Logo
শিরোনাম
১৩০০ বোতল সোয়াবিন তেল জব্দ, জরিমানা ১ লক্ষ টাকা

মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

 মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

মানিকগঞ্জ শহরে বোতলজাত সয়াবিন তেল অবৈধ মজুদ করে বোতল খুলে খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে এক তেলের ডিলারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শুক্রবার শহর বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন বাজারে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীরা সয়াবিন তেল অবৈধভাবে মজুদ রেখেছেন। এসব তেলের বোতল খুলে খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রি করছেন তারা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ শহর বাজারে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়। এ সময় কালীপদ অ্যান্ড সন্স নামের তেলের ডিলারের গুদামে অভিযান চালিয়ে পাঁচ লিটার ও দুই লিটারের এক হাজার ৩০০ লিটার তেল পাওয়া যায়।

গোডাউনে পাওয়া এসব তেলের বোতল গত রমজান মাসে মজুদ করে রাখা হয়েছে। সে সময় পাঁচ লিটার এক বোতল সয়াবিনের মূল্য ৭৯৫ টাকা ছিল। তবে বর্তমানে তেলে দাম বাড়ায় প্রতি পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ৯৯০ টাকা। তবে বোতলে পূর্বের ওই মূল্য থাকায় ক্রেতাদের কাছে তা বিক্রি না করে বোতল খুলে অতিরিক্ত দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। এতে প্রতি লিটারে ২০ টাকা বেশি লাভ হচ্ছে। এ কারণে কালীপদ অ্যান্ড সন্সের গুদামে অবৈধভাবে মজুদ করার দায়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক নিরঞ্জন বণিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মজুদ করা এসব তেল উপস্থিত ক্রেতাদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, বাজারে সয়াবিন তেলের বেশ চাহিদা রয়েছে। এরপরও ওই ডিলার বাজারে তেল বিক্রি না করে অবৈধভাবে মজুদ করে খোলাবাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি না করতে এবং তেলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ওই বাজারের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানে সদর থানার পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন ।


আরও খবর



তিল ধারণের ঠাঁই নেই ট্রেনের প্লাটফর্মে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

ঈদযাত্রার প্রথম দুই দিন অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও তৃতীয় দিন শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) কমলাপুার রেলস্টেশনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ের কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের, তবে বাড়ি ফেরার উচ্ছ্বাসের কাছে ম্লান সে ভোগান্তি।

প্রথম দিন থেকেই বিলম্বিত হচ্ছে কিছু ট্রেন। পরিস্থিতি মাথায় রেখে বেশ আগে থেকেই স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছেন অনেকে।

আগের দিন বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিবস ছিল। আজ থেকে ছুটি শুরু হওয়ায় বাড়ির পথে পাড়ি দিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে তিল ধারণের জায়গা থাকছে না।

যানজট ও ট্রেন ধরতে না পারার আশঙ্কা থেকেই অনেক আগে থেকেই স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হন। যাদের বাসা দূরে, তারা সেহেরির আগেই রওনা দিয়েছেন। আর যাদের কাছাকাছি এলাকায়, তারা সেহেরি খেয়ে রওনা দিয়েছেন স্টেশনে।

কথা হয় কিশোরগঞ্জগামী এগারসিন্দুর প্রভাতীর যাত্রী আসাদ মিয়ার সঙ্গে। তিনি রাজধানীতে ব্যবসা করেন। ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি ভৈরবে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে স্ত্রী ও ভাই।

তিনি জানান, যানজটের কারণে ট্রেন যেন মিস না হয়, তাই অনেক আগেই চলে এসেছেন স্টেশনে। ট্রেন সকাল সোয়া সাতটায় ছাড়ার কথা থাকলেও তিনি এসেছেন আরও ঘণ্টা দুয়েক আগে।

আসাদ বলেন, গতকাল সবাই অফিস শেষ করেছেন। আজকে ভিড় হবে, এটা আগে থেকেই অনুমান করেছিলাম। তাই সেহরি খেয়েই রওনা দিয়েছিলাম।

একটু আগেই চলে এসেছি। বসে সময় কাটাতে হয়েছে, তবে তাতে আপত্তি নেই, ট্রেনটা তো আর মিস হচ্ছে না। বাড়ি যেতে পারছি, এটাই মনে ভালো লাগার অনুভূতি এনে দিচ্ছে।

চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতীর যাত্রী বেসরকারি চাকুরে আরিফ বলেন, ‘রাস্তাতে আসার পথে ব্যাপক যানজট ছিল। স্টেশনে আসতে গাড়িও পাওয়া যাচ্ছিল না। সিএনজিগুলো অনেক বেশি ভাড়া চাচ্ছে। অবশেষে বেশি ভাড়া দিয়েই একটা সিএনজিতে এসেছি।

তিনি বলেন, গতকাল সবাই অফিস করেছেন। আজকে ছুটি শুরু হওয়ায় স্টেশনে ভিড় বেড়েছে। মানুষের ভিড়ে প্রচণ্ড গরম লাগছে, তবে বাড়ি যাওয়াটাই এখন মুখ্য বিষয়, আনন্দের বিষয়। এ জন্য এসব কিছুই মনে হচ্ছে না।

তিস্তা এক্সপ্রেসের যাত্রী হাসানের সঙ্গে কথা হয়। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এ ব্যক্তি বলেন, ‘আজকে তো ছুটি শুরু, মানুষের ভিড় বেশি হবে। এটা আগেই অনুমান করেছিলাম, তবে ভিড়টা অনেক বেশিই মনে হচ্ছে, যার কারণে গরমও পড়েছে।

এসব কষ্টের বাইরেও ভালো লাগার বিষয় এটি যে, ঈদ করতে পারব মা-বাবার সঙ্গে

তিনি জানান, ট্রেন ধরতে সেহেরি খেয়েই বাসা থেকে রওনা দিয়েছিলেন।

এবারের ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ৫৩ হাজার যাত্রী ট্রেনে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এর মধ্যে শুধু আন্তনগর ট্রেনে আসন আছে ২৭ হাজারের বেশি।

ঈদযাত্রা শেষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১ মে থেকে। এবারের ঈদযাত্রার সুবিধার্থে ছয় জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



সেপটি ট্যাংক থেকে মরাদেহ উদ্ধার, ভাগিনা শ্রীঘরে

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীতে সদর উপজেলায় শৌচাগারের সেপটি ট্যাংক থেকে মো.ওমর ফারুকের (৩০) মরদেহ উদ্ধারের ১২ঘন্টার মধ্যে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ । একই সাথে এ হত্যাকান্ডে জড়িত আসামি আনছারুল করিম কে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত করিম কক্সবাজার জেরার মহেশখালী উপজেলার কালারমাছড়া ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ঝাপুয়া গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে। নিহত ফারুক একই ইউনিয়নের উত্তর ঝাপুয়া গ্রামের খাতুবের বাড়ির মৃত আলী আহম্মদের ছেলে।

সোমবার (৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর সাকলা গ্রামের হারুনের মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে আসামি আনসারুল করিমের ২০১৮ সালে বিয়ে হয়। গত ২০ এপ্রিল কাজীর মাধ্যমে তারা একে অপরকে তালাক প্রদান করে। তালাক প্রদান করায় আনছারুল করিম তাঁর স্ত্রীর উপর ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর জন্য পরিকল্পনা করে আনছারুল। পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামি তাহার চাচাত মামা মো. ওমর ফারুককে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে গত ৫ ই মে আনসারুল করিমের শ্বশুর বাড়ি উত্তর চাকলায় নিয়ে আসে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আনছারুল তাঁর আরেক সহযোগীসহ একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্বশুর বাড়ির উত্তর পাশে সুপারি বাগানের মধ্যে নিয়ে মামার শার্ট খুলে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

 প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এরপর আসামি তার শ্বশুর বাড়ির শৌচাগারের সেপটি ট্যাংকের ভিতর মামার লাশ পেলে চট্রগ্রামে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার চার দিন পর মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপর পলাতক আসামি রাসেলকে গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

উল্লেখ্য,এর আগে গতকাল রোববার ৮ মে দুপুর ২টার দিকে নোয়াখালীর সদর উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চাকলা গ্রামের খোনার মসজিদ সংলগ্ন চুটকি বাড়ি সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের (৩৫) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  

কালাদরাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাদাত উল্যাহ সেলিম জানান,পচা গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে চুটকি বাড়ির একটি শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।


আরও খবর



সোনারগাঁয়ে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একই পরিবারের তিন ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের লাধুরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তিনভাইকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায়  গতকাল শনিবার দুপুরে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের লাধুরচর এলাকার শাফিউদ্দিনের ছেলে মিজানুরের সাথে একই এলাকার আ: জব্বারের ছেলে আনোয়ার হোসেনের সাথে পূর্ব শত্রæতার জেরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত শুক্রবার বিকেলে লাধুরচর টিটির বাড়ি এলাকায় আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে রফিকুল, অলু মিয়া, শহিদুল্লাহ, আলী আকবর, আসিফ, শরিফসহ আরো অজ্ঞাত ৪-৫ জনের একটি দল মিজানকে একা পেয়ে তার পথ গতিরোধ করে। এ সময় তারা মিজানকে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি, ধারালো অস্ত্র, লোহার রডসহ লাঠিসোঠা নিয়ে পিটিয়ে জখম করে। মিজানের আত্মচিৎকারে তার ছোট দুই ভাই শাহিন ও আলআমিন ছুটে এলে তাদেরকে তারা পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্বকভাবে জখম করে। পরে এলাকার লোকজন ও স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এলাকাবাসী জানান, আনোয়ার হোসেন এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য। সে ও তার ভাইয়েরা এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ নানা অপর্কম করে বেড়ায়। কেউ তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। তাদের অত্যচারে এলাকার নিরীহ লোকজন অতিষ্ট।

আহত মিজান জানান, আনোয়ার মেম্বার অহেতুক আমার ও আমার ভাইদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। তারা সব ভাই খারাপ প্রকৃতির লোক।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন বলেন, মিজানসহ তার ভাইয়েরা এলাকায় নেশা করে। তাদের বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা করে আমাদের লোকজনদের আহত করে।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, হামলার ঘটনায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



গাজারিয়ায় ইফতার বিতরন করলো সেভ দ্য ফিউচার

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৮৮জন দেখেছেন
Image

শাহাদাত হোসেন সায়মনঃ 

সামাজিক সংগঠন সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন, গজারিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতারি বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় রিকশাচালক, পথশিশু ও শতাধিক পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

গজারিয়া উপজেলা  শাখার সভাপতি মোঃ মাসুৃম মৃধার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইস উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন মুন্সিগঞ্জ জেলা সভাপতি এম আহমেদ রাসেল, গজারিয়া উপজেলা  শাখার সাধারন সম্পাদক হালিম প্রধান, সহ সভাপতি সূর্যমণি  প্রধান জুয়েল, সালেহ প্রধান, সুজন চৌধুরী,দেলোয়ার হোসেন সাবেক মেম্বার, ফয়সাল আহম্মেদ বাবু, 

 যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: শাহাদাত হোসেন সায়মন  সাংবাদিক, গজারিয়া সরকারি কলেজে শিক্ষক খোকন চন্দ্র, আমিরুল ইসলাম তুহিন, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম, রাজু আহম্মেদ বাবু প্রমুখ।

কর্মসূচি সম্পর্কে সংগঠনটির সভাপতি মাসুম মৃধা  বলেন, আমাদের সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সম্পূর্ণ রমজান মাসব্যাপী ঢাকাসহ সারাদেশে পথচারী, অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


আরও খবর



নোয়াখালীতে ১২০ টাকায় পুলিশের চাকরি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীতে মাত্র ১২০ টাকা খরচ করে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পেলেন ৮৬ জন তরুণ-তরুণী।

বুধবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় নোয়াখালী জেলার ট্রেইনি রিক্রুট পুলিশ কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

 গে আপ্লুত হয়ে পড়েন। এসব চূড়ান্ত প্রার্থীর অভিভাবকরা কখনো বিশ্বাসই করতে পারেননি তাদের সন্তানদের টাকা ছাড়া পুলিশে চাকরি হবে। কিন্তু সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৯ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন পরীক্ষা শেষে জেলার ৮৬ তরুণ-তরুণীকে চাকরি দেওয়া হয়। ব্যাংক ড্রাফটে ১২০ টাকা জমা দিয়ে পুলিশে প্রায় ৫০০০ তরুণ-তরুণী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১৮৫ জন। সব শেষে স্বপ্ন এসে ধরা দেয় ১২ জন তরুণী ও ৭৪ জন তরুণের হাতে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের আবদুল মান্নানের ছেলে বেলাল হোসেন বলেন, আমি কখনো কল্পনাই করতেই পারিনি যে ১২০ টাকায় চাকরি পাবো। ঘুস ছাড়া চাকরি পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আমার বাবা একজন কৃষক। আমার এ চাকরিটি খুব দরকার ছিল। আশা করছি এখন আমি পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারবো। একই সঙ্গে দেশের সেবাও করবো।

নিয়োগপ্রাপ্ত নোয়ান্নয়ই ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে ফাতেমা আক্তার ফারহানা উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেন, আমার বাবা পুলিশে চাকরি করেছেন। বাবাকে দেখে এ মহান পেশায় চাকরির আবেদন করেছি। গতবার আবেদন করে বাদ পড়ি। এবার কঠোর প্রস্তুতি নিয়ে আবেদন করি।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম  বলেন, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের পদক্ষেপে পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী স্বচ্ছতা ও সততার এ বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এসব মেধাবীকে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর