Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

মাধ্যমিকের গণ্ডি না পার হওয়া ব‍্যক্তি বাফুফের সহ-সভাপতি

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাফুফের সহ-সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও তমা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহা: আতাউর রহমান ভূইয়া ওরফে মানিক আসন্ন জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রাথী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হতে পারেননি। হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার স্থানে তিনি সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস লিখেছেন।  

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমানের কার্যালয়ে প্রার্থী কর্তৃক পূরণ করে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে জমা দেওয়া হলফনামা সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


অপরদিকে, একই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার স্থানে তিনি সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস লিখেছেন।   

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ১৩জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।  গত ৩ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান ৮জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেন।  পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র যৌক্তিক কারণে বাতিল ঘোষণা করেন। আগামী ১৮ ডিসেম্বর নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাথীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। একই দিন প্রার্থীরা তাদের প্রতীক গ্রহণ করে সেই দিন থেকে প্রচারণা চালাবেন।    


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভোটের আগে বেড়েছিল নগদ টাকা রাখার প্রবণতা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সম্রাট মনির : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা হাতে রাখার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। গত ৭ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের আগের দুই মাস নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছিল ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডিসেম্বরেই বাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা। এর আগে টানা চার মাস ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ টাকা কমেছিল। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কার পাশাপাশি নির্বাচনের খরচের জন্য মানুষ নগদ টাকা তুলে ঘরে রেখেছিলেন। কেউ কেউ টাকা তুলে বিদেশেও পাচার করেন। এর বাইরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণেও নগদ টাকা তোলার প্রবণতা বাড়তে পারে।

দেশের মোট প্রচলনে থাকা মুদ্রা থেকে ব্যাংকে জমানো টাকা বাদ দিয়ে প্রতি মাসে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের তথ্য গতকাল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। গত বছরের নভেম্বরেও ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থ বেড়েছিল। অক্টোবরে ব্যাংকের বাইরে টাকা থাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ফলে অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছিল ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। সব মিলে নির্বাচনের আগের দুই মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বাড়ে প্রায় ৮ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় জনমনে ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল। ফলে গ্রাহকদের অনেকেই নগদ টাকা তুলে ঘরে নিয়ে রেখেছিলেন। আবার নির্বাচনের খরচের জন্যও টাকা তোলার চাপ বেড়েছিল। সব মিলে ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছিল। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ফলে নগদ টাকা তোলার কোনো চাপ নেই।

জানা যায়, ২০২২ সালের শেষ দিকে কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ অনিয়মের খবর জানাজানি হওয়ার পর ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তুলে নিতে থাকেন গ্রাহকরা। আবার সে সময় ব্যাংকগুলোতে নতুন আমানত আসাও কমে যায়। এতে ওই ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার সংকট তৈরি হয়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এতে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে। কিন্তু একই সময় মানুষের আয় খুব একটা বাড়েনি। আবার উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে ব্যাংকে আমানতের সুদের হার যেভাবে বাড়ার কথা সেভাবে বাড়েনি। এতে ব্যাংকে টাকা রেখে প্রকৃত অর্থে মুনাফা পাচ্ছিল না আমানতকারীরা। ফলে গত অর্থবছরে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা হাতে রাখার প্রবণতা অস্বাভাবিক বেড়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুন পর্যন্ত ব্যাংকের বাইরে তথা মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা, যা ছিল এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে মানুষের হাতে নগদ টাকা বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল প্রায় সাড়ে ৫৫ হাজার কোটি টাকা বা সাড়ে ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে জুন মাসেই ব্যাংকের বাইরের টাকার প্রবাহ বেড়েছিল প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বা ১৪ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরে এসে এই চিত্র বদলে যেতে থাকে। টানা চার মাস মানুষের হাতের টাকা ব্যাংকে ফিরতে শুরু করে। মানুষের হাতের টাকা ব্যাংকে ফেরার পেছনে তখন ৪টি কারণের কথা জানিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টরা। এগুলো হলো- আমানতের সুদের হার বৃদ্ধি, নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে মন্দা, ফ্ল্যাট ও প্লটের রেজিস্ট্রেশন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাসায় টাকা রাখার নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নয়-ছয় হিসেবে পরিচিতি পাওয়া সুদের হারের সীমা গত জুলাইতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের সুদহার বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ঋণের সুদহার আড়াই শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে ১২ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর সঙ্গে আমানতের সুদহারও বাড়ছে। তহবিল সংকটে থাকা কোনো কোনো ব্যাংক এখন ৯ শতাংশের বেশি সুদেও আমানত সংগ্রহ করছে। তারপরও জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভীতি ও আতঙ্ক থেকে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা তোলার প্রবণতা বেড়েছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়ে গিয়েছিল।

এদিকে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকার পরিমাণ বাড়ার পরও গত বছরের ডিসম্বরে ব্যাংকগুলোতে আমানত বাড়ে প্রায় ১৩ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। গত বছরের নভেম্বরে ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে যা বেড়ে হয় ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। তবে একই মাসে আমানতের তুলনায় ঋণ বিতরণ বেড়েছে আরও বেশি। ওই মাসে ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকগুলোর ঋণস্থিতি বেড়ে হয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট তৈরি হয়।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিশ্বে মাথা উঁচু করেই চলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করতে। কাজেই আমরা মাথা নত করে নয়, মাথা উঁচু করেই চলব এবং বিশ্ব দরবারে মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাব।

আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির মাঝে ‘একুশে পদক-২০২৪’ প্রদানকালে  প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীনতাই দিয়ে যাননি, তিনি আমাদের একটা মর্যাদাবোধ দিয়ে গেছেন। বিজয়ী জাতি হিসেবে সারা বিশ্বে আমরা মাথা উঁচু করেই চলতে চাই। এই কথাটা সকলকে মনে রাখতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘১৯৫২ সালের আন্দোলন কেবলমাত্র ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এই আন্দোলন ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের যে মর্যাদা দিয়ে গিয়েছিলেন সেই মর্যাদাটা ’৭৫ এর পর বাঙালি জাতি হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু আজকে আমি অন্তত এইটুক দাবি করতে পারি আবার বাঙালি বিশ্বের দরবারে এখন মাথা উঁচু করে চলতে পারে।

সেই মর্যাদা আমরা ফিরিয়ে এনেছি। আর এই মর্যাদা আমাদের সমুন্নত রেখেই আগামীর দিনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, কারো কাছে হাত পেতে নয়, ভিক্ষা করে নয়, আমরা আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলব। কারণ, একুশ আমাদের মাথা নত না করা শিখিয়েছে। কাজেই, আমরা মাথা নত করে নয় মাথা উঁচু করে চলবো। এর আগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবারের একুশে পদক ২০২৪ বিজয়ী ২১ জনের তালিকা প্রকাশ  করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন পদক বিতরণ পর্বটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসনা জাহান খানম স্বাগত বক্তৃতা করেন।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রমজানে কোনো জিনিসের অভাব হবে না

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রমজানে কিন্তু কোনো জিনিসের অভাব হবে না। ইতোমধ্যে সমস্ত কিছু ব্যবস্থা করা আছে। এটা নিয়ে অনেকে কথা বলবে, কিন্তু কোনো অসুবিধা হবে না। রমজান তো কৃচ্ছতা সাধনের জন্য, রমজানে মানুষ একটু কম খায়। আমাদের দেশে রমজানে খাবার-দাবারের চাহিদা একটু বেড়ে যায়।

জার্মানি সফরের বিষয়ে আজ (শুক্রবার) সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শেখ হাসিনা। ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয় ৬০তম মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স। সে বিষয়েই আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, রমজানে ছোলা, খেজুর, চিনি পর্যাপ্ত পরিমাণে আনার ব্যবস্থা আছে, এগুলো নিয়ে সমস্যা হবে না। সেই ব্যবস্থা অনেক আগেই করে রেখেছি।

তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে একটা দেশ উন্নত হয়। গত পনেরো বছরে আত্মসমাজিক উন্নয়ন হয়েছে, মানুষের মন-মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে, সব দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক উপর উঠে আসতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা যথাযথভাবে এগিয়ে যেতে পারি সেই কাজটাই আমাদের বড় কথা। এদিকে আমার মনোযোগ দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, রাজনৈতিক দলের অভাব বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগ ৪৯ সালে গঠিত হয়েছিল গণমানুষের কথা বলে। সেই সময় থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেছে। আমি যদি আমার প্রতিপক্ষ কয়েকটি দল দেখি, একটা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধী দল জামাত। যাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধন করে তাদেরকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। পাসপোর্ট নিয়ে যারা পাকিস্তান গেছে তাদেরকে ফিরিয়ে এনে ভোটের অধিকার দিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, তারা চায় এমন একটা পরিবেশ হোক, তাদেরকে কেউ ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। সেটা করতে গিয়ে তারা যে প্রথম ধরা খেল, সেটা ২০১৮ নির্বাচন। প্রচার-প্রচারণা সব দিক থেকে আওয়ামী লীগ বিএনপি সমান-সমান ভাব ছিল। ২০০৮ নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন করতে পারেনি। সেই নির্বাচনের রেজাল্টটা কি? গণতান্ত্রিক ধারাকে আমরা স্থায়ী করেছি, যার সুফল মানুষ পাচ্ছে। তাদের জীবনমান উন্নত হয়েছে। আমরা চাই এ ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জিআই হিসেবে অনুমোদন পেল আরো ৪ পণ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আরো ৪টি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। এই পণ্য ৪টি হলো রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজরের আগর, মৌলভীবাজারের আগর-আতর এবং মুক্তাগাছার মন্ডা। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি।

২০০৩ সালে বাংলাদেশে এ কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে একে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) নামে অভিহিত করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের ফলে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ পাস হয়। এর দুই বছর পর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বিধিমালা, ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়।

২০১৬ সালে জামদানি শাড়ী-কে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরো ২০টি পণ্য। সেগুলো হলো-বাংলাদেশ ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারীভোগ, বাংলাদেশ কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাই নবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

সম্প্রতি অনুমোদিত ৩টি পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ী, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার অনুমোদনের কপি ও জার্নাল গতকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। এতে জিআই পণ্যের সংখ্যা হয় ২৪টি। আজকে ৪টি জিআই পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হওয়ায় মোট অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি।

এছাড়া আরো ২টি পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেগুলো হলো জামালপুরের নকশি কাঁথা এবং যশোরের খেজুর গুঁড়। আগামী সপ্তাহে এই দুটো পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসকে ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তারপরও পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বইমেলায় রয়েছে। সেখানে একটা কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে ক্যামেরার মাধ্যমে সব ধরনের সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট এবং সিকিউরিটি ইউনিট কাজ করছে।

 তিনি আরো বলেন, আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি যেহেতু গভীর রাত এবং ঢাকা শহরের মানুষ এদিকে আসবেন তাই যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কিছুকিছু জায়গায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো কোনো জায়গা দিয়ে গাড়ি একদিকে ঢুকতে পারবে। সাধারণত পলাশীর মোড় দিয়ে শহীদ মিনারে আসার রাস্তাটা রাখা হয়েছে। বের হওয়ার রাস্তাটাও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, যারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসবেন তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, সবাই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এখানে আসবেন এবং শৃঙ্খলা মেনে চলবেন। সব নাগরিকের কাছ থেকে পুলিশ সহনশীল আচরণ প্রত্যাশা করে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪