Logo
শিরোনাম

কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩ আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সার্বক্ষনিকভাবে কাজ করছে পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩ জন আসামীকে গ্রেফতার এবং ২২০ গ্রাম গাঁজাও উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) সকালে পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন থানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জিআর ওয়ারেন্ট মূলে ০৬ জন সদর উপজেলায় -২ জন,উলিপুর উপজেলায়-১ জন,ফুলবাড়ী উপজেলায়-২ জন রৌমারী উপজেলায়-১ জন ও সিআর ওয়ারেন্ট মূলে ৪ জন। 

এদিকে রাজারহাট উপজেলায়-১ জন,চিলমারী উপজেলায় -১ জন,রাজিবপুর-১ জন,কচাকাটা-১জন) জিআর/সিআর সাজা ওয়ারেন্ট মূলে ০২ জন (সদর থানা-জিআর-১ জন,সিআর-১জন,) নিয়মিত মামলায় ২০ জন (মাদক-২ জন,জুয়া-১৫,অন্যান্য-০৩) এবং ১৫১ ধারায় ০১ জনসহ সর্বমোট ৩৩ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়, এবং উলিপুর থানার মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ২২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম জানান, জেলা পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় মাদক, জুয়া, ওয়ারেন্টসহ বিভিন্ন অপরাধে ৩৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



ছোঁয়াচে ‘চোখ ওঠা’ রোগ ছড়াচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সারা দেশে হঠাৎ করেই কনজাংটিভাইটিস (চোখের প্রদাহ) রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। চোখ ওঠা নামে পরিচিত এই রোগে সব বয়সিরাই আক্রান্ত হচ্ছে। তবে শিশুদের বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অনেক অভিভাবক সংক্রমণ হওয়ার ভয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। সংক্রমিতরা বেশিরভাগই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে অনেকেই অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার হচ্ছে। এক পরিবারের একজনের হলে পর্যায়ক্রমে অন্যদের হচ্ছে। দেশের সর্বত্রই রোগটি ছড়িয়েছে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সংবাদদাতারা জানিয়েছেন। চোখ ওঠা রোগটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় কনজাঙ্কটিভিজি বা কনজাঙ্কটিভা বলে। ভাইরাসের কারণে রোগটি হয়ে থাকে। রোগটি হলে কারো কারো কোনো চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। আবার কারো চিকিৎসা লাগে। সাধারণত বছরের এ সময়টাতেই চোখ ওঠা রোগ হয়ে থাকে। এই রোগ হলে চোখ গোলাপি অথবা লাল হয়ে যায়।

আক্রান্ত হলে এক চোখে অথবা দুই চোখেই জ্বলতে পারে, সাথে চোখ লাল বা গোলাপি আকার ধারণ করতে পারে। জ্বালাপোড়ার সাথে চুলকানি হয়। খচখচে ভাব হতে পারে, মনে হতে পারে চোখে কাটা ফুটেছে। আবার চোখ থেকে পানি পড়ে, বারবার সাদা ময়লা আসা, কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীব্র ব্যথা হয়।


রোগটি এতই ছোঁয়াচে যে, চোখ ওঠা রোগীর সংস্পর্শে না এসে কাছাকাছি থাকলে এ চোখ ওঠে যেতে পারে। কারণ ভাইরাসটি বাতাসে ছড়াতে পারে। রোগীর ব্যবহার্য রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিসু অন্যরা ব্যবহার করলে তারা আক্রান্ত হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, কাছাকাছি না থাকলেও অন্যদের হয় আবার খুবই কাছাকাছি থাকার পরও চোখ ওঠে না। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কারো দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠলে (অ্যান্টিবডি হয়ে গেলে) কাছাকাছি থাকলেও হয় না। ভাইরাসের সংক্রমণে প্রদাহ হয়, চোখের মধ্যে থাকা খুবই সুক্ষ্ম রক্তনালী ফুলে যেতে পারে। রক্তনালীগুলো ফুলে যায় বলেই চোখের রঙ লাল হয়।

এমন রোগীর কাছাকাছি থাকলে একটু সাবধান থাকতে হয়। বারবার চোখে বা মুখে হাত না ছোঁয়ানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যাদের চোখ ওঠে তাদের চোখ খুব চুলকাতে পারে। চোখে হাত ছোঁয়াতে চাইলে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আক্রান্তদের চোখের পানি টিস্যু দিয়ে মুছে আবদ্ধ জায়গায় বা বাস্কেটে ফেলতে হবে। তা নাহলে রোগটি আশেপাশে যারা থাকবে তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। তা ছাড়া চোখ ওঠা রোগীর ব্যবহার্য সামগ্রী না ধুয়ে অন্যদের ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখ ওঠা সমস্যা এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে অবশ্যই চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ জানিয়েছেন, বর্তমানে যে ভাইরাসে চোখ ওঠা রোগটি হচ্ছে এই ভাইরাসটি চোখের কালো (কনজাঙ্কটিভা) অংশটিকে বেশি আক্রান্ত করে। তবে মাঝে মধ্যে চোখের কর্নিয়াকেও আক্রান্ত করতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে চোখের বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি মেশিনে চোখ পরীক্ষা করে কিছু ওষুধ দেবেন। বরং আমি বলব, মেশিনে পরীক্ষা করে চোখের চিকিৎসা করালেই যথাযথ চিকিৎসা হয়। চোখের ডাক্তার রোগীকে অ্যান্টি হিস্টাসিন দিতে পারেন। দিতে পারেন চোখের অ্যান্টিবায়োটিক। একই সাথে তিনি লো স্টেরয়েডও দিতে পারে।

চিকিৎসক নর্মাল স্যালাইন দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলতে পারেন। নরসল নামে চোখের ড্রপ পাওয়া যায় ওষুধের দোকানে। রোগটি কর্নিয়াকে আক্রান্ত করলে যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা করা দরকার। না হলে কর্নিয়াতে দাগ পড়ে যেতে পারে। ফলে রোগী পরে স্থায়ীভাবে ঝাপসা দেখতে পারেন। অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস আরো বলেন, চোখ ওঠার রোগীর চোখের পানি পাতলা টিস্যু দিয়ে মুছে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। চোখের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাস থাকে। এই পানিটি খুব সাবধানে মুছে টিস্যুই হোক বা অন্য কিছু হোক যত্রতত্র ফেলা যাবে না। অন্যরা এই পানির সংস্পর্শে এলে তাদেরও চোখ ওঠা রোগটি হয়ে যেতে পারে। প্রথমে একটি চোখে সমস্যা সৃষ্টি করলেও পরে আরেকটি চোখে সমস্যা হতে পারে। সাবধানে থাকলে, গরম সেঁক দেয়া হলে চোখে আরাম বোধ করবেন রোগী। এই রোগের সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা পরে নিলে রোগী আরাম বোধ করবেন। কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

 


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




রাজাকারদের তালিকা তৈরির নীতিমালা হচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রাজাকারদের তালিকা তৈরির আইন সংসদে পাশ হবার পর নীতিমালা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।

রবিবার দুপুরে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নীতিমালা তৈরি হবার পর তালিকা প্রস্তুত করার জন্য সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাহজাহান খানকে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তালিকা তৈরি করতে আরও এক মাসের মত সময় লাগবে। তিনি বলেন, আগে এর কোন ভিত্তি ছিলো না, কিন্তু এখন পাশ হবার পর এর নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। এসময় তার সাথে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ইটনায় ৩৬ টি মন্ডপে দুর্গোৎসব-থানা পুলিশের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জ ঃ

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় এবার ৩৬টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।মন্ডপগুলোতে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে থানা পুলিশ প্রশাসন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। 

২৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকালে দুর্গা পুজো উপলক্ষে ইটনা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলার প্রতিটি মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। 

ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মোল্লা'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার(অষ্টগ্রাম সার্কেল) সামুয়েল সাংমা। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ইটনা উপজেলা শাখার সভাপতি তাপস রায় এবং সাধারণ সম্পাদক কৌশিক দেব নাথ জয়। থানা পুলিশের মতবিনিময় সভা পরিচালনায় ছিলেন ইটনা থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আহসান হাবিব। 

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সম্পাদক বক্তব্য রাখেন এবং উনাদের দুর্গা পুজোর উৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি রাখেন। পূজা মণ্ডপে উচ্চ শব্দে ডিজে গান বাজানোর নিষেধ করেন পূজা উদযাপন পরিষদ ইটনা উপজেলা শাখার সভাপতি তাপস রায় 

সহকারী পুলিশ সুপার(অষ্টগ্রাম সার্কেল) সামুয়েল সাংমা বলেন, এবার শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সব সময় তৎপর থাকবে। মন্ডপ এলাকায় কোন ক্রমেই কোন রকম নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া উচ্চশব্দে গান বাজানোর ক্ষেত্রে সহনশীল হতে হবে। প্রতিটি মন্ডপে আনসার ও ভিডিপির নারী-পুরুষ সদস্যরা পাহারায় থাকবে। তিনি মন্ডপ গুলোর আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।


আরও খবর



রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

লন্ডনে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় সোমবার ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যানুষ্ঠান শুরুর আগে সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে দিনের প্রথম শোকযাত্রা শুরু হয়। রানির কফিন নিয়ে ওয়েস্টমিনস্টার হল থেকে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে যাত্রা করেন স্টেট গান ক্যারেজের নাবিকরা। তাদের পেছনে ছিলেন রাজা চার্লস এবং রাজপরিবারের অন্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরা।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটেনে এ ধরনের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য সবশেষ হয়েছিল ৬০ বছর আগে উইনস্টন চার্চিলের ক্ষেত্রে। বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে জানানো হয়েছে, শেষকৃত্যের পরিকল্পনায় রানি ব্যক্তিগতভাবে কিছু সংযোজন করেছিলেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টার দিকে অতিথিদের জন্য ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এরপর সাড়ে ১০টার দিকে ওয়েস্টমিনস্টার হল থেকে রানির মরদেহ নেওয়া হয় ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে। রয়্যাল নেভির গাড়িবহরে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার কর্মসূচিতে অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে ধর্মীয় বাণী পাঠ করেন আর্চ বিশপ জাস্টিন ওয়েলবি। সদ্য নিযুক্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসও বাণী পাঠ করেন। এরপর শেষ পোস্ট বিউগল বাজানো হবে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে। এরপর পুরো দেশজুড়ে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে অ্যাবে থেকে হাইড পার্কে ওয়েলিংটন আর্কে রানির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয় সময় বিকাল ৩টার দিকে রানির মরদেহ উইন্ডসর ক্যাসলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় রানির কফিনের পেছনে সাধারণ মানুষ অংশ নেন। এতে রাজপরিবারের সদস্যরাও যোগ দেন। ক্যাসল থেকে রানিকে নেওয়া হয় সেন্ট জর্জ চ্যাপেলে। সন্ধ্যায় রানির স্বামী ডিউক অব এডিনবার্গের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

এর আগে দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্য উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে ব্রিটিশ রাজপরিবারের দেওয়া অভ্যর্থনায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানাও ছিলেন এ সময়।

রাজা চালস ও কুইন কনসোর্ট ক্যামিলা পার্কার সদ্য প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও রাজাদের সম্মানে এ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

এদিকে, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো লন্ডন। শেষকৃত্যে অংশ নিতে দেশটিতে বিশ্ব নেতাদের অবস্থান আর স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি জনসমাগমে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি 

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহানার সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সোমবার লন্ডনে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরুর ঠিক আগে তাদের সাক্ষাৎ হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে যোগদান শেষে সোমবার রাতেই লন্ডন ত্যাগ করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে তিনি নিউইয়র্কের পথে ইংল্যান্ডের রাজধানী ত্যাগ করেন। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর সরকারি সফরে লন্ডনে (যুক্তরাজ্য) পৌঁছান শেখ হাসিনা।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ মূল্যহীন -মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মুন্সি মোঃ আল ইমরান ঃ

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ মূল্যহীন। যে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নেই তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে বলে মনে হয় না। আইনে আছে, নির্বাচনের সময় দেশের নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধিনে কাজ করবে। কিন্তু নির্বাহী বিভাগ যদি নির্বাচন কমিশনের কথা না শোনে তাহলে কী হবে তা বলা নেই। তাই নির্বাচন কমিশনের কথা নির্বাহী বিভাগ মানতে বাধ্য নয়। তিনি বলেন, আমরা চেয়েছিলাম নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দিয়ে আইন করা হোক। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে যেন কমিশন সাথে সাথে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনই ক্ষমতা চায় না। 

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় ভূমিহীন আন্দোলন সুরক্ষা পার্টি নামে জাতীয় পার্টির একটি সহযোগি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন। 

এসময় তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশন স্ববিরোধী কথা বলছে। তারা বলছে, কাউকে হাতে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনা নাকি তাদের কাজ নয়। তাহলে এতগুলো রাজনৈতিক দলের সাথে এত আলোচনা করলেন কেন? আবার তারা বলেছেন, সবাই চাইলে নাকি ব্যালটে নির্বাচন হবে। শাসক দল তো ইভিএম চায়, তাহলে কী বেশিরভাগ দলের মতামত উপেক্ষা করে ইভিএম-এ নির্বাচন করবে কমিশন?  

এসময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু আরো বলেন, ১৫০ আসনে ইভিএম-এ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন আরো ২ লাখ ইভিএম কিনতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  এছাড়া ইভিএম সংরক্ষণ ও রক্ষনাবেক্ষণের জন্য দেশের ১০টি অঞ্চলে ১০টি ওয়্যার হাউস নির্মাণ করবে তারা। এজন্য প্রায় ৯ জাহার কোটি টাকার একটি বাজেটও তৈরী করেছে নির্বাচন কমিশন। দেশের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত অগ্রহনযোগ্য। তিনি বলেন, ইভিএম হচ্ছে ভোটের রেজাল্ট কারচুপির সিস্টেম। ১৫০ আসনে ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত উচ্চাভিলাষী। দেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনের সাথে আলোচনায় ইভিএম এর বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। শুধু সরকার ও তাদের কয়েকটি মিত্র রাজনৈতিক দল ইভিএম-এ নির্বাচন চেয়েছে। এমন বাস্তবতায় নির্বাচন কমিশন বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলের মতামত উপেক্ষা করে ইভিএম-এ নির্বাচন করতে চাচ্ছে। এই মেশিনে ভোট কারচুপি করলে, তার কোন প্রমাণ থাকে না। আবার প্রমাণের অভাবে সংক্ষুব্ধ হয়ে কেউ আইনের সহায়তা নিতে পারবে না। আমরা এখনো ইভিএম-এ নির্বাচন চাই না। 

এসময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু আরো বলেন, দেশ মারাত্মক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ৫১ শতাংশের বেশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণে পরিবহণ ব্যায় বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। মানুষ বাজারে যেতে ভয় পাচ্ছে। অভাব-অনটনে শিশুখাদ্য কিনতে পারছে না। অসুস্থ্য মানুষের চিকিৎসা হচ্ছে না অর্থাভাবে। ডলারের দাম বাড়ার কারনে জ্বালানি তেল কিনতে পারছে না সরকার। এ কারণে লোড শেডিংয়ে অসহনীয় অবস্থা। মানুষ জীবন চালাতে হিমশিম অবস্থা। তিনি বলেন, যখন মানুষ অর্থনৈতিক কষ্টে জীবন চালাতে পারছে না তখন কার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে ইভিএম কিনতে চাচ্ছে। যদি রাজনৈতিক দলের মতামতের গুরুত্ব নাই দেয়া হয় তাহলে কেন তাদের সাথে দফায়-দফায় আলোচনা করা হলো। দেশের মানুষ জানতে চায়, কার স্বার্থে ইভিএম-এ নির্বাচন করতে চাচ্ছে? নির্বাচন কমিশন কার অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে কাজ করছে? যারা মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে দেশের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। জনতার আদালতে ভোটাধিকার হরণকারীদের বিচার একদিন হবেই ?



আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২