Logo
শিরোনাম
বহুল পরিচিত পাঁচ তরিকার বিবরণ

মাইজভান্ডারী তরিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম ,সিনিয়র সাংবাদিক ,লেখক ও গবেষক :


মহান আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জ্বত তাঁহার কিছু কিছু বান্দাকে পয়গম্বর আ. অথবা অলি আল্লাহর পবিত্র আত্মা হইতে সরাসরি ফয়েজ দান করিয়া এবং তাঁহাদেরকে বেলায়েতের মর্য্যাদায় উন্নীত করিয়া যোগ্যতা সম্পন্ন করেন।
কাদেরিয়া ও চিশতিয়া তরিকার সংমিশ্রণে মাইজভান্ডারি তরিকা। এই তরিকার প্রবর্তন করেন তিনি আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী নামেই বহুল পরিচিত। তার অনুসারীগণ যে সকল প্রচার-প্রকাশনা বাংলা, আরবি, উর্দু এবং ইংরেজি সহ বিভিন্ন ভাষায় ছাপিয়ে আসছে, তাতে তার নাম গাউছুল আজম হযরত মৌলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী কেবলা ক্বাবা কাদ্দাছাল্লাহু ছিরহুল আজিজ (কঃ) লিখতে দেখা যায়। তৎপর এই তরিকার উন্নয়ন সাধন করেন তাঁহার জগৎ বিখ্যাত মুরিদ-খলিফা হযরত গোলামুর রহমান (প্রকাশ বাবা ভান্ডারি) রহ.। তাঁহার মতে ইলাহিয়াত বা ঐশী সত্তার বিকাশ ও স্ফূরণ হয় আদমিয়াত বা মানবত্বে। তিনি ইত্তেহাদের ভিত্তি মূলে হযরত আদম আ.কে সর্ব্ব প্রথম আল্লাহর শারীরিক বিকাশ বলিয়া মনে করেন। মানবীয় দৈহিক সত্তায় ঐশী সত্তার প্রকাশই এক চিরন্তন রহস্য। আল্লাহর সকল সিফাত বা গুণ মানুষের মধ্যেই বিকশিত হয়। এই জন্যই মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত হিসাবে সৃষ্টি জগতের উপর কর্তৃত্ব করিতেছে। মানুষ ব্যতীত কেহই আল্লাহর রহস্য উদঘাটন করিতে পারে না।

মাইজভান্ডারী তরিকা প্রতিষ্ঠা ও মাইজভান্ডার দরবার শরীফ - এর গোড়াপত্তনঃ


হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (কঃ) তাঁর পীরে ত্বরিকতের নির্দেশে ১৮৫৭ সালে নিজ গ্রাম মাইজভান্ডারে ফিরে আসেন। আধ্যাত্মিক সাধক ও দোয়া প্রত্যাশীদের ভীড়ে এই সাধকের পবিত্র বাসগৃহ বিশ্ব মানবতার কল্যাণধারক এক উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক দরবারে পরিণত হয়। লোকসমাজে পরিচিতি পায় 
মাইজভান্ডার দরবার শরীফ হিসেবে। হযরত কেবলার (কঃ) অসংখ্যা কারামতের ঘটনা বিভিন্ন গ্রন্থে ও লোকমুখে প্রচারিত। যেমনঃ (১) হযরতে আধ্যাত্মিক প্রভাবে মোহছেনিয়া মাদ্‌রাসা প্রতিষ্ঠা ও মোদার্‌রেছ নিযুক্তি। (২) হযরতের আধ্যাত্মিক প্রভাবে এক রাতে মক্কা শরীফ হতে চট্টগ্রাম শহরে হাজীর প্রত্যাগমন। (৩) হযরতের বেলায়তী ক্ষমতায় বাহুতে হাত রেখে জনৈক হাজীর অলৌকিক ভাবে বাড়ীতে প্রত্যাবর্তন (৪) হযরতের আধ্যাত্মিক প্রভাবে বাঘের মুখে লোটা নিক্ষেপে ভক্ত উদ্ধার (৫) হযরতের বেলায়তী প্রভাবে মৃত্যূকালে আজরাইল ফেরত ও ষাট বৎসর আয়ু বৃদ্ধি। (৬) হযরতের আদেশে রেয়াজ উদ্দিন উকিলের ভূ-সম্পত্তি খরিদ ও রেয়াজ উদ্দিন বাজারের পত্তন। (৭) হযরতের আশ্চর্য্য কেরামতে বগলের নীচে কাবা শরীফে মুছল্লির প্রবেশ করতে দেখা -ইত্যাদি। এই ধরনের উচ্চমার্গীয় কেরামত গাউছে আজমিয়তের পরিচয় বহন করে।

১. নূর ও হাকিকত সম্বন্ধে আলোচনা।
২. নূর বিষয়ক শৃঙ্খলা।
৩. নূরুল আনোয়ার, আনোয়ারে কাহিরা, আনোয়ারে মুর্জারাদা সম্পর্কে আলোচনা।
৪. বরজখের প্রকার ভেদ ও নমুনা।
৫. নবুয়াত, মনামত, মাআদ (প্রত্যাবর্তন) বিষয়ক আলোচনা।

উক্ত পাঁচ বিভাগে রমুজ ও ইশারার সংক্ষিপ্ত আলোচনা রহিয়াছে। নূর ও জুলমাত সম্বন্ধে বিস্তারিত ব্যাখ্যা রহিয়াছে। তিনি নূর বলিতে রূহ, জুলমাত বলিতে শরীর এবং আনোয়ার আক্লকে বুদ্ধিবৃত্তি বলিয়া ব্যক্ত করিয়াছেন। আক্ল দ্বারা উকুলে আফলাক - ইহার দ্বারা আনোয়ারে কাহিরা এবং আনোয়ারে মুর্জারাদার সংক্ষিপ্ত আলোচনা পরিবেশিত হইয়াছে। আলমে বরজখ দ্বারা আলমে আজসাম বুঝাইয়াছেন। এই ভাবে: জাতে এলাহী, সিফাতে আফয়াল, লজ্জত (স্বাদ), মারেফাত, হেকমতে ইলমে কালাম, দর্শন ও তাসাউস ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করিয়াছেন।

কুরআন-হাদিসের সূক্ষ্ম রহস্য পূর্ণ আয়াত ও হাদিস শরীফের উপর প্রতিষ্ঠিত দর্শন ও তরিকা। ইরান, ইরাক সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই তরিকার অনুসারী রহিয়াছেন।


আরও খবর



টপ অর্ডার ব্যাটিং নিয়ে চিন্তিত শান্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে প্রায় সপ্তাহ গড়িয়েছে। তবে এখনও মাঠে নামা হয়নি বাংলাদেশের। শনিবার (৮ জুন) ভোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে শান্তর দল। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে নিয়ে ভাবছেন না টাইগার অধিয়ানায়ক। বরং টপ অর্ডার নিয়ে চিন্তিত শান্ত।

লঙ্কানদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে নিয়ে কথা বলেছেন শান্ত। সেখানে তিনি বলেন, সবসময় তো সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকে এবং সবাই চায়, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলি। সেই জায়গাটা থাকবে এবং আমরাও চাই আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশের মানুষদের একটা ভালো ম্যাচ উপহার দিতে পারি। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা কিভাবে ওই ম্যাচটাতে আমাদের পরিকল্পনা ব্যবহার করছি এবং আমাদের যে শক্তি আছে সেটা অনুযায়ী খেলছি কি না।

শান্ত বলেছেন তিনি শুধু নিজের দলে নিয়ে ভাবছেন। কীভাবে দলকে পরিকল্পনা মোতাবেক খেলানো যায় সেটাই শান্তর পরিকল্পনা। টাইগার অধিনায়ক বলেন, তাদের ম্যাচটা ভালো যায়নি কিন্তু তারা কী অনুভব করছে সেটা নিয়ে ভাবছি না।

লঙ্কানদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশের বড় চিন্তার নাম টপ অর্ডার। এই টপ অর্ডার রান পাচ্ছে না। এমনকি অধিনায়ক শান্তও নেই ছন্দে। অভিজ্ঞ রিয়াদ দলকে টানছেন। তবে বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ এমন আশা শান্তর।

বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, সাম্প্রতি খুবই সত্য টপ অর্ডাররা ভালো করেনি বা করছে না। কিন্তু কালকের (শনিবার) দিনটা পুরোপুরি নতুন দিন এবং আপনি যেটা বললেন অনুশীলনে যার যে জায়গায় সমস্যা আছে সবাই শতভাগ দিচ্ছে। আগের জায়গা থেকে সবাই ভালো অবস্থায় আছে।

এদিকে দলের অনুশীলনে দেখে আশাবাদী শান্ত। তিনি বলেন, অবশ্যই আগের জায়গা থেকে সবাই ভালো অবস্থায় আছে। অনুশীলন দেখে বা নেটে ব্যাটিং করেছি সবাই তাতে মনে হয়েছে আগের থেকে ভালো অবস্থায় আছে। আগে কি হয়েছে এটা চিন্তা না করে কালকে একটা নতুন দিন। কালকে আমরা কেউই জানি না কে ভালো খেলবে, কে খারাপ খেলবে।


আরও খবর



প্রাথমিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা নেই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। 


ফলে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে আর কোনো বাধা নেই।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) আপিল বিভাগের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। 


তবে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় হাইকোর্টের দেওয়া তদন্ত আদেশ চলবে। গোয়েন্দা সংস্থা ডিবির সঙ্গে সিআইডিকে অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছেন আদালত।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত হাইকোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন, আপিল বিভাগ তাতে স্টে অর্ডার ভ্যাকেন্ট করে দিয়েছেন। 


এর পরিপ্রেক্ষিতে তৃতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে আর বাধা নেই।


আরও খবর



রাণীনগরের হাটে হাটে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ করা হবে

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাহিদ সরদার বলেছেন,কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে হাটে হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অহরহ অভিযোগ ওঠেছে। এই অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ করা হবে। প্রতিটি হাটে টোল চার্ট ঝুলে দেয়া হবে। তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন,আপনারা টোল চার্ট দেখে দেখে খাজনা দিবেন। চার্টের বাহিরে এক টাকাও বেশি খাজনা দিবেননা। তার পরেও যদি কেউ জোরপূর্বক অতিরিক্ত খাজনা নেয় সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাবেন। তিনি বলেন,কোরবানীর সময় কোরবানীর পশু কিনতে অনেককেই হিমসিম খেতে হয়। এর মধ্যে যদি আবার অতিরিক্ত খাজনা দিতে হয় তাহলে সাধারণ মানুষ যাাবে কোথায়। তাই উপজেলার কোন হাটেই অতিরিক্ত টোল আদায় করতে দেয়া হবেনা। এর পরেও যদি অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ না হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। রোববার সন্ধার আগে নির্বাচন পরবর্তি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আবাদপুকুরের চারমাথায় এক পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এই কথাগুলো বলেন রাহিদ সরদার। 

রাণীনগর উপজেলা আ’লীগের সদস্য ও নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাহিদ সরদার আরো বলেছেন,এই এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে যদি কেউ অশান্ত করতে চায় তাহলে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। সরকার বিরোধী সকল কর্মকান্ডকে কঠোর হাতে দমন করা হবে। আপনারা আমার মতো ছোট মানুষকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যানের মতো যে গুরুদায়িত্ব অর্পন করেছেন আগামী পাঁচ বছর তার প্রতিদান দেওয়ার চেস্টা করবো। তবে সব সময় চোখ-কান খোলা রাখতে হবে যেন আমাদের ভুলের মধ্যে ঢুকিয়ে কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আগামীতে পথ চলতে হবে।  

একডালা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ফটিকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমানের স ালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুল মতিন, কালীগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব চাঁন, একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আলহাজ্ব মো. শাহজাহান আলী, একডালা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ আকন্দ,কালীগ্রাম ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির খন্দকার প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগ এবং সহযোগি অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



অবিক্রীত রয়ে গেলো সাড়ে ২৩ লাখ পশু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

এবার কোরবানি ঈদে সারা দেশে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার ২২৮ গবাদিপশু বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এবার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট পশু মজুত ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি পশু।

এতে বলা হ‌য়ে‌ছে, এবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম পশু বিক্রি হয়েছে। এ বছর ঢাকায় ২৫ লাখ ২০ হাজার, চট্টগ্রামে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার আর রাজশাহীতে ২৩ লাখ পশু বিক্রি হয়। গত বছর কোরবানি ঈদে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে, অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত ছিল। আর ২০২২ সালে সারাদেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি হয়েছিল।

এত পশু অবিক্রীত থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের মধ্যে যারা বড় গরু বাজারে এনেছিলেন, তার অধিকাংশই অবিক্রীত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তারা। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন, তাদের অনেকের অবস্থা করুণ। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই এখন তাদের জন্য কঠিন হবে। ভারত-মিয়ানমার থেকে এবার অবৈধ পথে গরু আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন এলাকার খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিলেন খুবই কম।

এবার কোরবানি ঈদে সারা দেশে মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার ২২৮ গবাদিপশু বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এবার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট পশু মজুত ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি পশু।

এতে বলা হ‌য়ে‌ছে, এবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম পশু বিক্রি হয়েছে। এ বছর ঢাকায় ২৫ লাখ ২০ হাজার, চট্টগ্রামে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার আর রাজশাহীতে ২৩ লাখ পশু বিক্রি হয়। গত বছর কোরবানি ঈদে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে, অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত ছিল। আর ২০২২ সালে সারাদেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি হয়েছিল।

এত পশু অবিক্রীত থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের মধ্যে যারা বড় গরু বাজারে এনেছিলেন, তার অধিকাংশই অবিক্রীত রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তারা। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন, তাদের অনেকের অবস্থা করুণ। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোই এখন তাদের জন্য কঠিন হবে। ভারত-মিয়ানমার থেকে এবার অবৈধ পথে গরু আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন এলাকার খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সেই তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিলেন খুবই কম।


আরও খবর



ফিরতি পথে যাত্রীঢল ও বাড়তি ভাড়া আদায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

পাটুরিয়া ও আরিচা ফেরি এবং লঞ্চ ঘাট এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে কর্মস্থলে ঢাকায় ফেরা মানুষের ঢল নামে। লঞ্চ ও ফেরিতে গাদাগাদি করে পদ্মা-যমুনা নদী পাড়ি দিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে আসছেন তারা। অনেকেরই ঈদের ছুটি শেষ। আগামীকাল থেকে অফিস করতে হবে। অনেক গার্মেন্ট আগামীকাল খোলার কারণে যাত্রীরা আগেভাগেই বাড়ি থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করছেন।

শুক্রবার পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কর্মজীবী মানুষ রাজধানীর কর্মস্থলে ফিরতে লঞ্চ ও ফেরিতে গাদাগাদি করে উঠেছেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার এসব মানুষ নদী পাড়ি দিয়ে পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে আসছেন। অতিরিক্ত যাত্রী চাপের কারণে এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ বাস মালিক ও শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন তারা।

স্বাভাবিক সময়ে সেলফি, নীলাচল, হিমাচল, যাত্রীসেবা বাসের ভাড়া পাটুরিয়া থেকে নবীনগর পর্যন্ত ১২০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। পাটুরিয়া থেকে গাবতলীর ভাড়া স্বাভাবিক সময়ে নেওয়া হয় ১৮০ টাকা। এখন যাত্রীদের কাছে থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩০০ টাকা করে। কেউ অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে প্রতিবাদ করলে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে বাস শ্রমিকদের হাতে।

শিবালয় বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আপেল মুন্সী জানান, ১০০ টাকার বেশি জিপি নেওয়ার নিয়ম নেই। অতিরিক্ত জিপির নামে চাঁদা নেওয়া হলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবেন। আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম খালেদ নেওয়াজ জানান, গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে ঢল নেমেছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ১৫টি ও আরিচা-কাজীরহাট-নৌ-রুটে ৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী, প্রাইভেট কার ও জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে।

শিবালয় থানার ওসি আবদুর রউফ সরকার জানান, কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেননি। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪