Logo
শিরোনাম

মেসিকে পেতে মরিয়া বার্সেলোনা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

ইয়াশফি রহমান :চলতি বছরই ফরাসি ক্লাব পিএসজির সঙ্গে চুক্তি শেষ হচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসির। ফরাসি ক্লাবটির সঙ্গে নতুন করে চুক্তি না করায় গুঞ্জন রয়েছে পুনরায় বার্সেলোনায় যোগ দিতে পারেন মেসি। এদিকে, আর্জেন্টিনার তারকা এই ফুটবলারকে পেতে মরিয়া বার্সাও। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারকে পেতে বর্তমান দলের তিন ফুটবলারকে ছেড়ে দিতেও রাজি স্প্যানিশ ক্লাবটি।

মেসিকে বার্সায় ফেরাতে রাফিনহা, ফেরান তোরেস ও আনসু ফাতিকে বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটির। একই সঙ্গে জোয়াও কানসালোকে ধারে অন্য ক্লাবে পাঠানোর কথাও ভাবছে বার্সেলোনা। পাশাপাশি তারা নতুন কিছু খেলোয়াড়কেও দলভুক্ত করবে, যেখানে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছেন মেসি। স্প্যানিশ ক্লাবটি অতি দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিবে মেসিকে।

শোনা যাচ্ছে, আনসু ফাতিকে দলে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপের একাধিক ক্লাব। বিশেষ করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বার্সেলোনার এই ফুটবলারকে দলে পেতে আগ্রহী। এদিকে, রাফিনহাকে দলে নিতে আগ্রহী চেলসি। গেল মৌসুমেই তাকে দলে পেতে চেয়েছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি। তবে সেবার লিডস ইউনাইটেড থেকে রাফিনহা চেলসির পরিবর্তে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন। বার্সেলোনার আরেক ফুটবলার ফেরান তোরেসকে দলে নিতে আগ্রহী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। বিশ্বকাপজয়ী মেসিকে পুনরায় পেতেই বার্সেলোনার এমন পরিকল্পনা বলে মনে করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। সূত্র: গোল ডটকম


আরও খবর



মিল্টন সমাদ্দারের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ করলো সমাজসেবা অধিদপ্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


বহুল আলোচিত মিল্টন সমাদ্দারের গড়া প্রতিষ্ঠান ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ারে’ প্রশাসক নিযুক্ত করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।


রোববার (২৬ মে) সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. রকনুল হকের স্বাক্ষতির এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।


তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সমাজসেবা কর্তৃক প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের সাময়িক দায়িত্ব অফিসিয়ালি প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


রিমান্ড শেষে কারাগারে মিল্টন সমাদ্দার

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকেল ৩টায় কল্যাণপুরস্থ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।


এদিকে মিরপুর মডেল থানার আরেক মামলায় মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালত শুনানি শেষে এ রায় দেন।


এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সিকদার মহিতুল আলম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। সোমবার আদালতের মিরপুর মডেল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


প্রসঙ্গত, গত ২ মে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জালজালিয়াতির মাধ্যমে মৃত্যু সনদ তৈরি করার অভিযোগে করা মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 



তিন দিনের রিমান্ড শেষে গত ৫ মে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তখন এ মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।


এ ছাড়া মানবপাচার আইনের আরেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে ডিবি পুলিশ। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুবের আদালত এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান। 


ওইদিন দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শান্তা আক্তারের আদালত তার ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এর আগে রাজধানীর মিরপুর থেকে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর জোনাল টিম।


আরও খবর



সরকার ও আওয়ামী লীগ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


সরকার ও আওয়ামী লীগ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার। অতীতে এমন দুর্যোগ হয়েছে, কিন্তু কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। দুর্যোগ আসবেই, কিন্তু তা মোকাবেলা করে টিকে থাকার সামর্থ অর্জন করতে হবে। সেটাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।


বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে কলাপাড়ায় মোজহারউদ্দিন বিশ্বাস কলেজ মাঠে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণের জন্য পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী।


শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ধারাবাহিক গণতন্ত্র আছে বলেই দুগর্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছি। আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে, যেনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষ রেহাই পায়। ভেঙে যাওয়া বাঁধ ইতোমধ্যেই পুনঃনির্মাণ শুরু করে দিয়েছি, যাতে বন্যার আগেই নির্মাণকাজ শেষ হয়। 


উপকূলে দুর্যোগ সহনীয়নীয় ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে যেখানে আপনাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে সেটুকুও নতুন করে তৈরি তৈরি করে দেবো, আমার ওপর আস্থা রাখুন।


১০০ কিলোমিটারের বেশি বাতাসের বেগ নিয়ে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় রেমালের সঙ্গে জলোচ্ছ্বাসে ধসে পড়ে উপকূলীয় এলাকার অনেক ঘর। গাছপালা ভেঙেও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 


ভেসে গেছে মাছের ঘের। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পটুয়াখালীতে দফায় দফায় প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চলসহ শতাধিক গ্রাম। তলিয়ে যায় পৌরসভাসহ জেলার নিম্নাঞ্চল।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৮৩টি এবং আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘরবাড়ি।


আরও খবর



রাজাপুরে দিনের বেলায় গ্রীল কেটে টাকাসহ ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

রাজাপুর, হাসিবুর রহমান :

ঝালকাঠির রাজাপুরে একটি বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। বাসার শিক কেটে ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ১২ হাজার টাকা চোরেরদল চুরি করে নিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) দিনের বেলায় রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মোঃ মশিউর মেজবাহ কাজীর বসতঘরে এঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আতাউর রহমান। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মশিউর মেজবাহ কাজী গালুয়া বাজারে মুদি দোকানের ব্যবসা থাকায় তিনি দুপুরের খাবার খেয়ে সেখানে চলে যায়। তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ যোহরা ভান্ডারিয়া উপজেলায় আল-আরাফাত ব্যাংকে চাকুরী করেন। দিনের বেলায় বাসা ফাঁকা থাকায় চোরদের দল এই সুযোগে ঘরের জানালার শিক কেটে প্রবেশ করে। স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। সন্ধ্যার পরে মশিউর মেজবাহর স্ত্রী বাসায় এসে দেখে জানালার শিক কাটা। ঘরের বিভিন্ন মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পরে আছে। রুমের মধ্যে স্ট্রিলের আলমিরা, অয়ারড্রোপ ভাঙ্গা, মাটির মধ্যে গর্তে হাড়িতে রাখা স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। 

ব্যবসায়ী মোঃ মশিউর মেজবাহ কাজী বলেন, আমি প্রতিদিনের মতো দুপুরে খাবার খেয়ে দোকানে চলে এসেছি। আমার স্ত্রী ভান্ডারিয়া ব্যাংকে চাকুরী করায় তিনি সেখানে ছিলেন। আমার মা ঝালকাঠিতে চলে গেছেন। বাসা ফাঁকা ছিলো কেউ ছিলো না। এই সুযোগে চোরের দল শিক কেটে ঘরে প্রবেশ করে ৩০  ভরি স্বর্ণালংকার, ১১ ভরি রূপা ও নগদ ১২ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে।

এবিষয়ে রাজাপুর থানার ওসি মু. আতাউর রহমান বলেন, খবর শুনে ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



৫৮ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

কয়েকদিনের বিরতির পর আবার দেশের ৫৮ জেলায় ছড়িয়েছে তাপপ্রবাহ। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে ৪৮ ঘণ্টার সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে ওই বার্তায় জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মল্লিক বলেন, সারাদেশে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। তবে ৪০ ডিগ্রিতেই ওঠানামা করবে। বুধবার সন্ধ্যার বুলেটিনে বলা হয়, পাবনা, দিনাজপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম এবং রাঙ্গামাটি জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

এর বাইরে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী এবং বান্দরবান জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বাকি অংশে।

এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় দিনাজপুরে। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



গুণগত মানের চা রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি রিপোর্ট:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চা রপ্তানির পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকার উৎপাদনের পাশাপাশি গুণগতমানের চা রপ্তানি বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে। 


তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ১৩টি দেশে চা রপ্তানি করে ২০২৩ সালে প্রায় ২৭২ মিলিয়ন টাকা আয় হয়েছে। চা রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে রপ্তানিতে নগদ ভর্তুকি প্রদান, শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার প্রদান, আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ, দেশীয় চায়ের প্রচার প্রচারণা বৃদ্ধিতে দূতাবাসগুলোকে আরও গতিশীল করাসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’



আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে গতকাল সোমবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে চতুর্থবারের মতো এ বছর ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৪’ উদযাপন হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য—‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’, যা সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”


শেখ হাসিনা বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন। 


পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় ১৯৫৭ সালে শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ঢাকার মতিঝিলে চা বোর্ডের কার্যালয় স্থাপিত হয়।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা চা শ্রমিকদের শ্রমকল্যাণ, যেমন বিনামূল্যে বাসস্থান, সুপেয় পানি, প্রাথমিক শিক্ষা ও রেশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাগান মালিকদের নির্দেশনা প্রদান করেন। 


তিনি চা শ্রমিকদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং ভোটাধিকার প্রদান করেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদান এবং চা বোর্ডে যোগদানের তারিখকে স্মরণীয় করতে ৪ জুনকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।’



শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক গৃহীত নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের চা শিল্প এখন টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হয়েছে। চা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার বড় বাগানের পাশাপাশি সমতলে ক্ষুদ্রায়তন চা আবাদে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। গত দুই দশকে দেশের উত্তরাঞ্চলে সমতল ভূমিতে চা আবাদে বিপ্লব ঘটেছে।’



প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে পঞ্চগড় জেলায় প্রথম চা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চা চাষে বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।


 চা চাষের ফলে এসব জেলায় মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ অঞ্চলের চা শিল্পের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৩ সালে সরকার পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করে। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দৈনিক মজুরি বৃদ্ধিসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।’



শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম স্তম্ভ হলো স্মার্ট অর্থনীতি। আমি প্রত্যাশা করি, চা শিল্পে স্মার্ট কমার্স বাস্তবায়ন ও বহুমুখী রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎপাদনকারী ও বিপণনকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করবে।


আরও খবর