Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

লাগামহীন সবজির বাজার

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

ভরা মৌসুমে বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকার পরেও ফের লাগামহীন সবজির দাম। ৬০ টাকার নিচে তেমন কোনো সবজি নেই বললেই চলে। মৌসুম শুরু হলেও কিছুতেই কমছে না আলুর দাম। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে মুরগি ও পেঁয়াজের দাম।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, গোল বেগুন ৮০-৯০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ পিস, বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকা, শিম ৮০-১০০ টাকা, টমেটো ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৭০-৮০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৭০-১০০ টাকা, শসা ৫০-৬০, মূলা ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে কিছুটা কমে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে সরিষা শাক আঁটি ১৫ টাকা, ডাটা শাক ১৫ টাকা, মূলার শাক ১৫ টাকা, লাউ শাক ৪০-৫০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে প্রচুর নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ প্রচুর থাকলেও কমছে না দাম। ভরা মৌসুমেও হলেন্ডের আলু ৫০-৫৫ টাকা, দেশি আলু ৭০-৮০ টাকা, পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকা, রসুন ২৬০-২৮০ টাকা, আদা ২০০-২২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে অস্বস্তি রয়েই গেছে মাছ-মাংসের বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লা মুরগির দাম ১০ টাকা কমলেও বিক্রি হচ্ছে ১৯০-১৯৫ টাকা কেজি। সোনালি ৩০০-৩৩০ টাকা। আবারও গরুর মাংস ৭০০-৭৫০ টাকায় দাম উঠেছে।

মাছের বাজারে তেলাপিয়া ২০০-২২০ ও পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এছাড়াও ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। মাছ যত বড় তার দাম ততো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

 


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হারভেস্টার মেশিন নিয়ে অনিয়ম,কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সরকারের বরাদ্দকৃত হারভেস্টার মেশিন নিয়ে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়ার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার সকালে শহরের দৈনিক সুনামকণ্ঠের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগি কৃষক বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের রফিক মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কৃষক রফিক মিয়ার ভাতিজা শরিফ আহমদ বলেন, আমাদের পরিবার আর্থিকভাবে তেমন স্বাবলম্বী না হওয়ায় ২০২১-২২ অর্থবছরে আমি সরকারের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিযান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ৭০% ভতুর্কী মূল্যে বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসে একটি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনের জন্য আবেদন করি। আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণে রফিক মিয়ার নামে একটি হারভেস্টার মেশিন অনুমোদন হয়, এরই প্রেক্ষিতে কৃষি অফিস কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হলেও পরবর্তীতে জানতে পারি বরাদ্দকৃত কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনটি বাতিল করা হয়েছে। পরবর্র্তীতে এ বিষয়টি নিয়ে আমি বা আমার পরিবার কোন কথা না বললেও গেল বছরের ২৬ ও ২৮ নভেম্বর রফিক ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ০১৭১২-৭৪০৫৮৮ এই থেকে একটি ফোন আসে, যেটি রিসিভ করেন রফিক মিয়ার স্ত্রী, এসময় ফোনের ওপাশে থাকা ব্যক্তি আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনটি বর্তমানে কি অবস্থায় আছে এবং কোথায় আছে সেটি জানতে চান।

তিনি আরও জনান, এসময় রফিক মিয়ার স্ত্রী ফোনের ওপাশে থাকা ব্যক্তিটিকে আমাদের নামে কোন হারভেস্টার মেশিন পাইনি জানালে তিনি আমাদের জানান ২০২১-২২ অর্থ বছরে আমার নামে কৃষিযান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ৭০% ভতুর্কী মূল্যে একটি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন প্রদান করা হয়েছে এবং এটি নাকি আমরা গ্রহণ করেছি বলেও জানানো হয়। এই খবর শোনার পর বিষয়টি নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়ার কাছে গেলে তিনি এটির কোন উত্তরই দিতে পারেননি এবং ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান কৃষি অফিস থেকেই আমার নামে একটি মেশিন বিক্রি দেখানো হয়েছে বলে জানান।  পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তের জন্য ইউএনও বরাবর আমরা অভিযোগ করি এবং ইউএনও এটি তদন্তের জন্য জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পাাঠালে এটির কি তদন্ত হয় আমরা জানতে পারেনি। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেয়া অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য লোভ দেখান কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া। এতে সফল না হয়ে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে একটি লেখাযুক্ত কাগজে স্বাক্ষর নেয়ার চেষ্টা করেন এবং কৃষক রফিক মিয়াকে প্রাণ নাশেরও হুমকি দেন। তাছাড়া রফিক মিয়ার শ্যালক শফিউল আলম আমার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তদবির করলে তাকেও বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে যাচ্ছেন উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া ও প্রভাবশালী একটি মহল। এছাড়া গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলা কৃষি অফিসে নিয়ে গিয়ে আমাদের একটি পুরোনো হারভেস্টার মেশিন দেখিয়ে বলেন এটি নাকি আমাদের কিন্তু ওই ভাঙা পুরোনো মেশনটি আমরা গ্রহন করিনি।  

এ ব্যাপারে রফিক মিয়ার শ্যালক শফিউল আলম বলেন, আমি আমার দুলাভাইয়ের মেশিনটির বিষয় জানতে উপজেলা কৃষি অফিসারের কাছে গেলে তিনি প্রথমে জানান এটি বাতিল হয়ে গেছে পরে জানতে পারি এটি নাকি আমার দুলাভাইয়ের নামেই এসেছিলো তবে কৃষি অফিসার এটি আমাদের হস্তান্তর করেননি। আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া বলেন, আমার উপর আনা অভিযোগগুলো মিথ্যে, রফিক মিয়ার নামে বরাদ্দকৃত হারভেস্টার মেশিনটি উপজেলায় অফিসেই আছে তারা এটি নিচ্ছেন না এছাড়া এর বেশি কিছু আমি আপনাদের বলতে পারব না।  

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম বলেন, আমি ছুটিতে আছি, ছুটি থেকে এসে সবকিছুর সমাধাণ করে দিব।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গজারিয়ায় নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযানে ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গজারিয়া প্রতিনিধি: 

গজারিয়ায় মেঘনা নদীর সীমানাবর্তী ফুলদী নদীর চর সাহেবানী, মাথাভাঙ্গা, রসুলপুর এবং ইমামপুর মৌজার এলাকা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীর তীরে রসুলপুর  এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ১টি কমার্শিয়াল বিল্ডিং ভাড়ায় চালিত দোতলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর অফিস সহ প্রায় ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

গত (৭ ফেব্রুয়ারী) বুধবার সকালে ১০ টা থেকে  বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় অভিযান শেষ হয়। অভিযানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র মেঘনাঘাট নদীবন্দরের উপ-পরিচালক শরীফুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

রসুলপুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু"র একটি কমার্শিয়াল বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হয়। 

এসময় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু বিআইডব্লিউটিএ’র কর্তৃপক্ষ সিএস রেকর্ড এবং যৌথ জরিপে তারা তাদের অভিযান পরিচালনা করছে তাই আমি নিজে কর্তৃপক্ষ কে অভিযান কাজে সহায়তা করছি।

রসুলপুর বাজারে নিজ দায়িত্বে ছোট ছোট অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাম্মৎ তাসলিমা আক্তার বলেন, আমরা শুধু মেঘনা নদী নয় সমস্ত নদীর চারপাশে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো উচ্ছেদ করছি। আজকে আমাদের অভিযান সকাল থেকে এই পর্যন্ত প্রায় বিশ টির অধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এবং বিকাল পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে আগামী সপ্তাহে আমরা এখানে আসব আর প্রতিদিনই আমাদের কোথাও না কোথাও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে থাকি।  

তিনি আরো বলেন পৈত্রিক সম্পত্তি হলে তাদের রেকর্ডের নাম থাকতো। আমরা এখানে সিএস রেকর্ড অনুযায়ী যৌথ জরিপের মাধ্যমে আমাদের নদীর সেই সীমানার পিলার অনেক আগেই এখানে স্থাপনা করে গিয়েছি।  এবং একাধিক বার তাদেরকে বলা হয়েছে এখানে অবৈধ স্থাপনা তৈরি না করার জন্য। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি দখলদাররা আইন অমান্য করে এই কাজটা করে থাকে। এখানেও বলা হয়েছে যার কারণে নিজ উদ্যোগে কিছু কিছু দোকানপাট তারা সরিয়ে নিয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের অভিযান সিএস রেকর্ড অনুযায়ী হচ্ছে সিএস রেকর্ড এর উপরে আর কোন রেকর্ড নেই। সিএস রেকর্ডে সবসময় লেখা আছে এটা নদীর জমি। 

তিনি আরো বলেন রাজনৈতিক ছত্রছায়া বলতে আমরা সবসময় অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকি তিনি যত শক্তিশালী হোক না কেন আমাদের অভিযান চলবে এবং অব্যাহত থাকবে। এবং আমি মনে করি প্রত্যেকের উচিত এগিয়ে আসা সরকারি কাজে সাহায্য করতে। তবেই আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই নদীর যে প্রবাহমান গতির দ্বারা সেটা অব্যাহত রাখা।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আফগানিস্তানে ভূমিধসে নিহত ২৫

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ভারী তুষারপাতের কারণে আফগানিস্তানে ভূমিধসের ঘটনায় ২৫ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও আটজন। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে ভূমিধস আঘাত হেনেছে বলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান সায়েক বলেন, ভূমিধসের কারণে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আটজন আহত হয়েছে।

সায়েক আরও জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পাকিস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত নুরিস্তান প্রদেশের বেশিরভাগই পাহাড়ী বন দ্বারা আচ্ছাদিত। এটি হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। প্রাদেশিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরফের কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

প্রদেশের গণপূর্ত বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ নবী আদেল বলেন, মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টির কারণে নুরিস্তান শহরে হেলিকপ্টারও অবতরণ করতে পারছে না। তিনি বলেন, প্রদেশের প্রধান সড়কটি বরফের কারণে ঢাকা পড়েছে। ফলে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রধান জামিউল্লাহ হাশিমি এএফপিকে বলেন, প্রায় ২০টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনও তুষারপাত হচ্ছে। এর মধ্যেই উদ্ধারকাজ চলছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে আফগানিস্তানের বেশির ভাগ এলাকাতেই চলতি বছর তুষারপাত দেরিতে শুরু হয়েছে।

জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি এখন আফগানিস্তান। ইতোমধ্যেই টানা তিন বছর ধরে দেশটি খরার কারণে প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর নুরিস্তান প্রদেশে তুলনামূলক কম তুষারপাত হয়েছে। মোহাম্মদ নবী আদেল বলেন, চলতি বছর আগের বছরগুলোর মতো তুষারপাত হয়নি এবং এটা বেশিদিন স্থায়ীও হচ্ছে না।

কয়েক দশক ধরে চলা যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশে পরিণত হয়েছে আফগানিস্তান। দুর্যোগ প্রবণ আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।


আরও খবর



শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং ঈমানি জিন্দিগি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।

রবিবার আখেরি মোনাজাতে সমবেত লাখ মুসল্লির কণ্ঠে ইয়া আল্লাহ আর আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয় টঙ্গীর তুরাগতীরসহ আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা।

ঢাকার কাকরাইল মসজিদের খতিব মাওলানা যোবায়ের সকাল ৯টার দিকে আখেরি মোনাজাত শুরু করেন। ২৩ মিনিটের আখেরি মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও নিজ নিজ গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে হেফাজতের আশায় দুই হাত তুলে অনুনয়-বিনয় করে মহান আল্লাহর দরবারে রহমত প্রার্থনা করেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বয়সের লাখ লাখ মানুষ।

আখেরি মোনাজাতে মাওলানা যোবায়ের কান্নায় ভেঙে পড়েন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, হে আল্লাহ, আপনি এ উম্মতকে রক্ষা করুন। আমাদের ইমানকে শক্ত করুন। আপনি আমাদের মাফ করে দিন। কোটি কোটি টাকা যেন আমাদের ইমানকে কেড়ে নিতে না পারে, আমাদের ইমানকে যেন নষ্ট করতে না পারে, আপনি আমাদের সবাইকে সেই তৌফিক দান করুন।

এদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি এই ইজতেমা ময়দানে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব । একইভাবে ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেমে নেই জান্তা সরকার। রাখাইনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী ও আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এই জান্তা সরকার। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

মিয়ানমার বর্তমানে নজিরবিহীন জাতিগত বৈষম্য ও নিপীড়নে জর্জরিত। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের তিন বছরের মাথায় সম্প্রতি দেশটির জান্তা সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সশস্ত্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে দিশেহারা জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহী জোটের অন্যতম সদস্য আরাকান আর্মি (এএ) এই মুর্হূর্তে রাখাইন রাজ্যের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই অব্যাহত রেখেছে।

এই রাজ্যে আরাকান আর্মির কাছে বিপর্যয়কর পরাজয়ের শিকার হয়েছে জান্তা সেনারা। বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছে না তারা। আর এই কারণেই তারা জাতিগত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। মিয়ানমারের পুরানো রাজধানী শহর ইয়াঙ্গুন ও অন্যতম বড় শহর মান্দালয়সহ একাধিক শহরে জাতিগত রোহিঙ্গাবিরোধী পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। এসব পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে জাতিগত রোহিঙ্গাদের বয়কটের আহ্বান জানানো হচ্ছে। রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোঁরায় না যেতে বলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এইসব শহরে যেসব জাতিগত রোহিঙ্গা বসবাস করেন তাদেরকে তাদের নিজ রাজ্য রাখাইনে ফিরে যেতে বলা হচ্ছে।

স্থানীয় অধিবাসীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ের মতো শহরগুলোতে জাতিগত রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকান ও রেস্তোঁরার সাইনবোর্ডে বা রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার দেখা যায়। ইয়াঙ্গুনে একটি ল্যাম্পপোস্টে লাগানো একটি পোস্টারে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী আরাকান আর্মিকে (এএ) নিন্দা জানাতে রাখাইনের রোহিঙ্গা মালিকানাধীন যেকোনো ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন।

বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ মিয়ানমার। দেশটিতে কমবেশি ১৩৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বা জাতির বসবাস। এরমধ্যে প্রধান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বামার। অন্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান, কারেন, মন, ওয়া ও রাখাইন বা রোহিঙ্গা উল্লেখযোগ্য। বামাররা বার্মান বা বর্মী নামেও পরিচিত।

আদমশুমারিতে বর্মীদের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ৬৮ শতাংশ বলে দেখানো হয়। অন্যান্য জনগোষ্ঠী আরও ৩২ ভাগ। শাসকদল আর সেনাবাহিনীতেও বর্মীদের সংখ্যা ও প্রভাব সবচেয়ে বেশি। সেই প্রভাব ধরে রাখার লক্ষ্যেই অন্যান্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন ও নিধন চালানো হয়। আর এ দমনপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো থেকেই শুরু জাতিগত সংঘাত।

অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে প্রায়ই জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর কৌশল বেছে নেয় সংখ্যাগুরু শাসকগোষ্ঠী। মিয়ানমারে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কমায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিগত বিদ্বেষ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। যার প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংঘটিত হয় এবং ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। দেশটিতে জাতিগত বিদ্বেষকে রীতিমতো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়েছে। শুধু সেনাশাসকরাই নয়, বেসামরিক গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও জাতিগত বিদ্বেষ সব মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। যা বিভিন্ন সময় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে ভয়াবহ উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকে বর্ণবাদী ও জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এর জন্য গণতন্ত্রকামী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সুচিকেও দায়ী করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সু চির সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করে রাষ্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ভয়াবহ বলপ্রয়োগ ও দমন-নিপীড়নের ঘটনায় হাতে অস্ত্র তুলে নেন গণতন্ত্রকামীরা। গড়ে তোলেন সশস্ত্র প্রতিরোধ।


আরও খবর

সোমবারের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪