Logo
শিরোনাম

লজ্জার বিশ্বরেকর্ড বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান :  মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ইনিংসেই বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য রান করেছিলেন। তিন সপ্তাহ পেরোতেই আরও ৬ শূন্যের বিশ্বরেকর্ডে নাম লেখালো বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট দল।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য রানে সাজঘরের পথ ধরেছেন। তারা হলেন-মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, সদ্য পদত্যাগী অধিনায়ক মুমিনুল হক, নুরুল হাসান সোহান, মোস্তাফিজুর রহমান ও খালিদ আহমেদ।

ব্যাটারদের এই ব্যর্থতায় অ্যান্টিগা টেস্টে মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান লড়াকু ফিফটি (৫১) না হাঁকালে লজ্জাটা আরও বড় হতে পারতো। ম্যাচে একমাত্র এবাদত হোসেন ৩ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন।

সাকিব-তামিমে একশর নিচে আউট হওয়ার লজ্জা কোনও মতে এড়িয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এড়াতে পারেনি শূন্যরানে আউট হওয়ার লজ্জার বিশ্বরেকর্ড। ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য রানে আউট হয়েছেন।

এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই ঢাকায় ২০০২ সালে প্রথমবার বাংলাদেশের ৬ ব্যাটার শূন্য করেছিলেন। সেই ইনিংসে ৮৭ রানে অলআউট হয়েছিল টাইগাররা। এর ২০ বছর পর চলতি মৌসুমে লঙ্কানদের বিপক্ষে ছয় ব্যাটার শূন্য করলেও মুশফিকুর রহীম ও লিটন দাসের মহাকাব্যিক জুটিতে ৩৬৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।

টেস্ট ইতিহাসে ৬ ব্যাটার শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনা মাত্র সাতবার। এর মধ্যে তিনবারই বাংলাদেশের নাম। একবার করে এই লজ্জার রেকর্ডে নাম তুলেছে পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও নিউজিল্যান্ড।


আরও খবর

এশিয়া কাপের দল ঘোষণা ভারতের

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




বাগেরহাটে দুই কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণাধীন ব্রিজ হুমকির মুখে

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

এম. পলাশ শরীফ, বাগেরহাটঃ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের খাউলিয়া ও সদর ইউনিয়নের সিমান্তবর্তী দুই কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ব্রিজটি হুমকির মুখে। ব্রিজের এপ্রোজ রোড (ইউং ওয়াল) ৬ মাসের ব্যবধানে আবারও ভেঙ্গে গিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। একাধিকবার সংস্কার করেও অর্থ বরাদ্দ আসছে না কোন কাজে। ঝুঁকি নিয়ে চলছে নানা যানবাহন। যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে জানা গেছে, ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে আর ডিআইপি-২৫ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয় উপজেলার মোড়েলগঞ্জ সদর ও খাউলিয়া দুটি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জনগুরুত্বপূর্ন সংযোগ ব্রিজ। গত ২ বছর পূর্বে দুই পারের সংযোগে একবার অর্থ বরাদ্দে সংস্কার হয়। পরবর্তীতে গাবতলা অংশের সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় পুনরায় চলতি বছরের মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এডিপির বরাদ্দে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়কটির এপ্রোজ রোড মেরামত করা হলেও  ৪ মাসের ব্যবধানে নতুন করে এক সপ্তাহ পূর্বে বড় ফাটল সৃষ্টি হয়ে ভেঙ্গে পড়েছে সদর ইউনিয়নের গাবতলা পাড়ের একটি অংশ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত পথচারি ও পরিবহন। ভারি যান বাহন চলাচল নিষিদ্ধ সাইনবোর্ড টানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

ব্রিজের দু’পাড়ের স্থানীয় গ্রামবাসিরা জানান, পানগুছি নদীর অব্যাহত ভাঙ্গন ও পূর্ণিমার জোয়ারের রাস্তাটির মাটি ভেঙ্গে পড়ে।  চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় স্থানীয় ভ্যান ও ভাড়ায় চালিত মটর সাইকেল ড্রাইভাররা কিছু মাটি ও ইট ভাংগা দিয়ে কোন মতে চলাচল করছে। রাস্তা সংস্কারের নামে ধুলোবালি দিয়ে তার ওপর আনুমানিক ৫ শ’র মতো ইট দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন জানান, সংস্কারের কাজটি তার ওয়াডের্র হলেও তিনি এ কাজ সম্পর্কে কিছু জানেন না। সদরইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, এ কাজের বিষয় তার কিছু জানা নেই।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাস্তা সংস্কারের জন্য এডিপির ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্ধ ছিল। সংস্কার কাজটি উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউনিয়ন পর্যায়ে পিআইসির কমিটি কাজটি করেন। নতুন ভাঙ্গনের বিষয়ে ইতোপূর্বে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিশ্ব ব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল দু’ দফায় সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। আগামি সপ্তাহে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আরও একটি প্রতিনিধি দল সরেজমিনে আসার কথা রয়েছে।  #


আরও খবর



কপোতাক্ষের ভাঙনে ডুবছে খুলনার রাড়ুলী জেলে পল্লি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

কপোতাক্ষ নদের পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে রাতে ও দিনে প্রতিদিন ডুবছে খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলী জেলে পল্লি। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে ওই পল্লির ১৫০টি পরিবার। তাদের বাড়িঘর রক্ষায় নেই কোনো টেকসই বেড়িবাঁধ। চলতি বর্ষার শুরুতে নতুন করে ভাঙনের হাত থেকে বাঁচতে দীর্ঘমেয়াদী টেকসই বেঁড়িবাধ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিকল্পিত নদী শাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ইউনিয়নবাসী।

জেলে পল্লির মনোরঞ্জন বিশ্বাস অভিযোগ করেন, পূর্বপুরুষসহ এখানে আমাদের প্রায় ২০০ বছরের বসবাস। এখানকার পল্লিতে আমরা প্রায় ৫০০ পরিবার বসবাস করতাম, কিন্তু কপোতাক্ষের ভাঙনে ৩৫০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এদের মধ্যে কেউ রাস্তার পাশে সরকারি জমিতে আবার কেউ সরকারের আবাসনে ঠাঁই পেয়েছেন। এবার ভেঙেছে আমার ঘরও। এমতাবস্থায় পরিবার নিয়ে সরকারি রাস্তার পাশর একটি টোঙ ঘরে বসবাস করছি। বর্তমানে ভাঙন সঙ্গী করেও ১৫০টি পরিবার এখানে বসবাস করছি।

একই এলাকার বাবুরাম বিশ্বাস বলেন, কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে আমি তিনবার ভিটা হারিয়েছি। বর্তমানে যে ঘরটিতে আছি সেটিও ভাঙনের পথে। রান্না ঘর ভেসে গেছে পানিতে, থাকার ঘরটি কোনো রকম টিকে থাকলেও নদের কিনারায় ঝুলছে। জোয়ারের পানিতে রাত দিন দুইবার ডুবছে আমাদের ঘরবাড়ি। এ সময় পরিবার নিয়ে ভয়ে রাত জেগে পাহারা দেই, কখন যে ঘরখানা পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায় এই ভয়ে।

বর্তমানে পূর্ণিমার অতিরিক্ত পানি বাড়ায় আমাদের ঘরবাড়ির উঠানে থইথই পানি। ভাটা হলে দুপুরের রান্না হবে। অনেক সময় সেটাও করা যায়। পরে শুকনা খাবার খেয়ে জীবন ধারণ করি। নদের পাশে বাড়িঘর রক্ষার বাঁধ থাকলে জোয়ারের পানি উঠতো না।

ওই এলাকার মান্দার বিশ্বাস বলেন, কপোতাক্ষের পাড়ে আমাদের পূর্বপুরুষরা বসবাস করে আসছে। প্রায় এক কিলোমিটার জায়গা কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে চলে গেছে। বিপরীত পাড়ে চর জেগেছে। ওইখানে যদি আমাদের জায়গা দিত তাহলে আমরা বসবাস করতে পারতাম। ভাঙন দেখতে শুধু জনপ্রতিনিধিরা আসে কিন্তু কোনো কাজ হয় না।

এ বিষয়ে পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার বলেন, রাড়ুলীর কপোতাক্ষ নদের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে এ বছরের চাহিদা পাঠিয়েছি। বরাদ্দ হলে কাজ শুরু করা হবে।

এ ব্যাপারে ইউএনও মমতাজ বেগম বলেন, ভাঙন এলাকায় গিয়েছি, কিন্তু ভাঙনের কারণে জেলেপল্লি রক্ষা বাঁধ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি।


আরও খবর



সংকটে ভেঙে পড়লে চলবেনা

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী 

সারা পৃথিবীতে যখন জ্বালানি সংকট চলছে তখন এর প্রভাব আমাদের দেশেও এসে পড়েছে | তবে যে কোনো সংকটে ভেঙে পড়লে চলবেনা বরং সংকট মোকাবেলার জন্য আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে | পৃথিবীতে সবকিছুর বিকল্প থাকে | সে বিকল্পগুলো আমাদের খুঁজে বের করতে হবে | এখন প্রশ্ন হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীর মতো জ্বালানি সংকটে যে আমরা পড়েছি সেখান থেকে উত্তোরণের কি কি বিকল্প পন্থা আছে | আমরা কিভাবে খুব সহজে সেই  বিকল্পগুলো  ব্যবহার করতে পারি কিংবা সেগুলো নিজেরাই তৈরী করতে পারি | মূল কথা হচ্ছে জ্বালানি সংকটকে সমস্যা না ভেবে  আমরা নিজেরাই জ্বালানি সংকটের কারণে যে সমস্যাগুলো হচ্ছে সে সমস্যাগুলো দূরীভূত করতে পারি | এর জন্য খুব শিক্ষিত হওয়া বা টেকনিকাল জ্ঞান থাকারও দরকার নেই তবে দেশে এই ধরণের কমার্শিয়াল প্লান্ট দ্রুত তৈরী করার জন্য টেকনিক্যাল বা বিশেষজ্ঞের জ্ঞান থাকলে খুব কার্যকর এটি হতে পারে   |  বিকল্পগুলো কিভাবে আমরা নিজেরা  আমাদের দেশীয় ও  সহজলভ্য কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করতে পারি সে সমন্ধে খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে ও দক্ষতাও অর্জন করতে হবে | সব ধরণের সতর্কতা মেনেই  এগুলোতে নিজেকে যুক্ত করা যেতে পারে ও পরিচিত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নিতে হবে | এর সাথে এই ধরণের প্লান্ট করার সাথে সাথে বাই-প্রডাক্ট হিসেবে জ্বালানিগুন সমৃদ্ধ গ্যাস সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে | তবে এই ধরণের প্লান্টগুলো থেকে ডিজেল বা এই জাতীয় জ্বালানিগুলো কিভাবে বের করে এনে বিদেশের উপর নির্ভরতা কমানো যায় তা নিয়ে গবেষণাকেও প্রাধান্য দিতে হবে | মোট কথা এগুলোর বাণিজ্যিক রূপান্তর ঘটিয়ে আমাদের সব ধরণের জ্বালানি চাহিদা ও সংকটকে মোকাবেলা করতে হবে | 

যেমন:  

১. খুব সহজে পাইরোলাইসিস পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক আমরা ওয়েস্টেজ প্লাষ্টিক থেকে  পেট্রোল  জাতীয় জ্বালানি  তৈরী করতে পারি | এখন জানা দরকার পদ্ধতিটি আসলে কি ও কিভাবে আমরা সহজে পদ্ধতিটি তৈরী করে জ্বালানি সংকটের স্বল্প বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান করতে পারি |  তবে তৈরীকৃত পেট্রোলের গুণগত মানের বিষয়টিও বিবেচনায় আনতে হবে ও সতর্কতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে | খুব পরিকল্পিত পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক এই জাতীয় ছোট ছোট প্লান্টও খুব দ্রুততর সময়ে করা সম্ভব | নিচের কয়েকটি লিংক থেকে এই পদ্ধতি সমন্ধে আমরা ধারণা পেতে পারি তবে সেটি তৈরী করা বা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাবধানতা ও দক্ষতা অর্জন খুব গুরুত্বপূর্ণ | কম বিনিয়োগে শিল্প  উদ্যোক্তা তৈরিতে এই শিল্পটি কাযর্কর ভূমিকা রাখতে পারে |   ..........চলবে    


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বাবার শরীরের চাপায় শিশু সন্তানের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রফিকুল ইসলাম পঞ্চগড় ঃ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ঘুমানোর সময়ে বাবার শরীরের চাপায় সমাপ্তি হাজদা নামে (৩) মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ জুলাই) গভির রাতে জেলার আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের দোহসুর আদিবাসী পল্লিতে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, নিহত শিশু সমাপ্তি হাজদা একই এলাকার শনিরাম হাজদার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে শিশুটিকে নিয়ে তার মা পাটি বিছিয়ে বিছানার নিচে ফ্লোরে ঘুমাচ্ছিলো। এক সময় শিশুটির বাবা শনিরাম বাড়িতে এসে বিছানায় ঘুমাতে গেলে ঘুমের ঘোরে নিচে থাকা শিশুটির উপর পড়ে যায়। এতে শনিরামের শরীরের চাপায় ঘটনাস্থলে শিশুটি মারা যায়। আজ সোমবার (১১ জুলাই) সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহের প্রাখমিক সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। আটোয়ারী থানার এসআই শাহিন আল মামুন বলেন, পারিবারিক ও স্থানীয় ভাবে জানা যায় বাবা শনিরাম নেশাগ্রস্ত ছিলো। মাঝে মধ্যে নেশা করে বাড়িতে আসতো। আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



সব দেশের জন্য যুদ্ধ সমস্যা সৃষ্টি করছে

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ সব দেশের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে এবং এর জন্য জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে। বিশ্ব সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ আবদুরাখিমোভিচ খোদজায়েভ। এ সময় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পরিক স্বার্থে উজবেকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে উজবেকিস্তানে সার কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী এবং উজবেকিস্তান বাংলাদেশে তার দূতাবাস স্থাপনের আশা করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান উভয় দেশের পারস্পরিক সুবিধার্থে বিভিন্ন ক্ষেত্র অন্বেষণ করতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ ও প্রাণবন্ত জনশক্তিকে পুঁজি করে সারাদেশে ১শ টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উজবেকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৩ সালে উজবেকিস্তানের তাসখন্দ সফরের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সেই সফর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করেছে এবং বছরের পর বছর তা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, স্থানীয় বাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি করার জন্য বাংলাদেশ কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও শিল্পায়নের ওপর জোর দিচ্ছে।

উজবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। খোদজায়েভ বলেন, ‘বাংলাদেশ উজবেকিস্তানের সম্ভাবনাময় অংশীদার এবং আমরা এটিকে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপান্তর করতে চাই।’ তিনি বলেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২