Logo
শিরোনাম

মালয়েশিয়া গমনেচ্ছুদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।

বুধবার (২৯ জুন) সতর্কতা জারি করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সই করা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বাংলাদেশী কর্মী গমনের ক্ষেত্রে কর্মীর বিমান ভাড়া, লেভিসহ মালয়েশিয়ায় প্রদেয় সকল খরচ কর্মী গ্রহণকারী নিয়োগকারী কোম্পানি বহন করবে।

আরও বলা হয়, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি হিসেবে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের বিএমইটি'র ডাটাবেজে নাম নিবন্ধনের জন্য একাধিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার হয়েছে। এ নিবন্ধন বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সহায়ক। তবে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নয়।

সতর্কবার্তায় আরও যা যা বলা হয়—বিএমইটি’র ডাটাবেজে নিবন্ধন ছাড়া কোনও কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। তাই মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সরকারি ঘোষণার আগে কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রিক্রুটমেন্ট এজেন্টের সঙ্গে সকল আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাসপোর্টসহ মূল্যবান ডকুমেন্ট অন্যের হাতে জমা দিয়ে জিম্মি হবেন না। দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীরা নিরাপদ অভিবাসনের অন্তরায়। তাদের পরিহার করুন।

শোনা যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রতারণামূলকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়াই লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনুমোদনবিহীন বিজ্ঞাপন, প্রতিষ্ঠান ও প্রতারকদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে অবৈধ ও আগাম লেনদেনে সম্পৃক্ত দায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি বা তার প্রতিনিধি, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-সহ সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে সকল দেশের ক্ষেত্রে ব্যাংকের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করবেন। অবশ্যই মানি রিসিপ্ট সংরক্ষণ করবেন। এছাড়া, মালয়েশিয়াসহ বিদেশ গমন সংক্রান্ত যেকোনও পরামর্শের জন্য নিকটস্থ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনে www.bmet.gov.bd ভিজিট করে বা ০৮০০০১০২০৩০ (টোল-ফ্রি) নম্বরে কল করে তথ্য ও পরামর্শ নেওয়া যাবে।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রংপুরবাসীর জনজীবন। একটু প্রশান্তির জন্য ফুটপাতে ঠান্ডা শরবত পান করছে সাধারণ মানুষ। গাছের ছায়া কিংবা শীতল কোনো স্থানে ছুটতে দেখা গেছে অনেককে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভ্যাপসা গরমে অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ছে কর্মজীবী মানুষজন। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

গাছের ছায়াতলে বিশ্রাম নিতে নিতে রিকশাচালক আব্দুর রহিম বলেন, গরমে রিকশা নিয়ে বের হয়ে মহাবিপদে। যাত্রীও নাই ভাড়াও নাই। তাই রিকশা বন্ধ করে গাছের নিচে আশ্রয় নিচ্ছি।

পথচারী গোলাম মাওলা বলেন, ভ্যাপসা গরমে বাজার করতে এসে বাজার না করেই বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করছে। সূর্য উঠার পর থেকে রোদের তাপ অনেক বেড়ে গেছে। রোদের তাপে বের হওয়া বড়ই দুষ্কর।

এদিকে তাপদাহ বেড়ে যাওয়ায় নগরীতে বেড়েছে ঠান্ডা পানীয়র চাহিদা। ফুটপাতে বিক্রি করা লেবুর শরবত, আখের রস ও ফলমূল কিনে খাচ্ছেন অনেকে। একইসঙ্গে চাহিদা বেড়েছে ডাব ও কোমল পানীয়র।

কনফেকশনারী দোকানদাররা জানান, তীব্র গরমে কোমলপানীয়, জুস ও আইসক্রিম খুব চলছে। এছাড়া শহরের ইলেক্ট্রনিক্স দোকানগুলোতে পাখা বিক্রির ধুম লেগেছে।

আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম কামরুল হাসান বলেন, এবছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এটি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দুদিন তাপমাত্রা উঠানামা করবে। তবে শিগগিরই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলেই গরম কমে যাবে।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




সুশাসনের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে দায়িত্বশীল বিরোধী দল

প্রকাশিত:সোমবার ১১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার ঃ দেশের মানুষ যখন আনন্দমুখর পরিবেশে প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপন করছেন,তখন বিএনপির মিথ্যাচার আর বিদ্বেষ প্রসূত বক্তব্য দেশবাসীকে হতাশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

তিনি আজ সকালে তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংকালে পবিত্র ঈদের দিনে বিএনপি মহাসচিবের মিথ্যাচার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে এ মন্তব্য করেন। 

পবিত্র ঈদের দিনে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে  বিএনপি নেতারা ঘৃণ্য এবং পরশ্রীকাতর রাজনীতির পরিচয় স্পষ্ট করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন  বিএনপি যে মানুষের আনন্দ - বেদনার সাথে একাত্ম হতে পারেনা তার প্রমাণ পবিত্র ঈদের দিনে তাদের মিথ্যাচার এবং বিষোদগার। 

তিনি বলেন বিএনপি নেতাদের এসব অপালাপ ক্ষমতার প্রতি তীব্র হাহাকারের দীর্ঘশ্বাস। 

সুশাসনের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে দায়িত্বশীল বিরোধী দল।যারা দিনরাত সরকারের বিরোধিতাকে রাজনীতির লক্ষ্য করে নিয়েছে তারা সুশাসন নিশ্চিত করতে এ পর্যন্ত কি করেছে,- বিএনপি নেতাদের কাছে এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন  বিএনপি গণতন্ত্রের প্রকাশ্য শত্রু,  সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারক ও উস্কানিদাতা,মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের প্রশ্রয়দাতা এবং ধর্মান্ধ গোষ্ঠীরও উস্কানিদাতা। 

রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে মর্মান্তিক গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনাকারি বিএনপি, এদেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জীবন্ত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মারা যাদের ঐতিহ্য এবং নিয়মিত চর্চার অংশ তাদের মুখে সুশাসনের কথা মানায় না, এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন এসব কথা বলার আগে আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন প্রকৃতপক্ষে বিএনপিই হচ্ছে দুঃশাসনের প্রতিভূ,গণতন্ত্র বিনাশী এক রাজনৈতিক অপশক্তি।

আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ বিএনপির সময়কালে দেখানো তথাকথিত সুশাসন মানে জনগণের কন্ঠরোধ, ভোটারবিহীন নির্বাচন, ভোটাধীকার হরণ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন তাদের সুশাসন মানে বিদ্যুৎহীন খাম্বা, সার আর বিদ্যুতের জন্য মানুষ হত্যা, বিদেশে অর্থ পাচার, সংখ্যালঘু নির্যাতন। 

বিদ্যুৎ খাতের ইনডেমনিটির কথা বলার আগে বিএনপি কি ভুলে গেছে - তারাই বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রক্ষার জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিলো উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় বেগম খালেদা জিয়াও ইনডেমনিটি দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন বিএনপির ইনডেমনিটি খুনীদের রক্ষা করার জন্য আর শেখ হাসিনা সরকার ইনডেমনিটি দিয়েছে উন্নয়ন অব্যাহত রাখার স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।

বিএনপি দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিলো আর শেখ হাসিনা সরকার সে অন্ধকার থেকে দেশকে আলোকিত করেছে বলে দাবি করেন ওবায়দুল কাদের। 

বিএনপিই এদেশে চিহ্নিত লুটেরা এবং অর্থপাচারকারী দল মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন বিদেশের আদালত কর্তৃক প্রমাণিত সন্ত্রাসী দল বিএনপি। তারাই চায় এদেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হোক,- কিন্তু দেশের জনগণ তা হতে দিবে না।

প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের, বলেন বিএনপি তার দেশি-বিদেশি দোসরদের নিয়ে যত অপচেষ্টাই করুক, যত ষড়যন্ত্রই করুক এদেশকে আর কখনো দাবিয়ে রাখা যাবে না ইনশাআল্লাহ। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন কোন ষড়যন্ত্রই শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারাকে রোধ করতে পারবেনা।


আরও খবর



বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায়না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেয়াঃ

বিশ্বাস কি খুব ঠুনকো আর ভঙ্গুর একটা জিনিস  | এটা  কি ছায়ার মতো নাকি কাচের আয়নার মতো ! ছায়া আলোয় আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠে, অন্ধকারে মিলিয়ে যায় | বিশ্বাস ঠিক তেমনই | সত্যের উপর ভর করে বিশ্বাস যখন জ্বলে উঠে তখন মিথ্যার ছায়ার মৃত্যু ঘটে | অন্ধকার আলোর সাথে লড়াইয়ে পেরে উঠেনা | দৃশ্যপটের পরিবর্তন ঘটে | সব কিছু উলোট পালট হয়ে যায়,  যখন বিশ্বাসের ভিতরে মিথ্যে প্রবেশ করে | তখন সত্যের ছায়ার মৃত্যু ঘটে | আলো পরাভূত হয় অন্ধকারের কাছে | বিশ্বাস কখনো কাচের আয়নায় নিজেকে দেখতে পায় | আয়নার বাইরের মানুষটার ভিতরে যদি মনুষ্যত্ব  থাকে  তখন আয়নার ভিতরের  মানুষটার ভিতরে  বিশ্বাস জন্ম নেয় | আয়নাটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে মানুষের মুখটাও টুকরো টুকরো হয়ে যায়, বিশ্বাস তখন টুকরো টুকরো হয়ে যায় | এমন টুকরো টুকরো কাচের ভিতর মানুষ তার মনুষ্যত্বকে হারিয়ে ফেলে | বিশ্বাস তার অস্তিত্ব হারায় |  

বিশ্বাস একটা চাদরের মতো | যখন  কাউকে  শীতের তীব্রতা  গ্রাস করে  তখন চাদরটা তার শরীরে উষ্ণতা তৈরী করে | হয়তো চাদরটার উষ্ণতা তৈরী করার শক্তি নেই, কিন্তু চাদরটা যখন বিশ্বাস হয়ে যায় তখন উষ্ণতার জন্ম হয় | যার চাদর কেনার সামর্থ্য নেই, তখন শীতটা তার জন্য চাদর হয়ে যায় | মানুষটার উদোম শরীর আর শীত এক হয়ে যায় | অথচ কেউ কেউ আবার দামি দামি মখমলের একটার পর একটা মোটা চাদর শরীরের উপর জড়িয়েও শীতকে জয় করতে পারেনা | 

অন্যকে বিশ্বাস করা যতটা সহজ নিজেকে বিশ্বাস করা ততটা কঠিন | এটা অনেকটা আত্মসমীক্ষণের মতো | যেখানে মানুষ নিজেকে একটা চিত্রকর্মে পরিণত করে | তারপর রংতুলি দিয়ে একটার পর একটা জলরঙে নিজেকে ডুবিয়ে দেখার চেষ্টা করে | বিশ্বাসে যখন মরিচা পড়ে তখন রংগুলো বদলে যায় | বিশ্বাস পরিবর্তিত হয় | বিশ্বাস তখন আত্মঘাতী হয় | যদি জল রঙে ডুবিয়েও রঙের পরিবর্তন না ঘটে তবে বিশ্বাস পরীক্ষায় উতরে যায় | 

সব হারিয়ে গেলেও ফিরে পাবার সম্ভাবনা থাকে, বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায়না | বিশ্বাস ভেঙে গেলে জোড়া লাগানো যায়না | বিশ্বাস অনেকটা নদীর পানির মতো | যে পানি একবার স্রোতে হারিয়ে যায় তাকে আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়না |

বিশ্বাস একটা চিঠির মতো | তবে বিশ্বাসের চিঠিতে কোনো কালো অক্ষরের লেখা থাকেনা, একটা অদৃশ্য অনুভূতি থাকে, বিন্দু বিন্দু না বলা কথা থাকে  | কষ্ট থাকে, যন্ত্রনা থাকে, আনন্দ থাকে, হাসি থাকে | হয়তো মিথ্যেকে সত্য করে বলার মতো অনেক কিছুই থাকে | অথচ  বিশ্বাসের চিঠি কখনো  খামবন্দি হতে চায়না, বরং খামকে বন্দি করতে চায় | খামও বন্দি হতে চায়না বরং চিঠিকে তার ভিতরে ঢুকিয়ে বন্দি করতে চায় | এখন যুগ পাল্টেছে | মানুষের উপর চিঠি আর খামের অনেক বিশ্বাস ছিল তা আজ হারিয়ে গেছে | কারণ স্বার্থপর মানুষ নতুন কোনো বিকল্প পেলে পুরাতনের বিশ্বাসকে হত্যা করে |   রঙিন মানুষ, রঙিন দুনিয়ার প্রেমে পড়ে সাদা কালো দুনিয়ার বিশ্বাসকে হারায় |

বিশ্বাস একটা সার্কাসের জোকারে মতো | যে নিজে হাসতে না পারলেও মানুষকে হাসানোর বিশ্বাসকে তার কান্নার মধ্যে দিনের পর দিন জমাতে থাকে | সেটা বুকের ভিতরে এমন একটা জায়গায় জমতে থাকে সেটা জোকারটা ছাড়া আর কেউ কখনো দেখতে পায়না | মানুষ ভাবে টাকা দিয়ে জোকারের হাসি কিনেছে | আর জোকারটা জানে মুখে রং মেখে প্রতিদিন তার কান্না মানুষের কাছে বিক্রি করছে সে | বিশ্বাস সেটা যেটা আমরা বিশ্বাস করিনা, বিশ্বাস সেটা নয় যেটা আমরা বিশ্বাস করি | খুব অদ্ভুত একটা মনস্তত্ব | যা বইয়ের পাতায় থাকেনা | অথচ বইয়ের পাতায় মানুষ সারাজীবন বিশ্বাসকে খুঁজে বেড়ায় |

চোখে চশমা পড়ে বিশ্বাসকে খুঁজতে গেলে চশমাটাই একটা বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | চোখও তখন বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | মানুষটাও বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | অথচ বিশ্বাসটা তখনও বিধ্বস্ত করা ঘূর্ণিঝড়ের মতো | কোথায় আঘাত হানবে তা কেউ আগে থেকে বলতে পারেনা |

একটা মানুষ বাজারে গিয়ে বিশ্বাসকে কিনবে বলে খুঁজে বেড়াচ্ছে অথচ ওই মানুষটার নিজের বিশ্বাস অন্যের কাছে কখন বিক্রি হয়ে গেছে তা সে নিজেই জানেনা | বিশ্বাস কখনো বিক্রি হতে ভালোবাসেনা অথচ মানুষ বিশ্বাসকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করতে চায় | যখন বিশ্বাস বিক্রি হয় তখন মানুষও বিক্রি হয় | বিশ্বাসের ভিতর মানুষ থাকে, মানুষের ভিতর বিশ্বাস থাকেনা | 

একটা কাঠের লাটিম বিক্রি করে যে মানুষটা সংসার চালায় তার জীবনটা অনেকটা লাটিমের মতো | লাটিম যতটা না ঘুরে লাটিম বিক্রি করা মানুষটাকে জীবনের সাথে লড়ার জন্য তার চেয়ে বেশি ঘুরতে হয় | লাটিমটা যে মানুষটা কিনে সে মানুষটাও লাটিমের মতো ঘুরে | সবাই ঘুরে, বিশ্বাসও ঘুরে | কিন্তু আবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু একেকজনের একেক রকম হয় |

মানুষ মরে যায়, বিশ্বাস তারপরও বেঁচে থাকে | মানুষের বয়স যত বাড়ে বিশ্বাসের বয়স তত কমে |  বিশ্বাসের বয়স এভাবে ক্রমাগত কমতে কমতে কখনো ফুরিয়ে যায়না | 


আরও খবর

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২




কুমিল্লায় ঈদের জামায়াতে

জাতীয়পার্টি নেতাকে কুপিয়ে আহত; নিরাপত্তাহীনাতায় পরিবার

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

 কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লায় পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে ঈদগাহের মধ্যে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য ও সদর দক্ষিন উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহŸায়ক শাহিন আলম’কে কুপিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঈদুল আযাহার দিন জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার দক্ষিন গোপালনগর ঈদগাহ মাঠে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত শাহিন আলমের স্ত্রী সদর দক্ষিন মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, সদর দক্ষিন থানার দক্ষিন গোপালনগর ঈদগাহের জায়গা নিয়ে একই এলাকার শাহ আলম, রুবেল, শহিদ, মাহিন, বাবুল, কামাল হোসেন, খোরশেদ আলমের সাথে মোঃ শাহিন আলমের বিরোধ চলে আসছিলো। 

ঈদুল আযহার দিন সকাল পৌনে ৮ টায় শাহিন আলম ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য ঈদগাহে যায়। নামাজ শুরু হওয়ার পূর্ব মুহুর্তে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে শাহিন আলমের উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এসময় শাহিন আলমকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। 

ঈদগাহ মাঠে হামলার ঘটনায় মুসল্লিরা ভয়ে নামাজ ছেড়ে পালিয়ে যেতে থাকে। পরে নামাজে আসা লোকজন আহত শাহিন আলমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। 

এ ঘটনায় শাহিন আলমের স্ত্রী খোসমুদন নাহার বাদী হয়ে সদর দক্ষিন মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

এদিকে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এয়ার আহমেদ সেলিম। তিনি হামলাকারীদের দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবী জানান। 

এ বিষয়ে সদর দক্ষিন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাসীষ জানান, ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি গুরত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এদিকে হামলাকারীদের প্রতিনিয়ত হুমকীর মূখে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনাতায় আছেন হামলার শিকার শাহিন আলম। তিনি হামলাকারীদের দ্রæত গ্রেফতার করতে প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করেন।


আরও খবর



৩ কোটি টাকা মূল্যের কুশ মাদক উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ আগস্ট 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

দেশে প্রথমবারের মতো কুশ মাদকসহ বিভিন্ন অপ্রচলিত মাদক বিক্রি এবং কুশ মাদক তৈরির মূলহোতা ওনাইসি সাঈদকে আটক করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আ ন ম ইমরান খান।

তিনি বলেন, দেশে এই প্রথম অপ্রচলিত মাদক কুশ, হেম্প, এক্সট্যাসি, মলি, এডারল, ফেন্টানিল ও অন্যান্য মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক তৈরির মূলহোতা ওনাইসি সাঈদ ওরফে রেয়ার সাঈদকে আটক করা হয়।

অভিযানে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের দেশি ও বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে। অভিযান ও কুশ মাদকের বিষয়ে আজ দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২