Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

মানবদেহের জন্য বিপজ্জনক প্রাণী মশা

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

যে সব পশু-প্রাণীর আক্রমণ বা কামড়ের কারণে মানুষ প্রাণ হারায় তাদের মধ্যে সবচেয়ে ওপরের অবস্থানে রয়েছে মশা। আমাদের অতি পরিচিত ও অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক পুঁচকে প্রাণী মশার কামড় থেকে রোগাক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রাণ হারায়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মশা নানা ধরনের রোগ ছড়ায় এটাও সত্যি। তবে আমরা যেটা কল্পনাও করতে পারি না, কোনো প্রাণী যদি আমাদের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর হয় সেটি মশা। বিবিসি সায়েন্স ফোকাস, বিবিসি ওয়াইল্ডলাইফ ম্যাগাজিনের নিবন্ধে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রোগে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী এই মশা। উড়ে বেড়ানোর এই ক্ষুদ্র প্রাণীর কামড়ে যে সব রোগ ছড়ায় তাতে বছরে সাড়ে সাত লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। আর এই মৃত্যুগুলোর বড় একটি অংশ আসে ম্যালেরিয়ার কারণে। এটির প্রভাব সবচেয়ে বেশি আফ্রিকায়। পৃথিবীর মোট ম্যালেরিয়া সংক্রমণের ৯৫ শতাংশ ও মৃত্যুর ৯৬ শতাংশ আফ্রিকায়। আরও যেসব বড় রোগের বাহক ছোট্ট এই প্রাণীটি এর মধ্যে আছে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, জিকা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ইত্যাদি।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডেঙ্গু। এ বছর ইতোমধ্যে এডিস মশার কারণে সৃষ্টি হওয়া ডেঙ্গু জ্বরে বাংলাদেশে ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন অনেক মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যে, হাসাপতালগুলোতে ঠাঁই নেই অবস্থা।

ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে এডিস মশা। এই মশা কামড়ালে ডেঙ্গু জ্বর হতে পারে। সাধারণত বর্ষাকালেই ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে- এই ধারণা বদলে যাচ্ছে। এখন সারা বছরই কেউ না কেউ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলোতে সারা বছরই ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন আর নির্দিষ্ট কোনও মৌসুমে সতর্ক হলে চলবে না। ডেঙ্গু জ্বর থেকে রেহাই পেতে হলে সারা বছরই সতর্ক থাকতে হবে।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা বলেন, এখন সারা বছরই ডেঙ্গু জ্বর হচ্ছে। তবে ডেঙ্গুর মৌসুমে এটি আরও বেশি হয়। বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই রোগের প্রকোপ বেশি থাকে। যদিও অনেকেই বলে থাকেন বর্ষাকালে বেশি ডেঙ্গু জ্বর হয়। বাস্তবতা হচ্ছে, বর্ষাকালে বৃষ্টির পরিমাণ যখন কমে আসে, তখন এই রোগের বিস্তার বাড়ে। যখন থেমে থেমে বৃষ্টি হয় তখনও ডেঙ্গু বেশি হয়। আর টানা বৃষ্টি হলে ডেঙ্গুর লাভা ধুয়ে মুছে চলে যায়। ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় গবেষণা চলছে। ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা খুব ভোরে, সন্ধ্যায়, সূর্যাস্ত ও সূর্য ওঠার সময়টাতে বেশি আক্রমণ করে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে দিনে ও রাতে অর্থাৎ সারাবেলায়ই কামড়ায়।

সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকরা বলেন, ডেঙ্গুর ব্যাপারে নাগরিকদের সচেতন হওয়া দরকার। এডিস মশার কারণে এই রোগ হয়। এটি নিয়ন্ত্রণ করার সহজ উপায় হলো বাড়িঘর ঝকঝকে পরিষ্কার রাখতে হবে। ছাদ, ফুলের টব, ফুলদানি ও চারপাশ ঝেরে মুছে পরিষ্কার রাখতে হবে। বাসাবাড়ির কোথাও ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না। কারণ, এডিস মশা মূলত বাড়িতেই বেশি হয়। ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার আগে বালতিতে রাখা পানি ও ফ্রিজের পেছনে জমা হওয়া পানি নিয়ম করে ফেলে দিতে হবে।

চিকিৎসকরা বলেছেন, রোগ হওয়ার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করা উত্তম। ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে এর বাহক এডিস মশাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর মশা প্রতিরোধ করতে হলে যেখানে মশা জন্মাতে পারে তা প্রথমেই নিরোধ করতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, ডেঙ্গু হচ্ছে এবং বেশি রকমই হচ্ছে। এটা যাতে আর বাড়তে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। এই রোগ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত পর্যায়ে এবং সরকারিভাবে সচেতনতা খুব জরুরি। নিজের বাসা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। মশা যেন কখনও কামড়াতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। দিনে ঘুমালেও মশারি টাঙাতে হবে বা স্প্রে করতে হবে। শিশুরা হাফপ্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট পরবে। খেয়াল রাখতে হবে মশা যেন কোনোভাবেই না কামড়াতে পারে। মশার বংশ যেন বিস্তার লাভ করতে না পারে, ব্যক্তিগত এবং সরকারি পর্যায়ে এই উদ্যোগ নিতে হবে।

ডেঙ্গুর চিকিৎসা প্রসঙ্গে ডা. মো. এহসানুল করিম বলেন, এই রোগের স্পেসিফিক কোনও চিকিৎসা নেই। এটি মশাবাহিত রোগ। ডেঙ্গু রোগের উপসর্গ ধরে চিকিৎসা দিতে হয়। ডেঙ্গু হলে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। চিকিৎসকরা ব্যথার চিকিৎসা করেন। যদি কোনও কারণে রক্তের প্ল্যাটিলেটের মাত্রা কমে যায়, তাহলে এই প্ল্যাটিলেট বাড়ানোর জন্য চিকিৎসা করাতে হবে। একইসঙ্গে জ্বরের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। শরীরে তরল পদার্থের মাত্রা ঠিক রাখতে হবে। নিয়ম মেনে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।

 


আরও খবর



জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ৭ হাজার ৫৯৯ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সদরুল আইন:


লতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইন আবেদনে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশিত হয়েছে।


  রোববার (২৩ জুন) রাত ৮টায় একাদশে ভর্তির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।



প্রকাশিত ফল থেকে জানা গেছে, এবার জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ৭ হাজার ৫৯৯ জন শিক্ষার্থী। এর আগে, গত ১৩ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। যা শুরু হয়েছিল ২৬ মে।



ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে জানা গেছে, চলতি বছর সব শিক্ষা বোর্ড (সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) মিলিয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। সব মিলিয়ে এবার প্রায় ১০ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে।




জানা গেছে, প্রথম ধাপে আবেদন করেছে ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে আবেদন করেছে এবং ফি-ও দিয়েছে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫০। বাকিরা আবেদন করলেও ফি জমা দেয়নি। 



এই শিক্ষার্থীরা যেহেতু সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পারে, সে হিসেবে মোট আবেদন জমা পড়েছে ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৩টি। এর মধ্যে কলেজ পেয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৯ জন। অর্থাৎ ৪৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেও কলেজ পায়নি।


জানা গেছে, প্রথম ধাপে ফল প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নিশ্চয়ন করতে হবে। নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য আসনে ৩০ জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। ৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। 



এরপর টানা চার দিন চলবে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতদের নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া। ৯ ও ১০ জুলাই তৃতীয় ধাপে আবেদন নেওয়া হবে, এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জুলাই রাত ৮টায়। তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চয়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত।


 একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে আগামী ৩০ জুলাই।



আরও খবর



যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যে ৩৪ জন প্রার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। 



প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৯৮টি ছোট-বড় রাজনৈতিক দল। 



পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চার হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী।



এই নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে অংশ নিচ্ছেন মোট আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তারা হলেন–রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমি চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নূরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। 



এদের মধ্যে রুশনারা আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে নির্বাচনি এলাকা থেকে, রূপা হক ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকশন থেকে, টিউলিপ সিদ্দিক হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে এবং আফসানা বেগম পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস এলাকা থেকে। 



এরা চারজনই বর্তমান পার্লামেন্টের সদস্য এবং পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়াতে মনোনয়ন পেয়েছেন।


এ ছাড়া লোবার পার্টি থেকে লড়ছেন–রুমি চৌধুরী উইথাম থেকে, রুফিয়া আশরাফ সাউথ নর্থ হ্যাম্পটনশায়ার থেকে, নুরুল হক আলী গর্ডন অ্যান্ড বুচান থেকে এবং নাজমুল হোসাইন ব্রিগ অ্যান্ড ইমিংহাম নির্বাচনি এলাকা থেকে।


ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান। এদের মধ্যে আতিক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নর্থ লন্ডনের টটেনহাম থেকে এবং সৈয়দ সাইদুজ্জামান ইলফোর্ড সাউথ থেকে।



ছয়জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওয়ার্কাস পার্টি থেকে। তারা হলেন–গোলাম টিপু (ইলফোর্ড সাউথ), প্রিন্স সাদিক চৌধুরী (বেডফোর্ড), মোহাম্মদ সাহেদ হোসেন (হাকনি সাউথ), ফয়সাল কবির (অলট্রিনচাম অ্যান্ড সেল), মোহাম্মদ বিলাল (ম্যানচেস্টার রুশোলম) ও হালিমা খান (স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো)।



গ্রিন পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন–সাঈদ সিদ্দিকি (ইলফোর্ড সাউথ), সাঈদ শামসুজ্জামান শামস (ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টন) ও শারমিন রহমান (লিচেস্টার সাউথ)।


যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্ট নির্বাচনে রিফর্ম পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ (ইলফোর্ড সাউথ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান (বেথনাল গ্রিন অ্যাণ্ড বো), স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া (ডানফার্মার লাইন অ্যাণ্ড ডলার) এবং সোশালিস্ট পার্টি থেকে মুমতাজ খানম (ফক্সটোন) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।



এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। 


তারা হলেন–ওয়াইস ইসলাম (হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস), আজমল মনসুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন (বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে), এহতেশামুল হক (পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস), ওমর ফারুক ও নিজাম আলী (স্ট্রাটফোর্ড অ্যান্ড বো), নূরজাহান বেগম (ইলফোর্ড সাউথ), হাবিব রহমান (নিউক্যাসল সেন্ট্রাল ওয়েস্ট), আবুল কালাম আজাদ (বেক্সহিল অ্যান্ড ব্যাটল) ও রাজা মিয়া (ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেদারটন অ্যান্ড রয়টন)।


আরও খবর



কুমিল্লায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৪ লাখ বেশি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কুমিল্লা জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েছে। জেলায় বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২৭ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১ হাজার ৯৭৪ জন।



 জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের চেয়ে মহিলা চার লাখের বেশি। জেলায় মোট পুরুষ ২৯ লাখ ৩৭১ জন, মহিলা ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৫৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ২৫৬ জন। 


জেলার জনশুমারি ও গৃহগণনার রিপোর্টটি তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপপরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান। বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা এটি।এতে কুমিল্লার জনসংখ্য৬২ লাখ ছাড়িয়েছে।



এ বিষযে জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নে বিভিন্ন সময়ে আইনের পরিবর্তিত নতুন বিধিমালা জারি করেন। যা ২০১৩ সালে আদমশুমারি নাম বাদ দিয়ে জনশুমারি করা হয়েছে। 


তিনি বলেন, জনসেবা প্রদানের মধ্যে সঠিক তথ্য নির্ভর করার লক্ষ্যে সঠিকভাবে শুমারির প্রয়োজন। দেশের ও সমাজের উন্নয়ন অগ্রগতির লক্ষ্যে এলাকাভিত্তিক সার্বিক শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 



জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তাদের জনকল্যাণে ২০২২ সালের জনশুমারির রিপোর্ট অনুসরণ করে সেবা দানের কার্যক্রম গহণের আহ্বান জানান তিনি।



জনশুমারির রিপোর্ট বলা হয়েছে, সাক্ষরতার হার জাতীয় সাক্ষরতার হারের চেয়ে বেশি। জেলা সাক্ষরতার হার ৭৬.৬৮ এবং জাতীয় সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০। 


জেলায় মোট ৮৮.৮৫% খানার নিজস্ব বাসগৃহে বসবাস করে। ৯% খানা ভাড়া বাসায় বসবাস করে যাদের অন্যত্র নিজস্ব বাসগৃহ আছে এবং ১.৩৬ শতাংশ খানা ভাড়া  বাসায় বসবাস করে যাদের কোন নিজস্ব বাসগৃহ নেই এবং ০.৩৩ পার্সেন্ট লোক বিনা ভাড়ায় বসবাস করে যাদের অন্যত্র নিজস্ব বাসগৃহ আছে। 


প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক জেলায় পাঁচ বছর ও তদুর্ধ বয়সীদের মধ্যে ৫৮.৫৮ শতাংশ মানুষের নিজস্ব ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে এবং ৪০.২৬ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। 


জেলার জনশুমারি ও বসবাসকারী ১২ লাখ ৬৯ হাজার ২৮০ জন এবং পল্লী এলাকায় বসবাসকারী ৪৯ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৬ জন। এছাড়া জেলায় ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার হার মুসলমান ৯৫.৫৬, হিন্দু ৪.৩৩, বৌদ্ধ ০.০৯, খ্রিস্টান ০.০১ এবং অন্যান্য ধর্মের হার ০.০০৩। বাসস।


আরও খবর



দাবার কোর্টেই মৃত্যূর কোলে গ্র্যান্ডমাস্টার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সদরুল আইন:

জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম রাউন্ড চলছিল। গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীবের বিপক্ষে ভালো পজিশনেই ছিলেন আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। 

হঠাৎ-ই দাবা ফেডারেশনের রুমে দুই দাবাড়ু শাকিল ও নাইম হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এসে জানান, ‘জিয়া ভাই মাথা ঘুরে পড়ে গেছে।’

সেখান থেকে আর ফেরা হলো না দেশের জনপ্রিয় এই গ্র্যান্ডমাস্টারের। চলে গেলেন পরপারে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জিয়ার অসুস্থ হওয়ার খবর শুনেই সবাই দ্রুত ছুটে যান দাবা বোর্ডের রুমে। সবাই তড়িঘড়ি করে তাকে ধরে নিচে নামায়। জিএম রাজীবের গাড়িতে করে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিয়াকে।

মাত্র নয় মিনিটে পল্টনের দাবা ফেডারেশন থেকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত ঘোষণা করে ডাক্তার।

জিয়ার স্ত্রী লাবণ্য ফেডারেশনেই ছিলেন। তার ছেলে তাহসিন তাজওয়ারও জাতীয় দাবা খেলছেন। এ সময় ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে অবস্থান করছেন দাবা অঙ্গনের অনেকেই।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। ১৯৭৪ সালে জন্ম নেওয়া জিয়া ১৯৯৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল আর ২০০২ সালে দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের খেতাব অর্জন করেন। বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শো ৭০ ফিদে রেটিংও তার।

১৯৮৮ সালে প্রথমবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হোন জিয়াউর রহমান। টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নও তিনি। যেখানে বাকি চার গ্র্যান্ডমাস্টার সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ১৬ বার।


আরও খবর



অবসর নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


ক্রিকেটের সীমিত ওভারের ফরম্যাট থেকে কবে অবসর নিচ্ছেন সাকিব আল হাসান? বিশ্বকাপ শুরুর আগে সবচেয়ে উচ্চারিত হয়েছে এই প্রশ্ন! 


টুর্নামেন্টেও সাকিবের পারফর্ম চূড়ান্ত হতাশাজনক। ব্যাটে রান নেই, বলেও নির্বিষ। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতা তো আছেই। পরিস্থিতি যখন এই তখন ঘুরেফিরে আবারও প্রশ্ন, কখন থামছেন সাকিব? 



ভারতের বিপক্ষে গতকাল শনিবার বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। ম্যাচটির পর ৩৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের কাছে জানতে চাওয়া হয় তার অবসর ভাবনা নিয়ে। 



সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেছেন, 'এটি শেষ (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ)কি না, জানি না। পৃথিবীতে যে কোনো সময় যে কোনো কিছু হওয়া সম্ভব। এটা তো সিদ্ধান্ত নেবে আসলে ক্রিকেট বোর্ড। আমার নিজেরও ব্যক্তিগত কিছু সিদ্ধান্ত থাকতে পারে।


 তবে এগুলো আসলে এখনই এখানে আলোচনা করার বিষয় নয়। এগুলো সময়ের সঙ্গে হয়তো আলোচনা হতে পারে।' 


২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব অবশ্য চলমান বিশ্বকাপ ও ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কথা জানিয়েছিলেন। তবে, এবার জানালেন এই ভাবনা থেকে নাকি সরে এসেছেন তিনি। 


সাবেক এই অধিনায়ক বলছেন,'বলেছিলাম যে, তখনও পর্যন্ত চিন্তা এরকম… চিন্তা তো বদলাতেই পারে। এগুলা নিয়ে আসলে আমি অনেক বেশি চিন্তিত নই। অনেক বড় বিরতি আছে সামনে। 



নিজের ওপর রিফ্লেক্ট করা যাবে, দলের প্রয়োজনীয়তা ভেবে দেখা যাবে, যদি দল মনে করে যে, আমাকে দরকার আছে, যদি আমি মনে করি যে দলে আমার দরকার আছে ও আমি ওভাবে তাড়না অনুভব করছি, সবকিছু যদি ঠিকঠাক তাহলে, তাহলে এটা খেলার বিষয় দেখা যাবে।'



আরও খবর