Logo
শিরোনাম

মদ খাইয়ে তরুণীকে ধর্ষণ সহকর্মীদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

তথ্য ও প্রযুক্তি-ভিত্তিকে একটি কর্পোরেট সংস্থার অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল হোটেলে। সেখানে মদ খাইয়ে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করেন তারই সহকর্মীরা। গণধর্ষণের অভিযোগে শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। ঘটনাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে, চীনার পার্কের।

চীনার পার্কের একটি অভিজাত হোটেল ভাড়া নিয়ে অনুষ্ঠান চলছিল। অভিযোগ, গত ১১ জুনের ওই অনুষ্ঠানের ফাঁকেই হোটেলের একটি কক্ষে এক তথ্যপ্রযুক্তি নারী কর্মীকে গণধর্ষণ করেন তার সহকর্মীরা। এর আগে তাকে মদ খাইয়ে অচেতন করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

স্থানীয় পুলিশের কাছে ওই গণধর্ষণের অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত তরুণী। তার দেওয়া বয়ানে পুলিশ জানতে পেরেছে, গত শনিবার বাগুইআটি থানার চীনার পার্কের ওই হোটেলের ষষ্ঠ তলায় চলছিল কর্পোরেট পার্টি।

পার্টির জন্য হোটেলের গোটা ফ্লোরই ভাড়া নিয়েছিল সংস্থাটি। তরুণীর বর্ণনা অনুযায়ী, অফিস পার্টিতে তার এক সহকর্মী ও বন্ধু ভুল বুঝিয়ে একটি কক্ষে নিয়ে যায় তাকে। সেখানেই মদ খাইয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুই সহকর্মী।

এফআইআরে তিনি ওই দুই সহকর্মীর নামও জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ ওই অভিযোগ পাওয়ার পর এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা প্রত্যেকেই ওই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থারই কর্মী এবং ওই তরুণীল সহকর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই তরুণীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। গোপন জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাকেও বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে। পুলিশ ওই ঘটনায় হোটেলের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তারা জানিয়েছে, পার্টির সময় তরুণীকে হোটেলের ৬০২ নম্বর কক্ষে ঢুকতে দেখেছিলেন তারা ।


সূত্র : আনন্দবাজার


আরও খবর



আসুন আমরা বানভাসিদের পাশে দাঁড়াই

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আমাদের এই দেশটা টিকে আছে মূলত মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার ওপর। শুভচিন্তা ওপর। আকস্মিক এই ভয়াবহ বন্যায় হতদরিদ্র পরিবারগুলোর কাছে যখন দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো ভীষণ জরুরী হয়ে উঠেছিল তখনও বরাবরের মতই এই আমাদের মত সাধারণ মানুষেরাই ছুটে গিয়েছি নিজের সবটুকু দিয়ে। 

সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বেশ কিছু গ্রাম একেবারেই তলিয়ে গেছে। এই এলাকাগুলোতে কিছুটা প্রাথমিক সহায়তার বন্দোবস্ত হলেও যেসব পরিবার নিজেদের চলার সবটুকু হারিয়ে ফেলেছে। তাদের সামনের দিনগুলোর কথাও ভাবতে হবে এই আমাদেরই। বন্যা চলে গেলেই বিপদ চলে যায় না। বন্যা নিয়ে আসছে নানান পানিবাহিত রোগ। চিকিৎসার কথা ভাবতে হবে। ভেসে গেছে ঘর, বাড়ি। ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে পানিতে। গেরস্তের গরু হারিয়ে গেছে। 

গত বন্যায় আমরা দেখলাম কৃষক তার সোনার ফসল পানিতে ডুবে ডুবে কাটছে। সেই শস্যের একটি দানাও বাঁচাতে পারা গেলো না এবারে। বানের জলে ভেসে গেছে শেষ সম্বলটুকুও।

প্রাথমিকভাবে আমরা সবাই মিলে হয়তো এই মানুষগুলোকে প্রাণে বাঁচাতে পারলাম কিন্তু এই মানুষগুলোকে জীবন সংগ্রামে ফিরিয়ে আনতে পাশে দরকার মানুষদের সহায়তা। 

আমরা কি করতে পারি?

আমরা কাজ করতে চাই দুর্যোগটার প্রাইমারি ইমপালসটা কেটে যাবার পর। আমি হাওরের মানুষ। আমার পরম পরিচিত ছোটবেলা মত প্রিয় গ্রামগুলোই মর্মান্তিকরকম ক্ষতিগ্রস্থ। আশেপাশের গ্রামের মানুষগুলোও কোন না কোনভাবে আমার রক্তেরই আত্মীয়। এই গ্রামগুলোতে যারা সবকিছু হারিয়েছেন তাদের আমরা অল্প অল্প করে নিজের পায়ে দাঁড় করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে চাই। 

কারো আয়ের একমাত্র পথ ছোট মুদি দোকান ভেসে গেছে, তাকে সামান্য পুঁজি তুলে দিতে চাই। কারো গোয়ালের তিনটা গরু ভেসে গেছে, তাদের কিনে দিতে চাই একটা গরু। যেই দরিদ্র মানুষটার বেড়ার ঘরটা ভেঙে গেছে তাদের একটা ছোট ঘর তুলে দিতে চাই আমরা। 

সহমর্মী সুহৃদ ডাক্তারদের একটা দল নিয়ে আমরা পানিবাহিত রোগাক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করে দিতে চাই। বন্দোবস্ত করে দিতে চাই ওষুধের।

বন্যায় শিশুদের শারীরিক আর মানসিক ক্ষতিটা হয় সবচেয়ে বেশি। স্কুল ঘর তো ভেসে গেছেই, চলে গেছে বই, খাতা, কলম, শিক্ষার সব অনুষঙ্গ। দরিদ্র পরিবারের শিশু সন্তানটির প্রিয় খেলনাটা হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট কোন অংশে কি কম?  নিজ চোখে এই বন্যা দেখে শিশুদের মানসিক ক্ষতিটা হয়েছে অনেক বেশি। তাদের আবারও পড়াশোনা আর খেলাধূলায় ফিরিয়ে নিতে হবে। আমরা তাদের জন্যও কিছু করতে চাই দীর্ঘ মেয়াদের কথা মাথায় রেখে।  

এসবকিছুই জন্যই আপনাদের কাছে সাহায্য চাইছি। আসুন আমরা সবাই সাধ্যমত সহায়তা করি। আমরা ঠিক কতজনকে পুনঃবাসন করে দিতে পারবো, কতজনকে আবার আগের জীবনটাতে ফিরিয়ে নিতে পারবো সেটা নির্ভর করছে আমরা ঠিক কি পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করতে পারছি তার ওপর। যদি কম টাকা হয় তাহলে হতোয় একটা পরিবারকেই আবার আমরা মূলস্রোতে নিয়ে আসতে পারবো। টাকা বেশি উঠলে হয়তো একশ বা এক হাজার মানুষকে পুরনো জীবনটা ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা করতে পারবো আমরা।

আসুন আমরা সবাই মিলে সবার শক্তিটা নিয়ে পাশে দাড়াই। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সবচেয়ে দুর্গম গ্রামে সবকিছু হারিয়ে ফেলা মানুষটা আর এই লেখাটা এই মুহূর্তে যিনি পড়ছেন সে আমরা সবাই মিলেই যে 'আমরা সবাই' সেটা প্রতিষ্ঠিত হোক!  

সহায়তা করতে: 

আতিক রহমান 

বিকাশ (পার্সোনাল): 01913925026

নগদ (পার্সোনাল): 01913925026


আরও খবর



নীলফামারীতে বিপতসীমা ছুঁয়েছে তিস্তার পানি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

নীলফামারীতে বিপতসীমা ছুঁয়েছে তিস্তার পানি। উজানের ঢল  আর ভারী বৃষ্টিপাতে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়ায় পয়েন্টে বিপদসীমা বরাবর প্রবাহিত হতে শুরু করে। 

এরপর বিকাল তিনটার দিকে আট সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার নিচে নামে। তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানির বিপদসীমা ৫২ মিটার ৬০ সেন্টিমাটার।

ওই পয়েণ্টে নদীর পানির বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ মিটার।  

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় নদীর পানি বিপদসীমার তিন সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর সকাল নয়টায় তিন সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমা বরাবর প্রবাহিত হতে থাকে। এরপর বিকাল তিনটার দিকে কিছুটা কমে আট সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ডিমলা উপজেলার তিস্তা বেষ্টিত টেপাখড়িবাড়ি, পূর্ব ছাতনাই,  খালিশাচাপানী, খগাখড়িবাড়ি, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ি ইউনিয়নের প্রায় ১৫ গ্রামের আড়াই সহ¯্রাধিক পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। 

ডিমলা উপজেলার টেপাখাড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক জানান ‘তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আমার ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। পানির তোরে আজ সকালে স্বপন বাধের প্রায় ৫০ মিটার ভেঙে ভাটিতে থাকা মসজিদ পাড়ার ১৪০টি পরিবারের বাড়ি ঘরে পানি উঠেছে।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, ‘সকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এতে করে ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর, পূর্ব ছাতনাই ও খোকার চরের পাঁচ শতাধিক পরিবার বন্যাকবলিত হয়েছেন।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদ্দৌলা বলেন, ‘উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বৃহস্পতিবার বিপদসীমা বরাবর প্রবাহিত হতে থাকে। ব্যারাজের সব কটি (৪৪) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। কোথাও কোন বাঁধ ভাঙ্গনের খবর পাওয়া যায়নি, তবে আমরা সব বাঁধ নজরদারীতে রেখেছি।


আরও খবর



দ্বিগুণ ভোটে জিতবেন তিনি, সাক্কু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও মেয়রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জনগণ ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে জানিয়ে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ভোটাররা সবাই ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। ইভিএম বা অন্য কোনো সমস্যা নয়, ভোট দিতে পারবে কিনা এ আশঙ্কাই করছেন সবাই। সবার প্রশ্ন— আমরা ভোট দিতে যেতে পারব কিনা। কিন্তু এ দায়িত্ব তো আমার না। এটা সিইসি, ডিসি ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। আমি বারবার অনুরোধ করছি— জনগণের এ বিশ্বাসটুকু রাখেন। যাকেই দিক, মানুষ যেন এবার অন্তত নিজের ভোটটা দিতে পারে।

নির্বাচন কমিশনকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে সাক্কু বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের যে পরিবেশ তা সন্তোষজনক। আমি বারবারই বলছি— এবার আমাদের চেয়ে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষার বিষয়টি মূল। এ কমিশনের অধীনে এটা প্রথম নির্বাচন। তারা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারে, মানুষ কিন্তু এখন বেকুব না। সবই বুঝে, কিছু বলে না এর মানে এই নয় যে, কিছু বোঝে না তা নয়। তাই আমি সিইসিকে বলব— এবার জনগণের আস্থা অর্জন করুণ, নইলে আপনারা থাকতে পারবেন না।

এবারের নির্বাচনে ২৭ ওয়ার্ড এবং ১০৫ কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। সব কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে সাধারণ মানুষ বেছে নেবেন তাদের পছন্দের প্রার্থী। নির্বাচিত করবেন গোমতী নদীপারের শহর কুমিল্লার নতুন নগরপিতা। আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ।

ইসি জানিয়েছে, বিগত ২০১৭ সালের কুসিক নির্বাচনে ভোটার ছিল দুই লাখ সাত হাজার ৫৬৬ জন। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন ও পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন।

তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুজন। সেই হিসাবে গত নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার বেড়েছে ২২ হাজার ৩৫৪ জন, যাদের প্রায় সবাই তরুণ। এ ছাড়া এখানে পুরুষ থেকে নারী ভোটার বেশি। আর সংখ্যালঘু ভোটারও প্রায় ৩৫ হাজার। তাই যে মেয়রপ্রার্থী সিটির নারী, তরুণ ও সংখ্যালঘু ভোট নিজের দিকে টানতে পারবেন তিনিই হাসবেন শেষ হাসি।


আরও খবর



বগুড়ার শেরপুর অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ঃ

মোবাইল ভেঙ্গে দেওয়ায় অভিমানে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

 বগুড়া শেরপুর উপজেলায়  বড় ভাই মোবাইল ভেঙ্গে ফেলাই  অভিমান করে মৌসুমী আক্তার নামের এক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।  সে কল্যাণী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ও  সুঘাট ইউনিয়নের চকধিনাই এলাকার মোজাম হোসেনের মেয়ে।  আজ বুধবার (৮ জুন)  সকাল ৯টায় তার নিজ ঘর থেকে গলার ফাঁস দেয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।  স্থানীয় মেম্বার নূরনবী মন্ডল জানান,  রাত্রি নয়টার দিকে মৌসুমী আক্তার এর বড় ভাই পারভেজ হোসেন  মৌসুমির মোবাইল নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে।  কে নিয়ে দুজনের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে তার মা এসে মৌসুমী আক্তার ও ভাই পারভেজকে বকাবকি করে। পরে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে।  সকাল  ৯ টার দিকে মৌসুমী ঘুম থেকে না উঠায় মা মৌসুমিকে ইস্কুলে যাওয়ার জন্য  দরজায় গিয়ে ডাক দেয়।  কোন সাড়া না পেয়ে  পারভেজ ও মা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে।  পরবর্তীতে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় লাশ ঝুলতে দেখে  চিৎকার করলে আত্মীয়-স্বজন এসে লাশটি উদ্ধার করে।  এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম জানান ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়নি। ৮ই জুন, শাহজাহান আলী বাবু, বগুড়া৷


আরও খবর



শ্রীনগরে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

শ্রীনগর সংবাদদাতাঃ

মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইরাস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা  আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেহানা বেগকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি ও হাত পা ভেঙ্গে দিবে বলে লাঞ্চিত করার অভিযোগে শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে ‘শ্রীনগর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ’-এর ব্যানারে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা পরিষদ সড়ক  থেকে বের হয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে শেষ হয়। 

মানবন্ধনে নারো নেত্রীরা বলেন,  শ্রীনগর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ এর মতবিনিময় সভার নামে পকেট কমিটি করার প্রতিবাদ করি। এসময় আমাদের নেত্রী