Logo
শিরোনাম

মামুনুল হকের মামলার পরবর্তী তারিখ ৪ অক্টোবর নির্ধারণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

জান্নাত আরা ঝর্ণা কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে সোনারগাঁয় থানায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলায় নারায়ণগঞ্জ আদালতে আরো দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। মঙ্গলবার  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় ক্র্যাচে ভর দিয়ে আদালতে উঠেন ধর্ষণ মামলার আসামি মামুনুল হক। মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন , রয়েল রিসোর্টের পিআরও জাকির হোসেন ও গণমাধ্যমকর্মী নুর নবী জনি। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলায় ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে মামুনুল হককে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আবারও তাকে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।’

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করেন মামুনুল হক। এ সময় স্থানীয় লোকজন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। 

এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হন মামুনুল হক। এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন মামুনুল হকের দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা।

মামুনুল হকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক নয়ন জানান, আরো দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতীয়মান হয়েছে যে মামুনুল হক নির্দোষ, আমরা ন্যায় বিচার পাব আশা করি।

জান্নাত আরা ঝর্ণার দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালীন সময়ে আদালত চত্তরে মামলার আসামী মামুনুল হক পন্থী অসংখ্য হেফাজত ইসলামীর নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে মামুনুল হকের মুক্তির দাবী করে শ্লোগান দিতে থাকে। এ সময় হেফাজত কর্মীরা বলেন, “হুজুরের স্ত্রী হুজুরের নামে ধর্ষণের মামলা করছে ! আর সুযোগ নিয়েছে সরকার।”

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন জানান, আজ মামলার আরো দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ৪ অক্টোবর নির্ধারণ করেছেন আদালত। 


আরও খবর



নওগাঁয় পৃথক দুটি স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পৃথক স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা ১০ টার দিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বালুঘা মোড় এলাকায় হাবিবর রহমান (৫০) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। অপরদিকে বদলগাছী উপজেলার কেসাইল চাওলাকালি বাজারে শনিবার দুপুরে আব্দুর রশিদ (৫৫) নামের অপর এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। দু'টি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পত্নীতলা ও বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ।

নিহত দু জন হচ্ছেন, বদলগাছী উপজেলার পারোরা গ্রামের মৃত ফারেজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রশিদ ও পত্নীতলার মহিমাপুর গ্রামের মৃত কেয়াম উদ্দিনের ছেলে হাবিবর রহমান। 

জানা যায়, নিহত আব্দুর রশিদ গরু বিক্রয়ের জন্য আক্কেলপুর বাজারে যাওয়ার পথে কেসাইল চাওলাকালি বাজারে পৌছালে তুস বোঝায় একটি ভটভটির চাকায় পিষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, নিহত হবিবর রহমান বাই সাইকেল নিয়ে নজিপুর থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। একই দিক থেকে আসা মুরগী বাহী একটি ভুটভুটি পিছন থেকে তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোন অভিযোগ না থাকায় মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। 


আরও খবর



শাহবাগ মোড় ছেড়ে আন্দোলনকারীদের ধর্মঘটের ডাক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে আন্দোলন করছিলেন শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা।



 আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এ অবরোধ সন্ধ্যা ৬টায় প্রত্যাহার করা হয়।  দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ থাকার কারণে রাজধানীর শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দেয়। 



আন্দোলনকারীরা রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়া শুরু করে। সন্ধ্যায় শাহবাগ মোড় ছেড়ে যাওয়ার সময় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা।



 দাবি আদায়ে আগামী রোববার সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তাঁরা।



আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ১৯৭১ সালে বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু এই কোটা পদ্ধতির ফলে চাষার ছেলে চাষা, রাজমিস্ত্রির ছেলে রাজমিস্ত্রি, মজুরের ছেলে মজুর থেকে যাবে। আমরা একই প্রশ্নে পরীক্ষা দেব, একই প্রশ্নে রিটেন লিখব, একই প্রশ্নে ভাইভার মুখোমুখি হব।



 কিন্তু তারা কোটা সুবিধার কারণে একাই সুবিধা পাবে সেটা মেনে নেওয়া যায় না। তাহলে কি জন্মই আমাদের আজন্ম পাপ? 


হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সরকার কোটা চায় না, প্রশাসন কোটা চায় না, শিক্ষকরা কোটা চায় না, বিশ্ববিদ্যালয় কোটা চায় না, তাহলে কোটা চায় কে? সরকার যেখানে কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছে সেখানে কোন অদৃশ্য শক্তি বলে এই কোটা বহাল করা হয়? আমরা এই অদৃশ্য শক্তির হাত গুঁড়িয়ে দেব। 



আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, হাইকোর্ট শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রহসন করছে। তারা পুনরায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করুক। আমরা হাইকোর্টের বিরুদ্ধে না। 



তারা নিজেদের মতো কাজ করে যাবে কিন্তু আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবি আদায় করে ঘরে ফিরব। আজ আমরা ফিরে যাচ্ছি কিন্তু আগামীতে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে রাজপথে নামব। 



আজ সারা দেশে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দাবি আদায়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। আশা করি, আমাদের দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত তারা আমাদের সঙ্গে থাকবে। 


এর আগে আজ সকাল সাড়ে ১১টায় শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর-টিএসসি হয়ে বেলা সোয়া ১২টায় শাহবাগ মোড়ে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানেই অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। 


প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। 



এতে করে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং শাহবাগ ও আশপাশের এলাকা অচল হয়ে পড়ে।



আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মহা কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৮তম প্রয়াণ দিবস আজ।


 ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন আলিপুর জেনারেল হাসপাতালে অর্থাভাবে তিনি মারা যান।


ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি মধুসূদন ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


মধুসূদন সাত বছর বয়সে কলকাতা যান। খিদিরপুর স্কুলে দুই বছর পড়ার পর ১৮৩৩ সালে কবি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। 


বাংলা, ফরাসী ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৪৪ সাল থেকে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার বিশব কলেজে অধ্যায়ন করেন। 


সেখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভুক্ত হাইস্কুলে শিক্ষাকতা করেন। মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত পত্রিকা মাদ্রাজ স্পেক্টেটর এর সহকারি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। 


১৮৬২ সালের ৯ জুন ব্যারিষ্টারি পড়ার জন্য তিনি বিলেত যান। ১৮৬৬ সালে তিনি ব্যারিষ্টারি পাশ করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এই ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে।


যদিও তার প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘The Captive Ladie’ কে ইংরেজরা তখন সাদরে গ্রহণ করেনি। পাশ্চত্যের প্রতি আর্কষিত মধুসূদন ১৮৪৩ সালে খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়ে ‘মাইকেল’ উপাধি ধারণ করেন।


 তিনি ইংরেজদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এটি রচনা করলে গ্রন্থটি তৎকালীন ইংরেজ সাহিত্যিকদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। মধুসূদন থাকলে তাদের সাহিত্যকর্ম স্থান পাবে না এই সংশয় তাদের মাঝে প্রকটভাবে দানা বাধতে থাকে। 


ইংরেজি সাহিত্যে তার কীর্তির যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ায় তিনি মনক্ষুন্ন হয়ে পড়েন। তখনই বুঝতে পারেন শেকড় ভোলার জ্বালা।


ইংরেজি সাহিত্য থেকে ছিটকে পড়ে বন্ধু মহলের পরামর্শে মধুসূদন বাংলাভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। 


তিনি বাংলা সাহিত্যে উপহার দেন শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য, কৃষ্ণকুমারী, মেঘনাদবদ কাব্য, ব্রজঙ্গনা কাব্য, বীরঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশদপদী কবিতাবলী, হেক্টরবধ এর মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।


মধুসূদন দত্ত নাট্যকার হিসেবেই প্রথম বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে পদার্পণ করেন। ১৮৫৯ সালে তিনি রচনা করেন ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক। এটিই প্রকৃত অর্থে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক। 


১৮৬০ সালে রচনা করেন দুটি প্রহসন : ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এবং পূর্ণাঙ্গ পদ্মাবতী নাটক। পদ্মাবতী নাটকেই তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। 


একের পর এক রচনা করেন ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ (১৮৬১) নামে মহাকাব্য, ‘ব্রজাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬১), ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক (১৮৬১), ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতা (১৮৬৬)।


মধুসূদনের শেষ জীবন চরম দুঃখ ও দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। আইন ব্যবসায় তিনি তেমন সাফল্য লাভ করতে পারেননি। তা ছাড়া অমিতব্যয়ী স্বভাবের জন্য তিনি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। 


সাগরদাঁড়ির মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি ও গবেষক খন্দকার খসরু পারভেজ বলেন, করোনার কারণে কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালনে এবার উন্মুক্ত কর্মসূচি নেওয়া সম্ভব হয়নি। 


তবে আজ সকালে সাগরদাঁড়ির মধুপল্লীতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ এবং সন্ধ্যায় কবির সাহিত্যকর্ম ও জীবনীভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা, মধুসূদনের কবিতা থেকে আবৃত্তির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

প্রথমবারের মতো নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভের (এনআইআর) হিসাব প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের তথ্য মতে, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত জুন শেষে আইএমএফ স্বীকৃত বিপিএম৬ অনুযায়ী নিট রিজার্ভ ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে প্রকৃত পরিমাণ কতো তা স্পষ্ট করেননি।

চলতি বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৭.১৫ বিলিয়ন ডলার। তবে ৩০ জুন শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র ৩ দিনে দেশের রিজার্ভ কমেছে ০.৩৪ বিলিয়ন ডলার।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী এ রিজার্ভের পরিমাণ আরও কম।

আইএমএফ বলছে, ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ ২১.৮৩ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত সংস্থাটি রিজার্ভ থেকে কোনো ঋণের দায় বা অন্য সংস্থাকে ঋণ দেওয়া অর্থকে রিজার্ভ হিসাবে বিবেচনা করে না।

এর আগে, গত ২৭ জুন রিজার্ভে আইএমএফ থেকে ১.১৫ বিলিয়ন বা ১১৫ কোটি ডলার ছাড়াও কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে আরও ৯০০ মিলিয়ন বা ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছিল। যার জন্য সবমিলিয়ে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ২৭.১৫ বিলিয়ন ডলারে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। এর তিনদিন পর প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এরপর গত ১৬ ডিসেম্বর আসে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার।

২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাতটি কিস্তিতে ঋণের পুরো অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির পরবর্তীগুলোতে সমান অর্থ থাকার কথা থাকলেও রিজার্ভ আরও কমে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে বেশি অর্থ চায় বাংলাদেশ। বেশ কিছু কঠিন শর্তের বাস্তবায়ন ও আগামীতে আরও বড় সংস্কার কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সংস্থাটি তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলারের পরিবর্তে ১১৫ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে।

আইএমএফের দেওয়া ঋণের একটি অংশ জলবায়ু তহবিলের, যা বাংলাদেশকেই প্রথম দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকুক, তা চায় সংস্থাটি। এজন্য চতুর্থ কিস্তির জন্য জুন শেষে নিট রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ৫.৩৪ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার।


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




আনার খুনের গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকা আনা হচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


হেলিকপ্টার অভিযানে ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যায় ঘাতক দলের অন্যতম দুই পলাতক আসামি ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দারা।



বুধবার (২৬ জুন) খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনা হচ্ছে। ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ।


এর আগে দুপুর থেকে খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ে হেলিকপ্টার দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালায় ডিবির তদন্ত দল।


ডিবি সূত্র বলছে, সন্দেহভাজন আসামিদের মধ্যে মোস্তাফিজুর ও ফয়সাল সংসদ সদস্য খুন হওয়ার আগে গত ২ মে কলকাতায় যান। তারা দেশে ফিরে আসেন ১৯ মে।



 এই দুই জনকে হন্য হয়ে খুঁজছিল ডিবি। দুই জনের বাড়ি খুলনার ফুলতলায়। খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হিসেবে চিহ্নিত শিমুল ভূঁইয়ার বাড়িও একই এলাকায়।



এদিকে আনার হত্যায় অন্যতম অভিযুক্ত জেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে সঙ্গে নিয়ে তার তিনটি ফোন উদ্ধারে ঝিনাইদহে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।


গোয়েন্দাদের ধারণা, ওই তিনটি মোবাইল উদ্ধার করা গেলে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা রহস্যের অনেক তথ্যাদি মিলবে।


আরও খবর