Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

মেসি-রোনালদোর ‘লড়াই’ দেখতে ২০ লক্ষাধিক আবেদন

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

ইয়াশফি রহমান ঃপর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো গত ১ জানুয়ারি সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরে যোগ দিলেও দলটির হয়ে এখন পর্যন্ত মাঠে অভিষেক হয়নি তার। তবে রোনালদোর জন্য অপেক্ষা করছে বড় কিছু। লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সমন্বিত পিএসজির বিপক্ষে লড়বেন তিনি।

আগামী ১৯ জানুয়ারি সৌদির রাজধানী রিয়াদে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মুখোমুখি হবে আল হিলাল ও আল নাসরের ফুটবলারদের সংগঠিত একটি দল। ওই ম্যাচটি দিয়ে আবারও বিশ্ব ফুটবল ‘মেসি-রোনালদো’ দ্বৈরথ দেখতে পাবেন।

ম্যাচটিকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ এখন তুঙ্গে। ইএসপিএনকে জানিয়েছে, পিএসজি ও সৌদি দলটির ম্যাচ টিকিটের জন্য ২০ লাখের বেশি মানুষ অনলাইনে আবেদন করেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা রোনালদো আল নাসরে যোগ দেয়ার পর ক্লাবটি এখন পর্যন্ত দুইটি ম্যাচ খেলে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার করাণে ম্যাচগুলোতে নামতে পারেননি তিনি। গত বছর প্রিমিয়ার লিগের এক ঘটনার জেরে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকায় নামা হয়নি রোনালদোর। ১৪ জানুয়ারি আল নাসর-আল শাবাব ম্যাচ দিয়ে নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞায় মাঠে নামা বিলম্বিত হলেও পর্তুগিজ তারকার অভিষেক হচ্ছে ‘বড় ম্যাচ’ দিয়ে। কাতারি মালিকানাধীন পিএসজি আগামী ১৯ জানুয়ারি কিং ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবে। রিয়াদে অবস্থিত স্টেডিয়ামটির দর্শক ধারণক্ষমতা ৬৮ হাজার।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্কুল থেকে বিদায় নিতে এসে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে এসে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠান এর আয়োজন করতে গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবনের পর অসুস্থ হয়ে সিহাব হাসান সৈকত (১৭) নামের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সিহাব হাসান সৈকত শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়ন এর দক্ষিণ কৃষ্ণপুর গ্রামের সেলিম হোসেন এর ছেলে।

নিহতের চাচা মিলু হোসেন জানান, সিহাব হাসান সৈকত শিবগঞ্জ উপজেলার

মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয় এর এসএসসি পরীক্ষার্থী। গত শনিবার স্কুলে তাদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। সিহাব হাসান সৈকত ঐ অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পূর্ণ করার কথা বলে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়। ঐদিন সে বন্ধুদের সঙ্গে স্কুল এলাকায় মাদক সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়ে ও মহাস্থান এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে থাকেন।

বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে বাড়িতে আনা হয়। এরপর রবিবার সকালে সে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সিহাব হাসান সৈকত এর মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম সংবাদকর্মীদের বলেন, ‌একজন পরীক্ষার্থী'র মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। তবে কী কারনে মৃত্যু হয়েছে তা আমার জানা নেই।

বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নুরে শেফা শাহিনা জানান, বিষক্রিয়ায় সিহাবের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে, তবে ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।

ঘটনার বিষয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ বলেন, এক স্কুল ছাত্র বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে মারা গেছে বলে জেনেছি, এব্যাপারে আইনানুগ পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা অস্ত্রসহ আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে একটি এলজি ও এক রাউন্ড কার্তুজসহ চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক রাকিব  হোসেন সুমনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার গোলাম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এর আগে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানান, একই দিন র‌্যাব তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে একই থানায় আরও একটি মামলা রয়েছে। অস্ত্র্রসহ আটককৃত সুমন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের তুলাতলি এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।  

পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, সুমন দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে এলাকায় আধিপত্ত বিস্তার করে আসছে। সে আটক হওয়ার আগেও  বেশ কিছুদিন ধরে চন্দ্রগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মারামারি ও দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ নানাবিধ অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা হতো। তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলাসহ অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে এক রাউন্ড কার্তুজ ও একটি এলজিসহ তাকে আটক করা হয়।  

র‌্যাব ১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার গোলাম মোর্শেদ বলেন, অস্ত্র আইনে সুমনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাইড্রোজেন হতে পারে ভবিষ্যতের জ্বালানি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেনের ব্যবহার নিয়ে নতুন উদ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। ৩৫০টির বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে হাইড্রোজেন নিয়ে। ২০৩০ সাল নাগাদ এই গ্যাসের পেছনে সর্বমোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে।


হিন্ডেনবার্গ ট্র্যাজেডির পর থেকেই বিতর্কিত জ্বালানির খাতায় নাম লিখিয়েছে হাইড্রোজেন। ১৯৩৭ সালে হাইড্রোজেন গ্যাসে পূর্ণ উড়োজাহাজ হিন্ডেনবার্গের লেজে মাঝআকাশেরি আগুন ধরে যায়। তারপর মাত্র ৩৪ সেকেন্ডের মাথায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো উড়োজাহাজে। প্রাণে বাঁচেননি একজন যাত্রীও।

হাইড্রোজেনকে অনেকেই বলেন ভবিষ্যতের জ্বালানি। তাদের দাবি, গাড়ি চালাতে ও বাসাবাড়িতে এই গ্যাস ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। হাইড্রোজেন অর্থনীতি সংকটে থাকা জ্বালানি খাতকে উদ্ধার করতে পারবে বলে আশা তাদের।

হাইড্রোজেন-বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, ১৯৭০-এর দশক থেকেই এই গ্যাসে বিনিয়োগ নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা চলছে। কিন্তু হাইড্রোজেন গ্যাসের খামতির কারণে কোনো গবেষণাই হালে পানি পায়নি। 

 তবে  হাইড্রোজেন প্রযুক্তি বর্তমান কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ২০৫০ সালের মধ্যে শতাংশ কমিয়ে আনতে পারবে। পরিমাণে কম হলেও বর্তমান বাস্তবতায় এইটুকু কার্বন নিঃসরণ কমানোও যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে। 

তেল-কয়লার মতো জ্বালানির প্রধান উৎস নয় হাইড্রোজেন। এটি মূলত শক্তিবাহক, অনেকটাই বিদ্যুতের মতো। ব্যাটারির মতো সংরক্ষণের মাধ্যম উৎপাদন করতে হয়। নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে পানি থেকে হাইড্রোজেনকে আলাদা করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি বেশ ব্যয়বহুল, তবে এর খরচ দিন দিন কমে আসছে। 

অপরিচ্ছন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি থেকেও হাইড্রোজেন তৈরি করা যায়। তবে প্রযুক্তির সাহায্যে কার্বন আলাদা করে না ফেললে এতে প্রচুর দূষণ হয়। হাইড্রোজেন অনেক জ্বালানির তুলনায় তুলনামূলক বেশি দাহ্য এবং ভারী। থার্মোডায়নামিকসের সূত্রানুসারে, প্রাথমিক জ্বালানিকে হাইড্রোজেনে এবং তারপর হাইড্রোজেনকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তরিত করতে প্রচুর অপচয় হয়।

১৯৭০-এর দশকে হাইড্রোজেন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে অনেকগুলো গবেষণা হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই বেশিদূর আগায়নি। আশির দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি হাইড্রোজেনচালিত যাত্রীবাহী জেট উড়িয়েছিল কিন্তু প্রথম ফ্লাইট উড়তে পেরেছে মাত্র ২১ মিনিট।

তবে জলবায়ু পরিবর্তনের এই কালে জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেনের ব্যবহার নিয়ে নতুন উদ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। ৩৫০টির বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে হাইড্রোজেন নিয়ে। ২০৩০ সাল নাগাদ এই গ্যাসের পেছনে সর্বমোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বছরে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের হাইড্রোজেন বিক্রি হতে পারে। বর্তমানে বছরে ১৫০ বিলিয়ন ডলারের হাইড্রোজেন বিক্রি হয়। 

এখন প্রধানত সার তৈরিসহ বিভিন্ন শিল্পে এ গ্যাসের ব্যবহার হয়। ভারত শিগগিরই হাইড্রোজেনের জন্য নিলামের আয়োজন করবে। চিলি সরকারি জমিতে হাইড্রোজেন উৎপাদনের জন্য টেন্ডার ডেকেছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ ১২টির বেশি দেশে জাতীয় হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট রয়েছে।

তবে এত উত্তেজনার মধ্যে হাইড্রোজেন কী করতে পারে এবং কী করতে পারে না, তা স্পষ্টভাবে জেনে নেওয়া দরকার। জাপানি ও কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলো হাইড্রোজেনচালিত গাড়ি বিক্রি করতে আগ্রহী। কিন্তু মুশকিল হলো, ব্যাটারিচালিত গাড়ি প্রায় দ্বিগুণ জ্বালানিসাশ্রয়ী। কিছু ইউরোপীয় দেশ বাসাবাড়িতে পাইপের মাধ্যমে হাইড্রোজেন সরবরাহের আশা করছে। কিন্তু হিট পাম্প অনেক বেশি কার্যকর। এছাড়াও কিছু কিছু পাইপ দিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস নিরাপদে সরবরাহ করা সম্ভব না। কিছু বড় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসনির্ভর রাষ্ট্র সহ-উৎপাদ কার্বন ঠিকমতো ধরে না রেখেই হাইড্রোজেন তৈরি করতে চায়। কিন্তু তাতে কার্বন নিঃসরণ কমবে না।

তবে হাইড্রোজেন বিশেষায়িত বাজারগুলোকে সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়া ও অতি উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োজন হয় যেসব শিল্পে, সেগুলোতে এই গ্যাস বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের ৮ শতাংশের জন্য দায়ী ইস্পাত শিল্প। এই শিল্পে কাজ করতে হয় কয়লা পুড়িয়ে। বায়ুশক্তি দিয়ে কয়লাকে প্রতিস্থাপন করা না গেলেও হাইড্রোজেন দিয়ে করা যাবে। গত আগস্টে হাইড্রোজেন জ্বালানি দিয়ে তৈরি বিশ্বের প্রথম সবুজ ইস্পাত বিক্রি করেছে সুইডিশ প্রতিষ্ঠান হাইব্রিট।