Logo
শিরোনাম

মেহেদির রং গাঢ় করবেন যেভাবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

ঈদ এলেই মেহেদি লাগানোর ধুম পড়ে যায়। বাহারি ডিজাইনে মেহেদি লাগানো হয় হাতে-পায়ে। তবে অনেকেই কষ্ট করে দুই হাত ভরে মেহেদি পরলেও গাঢ় রঙের অভাবে তা সৌন্দর্য হারায়। আবার অনেক সময় সারারাত হাতে মেহেদি রাখলেও গাঢ় রং মেলে না।

তাই যে কোনো অনুষ্ঠান বা উৎসবে মেহেদি ব্যবহার করার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তা হলেই পাবেন মেহেদির গাঢ় রং। জেনে নিন মেহেদির রং গাঢ় করার কৌশল—

> মেহেদি ব্যবহারের আগে হাত-পা শেভ কিংবা ওয়াক্স করবেন না। ফলে ত্বকের উপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই পরে ওই ত্বকে মেহেদি ব্যবহার করলে গাঢ় রং পাওয়া যায় না। মেহেদি লাগানোর অন্তত ৩-৪ দিন আগে এসব কাজ সম্পন্ন করুন।

> গাঢ় রং পেতে উৎসব বা অনুষ্ঠানের অন্তত ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টা আগে মেহেদি ব্যবহার করুন। সেইসঙ্গে সর্বোচ্চ ৭-১২ ঘণ্টা মেহেদি হাতে রাখুন। তাহলেই পাবেন গাঢ় রং।

> মেহেদি কিছুটা শুকানোর পর একটি তুলোর বল লেবুর রস ও চিনির মিশ্রণে ডুবিয়ে ব্যবহার করুন। তারপর মেহেদি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে এটি ঘঁষে তুলে ফেলুন। তবে লেবু ও চিনির দ্রবণ অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না।

> সরিষার তেল ব্যবহার করুন মেহেদির স্থানে। তারপর একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে স্থানটি ঢেকে ঘুমিয়ে পড়ুন রাতে। সকালে দেখবেন মেহেদির রং অনেকটাই গাঢ় হয়েছে।

> অন্যদিকে সাবান পানি দিয়ে কখনো মেহেদি তুলবেন না। এমনকি মেহেদি তুলে ফেলার পরও কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা ওখানে পানি লাগাবেন না।


আরও খবর



আম নামানোর সময় বেঁধে দিলো প্রশাসন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

রাজশাহীতে গাছ থেকে আম নামানোর সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। নিরাপদ ও পরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় আম নামোনোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

এতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: শরিফুল হক জানান, ১৩ মে থেকে রাজশাহীতে আম বাগানের গুটি জাতের সবধরনের আম নামাতে পারবেন চাষিরা। তবে সুমিষ্ট জাতের গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, ল্যাংড়া ও আমরুপালির জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো সপ্তাখানেক।

সভায় জানানো হয়, ২০ মে থেকে গোপালভোগ, ২৫ মে থেকে লক্ষণভোগ (লখনা) ও রাণীপছন্দ, ২৮ মে থেকে ক্ষিরসাপাত (হিমসাগর), ৬ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে আমরুপালি ও ফজলি, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা ও বারি আম-৪, ১৫ জুলাই থেকে গৌরমতি ও ২০ আগস্ট থেকে ইলামতি আম নামানো যাবে।

সভায় আম বিপণন ও বাজারজাত করণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

চলতি মৌসুমে আম পাঠানো নিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানুষ যাতে কোনো প্রকার হয়রানির শিকার না হন সেদিকেও খেয়াল রাখবে প্রশাসন।

এ সময় রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক তৌফিকুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ তথ্য কেন্দ্রের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল কাফি, বাংলাদেশ ফ্রন্টস অ্যান্ড ভেজিটেবল এক্সপোর্ট অ্যালায়েন্সের সদস্য ও কুরিয়ার সার্ভিসের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।



আরও খবর



ঢাকা কলেজে ঈদের ছুটি আজ থেকেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ১০০জন দেখেছেন
Image
ছবি: সংগৃহীত

এক দোকানে খাবারের বিল পরিশোধ নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

তিনি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে আমরা দেখছি। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ এপ্রিল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হলেও ঢাকা কলেজে যেহেতু ক্লাসের পরিবেশ নেই, তাই আজ থেকে এই কলেজে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যাবে। আগামী ৫ মে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঢাকা কলেজও খোলা হবে। 

মঙ্গলবার বিকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সকাল থেকে থাকলে হয়তো পরিস্থিতি আরেকটু ভালো হতে পারত। তবে তারাও চেষ্টা করেছেন, এখনো তারা চেষ্টা করছেন থামানো। আমি ছাত্র-ব্যবসায়ী সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাই। 

এর আগে সোমবার মধ্যরাতে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রায় আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে রাত আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আবারও চলে এ সংঘর্ষ। 

দুপুরের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া শুরু করলে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকের কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



ঈদের আগে ভোজ্য তেলের বাজার অস্থির

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

সরকার নির্ধারিত মূল্যে কিছু পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও সেটা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আবার কারখানা থেকেই খোলা সয়াবিন তেলের দাম চাওয়া হচ্ছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট :

সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল উধাও হয়ে গেছে। বেশি দামেও মিলছে না বোতল জাত সয়াবিন তেল।

ক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, গত বুধবার বাজারে সয়াবিন তেল কিনতে গেলে বোতল জাত তেল নেই বলে দোকানদার জানায়। পরে দাম বেশি দেওয়ার কথা বললে ৫ লিটার বসুন্ধরা তেল দেয়। কিন্তু বোতলের সঙ্গে তেলের মূল্য ৭৬০ টাকা লেখা থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ৮৬০ টাকা। বাজারের বিভিন্ন ক্রেতা জানান, বসুন্ধরা ৫ লিটার তেলে সঙ্গে ৫ কেজি আটা, তীর ৫ লিটার তেলের সঙ্গে ২ লিটার সরিষার তেল নিতে বাধ্য করছে, তা না হলে তারা সয়াবিন তেল বিক্রি করছে না। এতে বাধ্য হয়ে অনেকেই তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

বাউফল (পটুয়াখালী) : গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাউফল বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানে বোতলজাত তেল নেই। আবার খোলা তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক দোকানদার বোতলজাত তেলই বিক্রি করছেন না। এদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকটে সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

সোয়াবিন তেলের দাম জানতে গেলে পৌর সদরের লোকনাথ ভান্ডারের দোকানি সঞ্জয় কুমার বনিক সাংবাদিকদের বলেন, এক সপ্তাহ থেকে বোতলজাত তেল সংকট চলছে।

পৌরসদরের বাসিন্দা ক্রেতা রিয়াজ বলেন, গত ১০ দিন আগে খোলা সয়াবিন তেল কিনলাম ১৮০ টাকা কেজি। সেই তেল এখন কিনতে হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে।

পৌর সদরের বাংলাবাজার এলাকার আরেক ব্যবসায়ী আবদুল জলিল বলেন, সয়াবিন তেলের চাহিদা আছে কিন্তু সরবরাহ নেই। ডিলাররা বলছেন সরবরাহ বন্ধ।’

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) : বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার সয়াবিন তেল ২০০ টাকা লিটার মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। এতে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। বিক্রেতাদের দাবি, এক সপ্তাহ যাবত কোনো কোম্পানি সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে না। তাই বাজারে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। যাও পরিমাণে অল্প পাওয়া গেলেও বেশি দরে কিনে বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বোয়ালমারী বাজারের মেসার্স সাহ স্টোর, দত্ত ভান্ডারসহ বিভিন্ন স্থানের একাধিক মুদি দোকানদার বলেন, ইন্দোনেশিয়া তেল রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর থেকেই মুনাফালোভীরা তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ফরিদপুরের সভাপতি শেখ ফয়েজ আহমেদ বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পেছনে ডিলার ও পাইকারদের হাত রয়েছে বলে আমাদের ধারণা। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান নিয়মিত করা হলে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অবৈধভাবে মুনাফা অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। প্রায়দিনই বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। খোঁজখবর নিয়ে এর সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাট : বাগেরহাটে সয়াবিন তেলের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। তেল কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ভোক্তারা। খোলা তেলও বিক্রি হচ্ছে বোতলজাত তেলের থেকে বেশি দামে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অগ্রিম টাকা দিয়েও কোম্পানি থেকে তেল পাচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের প্রধান বাজারসহ অধিকাংশ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। যেসব দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল রয়েছে, তারা ১৬০ টাকা গায়ের রেটে ১৭০ টাকা লিটার বিক্রি করছেন। এছাড়া খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান বলেন, দাম বেশি নেওয়ার অপরাধে আমরা বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানাও করেছি। বর্তমানে যদি কোনো ব্যবসায়ী এ ধরনের কাজ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




আতংকে নির্ঘুম রাত

উপকূলের বেড়িবাঁধে ভাঙন

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

রোকসান মনোয়ারা:  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার আতঙ্কে আছেন খুলনার উপকূলের কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছার লাখো মানুষ। আশনির আশংকায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা। তবে, ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় অশনির দুর্যোগ মোকাবিলায় খুলনা জেলায় সরকারি ৩৪৯টির পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি মিলিয়ে ৮১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রায় সোয়া চার লাখ মানুষকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব। দুর্যোগ পূর্ব ও পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য দুই হাজার ৪৬০টি সিপিবি’র স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। পাশাপাশি এনজিও’র এক হাজার ১০০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছেন।

সূত্র জানান, কয়রা উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলোর মধ্যে সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ লঞ্চ ঘাট, মদিনাবাদ তফসিল অফিসের সামনে হতে হামকুড়ার গোড়া, মহারাজপুর ইউনিয়নের সুতির অফিস ও দশালিয়া। দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াপদা বাঁধ গাববুনিয়া, মাটিয়াভাঙা (কোবাদক ফরেস্ট অফিস থেকে ঘড়িলাল বাজার) আংটিহারা (সুইচ গেট থেকে পুলিশ ফাঁড়ি), পাতাখালি (খাশিটানা বাঁধ থেকে জোড়শিং বাজার) উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদী-তীরবর্তী যেসব এলাকায় এখনও টেকসই বেড়িবাঁধ হয়নি, সেসব গ্রামে বসবাসকারী পরিবারগুলোর মাঝে ‘অশনি’ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের অধিকাংশেরই নেই দুর্যোগ সহনীয় বাড়িঘর। ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২০ হাজার পরিবারের অনেকেই এখনও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। এর মধ্যে আরেকটি দুর্যোগের সতর্ক সংকেত তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে ঘূর্ণিঝড় অশনি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

‘দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের জোড়শিং গ্রামের বাসিন্দা কামাল মোল্লা বলেন, সুপার সাইক্লোন আইলায় তার ঘর ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যায়, এরপর নতুন করে আবার একটা ঘর বাঁধেন তবে সেটিও নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। পরে তিনি চলে যান রাঙামাটি। ৫ বছর পর ফিরে এসে আবারও মাথা গোজার ঠাই করেছেন। কিন্তু তার বাড়ির সামনে দিয়ে আবারও ভাঙন লেগেছে। যেকোন সময় জলোচ্ছ্বাসে সেখান থেকে ভেঙে যেতে পারে। তাই অশনির আশংকায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তিনি।

একই গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক মিলন হোসেন বলেন, নদীতে একটু জোয়ার বেশি হলে রাস্তা ছাপিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। জোড়শিং ট্যাকের মাথা এই পয়েন্টে জরুরি ভিত্তিতে কাজ না করলে অশনি আঘাত হানলে এখান থেকে ভেঙে হাজার হাজার বিঘা মাছের ঘের, ফসলি জমি, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হবে।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অশনি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়কে কেন্দ্র করে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদেরকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১১৮ টি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগানো হবে।

সেকশন-২ সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (সেকশন-২) শামিম হাসনাইন মাহামুদ বলেন, আম্পান ও ইয়াসের পর থেকে কয়রা উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে কাজ চলছে। তবে ঘুর্ণিঝড় অশনিতে কয়রা উপজেলার দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিরা সেসব এলাকায় কাজ করছে।

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, উপকূলের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ। জোরালো দাবি সত্ত্বেও এখনো টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। যার কারণে দুর্যোগ আসলেই আতঙ্কে বুক কাঁপে উপকূলবাসীর।

তিনি বলেন, আম্পান ও ইয়াসের পর ষাট দশকের জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ব্যাপক কাজ করেছে। তবে কিছু এলাকায় কাজ না করায় আতঙ্ক বেড়ে গেছে সেসব এলাকার মানুষের। বিশেষ করে ঝুঁকির মুখে রয়েছে দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের আংটিহারা, খাসিটানা, জোড়শিং, মাটিয়াভাঙ্গা, কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ লঞ্চঘাট ও মদিনাবাদ তফসিল অফিসের সামনে থেকে হামকুড়ার গড়া, মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়া ও সুতির কোণা।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, খুলনা উপকূলের ৮৭৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে বর্তমানে ৪৫ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এর মধ্যে দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটার ৬ কিলোমিটার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে দাকোপের ৩১, ৩২ ও বটিয়াঘাটার ২৯ পোল্ডারে বাঁধে জরুরি মেরামত কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


আরও খবর



চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে ডিপজলের পদত্যাগ

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
Image

জনপ্রিয় খল-অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। জানা গেছে, মূলত প্রযোজক সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য নিয়ম মেনে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে পদত্যাগ করেছেন। আগামী ২১ মে প্রযোজক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া কথা রয়েছে। এর আগে, শিল্পী সমিতি থেকে মিশা-জায়েদ খান প্যানেলের রোজিনাও পদত্যাগ করেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রের ৯ নম্বর অনুচ্ছেদের (ত)-এ বলা আছে, ‘শিল্পী সমিতির কোনো পূর্ণ সদস্য চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অন্য কোনো সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্য থাকিলে অত্র সমিতির কার্যকরী পরিষদের কোনো পদের জন্যই তিনি যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন না।’

এ ব্যাপারে কিছুদিন আগেই ডিপজল বলেছিলেন, ‘আমি এই নিয়ম জানতাম না। জানলে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই শিল্পী সমিতিতে পদত্যাগপত্র জমা দিতাম। এখন যখন জানলাম, যত তাড়াতাড়ি পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া যায়, দিয়ে দিচ্ছি।’

এদিকে এরই মধ্যে প্রযোজক সমিতির নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ডিপজল। কিন্তু শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রের বিষয়টি এতদিন তার জানা ছিল না বলে জানিয়েছেন। না হলে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগেই শিল্পী সমিতিতে পদত্যাগপত্র জমা দিতেন বলে জানান তিনি।


আরও খবর

এবার চলচ্চিত্রে ধোনী

শুক্রবার ১৩ মে ২০২২