Logo
শিরোনাম

লুহানস্কের ৮০ শতাংশই এখন রুশ বাহিনীর দখলে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্কের ৮০ শতাংশ দখলে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মেয়র সেরহি হাইদাই।

তিনি বলেছেন, রাশিয়ান সেনারা এ সপ্তাহে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনে নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। লুহানস্ক অঞ্চলেও তারা হামলা ব্যাপকভাবে জোরদার করেছে।

এর আগে রুশ বাহিনী ক্রিমিন্না শহর দখলে নেওয়ার পর মেয়র হাইদাই বলেছিলেন, রাশিয়ানরা এখন রুবিঝনে এবং পোপাসনা নগরীকে হুমকি দিচ্ছে। সেই সময় তিনি সেখানকার সকল বাসিন্দাকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। 

উল্লেখ্য, লুহানস্ক হচ্ছে দোনবাসের একটি অঞ্চল। দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে একত্রে দোনবাস বলা হয়। গত ২১ ফেব্রুয়ারি এ দুই অঞ্চলকে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর এ অঞ্চলকে নিরস্ত্রীকরণ করতে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। 


আরও খবর



ডিজিটাল মুদ্রা কীভাবে কাজ করে

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বাংলাদেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ডিজিটাল মুদ্রা চালুর বিষয়টি পরীক্ষা করার প্রস্তাব দিয়ে বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে এই মুদ্রা চালুর জন্য এর সম্ভাব্যতা যাচাই করবে সরকার। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো ভার্চুয়াল লেনদেনের অর্থ আদান-প্রদান সহজ করা এবং স্টার্ট-আপ ও ই-কমার্স ব্যবসাকে উৎসাহ দেওয়া। এসব কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা চালু নিয়ে একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হবে বলে বাজেট ভাষণে জানিয়েছেন তিনি।

ডিজিটাল মুদ্রা আসলে কী : বিশ্বে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিটকয়েন, লাইটকয়েন, এথেরিয়াম, রিপলের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশে এগুলো বৈধ নয়। ডিজিটাল এসব মুদ্রা লেনদেন হয় ভার্চুয়ালি অর্থাৎ টাকা বা কাগজের নোটের মতো এগুলো দৃশ্যমান নয়। তবে এখন যেসব ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে সেগুলোর কার্যত কোনো কর্তৃপক্ষ নেই এবং যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো সময় এর লেনদেন করতে পারেন। অর্থাৎ পুরো বিষয়টি হয় যেকোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যদিও কোনো কোনো দেশ এখন খতিয়ে দেখছে যে, ক্রিপ্টোকারেন্সিকে কীভাবে একটি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা যায়। ২০০৯ সালে প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে এসেছিল বিটকয়েন এবং এক পর্যায়ে এই বিটকয়েনের দাম ৬০ হাজার ডলারও ছাড়িয়েছিল। কিন্তু এর লেনদেন, বিনিময় হার এবং আইনগত ভিত্তি না থাকায় বড় বড় প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে এসব মুদ্রা নিয়ে।

এ কারণেই এখন আলোচনায় এসেছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করা যায় কি না।

ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিশেষজ্ঞ তহুরুল হাসান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজের নোট বা মুদ্রা সরবরাহ করে তা ভল্টে বা মার্কেটে মানুষের পকেটে থাকে এবং সেটি দেখা যায়। কিন্তু ডিজিটাল মুদ্রা এমন দৃশ্যমান হবে না। অনেকটা বিকাশ বা নগদে যেমন ডিজিটাল ওয়ালেটে টাকা থাকে ডিজিটাল মুদ্রাও তেমনি থাকবে। তবে নগদে বা বিকাশে যেমন ক্যাশ টাকাটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা এজেন্টকে দিয়ে আনাতে হয়- এখানে তা হবে না। এখানে শুরু থেকেই সব ডিজিটাল হবে।

অর্থাৎ হয়তো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০০ টাকা ইস্যু করবে। এর মধ্যে ৭০ টাকা কাগজের নোট আর বাকি ৩০ টাকা ডিজিটাল। এখন কেউ যেমন কাগজের নোট সংগ্রহ করে পকেটে রাখতে পারবে তেমনি ওই ৩০ টাকা থেকে ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে তার অ্যাকাউন্ট বা ডিজিটাল ওয়ালেটে রাখতে পারবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের শিক্ষক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার আপ-ডাউন করে কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করলে সেটি টাকার মতোই ব্যবহার হবে। তিনি বলেন, কাগজের নোটের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রার একটি অ্যাসেট ব্যাকআপ থাকবে। অর্থাৎ বাজারে আসা টাকার বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যেমন রিজার্ভ বা সোনা থাকে তেমনটি হবে ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেও।

লেনদেন কীভাবে করা যাবে : ডিজিটাল মুদ্রা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইস্যু করলেও এর জন্য একটি ইকো সিস্টেম দরকার হবে বলে মনে করেন তহুরুল হাসান। অর্থাৎ টাকার মতোই সব কাজে সব জায়গায় এই ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে পণ্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ থাকতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকার একজন মুদি দোকানিকেও সেটি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ এটা হবে কাগজের নোটের মতো সার্বজনীন। শুধু ব্যবহারটা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। সুবর্ণ বড়ুয়া অবশ্য বলেন, বাংলাদেশে বিকাশকে গ্রহণ করাতেই ১০ বছর লেগেছে। তাই ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রে দরকার হলে আরো সময় নিতে হবে।

কাগজের নোট কি থাকবে না : এখন মুদ্রা আছে তিন ফরম্যাটে- কাগজের মুদ্রা, ই-মানি (মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস), ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রা)। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিজেদের মুদ্রা ডিজিটাল ফরম্যাটে আনলে সেটি হবে বৈধ ডিজিটাল মুদ্রা।

যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল মুদ্রা কখনো চালু হলে তার আগে অনেক প্রশ্নের জবাব খুঁজতে হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু সেই ডিজিটাল মুদ্রা এলে কাগজের মুদ্রা থাকবে না- এমনটি কেউই মনে করছেন না। সুবর্ণা বড়ুয়া বলেন, দেশের সব মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই এবং যাদের নেই তারা কীভাবে ডিজিটাল মুদ্রা পাবেন? কাগজের মুদ্রা বিদায় হবে বলে মনে হয় না। বরং দুটিই সমান্তরালভাবে চলতে হতে পারে। যাতে করে মানুষ ডিজিটাল মুদ্রা নগদে রূপান্তর করতে পারে সেই সুযোগও থাকতে হবে। তহুরুল হাসানও জানান, কাগজের মুদ্রা সহজে বিদায় হবে না। বরং ডিজিটাল মুদ্রা করার আগে বাজার ও মানুষকে ব্যাপকভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যা খুবই সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

ঝুঁকি কোথায় : সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো ডিজিটাল মুদ্রা হ্যাক হলে মানুষ কী সেই অর্থ আর ফেরত পাবে কিংবা ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা চুরি হলে তার নিয়ন্ত্রণ কীভাবে হবে? বাংলাদেশে করোনাকালে সরকার উপবৃত্তির যে টাকা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে দিয়েছে সেই টাকা অনেক শিক্ষার্থীর অগোচরে অন্যরা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে। সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানভীর হাসান জোহা বলেন, ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ হবে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি।

ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহারের জন্য মানুষ ইন্টারনেটে যুক্ত হবে ও পাবলিক নেটওয়ার্কে থাকবে। কিন্তু সেখানে সাইবার নিরাপত্তা কতভাবে লঙ্ঘিত হতে পারে সেটি আগে যাচাই করে দেখতে হবে। অন্যদিকে ড. সুবর্ণ বড়ুয়া বলেন, ডিজিটাল ওয়ালেট বা লেনদেনের বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে দেখভাল করাটাও চ্যালেঞ্জের বিষয় হবে এবং সবাইকে নিজের ওয়ালেট ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। এগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন থাকতে হবে। প্রসঙ্গত, বিকাশ বা নগদের পাসওয়ার্ড বা পিন গোপন না রাখার কারণেও অনেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

কোনো দেশে কি ডিজিটাল মুদ্রা চালু হয়েছে : ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে সম্প্রতি এক ওয়েবিনার উপস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানিয়েছেন যে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ বাহামা ও নাইজেরিয়া ডিজিটাল মুদ্রা চালু করেছে। অন্যদিকে চীন পাইলট প্রজেক্ট শেষ করে সব প্রস্তুত করলেও এখনো ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করেনি। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো কিছু দেশ ক্রিপ্টোকারেন্সিকে মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও অ্যাসেট হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশে কারেন্সি ও অ্যাসেট- কোনোভাবেই এটি বৈধ নয়।

তবে ঘানা ও জ্যামাইকা শিগগিরই ডিজিটাল মুদ্রা চালু করতে যাচ্ছে। সুইডেন পাইলট সম্পন্ন করেছে কিন্তু চালু করেনি। ক্যানাডা পাইলট করে এখনই চালু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা নতুন করে এ নিয়ে গবেষণা করবে বলে জানিয়েছে।

ডিজিটাল মুদ্রায় কী লাভ হবে : শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে টাকা ছাপানো ও নিয়মানুযায়ী নষ্ট বা ব্যবহার অযোগ্য টাকা ধ্বংস করতে গত বছরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। টাকা ছাপানোর পর বিতরণেও হয়ে থাকে বিপুল খরচ। ডিজিটাল মুদ্রা চালু হলে এসব খরচ বেঁচে যাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। এ ছাড়া সব ধরনের পেমেন্ট এবং যেকোনো লেনদেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে বলে সাধারণ মানুষেরও লেনদেনজনিত ব্যয় কমবে।



আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




আল-জাজিরার প্রতিবেদন

পোল্যান্ড বর্ডারের কাছে ন্যাটোর অস্ত্রাগার ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইউক্রেনের পশ্চিম লিভিভ অঞ্চলে ন্যাটোর একটি অস্ত্রাগার ধ্বংস করেছে রাশিয়ান সেনারা। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ জানিয়েছেন, পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে ন্যাটোর ওই অস্ত্রভাণ্ডারটি ধ্বংস করতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। 

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেনের ওই অস্ত্রভাণ্ডারে আমেরিকার সরবরাহকৃত এম ৭৭৭ হাউইটজারের শেল সংরক্ষণ করা ছিল। সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি অত্যাধুনিক স্বচালিত কামান ব্যবস্থা ‘হাউইটজার’ও ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়াও বিমান হামলা চালানো হয়েছে ইউক্রেনের দক্ষিণ মাইকোলাইভ অঞ্চলের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলা সম্পর্কে কিয়েভ কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ইউক্রেনকে আরও এক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল বুধবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সামরিক সহায়তার মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক ১৮টি স্বচালিত কামান ব্যবস্থা ‘হাউইটজার’, ৩৬ হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ ও ১৮টি কৌশলগত যান।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক গত সোমবার জানিয়েছেন, রাশিয়ান সেনাদের রুখে দিতে তার দেশের আরও এক হাজার হাউইটজার, ৫০০ ট্যাঙ্ক, এক হাজার ড্রোন এবং আরও ভারী অস্ত্র। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তার দেশের আরও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র-বিরোধী সিস্টেমের প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে রাশিয়া। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনকে একের পর এক অস্ত্র সহায়তা দিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও নতুন করে অস্ত্র সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সূত্র : আল-জাজিরা 


আরও খবর



‘পদ্মা সেতু’ তাদের গান

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আগামী ২৫ জুন উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড়-পদ্মা সেতু। অনেক স্বপ্ন ও গৌরবের সেতুটি অবশেষে চালু হচ্ছে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে। যেখানে মিশে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা। আর তাই তো এই সেতুকে ঘিরে চলছে নানান আয়োজন। তৈরি হচ্ছে নতুন গানও।

তেমনই একটি গান ‘পদ্মা সেতু’। যাতে কণ্ঠ দিয়েছেন দেশের ৬ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, কিশোর, রাজীব, সাব্বির জামান, কোনাল ও ঝিলিক। ‘পদ্মা সেতুর বিজয়গাথা ইতিহাসে বিস্ময়/শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিলেন/কেমন করে এগিয়ে যেতে হয়’-এমন কথায় গানটি লিখেছেন মোকাম আলী খান, সুর-সংগীত করেছেন মিল্টন খন্দকার।

মাইটিভির অডিও স্টুডিওতে গানটির রেকর্ডিং হয়। এরপর ভিডিও করা হয়েছে পদ্মা সেতু এলাকায়। ভিডিওতে হাজির হয়েছেন গানের শিল্পীদের সবাই।

গানটি নিয়ে আঁখি আলমগীর বলেন, ‘পদ্মা সেতু একটি স্বপ্নের নাম। স্বপ্ন এখন বাস্তব হয়ে ধরা দিয়েছে। এই সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সবার আবেগ-অনুভূতি। গর্বের এই সেতু নিয়ে গানটি করে ভালো লেগেছে।’

কোনাল বলেন, ‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ববাসীকে নতুন একটা মেসেজ দিয়েছে। জানান দিয়েছে চাইলে আমরাও অনেক কিছু করতে পারি। এই সেতুর সঙ্গে আমাদের অনেক স্বপ্ন, গৌরব ও ভালোবাসা মিশে আছে। সেতু নিয়ে গানটি গাইতে পেরে আমি আনন্দিত।’

ভিডিওটির নির্দেশনা দিয়েছেন মাহবুবা ফেরদৌস। গান-ভিডিওটি হয়েছে বিটিভির উদ্যোগে। এটি প্রচারও হবে রাষ্ট্রীয় এই টেলিভিশন চ্যানেলে।



আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




তিস্তায় পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি কানায় কানায় পরিপূর্ণ। পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। যেকোনো সময় ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে মনে করছেন পাউবো কর্মকর্তারা।

রবিবার দুপুর ১২টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাট তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। যা (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) বিপৎসীমার দশমিক ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পানি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় তিস্তার চর এলাকাগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। উজানের ভারী বর্ষণ ও ঢল নেমে আসায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে মরা তিস্তা নদী।

ব্যারেজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, শনিবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি ৫১ দশমিক ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে রবিবার সকালে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বলেন, তিস্তা নদীর পানি এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুপুর ১২টা থেকে নদীর পানি ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার দশমিক ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যেকোনো সময় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তাই দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।


আরও খবর



দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে

পদত্যাগ করেছেন বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

ঘুষ নেওয়া ও অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকাসহ দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) অর্থমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে বুধবার (১৫ জুন) মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

ড. মোশাররফ হোসেন ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আইডিআর-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দুই বছর পার হতে না হতেই দুর্নীতির অভিযোগে পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন তিনি।

একাধিক লাইফ বীমা কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ড. এম মোশাররফ হোসেন। তিনি একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন পরিচালক ও বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন এম মোশাররফ হোসেন।

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি থেকে ডিপ্লোমাসহ বিমা বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রি করেছেন মোশাররফ হোসেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের বিমা শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ে গবেষণা কার্য সম্পাদন করে ২০০৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২