Logo
শিরোনাম

লালমনিরহাটে ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় পুড়ে গেছে কৃষকের ধানের ফসল

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলা কুলাঘাট ইউনিয়ন এর নিয়ম বহির্ভূতভাবে গড়ে তোলার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ভরে গেছে কৃষকের আবাদি ধানের ফসল। কি খেয়ে বাঁচবে কৃষকরা এমন সংখ্যা তাদের। সরেজমিনে জানা গেছে লালমনির সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়ন এর একই স্থানে পৃথক তিনটি ভাটা ও পাশে পৌরসভার সীমানায় আরো দুইটি ইটভাটা থাকায় মানিকচক ঘাট এলাকার প্রায় তিন শতাধিক কৃষকের ধানের ফসল বিষাক্ত ধোঁয়ায় উড়ে গেছে। এছাড়া মোগলহাটের জুরান পাড়া এলাকায় পৃথক দু'টি ইটভাটায় দুই শতাধিক কৃষকের প্রায় ৬০০ একর আবাদি ধানের ফসল পুড়ে গেছে। কৃষকরা প্রথমেই ধান বীজ ও কৃষি কর্মকর্তাদের ওপর দোষারোপ করলেও পরবর্তীতে জানা যায় এটি স্থানে অন্য কোনো রোগ নয়। ধানের যে কারণে ক্ষতি হয়েছে তা হলো ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়া। এমনটি জানিয়েছেন লালমনিরহাট এর কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা গণ।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ভাটা এলাকায় কৃষকরা সংশ্লিষ্ট ভাটা মালিকদের নিকট চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উপস্থিতিতে তাদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। সেই সাথে আটা বন্ধেরও দাবি তোলেন তারা।

এ বিষয়ে মোগলহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান ঢাকা মালিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে যাতে করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেন তারা।

কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী জানান কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া দরকার মালিকদের।

জেলায় প্রায় ৩৭ টি ইটভাটা রয়েছে যার মধ্যে পাঁচটি অনুমোদিত বাকি সব আবেদিত বলে জানা গেছে জেলা প্রশাসন সূত্রে। যত্রতত্র ইটভাটা ও কিছুসংখ্যক অসাধু জমির মালিকরা ইটভাটায় মাটি বিক্রি করুন যেমন নিচু হয়ে যাচ্ছে তাদের আবাদি জমি তেমনই বিনষ্ট হচ্ছে আমাদের ফসল । ছোট্ট এই জেলায় এত বেশি এটা হয়েছে তা সচেতন মহলের উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এমনটাই জানিয়েছেন একাধিক সচেতন মহল ব্যক্তিবর্গ।


আরও খবর



হাওরে নৌ ও স্পীডবোট দুর্ঘটনা রোধকল্পে ইটনা থানার ওসির প্রশংসনীয় উদ্যোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জ থেকে ঃ 

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’—এ মহাসত্য বাণীকে প্রমাণ করার জন্য আমরা দুনিয়ার সমস্ত সৌন্দর্য উপভোগ করতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াই। খোঁজার চেষ্টা করি প্রকৃতি কোথায় তার অপরূপ ঢেলে দিয়েছে প্রকৃতিপ্রেমিকদের আকর্ষণ করার জন্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পাহাড়, হাওর, বাঁওড়, ধানখেত, নদীবেষ্টিত প্রিয় মাতৃভূমির লোকায়িত রূপ অধরাই থেকে যায় বহু ভ্রমণপিপাসুর কাছে। 

বাংলাদেশে অসংখ্য পর্যটন এলাকা রয়েছে, যার মধ্যে কিশোরগঞ্জের হাওরগুলো প্রকৃতির অশেষ দান। দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি যেকোনো প্রকৃতিপ্রেমীর মনে আনন্দের ঢেউ তুলবে। প্রকৃতির এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে ঢাকা থেকে শত শত মানুষ আসে কিশোরগঞ্জ হাওরে। 

কিশোরগঞ্জের ইটনা,অষ্টগ্রাম,মিঠামইন হাওরে চলাচলের এক মাত্র বাহন ছোট ছোট নৌকা আর স্পীডবোট। উত্তাল হাওরে নৌকা বা স্পীডবোট ঝড়ের কবলে পরে মাঝে মধ্যেই ঘটে দূর্ঘটনা। 

হাওরের নৌকা, স্পীডবোট দূর্ঘটনা রোধকল্পে প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মোল্লা। গত ১৬ জুন বেলা ১২.৪৫ ঘটিকায় নৌ ও স্পীডবোট দূর্ঘটনা রোধকল্পে উপস্থিত যাত্রী সাধারন, ট্রলারের মাঝি, ট্রলারের হেল্পার, স্পীডবোট ড্রাইভারদের নিয়ে ইটনা থানাধীন ইটনা পুরাতন বাজার ট্রলারঘাটে জনসচেতনমূলক সভা করেন। উক্ত সভায় তিনি হাওরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু বিষয়ের উপর বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, ১)আগামী ০৭ দিনের মধ্যে সকল ট্রলার, স্পীডবোট এ নূন্যতম ১০টি করে লাইফ জেকেট থাকতে হবে। ২) অতিরিক্ত যাত্রী  নিয়া ট্রলার ও স্পীডবোট যাতায়াত করবে না। ৩) দূর্যোগপূর্ণ আবওহাওয়া ক্ষেত্রে আবওহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোন ট্রলার ও স্পীডবোট ঘাট হইতে ছেড়ে যাবে না। ৪) ট্রলার ও স্পীডবোট মালিকগণ তাহাদের নৌযানের জন্য বিআইডব্লিউটি হইতে লাইসেন্স সংগ্রহ করবেন। 

ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জের জনসচেতনামূলক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন সাধারণ জনগণ। তারা বলছে, হাওরের জন্য এই সতর্কবার্তা গুলো প্রয়োজন ছিল।


আরও খবর



হবিগঞ্জে ধীর গতিতে হাওর থেকে নামছে বন্যার পানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ঃ

গত দুই তিন দিন যাবত হবিগঞ্জে ধীর গতিতে হাওর থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। বন্যার পানি নামায় হাওর বাসির মধ্যে স্বস্থি আসলেও কমেনি দূর্ভোগ। ধীরে ধীরে পানি নামায় এখও বেশিরভাগ মানুষের ঘর-বাড়ি রয়েছে পানির নিচে। ফলে আরো বেশ কিছুদিন আশ্রয় কেন্দ্রেই থাকতে হচ্ছে বানবাসিদের। যদিও হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে ত্রাণ সহযোগীতাসহ চিকিৎসা সেবা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, হাওরে পলি জমার কারণে পানি নামতে আরো সময় লাগবে। 

জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্যমতে, এবারের বন্যায় হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, লাখাই, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ সদর, মাধবপুর ও বাহুবল উপজেলার ৫১টি ইউনিয়ন বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। আর এতে করে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে ৫ শতাধিক গ্রাম। দূর্ভোগে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। বন্যার্তদের আশ্রয়ের জন্য খোলা হয়েছে ৩৫০টি আশ্রয় কেন্দ্র। আর সেইসব আশ্রয় কেন্দ্রে স্থান নিয়েছে প্রায় ২৪ হাজারেরও অধিক পরিবার। 

জেলা প্রশাসক জানান,দুর্গতদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১৫ লাখ টাকা, ৪১৫ মেট্রিক টন চাল ও ৩ হাজার ৪০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে। চিকিৎসা সেবার জন্য কাজ করছে ৩০টি মেডিক্যাল টিম।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মিনহাজ আহমেদ শোভন বলেন, বন্যার পানি ধীর গতিতে হাওর থেকে নামতে শুরু করেছে। খোয়াই নদীর পানি কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। তবে এখনও কালনি-কুশিয়ারা নদীর পানি স্থীর রয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টিপাত না হলে বন্যা পরিস্থিতির আর অবনতি হবে না। বানের পানিতে হাওরে প্রচুর পরিমান পলি জমেছে। তাই পানি ধীর গতিতে নামছে। 


আরও খবর



টানা পাঁচ বছর একই অবস্থান

৮০০-তে নেই ঢাবি-বুয়েট

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

টানা পঞ্চমবার কিউএস র‌্যাংকিংয়ে ৮০১ থেকে ১০০০তম অবস্থানে রয়েছে দেশসেরা এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া গতবারের মতো এবারও কিউএস র‌্যাংকিংয়ে ১০০১ থেকে ১২০০তম স্থান অর্জন করেছে বেসরকারি ব্র্যাক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) বিশ্বসেরা ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায়ও স্থান হয়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)। 

বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান কিউএস গত বুধবার তাদের ওয়েবসাইটে এই র‌্যাংকিংয়ের তথ্য প্রকাশ করেছে। ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংস ২০২৩ : টপ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস’ শীর্ষক এই র‌্যাংকিংয়ে সেরা ৫০০-এর পরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয় না। এ কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের অবস্থান সুনির্দিষ্টভাবে কত নম্বরে, তা উল্লেখ করেনি কিউএস। এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮০১ থেকে ১০০০তম এর অর্থ হচ্ছে তারা র‌্যাংকিংয়ের সেরা ১০০০-এর শেষ ২০০-তে অবস্থান করছে।

২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশনের সঙ্গে যৌথভাবে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং প্রকাশ করলেও ২০১০ সালে আলাদা হয়ে যায় কিউএস। এরপর থেকে এককভাবেই র‌্যাংকিং প্রকাশ করে আসছে তারা। কিউএসের প্রকাশিত সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাকে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য র‌্যাংকিংগুলোর একটি মনে করা হয়। এই র‌্যাংকিংয়ে এখন আটটি সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক মান নিরূপণ করা হয়। প্রতিটি সূচকে ১০০ করে স্কোর থাকে। সব সূচকের যোগফলের গড়ের ভিত্তিতে সামগ্রিক স্কোর নির্ধারিত হয়।

কিউএস র‌্যাংকিংয়ের সূচকগুলো হলো একাডেমিক খ্যাতি (একাডেমিক রেপুটেশন), চাকরির বাজারে সুনাম (অ্যামপ্লয়ার রেপুটেশন), শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত (ফ্যাকাল্টি-স্টুডেন্ট রেশিও), শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতি (সাইটেশনস পার ফ্যাকাল্টি), আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত (ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি রেশিও), আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাত (ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট রেশিও), আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক (ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ নেটওয়ার্ক) ও কর্মসংস্থান (অ্যাম্পøয়মেন্ট আউটকামস)।

২০২৩ সালের জন্য সদ্য প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক খ্যাতিতে ১৯ দশমিক ৪০, চাকরির বাজারে সুনামে ৩৪ দশমিক ২০, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ১২ দশমিক ৯০, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতিতে ২ দশমিক ৪০, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে ১ দশমিক ৮০, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতে ১ দশমিক ১০, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে ২৭ দশমিক ৬০ আর কর্মসংস্থানে ৫৬ দশমিক ৩০ স্কোর পেয়েছে। অন্যদিকে বুয়েট একাডেমিক খ্যাতিতে ১৪ দশমিক ১০, চাকরির বাজারে সুনামে ২৫ দশমিক ২০, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ২১ দশমিক ৭০, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতিতে ৯ দশমিক ৫০, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতে ১ দশমিক ১, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে ১১ দশমিক ৭০ আর কর্মসংস্থানে ৪৬ দশমিক ৮০ স্কোর পেয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে বুয়েটের কোনো স্কোর উল্লেখ করা হয়নি।

বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক খ্যাতিতে ৯ দশমিক ১০, চাকরির বাজারে সুনামে ২০ দশমিক ৩০, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ১৬ দশমিক ৯০, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতিতে ১ দশমিক ৭০, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে ২ দশমিক ৮০, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতে ২, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে ১৩ দশমিক ১০ আর কর্মসংস্থানে ২৪ দশমিক ৫০ স্কোর করেছে। অন্যদিকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক খ্যাতিতে ১০ দশমিক ৪০, চাকরির বাজারে সুনামে ৩৭ দশমিক ২০, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ৫ দশমিক ২০, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতিতে ১ দশমিক ৯০, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে ১৪ দশমিক ২০, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতে ২ দশমিক ৬০, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে ১১ দশমিক ২০ আর কর্মসংস্থানে ২৬ দশমিক ৮০ স্কোর করেছে।

তবে বাংলাদেশের এই চার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনোটিরই সামগ্রিক স্কোর উল্লেখ করেনি কিউএস। এর আগে কিউএসের ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালের প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের অবস্থান ৮০১ থেকে ১০০০-এর মধ্যে ছিল। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই র‌্যাংকিংয়ে স্থান পেয়েছিল। ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ৭০১-৭৫০তম।

কিউএসের এবারের র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১ হাজার ৪০০ বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১০০-তে ১০০ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে আছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ৪৪টি ও পাকিস্তানের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় কিউএসের প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ভারতের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় সেরা ৩০০-তে স্থান পেয়েছে।



আরও খবর



বিদেশি নাগরিক কীভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হয় : কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেছেন, দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান বিদেশি নাগরিক হয়ে কীভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়।

রবিবার (৫ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ের সময় বিএনপি মহাসচিবের কাছে এ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা অর্থ পাচারের কথা বলে, ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে চলেছেন। তারেক রহমানের মতো একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কত টাকা বিনিয়োগ করলে বিদেশি নাগরিকত্ব পায়? তারেক রহমানের বিনিয়োগ করা টাকা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমেই বিদেশে পাচার করা হয়েছে‌।

বিএনপি নেতাদের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে কথা বলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে কোন গণতন্ত্র রক্ষা করেছিলেন? সে সময় জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হিসেবে অবৈধভাবে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা, ১৯৭৭ সালে বিতর্কিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ৭৯ সালে সংসদ নির্বাচন, ৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ প্রতিটি নির্বাচনই ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মাগুরার নির্বাচনের কথা জনগণ এখনো ভুলে যায়নি। বেগম জিয়ার ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন, ২০০৬ সালে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারসহ নির্বাচনের প্রচেষ্টা কোন গণতন্ত্র? নির্বাচনকালে বিএনপি কর্তৃক সন্ত্রাস, ভোটকেন্দ্র দখল, প্রকাশ্যে সিল মারা, প্রতিপক্ষ নেতাকর্মীদের হত্যা, ধর্ষণ, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্মম নির্যাতন, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া কি বিএনপির গণতন্ত্রের নমুনা? বিএনপি এদেশের ইতিহাসে যে ঘৃণ্য নজির সৃষ্টি করেছে দেশের মানুষ তা এখনো ভুলে যায়নি।

তিনি বলেন, বিএনপির শেখানো তথাকথিত গণতন্ত্রের পথে এদেশের মানুষ আর হাঁটতে চায় না। যাদের শাসনামলে দেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের কলঙ্ক তিলক পরেছিল এবং দলের গঠনতন্ত্র থেকে যে দল দুর্নীতিবিরোধী সাত ধারা বাতিল করে দুর্নীতিবাজদের দলে বিচরণের পথ উন্মুক্ত করে, তারাই আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল, তারাই দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক।


আরও খবর



তিস্তায় পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি কানায় কানায় পরিপূর্ণ। পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। যেকোনো সময় ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে মনে করছেন পাউবো কর্মকর্তারা।

রবিবার দুপুর ১২টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাট তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। যা (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) বিপৎসীমার দশমিক ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পানি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় তিস্তার চর এলাকাগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। উজানের ভারী বর্ষণ ও ঢল নেমে আসায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে মরা তিস্তা নদী।

ব্যারেজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, শনিবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি ৫১ দশমিক ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে রবিবার সকালে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বলেন, তিস্তা নদীর পানি এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুপুর ১২টা থেকে নদীর পানি ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার দশমিক ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যেকোনো সময় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তাই দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।


আরও খবর