইয়েমেন, সিরিয়া, রাশিয়া ও দক্ষিণ সুদান।


আরও খবর



তিস্তার পানি বেড়ে ফের বিপদসীমার উপরে

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি পুনরায় বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার দুপুর ১২টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে ও ধরলার শিমুলবাড়ি পয়েন্টে এ পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়। হঠাৎ এমন পানি বৃদ্ধিতে তিস্তার তীরবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার রূপ ধারণ করছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জানা যায়, ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে গত সপ্তাহ থেকে লালমনিরহাটের তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, সানিয়াজান নদীর পানি উঠানামার মধ্যে রয়েছে। তিস্তার পানি শনিবার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার উপরে উঠলে গতকাল রবিবার তা নেমে ৫ সেন্টিমিটারের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সোমবার (২০ জুন) সকাল থেকে পানি দ্রুত বাড়তে থাকে এবং দুপুর ১২টা থেকে আবারও তীব্র গতিতে পানি বৃদ্ধি শুরু হয়ে ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৮ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলার শিমুল বাড়ি পয়েন্ট এলাকায় ৬ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চলমান বন্যায় তিস্তা নদীর দুই তীরের নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দী হয়ে আছে হাজার হাজার পরিবার। রবিবার কিছুটা কমে রাস্তাঘাট থেকে পানি নেমে গেলেও অনেক বসতবাড়িতে হাঁটু পানি ছিল, কিন্তু সোমবার (আজ) আবার পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। কয়েকদিন ধরেই নানান দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন তিস্তা পারের লোকজন। নতুন করে পানি বৃদ্ধিতে এসব এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিলে চরম খাদ্য সংকটে পড়বে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বানভাসি মানুষ।

আদিতমারী মহিষখোচা এলাকার লোকমান হোসেন বলেন, কয়েকদিন থেকে পানি বাড়ছে আর কমছে। এখনো পানি পুরোপুরি নেমে যায়নাই। কস্ট করে দিন কাটাচ্ছি। আবারও বন্যা হলে নিরুপায় হয়ে পড়বো আমরা।

জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বন্যার্তদের সহযোগিতায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুকনো খাবারসহ নগদ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। নদী ভাঙনে জিও ব্যাগ ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলাম বলেন, উপজেলার মহিষখোচা, দুর্গাপুর, ভাদাই ইউনিয়নের পানিবন্দী লোকজনের তালিকা করে সাহায্য করা হচ্ছে। বন্যাদুর্গতদের সকল সহযোগিতা অব্যাহত আছে। নতুন করে বন্যার বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি।

লালমনিরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, তিস্তা ও ধরলার পানি বেড়ে আজ বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। নদী ভাঙন রোধে বিভিন্ন জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে যানজটে অতিষ্ট এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

যানজট থেকে রক্ষা পেতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের সীতাকুণ্ডে কুমিরা ও সোনাইছড়ির আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসীর।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের সীতাকুণ্ড অংশের বিভিন্নস্থানে সড়কের পাশে গড়ে উঠা একাধিক কন্টেইনার ডিপোর কারণে প্রায় প্রতিদিন তীব্র যানজটে অস্থির হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ ও মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করা হাজারো দূর-দূরান্তের যাত্রীরা

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত মানববন্ধন এর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন সংগঠন।

এসময় বক্তব্য দেন-সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল বাকের ভুঁইয়া, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, আ’লীগ নেতা আব্দুল মতিন, হারুন অর রশিদ, খায়রুল আজম জসিম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ জিলান, মো. ইউছুফসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী যানজট নিরসনে ৬টি প্রস্তাবনা সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সীতাকুণ্ড মডেল থানা, বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা ও প্রেস ক্লাব বরাবরে।


আরও খবর



ডিজিটাল মুদ্রা কীভাবে কাজ করে

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বাংলাদেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ডিজিটাল মুদ্রা চালুর বিষয়টি পরীক্ষা করার প্রস্তাব দিয়ে বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে এই মুদ্রা চালুর জন্য এর সম্ভাব্যতা যাচাই করবে সরকার। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো ভার্চুয়াল লেনদেনের অর্থ আদান-প্রদান সহজ করা এবং স্টার্ট-আপ ও ই-কমার্স ব্যবসাকে উৎসাহ দেওয়া। এসব কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালু নিয়ে একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হবে বলে বাজেট ভাষণে জানিয়েছেন তিনি।

ডিজিটাল মুদ্রা আসলে কী : বিশ্বে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিটকয়েন, লাইটকয়েন, এথেরিয়াম, রিপলের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশে এগুলো বৈধ নয়। ডিজিটাল এসব মুদ্রা লেনদেন হয় ভার্চুয়ালি অর্থাৎ টাকা বা কাগজের নোটের মতো এগুলো দৃশ্যমান নয়। তবে এখন যেসব ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে সেগুলোর কার্যত কোনো কর্তৃপক্ষ নেই এবং যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো সময় এর লেনদেন করতে পারেন। অর্থাৎ পুরো বিষয়টি হয় যেকোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যদিও কোনো কোনো দেশ এখন খতিয়ে দেখছে যে, ক্রিপ্টোকারেন্সিকে কীভাবে একটি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা যায়। ২০০৯ সালে প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে এসেছিল বিটকয়েন এবং এক পর্যায়ে এই বিটকয়েনের দাম ৬০ হাজার ডলারও ছাড়িয়েছিল। কিন্তু এর লেনদেন, বিনিময় হার এবং আইনগত ভিত্তি না থাকায় বড় বড় প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে এসব মুদ্রা নিয়ে।

এ কারণেই এখন আলোচনায় এসেছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করা যায় কি না।

ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিশেষজ্ঞ তহুরুল হাসান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজের নোট বা মুদ্রা সরবরাহ করে তা ভল্টে বা মার্কেটে মানুষের পকেটে থাকে এবং সেটি দেখা যায়। কিন্তু ডিজিটাল মুদ্রা এমন দৃশ্যমান হবে না। অনেকটা বিকাশ বা নগদে যেমন ডিজিটাল ওয়ালেটে টাকা থাকে ডিজিটাল মুদ্রাও তেমনি থাকবে। তবে নগদে বা বিকাশে যেমন ক্যাশ টাকাটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা এজেন্টকে দিয়ে আনাতে হয়- এখানে তা হবে না। এখানে শুরু থেকেই সব ডিজিটাল হবে।

অর্থাৎ হয়তো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০০ টাকা ইস্যু করবে। এর মধ্যে ৭০ টাকা কাগজের নোট আর বাকি ৩০ টাকা ডিজিটাল। এখন কেউ যেমন কাগজের নোট সংগ্রহ করে পকেটে রাখতে পারবে তেমনি ওই ৩০ টাকা থেকে ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে তার অ্যাকাউন্ট বা ডিজিটাল ওয়ালেটে রাখতে পারবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের শিক্ষক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার আপ-ডাউন করে কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করলে সেটি টাকার মতোই ব্যবহার হবে। তিনি বলেন, কাগজের নোটের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রার একটি অ্যাসেট ব্যাকআপ থাকবে। অর্থাৎ বাজারে আসা টাকার বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যেমন রিজার্ভ বা সোনা থাকে তেমনটি হবে ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেও।

লেনদেন কীভাবে করা যাবে : ডিজিটাল মুদ্রা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইস্যু করলেও এর জন্য একটি ইকো সিস্টেম দরকার হবে বলে মনে করেন তহুরুল হাসান। অর্থাৎ টাকার মতোই সব কাজে সব জায়গায় এই ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে পণ্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ থাকতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকার একজন মুদি দোকানিকেও সেটি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ এটা হবে কাগজের নোটের মতো সার্বজনীন। শুধু ব্যবহারটা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। সুবর্ণ বড়ুয়া অবশ্য বলেন, বাংলাদেশে বিকাশকে গ্রহণ করাতেই ১০ বছর লেগেছে। তাই ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রে দরকার হলে আরো সময় নিতে হবে।

কাগজের নোট কি থাকবে না : এখন মুদ্রা আছে তিন ফরম্যাটে- কাগজের মুদ্রা, ই-মানি (মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস), ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রা)। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিজেদের মুদ্রা ডিজিটাল ফরম্যাটে আনলে সেটি হবে বৈধ ডিজিটাল মুদ্রা।

যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল মুদ্রা কখনো চালু হলে তার আগে অনেক প্রশ্নের জবাব খুঁজতে হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু সেই ডিজিটাল মুদ্রা এলে কাগজের মুদ্রা থাকবে না- এমনটি কেউই মনে করছেন না। সুবর্ণা বড়ুয়া বলেন, দেশের সব মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই এবং যাদের নেই তারা কীভাবে ডিজিটাল মুদ্রা পাবেন? কাগজের মুদ্রা বিদায় হবে বলে মনে হয় না। বরং দুটিই সমান্তরালভাবে চলতে হতে পারে। যাতে করে মানুষ ডিজিটাল মুদ্রা নগদে রূপান্তর করতে পারে সেই সুযোগও থাকতে হবে। তহুরুল হাসানও জানান, কাগজের মুদ্রা সহজে বিদায় হবে না। বরং ডিজিটাল মুদ্রা করার আগে বাজার ও মানুষকে ব্যাপকভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যা খুবই সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

ঝুঁকি কোথায় : সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো ডিজিটাল মুদ্রা হ্যাক হলে মানুষ কী সেই অর্থ আর ফেরত পাবে কিংবা ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা চুরি হলে তার নিয়ন্ত্রণ কীভাবে হবে? বাংলাদেশে করোনাকালে সরকার উপবৃত্তির যে টাকা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে দিয়েছে সেই টাকা অনেক শিক্ষার্থীর অগোচরে অন্যরা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে। সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানভীর হাসান জোহা বলেন, ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ হবে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি।

ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহারের জন্য মানুষ ইন্টারনেটে যুক্ত হবে ও পাবলিক নেটওয়ার্কে থাকবে। কিন্তু সেখানে সাইবার নিরাপত্তা কতভাবে লঙ্ঘিত হতে পারে সেটি আগে যাচাই করে দেখতে হবে। অন্যদিকে ড. সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ডিজিটাল ওয়ালেট বা লেনদেনের বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে দেখভাল করাটাও চ্যালেঞ্জের বিষয় হবে এবং সবাইকে নিজের ওয়ালেট ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। এগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন থাকতে হবে। প্রসঙ্গত, বিকাশ বা নগদের পাসওয়ার্ড বা পিন গোপন না রাখার কারণেও অনেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

কোনো দেশে কি ডিজিটাল মুদ্রা চালু হয়েছে : ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে সম্প্রতি এক ওয়েবিনার উপস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানিয়েছেন যে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ বাহামা ও নাইজেরিয়া ডিজিটাল মুদ্রা চালু করেছে। অন্যদিকে চীন পাইলট প্রজেক্ট শেষ করে সব প্রস্তুত করলেও এখনো ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করেনি। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো কিছু দেশ ক্রিপ্টোকারেন্সিকে মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও অ্যাসেট হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশে কারেন্সি ও অ্যাসেট- কোনোভাবেই এটি বৈধ নয়।

তবে ঘানা ও জ্যামাইকা শিগগিরই ডিজিটাল মুদ্রা চালু করতে যাচ্ছে। সুইডেন পাইলট সম্পন্ন করেছে কিন্তু চালু করেনি। ক্যানাডা পাইলট করে এখনই চালু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা নতুন করে এ নিয়ে গবেষণা করবে বলে জানিয়েছে।

ডিজিটাল মুদ্রায় কী লাভ হবে : শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে টাকা ছাপানো ও নিয়মানুযায়ী নষ্ট বা ব্যবহার অযোগ্য টাকা ধ্বংস করতে গত বছরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। টাকা ছাপানোর পর বিতরণেও হয়ে থাকে বিপুল খরচ। ডিজিটাল মুদ্রা চালু হলে এসব খরচ বেঁচে যাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। এ ছাড়া সব ধরনের পেমেন্ট এবং যেকোনো লেনদেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে বলে সাধারণ মানুষেরও লেনদেনজনিত ব্যয় কমবে।



আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




এসএমই উদ্যোক্তারা চাহিদার ৩৩ ভাগ ঋণ পান

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রোকসানা মনোয়ার : চাহিদার মাত্র ৩৩ ভাগ ঋণ পান দেশের এসএমই উদ্যোক্তারা। আর বিতরণকৃত ঋণের মাত্র ১৯ ভাগ পান গ্রামীণ উদ্যোক্তারা। অথচ কোভিড-১৯-এ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। এসএমই ফাউন্ডেশন ও UNESCAP-এর যৌথ উদ্যোগে সোমবার (৬ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব তথ্য জানান।

‘এসএমই ফাইন্যান্স পুনর্বিবেচনা : একটি-সঙ্কট-পরবর্তী নীতি’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯-এর কারণে দেশের ৯৪ ভাগ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিক্রি কমে গেছে। ২১ ভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের ৩৭ ভাগ কর্মী কাজ হারিয়েছে এবং ৭০ ভাগ কর্মী চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ছিল। শতকরা ৮৩ ভাগ প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে পড়েছেন এবং ৩৩ ভাগ প্রতিষ্ঠান ঋণের কিস্তি শোধ করতে পারেনি। এজন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের পরিমাণ আরো বাড়ানো প্রয়োজন অথবা প্রণোদনা প্যাকেজ নতুন করে দেয়া না হলেও সহজ শর্তে তাদের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করা দরকার।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বিআইবিএম-এর সহযোগী অধ্যাপক মো. মোশাররফ হোসেন জানান, দেশের প্রায় ৮১ লাখ এসএমই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৮ লাখ বা ৭০ ভাগ শহর এলাকার বাইরে হলেও এসএমই ঋণের ৮১ ভাগই পান শহর এলাকার উদ্যোক্তারা। আর নারী-উদ্যোক্তারা পান মোট ঋণের মাত্র ৭ ভাগের মতো।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি (ডিজিটাল ফাইনান্সিং এবং ফিনটেক) ও ক্লাস্টারভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণের আওতায় আনার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও সুপারিশ গ্রহণের লক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে ইউনিসেফ বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ও কর্মকৌশল গ্রহণ করবে।

সেমিনারে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মো. জাকের হোসেন।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২