Logo
শিরোনাম

মা হ‌তে যা‌চ্ছেন মা‌হিয়া মা‌হি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মা হ‌তে যা‌চ্ছেন ঢাকাই সি‌নেমার জন‌প্রিয় চিত্রনায়িকা মা‌হিয়া মা‌হি। ১২ সে‌প্টেম্বর রা‌তে এ তথ‌্য মা‌হি নি‌জেই জা‌নি‌য়ে‌ছেন।

মা হ‌তে যাওয়ার খবর‌ জানি‌য়ে ফেসবু‌কে স্ট‌্যাটাস দি‌য়ে‌ছেন মা‌হি। ব‌লেন, আমি আল্লাহর অশেষ রহমতে মা হতে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

মা‌হি ব‌লেন, আমি আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়গুলো পার করছি। দিন-রাত কীভাবে চলে যাচ্ছে টেরই পাচ্ছি না। প্রচন্ড আদর যত্নে দিনগুলো কেটে যাচ্ছে।

গত বছরের ১৩ সে‌প্টেম্বর গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক রাকিব সরকারকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহি। দুই মাস আগে মা হ‌তে যাওয়ার খবর জান‌তে পা‌রেন মা‌হি। এ দম্প‌তির এটি প্রথম সন্তান।

গত শুক্রবার মাহি অভিনীত লাইভ সি‌নেমা মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমার মাধ‌্যমে প্রায় চার বছর পর পর্দায় ফিরলেন তি‌নি। সি‌নেমা‌টি‌তে তার বিপরীতে অ‌ভিনয় ক‌রে‌ছেন সাইমন সাদিক।


আরও খবর

ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিতের বিয়ে

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




ফুলবাড়িতে, জন্মগত শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন

মজিদ পাগলার শেষ আশ্রয় বোনের সংসার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত,ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রামঃ

বাস্তব এক ইতিহাস ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন, সেই রক্তের বন্ধন যায়কি কোনদিন খণ্ডন।অচল বৃদ্ধবড় ভাইয়ের প্রতি বিধবা দুইছোট বোনের যে মায়া মমতা ভালোবাসা দেখতে যদি চাও,তাহলে পশ্চিম অনন্তপুর বাকুয়ার ভিটা গ্রামে চলে যাও। জন্মগতভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন আব্দুল মজিদ পাগলার(৬৫)শেষ আশ্রয় স্থল তার ছোট দুই বিধবা বোনের ছোট্ট সংসার। সেই সংসারেও উপার্জনক্ষম নেই কেউ।বৃদ্ধ তিন ভাই বোন মিলে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর মৌজার বাকুয়ার ভিটা গ্রামের মৃত: মোহাম্মদ আলীর ছেলে, আব্দুল মজিদ পাগলা (৬৫) এলাকার সকলের কাছে মজিদ পাগলা নামে পরিচিত।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, আব্দুল মজিদ পাগলা জন্মগত ভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন ছিলেন।ছোট বেলা থেকেই ভালোভাবে হাঁটাচলা করতে পারতেন না। শারীরিক নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ক্ষীণ থাকায় লক্ষ্যেস্থির করে একদিকে হাঁটতে চাইলে অন্যদিকে চলে যেত।লাঠিতে ভর করে কোনরকমে এলাকাতেই চলাফেরা করত। তখন এলাকার লোকজনের নিকট সাহায্য সহযোগিতা ও ভিক্ষাবৃত্তি করে কোন মতেই জীবিকা নির্বাহ করতেন।এখন বয়োঃবার্ধক্যের ভারে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে শরীরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছে সবমিলে দুর্বিষহবস্থায় বিছানায় শুইয়ে বসে কাটাতে হচ্ছে দিন রজনী। জীবনের অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে কষ্ট করে জীবন যাপন করতেন শেষ বয়সে এসেও ভালো নেই সহদর তিন ভাইবোন। পৈত্রিক ভিটায় মাত্র আট শতাংশ জমিতে তিন সহদরের মাথা গোঁজার ঠাঁই হলেও উপার্জনক্ষম কেউ নেই। ছোট দুই বোনের  ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়েছে মেয়েরা শ্বশুরালয়ে আর ছেলেরা পৃথক পৃথক ভাবে নিজেদের ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত,কেউ তাদের খোঁজ খবর রাখে না। বয়োবৃদ্ধ তিন ভাইবোন একসাথে অতিকষ্টে দিন যাপন করে বসবাস করছেন। 

০৯(সেপ্টেম্বর)শুক্রবার দুপুরে মজিদ পাগলার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মাত্র চারটি টিন দিয়ে তৈরি ছোট একটি ছাপরা ঘর পুরোনো চাটাই দিয়ে তৈরি জীর্ণশীর্ণ বেড়ায় বেষ্টিত ঘরে প্রচণ্ড রোধের তাপে ছাপরার টিন গুলো আগুনের মতো গরম হয়ে ঘরের ভিতরে পর্যন্ত গরম ভাপ ছুটেছে সেই গরমে মজিদ পাগলা ছোট একটা কাঠের চৌকিতে বসে আছে এদিকে শরীর ঘেমে পানি পরছে নিচে।ঘরের ভিতরে আসবাবপত্র বলতে কাঠের চৌকিটি আর ঘরের এক খুটি থেকে আর এক খুঁটিতে রশি টাঙ্গানো তাতেদুই তিনটি ছিরাফাটা ময়লা পরিধানের কাপড় চোপড় আর কিছু নেই। এমতাবস্থায় ঘরের ভিতরে ঢুকতেই অপরিচিত লোক দেখে চমকে উঠলেন তিনি পরে স্থানীয় কয়েক জনকে সঙ্গে দেখতে পেয়ে খুশিতে মলিন ভাবে একটা হাসি দিয়ে ফেললেন।

কেমন আছেন জানতে চাইলে,দুচোখে জল ছলছল হয়ে এলো কিছুক্ষণ পর মজিদ পাগলা অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন কি আর ভালরে ভাই আগোত তাও লাঠিঢোকা দিয়া চলাফেরা করিয়া এলাকার সগার সাথে দেখা কইরব্যার পাইচোং কথাবার্তা কবার পাইচোং এলা আর শরীলোত বল পাংনা ভাই। এক বছর থাকি ঘরোত পরি আচোং ক্যাং করি ভাল থাকোং।ঘরোত সুতি থাইক প্যার আর ভাল লাগে না।সউগ সময় সুতি থাইকতে, থাইকতে অসুখ মনে হয় মোক আরো বেশি করি ঠাশি ধইর ব্যার নাইকচে। তোমাক গুলাক অনুরোধ করি কংরে ভাই যদি মোক কাইও একটা হুইলচেয়ার দান করিল হয় তাহলে মরার আগোত বাইরার আলো বাতাস দেখি শান্তি পানুহয়। একনা দেখরে ভাই কারোটে এখান হুইলচেয়ার নিয়া দিবার পান নাকি। হুইলচেয়ারোত বসি একনা বাইরে গেনুং হয়।

মজিদ পাগলার বিধবা দুই ছোট বোন জামিলা বেওয়া (৫৪) ও ছালেহা বেওয়া (৫২) বলেন, আমার তিন ভাইবোন মিলে পৈত্রিক ভিটে মাটি আট শতাংশ ছাড়া আর কিছুই নাই।এমনিতেই আমাদের দুই বোনের অভাব অনটনে দিন কাটাতে হয় তারপর বড়ভাই অচল অবস্থায় কোথায় ফেলে দেই সব কিছু ত্যাগ করা রায় রক্তের সম্পর্ক তো আর ত্যাগ করা যায় না একেই মায়ের ওদোরে তিন ভাই বোনে ছিলাম। আল্লাহ যতদিন বাঁচে রাখবে ততদিন একসাথে থাকব আমাদের বাবা বেঁচে নাই বাবার মতো বড়ভাই কে শত দুঃখ কষ্টের মাঝেও ফেলে দিবো না।আমাদের দুইবোনের ও বয়স হয়েছে তারপরও অসুস্থ পাগলা ভাইটাকে কষ্ট করে ঘর বাহির করি ঘরে থাকতে থাকতে ভাইটা বাহির হবার জন্য কেঁদে ওঠে ভাইয়ের এতকষ্ঠ আমরা সইতে পারি না কেউ যদি দয়া করে আমাদের অচল পাগলা ভাইটাকে একটা হুইলচেয়ার দান করতো তাহলে ঘর বাহির করতে কষ্ট একটু কম হতো। হুইলচেয়ার থাকলে পাগলা প্রতিবন্ধী ভাইটা সহ-আমাদের দুই বোনের এই বয়সে একটু হলেও কষ্টটা লাঘব হতো।

স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন পরিচালক মোঃ আব্দুল জব্বার (৩৭)পল্লি চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম (৪১) খলিলুর রহমান (৫৪) রফিকুল ইসলাম (৪০) সহ-আরো অনেকে জানালেন মজিদ পাগলা জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী হত্তয়ায় কর্মক্ষমতা অক্ষম ছিলেন ভিক্ষাবৃত্তি করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করতেন। যৌবনের একটি সময়ে বিয়েও করেন তিনি।

শারীরিক অক্ষমতার কারণে‌ সেই সংসার জীবনও বেশিদিন টিকে থাকেনি বিয়ের কিছু দিন পর স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান, তারপরে দ্বিতীয় বিয়ের কথা আর কোনদিন ভাবেননি তিনি। এখন বয়োঃবৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরে বাসা বেঁধেছে নানান রোগ চলাফেরা করতে পারে না দিনরাত ঘরের ভিতরে সুইয়ে বসে থাকতে হয়।মজিদ পাগলার আপনজন বলতে বিধবা দুইটি ছোটবোন ছাড়া আর কেউ নেই।বোনদের সংসারের অবস্থা অসচ্ছল তারপরেও রক্তের টানে অচল পাগলা বড়ভাই কে নিজেদের কাছে রেখে দেখা শুনা করছেন। তাদের ও বয়স হয়েছে একসাথে তিন ভাইবোন মিলে দুঃখ কষ্ট সহ্য করে সাথে অতিকষ্টে দিনযাপন করছেন।স্থানীয় অনেক শুভা কাঙ্ক্ষীরাও একই কথা বলেন যে,সমাজের অনেক হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিবর্গ আছেন কেউ যদি এই অচল মজিদ পাগলাকে একটা হুইলচেয়ার দান করতো তাহলে বৃদ্ধ তিনভাই বোনের কষ্টটা একটু লাঘব হতো। 


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

করোনার মহামারি স্বাস্থ্যবিধির উপর নজর রেখে দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর চাষাঢ়া রাম কৃষ্ণ মিশন আশ্রমে সোমবার বেলা এগারটা থেকে শুরু হওয়া কুমারী পূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত পূণ্যার্থী অংশগ্রহণ করেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই পূণ্যার্থীরা রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে আসতে শুরু করে। প্রদ্বীপ জ্বেলে শঙ্খ বাজিয়ে উলুধ্বণি দিয়ে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে দেবীর আসনে বসিয়ে তাঁরচরণে প্রণাম করে পূজো করা হয়। মন্ত্র পাঠের মধ্যদিয়ে পূণ্যার্থীরা করজোরে দেবীর কাছে শান্তি কামনা করেন।

এবার কুমারী দেবীরূপে মন্ডপে অধিষ্ঠিত হয় দেওভোগ ভূইঁয়ারবাগ এলাকর বিদ্যা নিকেতন হাই স্কুলের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী মিষ্টু চক্রবর্ত্তী। মিষ্টু চক্রবর্ত্তী নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের দেওভোগ এলাকার দিপঙ্কর চক্রবর্ত্তী ও সম্পা রাণী চক্রবর্ত্তী’র কন্যা। শাস্ত্র মতে, প্রতিটি মেয়ের মাঝে মা বিরাজমান। সেটা জেনে কুমারী পূজা করা হয়।  শিশুদের মাধ্য থেকেই ভগমান আর্ভিবুত হয়। তাই শিশুদের মন নিস্পাপ বলে পুজা করা হয়।


আরও খবর



সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

 ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধসহ পাঁচদফা দাবিতে মঙ্গলবার থেকে সিলেট বিভাগে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা।

সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শ্রমিকদের পাঁচদফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ট্রাফিক পুলিশের হয়রানিসহ অতিরিক্ত জরিমানা বন্ধ করা, অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ এবং ভাঙাচোরা রাস্তাগুলোর দ্রুত সংস্কার।দাবি মানা না পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে বলেও জানানো হয়েছে। 


আরও খবর



করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের বয়সে ছাড় ৩৯ মাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে থাকায় সরকারি চাকরিতে বয়সে ৩৯ মাস ছাড় পেলেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে বিসিএস পরীক্ষা এর আওতায় আসবে না।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং সংস্থাগুলোকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্ধারণ করার জন্য বলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৫ মার্চের পর থেকে যাদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর পার হয়েছে বা হচ্ছে, তারা ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জারি করা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্য হবেন। এক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীরা করোনার কারণে বয়সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৯ মাসের ছাড় পেলেন।

নির্দেশনার চিঠিতে বলা হয়, যেসব মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও এর অধীন অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/দপ্তর এবং সংবিধিবদ্ধ/স্বায়ত্তশাসিত/জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন ক্যাটাগরির সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ছাড়া) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সেসব দপ্তর/প্রতিষ্ঠানের আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে ওই সব পদে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চে সর্বোচ্চ বয়সসীমার মধ্যে থাকলে তারা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদগুলোতে নিয়োগের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের।

করোনা মহামারির প্রথম দফায় সাধারণ ছুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাকরিপ্রার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দেয় সরকার। তখন গত বছরের ২৫ মার্চের পর যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছিল তাদের পরবর্তী ৫ মাস, অর্থাৎ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর করোনার নতুন ঢেউ এলে ফের লকডাউন দেয় সরকার। এরপর গত বছরের (২০২১) ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ ২১ মাস বয়সের ছাড় পান সরকারি চাকরিপ্রার্থীরা। এরপরও বাগে আসেনি করোনা সংক্রমণ। বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে গেছে অনেকটা সময়। 

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। ওই বছরের ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে:

মোরেলগঞ্জে প্রতিবন্ধী পরিবারকে হয়রানি করে জমি দখলের চেষ্টা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক   : 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী পরিবারকে হয়রানি করে জমি দখলের চেষ্টার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।  প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জিউধরা গ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী এমাদুল গাজী (৪৮), ২০১০ সালে ৪০ শতক জমি ক্রয় করে বসতবাড়ি করে প্রায় এক যুগ ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে ভোগ দখল করে আসছে।

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী এসিন খান তার লোকজন নিয়ে প্রতিবন্ধীর বসতবাড়িতে জোরপূর্বক একটি অংশে দখলের জন্য চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী এমাদুল গাজী বাদি হয়ে এসিন খানকে বিবাদী করে বাগেরহাট বিজ্ঞ অতিঃ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার মিস কেস নং-৯৬৯/২০২২(মোরেলগঞ্জ)। বিজ্ঞ আদালত বিবাধমান জমিতে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে উভয় পক্ষকে স্থীতিশীল বজায় রাখার জন্য নির্দেশ দেন।

আদালতের এ নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রভাবশালী এসিন থান উক্ত জমিতে মঙ্গলবার জোরপূর্বক বাস-খুটা দিয়ে গোল পাতার ছাউনি একটি ঘর তোলে।

পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী এমাদুল গাজী থানা পুলিশকে অবহিত করলে প্রভাবশালীরা ঘরটি ভেঙ্গে নিয়ে উল্টো এসিন খান প্রতিবন্দীকে প্রধান আসামি করে ওই পরিবারের ৬ জনের বিরুদ্ধে বাগেরহাট বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করে।  

অসহায় প্রতিবন্ধী এমাদুল গাজী ও তার স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী ভাতা ও কোনমতে একটু কৃষি কাজ করে ৩ ছেলে মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হয়। তার মধ্যেও মাথাগোজার এইটুকু সম্ভল প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টিতে বৃদ্ধ পিতা আমির আলী গাজী (৭৫) কে মামলা থেকে রেহাই দেয়নি। ১০ বছর ধরে বাড়িতে আসেনা ছোট ভাই রুবেল গাজী গার্মেন্সকর্মী তাকেও মামলায় জড়িয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রীসহ উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে এসিন খান তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, তার দাদার সম্পত্তি সূত্র ধরে ওই বাড়িতে ১৫ শতক জমির মালিক তারা। তিনি কাউকে হয়রানি করছেন না।  

এ সর্ম্পকে নালিশী জমিতে ১৪৪ ধারা জারিকৃত এএসআই বিপ্লব হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক উক্ত জমির উভয় পক্ষকে নোটিশ জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। 


আরও খবর