Logo
শিরোনাম

মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


বন্ধ থাকার পর রাজধানীতে সোমবার (২৭ মে) সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে আবার মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সেটি চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেলে থাকা এক যাত্রী। 


ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানি সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মেট্রোরেল চলাচলের জন্য যে ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই রয়েছে টেকনিক্যাল কারণে সেটি ফল করেছিল।


 শেওড়াপাড়া থেকে বিজয় সরণি অংশে এ সমস্যা দেখা দেয়। ফলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছিল।



সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে মেট্রোরেল ছেড়েছে বলে জানান এক যাত্রী। তবে সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জানান, ছেড়ে আসা ওই মেট্রোরেলে বিঘ্ন ঘটেছে। অন্য লাইন দিয়ে মেট্রোরেলটি যাচ্ছে।


 সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী স্টেশন গিয়ে মেট্রোরেল না পেয়ে ঘুরে এসেছেন বলে জানান এক যাত্রী।


এর আগে সোমবার সকাল ৭টার কিছু পরে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় স্টেশনগুলো থেকে কিছুক্ষণ পর পর মাইকিং করে জানানো হয় সাময়িক বিলম্ব হবে।


এতে সকাল থেকেই যাত্রীরা মেট্রোরেলের অপেক্ষায় বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় আছেন। হুট করেই ট্রেন বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েন অপেক্ষারত যাত্রীরা।


গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর চলাচল শুরু হয়।



আরও খবর



তারেক আতঙ্কে আন্দোলনে দ্বিধা বিএনপির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কদিন আগে জানিয়েছেন যে, তারেককে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোই এখন তার প্রধান কাজ। 


প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিএনপির মধ্যে চিন্তার ভাঁজ। বিএনপি নেতারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত। শুধু ঢাকায় বিএনপির নেতারাই নয়, লন্ডনে তারেক জিয়াও এই বার্তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।


বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, তারেক জিয়া লন্ডন থেকে বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কদিন আগে জানিয়েছেন যে, তারেককে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোই এখন তার প্রধান কাজ। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিএনপির মধ্যে চিন্তার ভাঁজ। 


বিএনপি নেতারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত। শুধু ঢাকায় বিএনপির নেতারাই নয়, লন্ডনে তারেক জিয়াও এই বার্তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।


বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, তারেক জিয়া লন্ডন থেকে বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। 



নানা বাস্তবতা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে বিএনপি। আর এই কারণেই তারা মনে করছে যে, এ রকম পরিস্থিতি হলে বিএনপির জন্য তা হবে এক কঠিন বার্তা। 


এমনিতেই বেগম খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে ফিরোজায় অবস্থান করছেন। এখন তারেক জিয়াকেও যদি দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির আওতায় আনা হয়, তাহলে বিএনপির জন্য এক কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হবে। 


আর এই কারণেই জোরেশোরে আন্দোলনের ব্যাপারে বিএনপির মধ্যে দ্বিধা দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। 



দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রগুলো বলছে যে, বিএনপির নেতারা জানার চেষ্টা করছেন কেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ করে তারেক জিয়ার বিষয়টি বললেন এবং এই বিষয়কে বিএনপি নেতারা কেন গুরুত্ব দেবেন। বিএনপির নেতারাই একাধিক কারণে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।



 প্রথমত, বিএনপির নেতারা বলছেন যে, প্রধানমন্ত্রী যখন যেটা বলেন, সেটা তিনি বাস্তবে করে দেখেন এবং এখানে তিনি সাহসিকতার সাথে কাজ করেন। যেমন, কেউ বিশ্বাস করেনি যে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে।



 কিন্তু বাস্তবে সেটাই ঘটেছে। সকলের কাছে অকল্পনীয় ছিল যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে দুই বছরের বেশি সময় আটকে রাখা সম্ভব হবে না। কিন্তু সেটাই করে দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



 কাজেই তারেক জিয়াকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা কেবল কথার কথা নয়। তিনি জেনে বুঝেই কথাটি বলেছেন বলে মনে করছেন বিএনপির অনেক নেতারা। 



দ্বিতীয়ত, যুক্তরাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি অন্যতম বিষয়। যুক্তরাজ্যে আগামী ৪ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং এই নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির পরাজয় সময়ের ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে। 


যদি শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টি পরাজিত হয় এবং লেবার পার্টি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনার পথ সহজ হবে। কারণ ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে আবেদন করা হয়েছে যে তারেক জিয়াকে যেন দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। 



তৃতীয়ত, লেবার পার্টি ক্ষমতায় এলে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং তিনি ব্রিটিশ সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হবেন। ফলে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনাটা অনেক সহজ সাধ্য ব্যাপার হবে। 


চতুর্থত, ব্রিটেনে যে অভিবাসন সংকোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, এই নীতির কারণে এখন হয়তো তারেক জিয়ার বেশি দিন লন্ডনে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্য যে চুক্তি গুলো স্বাক্ষর করেছে তাতে যে কোন দন্ডিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ যেমন যুক্তরাজ্যকে ফেরত দিবে, তেমনি যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে ফেরত দিবে।


এ সমস্ত বাস্তবতায় অনেকে মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী একটি পরিকল্পিত চিন্তার অংশ থেকেই এই ঘোষণাটি দিয়েছেন। আর তাই বিএনপির মধ্যে একটি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপির নেতারা মনে করছেন যে, এখন বড় ধরনের আন্দোলনের চেষ্টা করলে তারেক জিয়ার ওপর চাপ বাড়বে, তারেক জিয়ার যুক্তরাজ্যে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়বে।


 এ কারণে তারা আন্দোলন করবে না সরকারের সাথে গোপন সমঝোতা করবে এটি নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে রয়েছে।


আরও খবর



আমরা শোকাহত: ৭১ টিভির প্রযোজক ও দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মাসুমের পিতা আর নেই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

সদরুল আইন:


     ৭১ টিভির প্রযোজক ও দৈনিক বর্তমান  দেশবাংলা' পত্রিকার প্রধান সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম মাসুম'র বাবা আজ ভোর রাতে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।( ইন্নালিল্লাহি.........রাজিউন)


মৃত্যুকালে মরহুম আলহাজ মফিজুল ইসলাম এক ছেলে এক মেয়ে নাতি নাতনিসহ বহু শুভাকাঙ্খি রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অমায়িক আচরনের এই মানুষটি ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারের জেলর ছিলেন।


এছাড়াও তিনি মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানাসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন।


জানা গেছে, শনির আখড়ায় নিজ বাড়িতেনআজ ভোর রাতে তিনি আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।এর আগে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভূগছিলেন।


তার মৃত্যুতে দৈনিক 'বর্তমান দেশবাংলা ' পত্রিকা পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডেস্ক:


দুর্নীতির বিষয়ে সরকার নির্বিকার নয়, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


 শুক্রবার (৩১ মে) আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।



ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি যে কেউ করে বসতে পারে। এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু সে বিষয়ে সরকার নির্বিকার কিনা এটাই দেখার বিষয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সব খবর আছে।



তিনি বলেন, বিএনপির আমলে হাওয়া ভবনের নির্দেশে চলতো সারাদেশের দুর্নীতি। তারা কি তাদের লুটপাটের আমলে কাউকে শাস্তি দিয়েছে?


নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের নামে কারফিউ গণতন্ত্র চালু করেছে। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি তারা এক প্রহসনমূলক নির্বাচন করেছে। আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নির্বাচন করেছি।


আরও খবর



টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারতে লোকসভা নির্বাচেনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। শনিবার (০১ জুন) সপ্তম ধাপে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে।

আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবে দেশটির নির্বাচন কমিশন। তবে এরইমধ্যে বুথফেরত ফলাফল ঘোষণা করেছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। এতে বলা হয়েছে, এবার হ্যাটট্রিক করতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নির্বাচনে দেশটির বড় দুটি জোটের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। এ দুটি হলো ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট।


বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এবার ভোটের ৩৫৩ থেকে ৩৮৩ আসন পেতে পারে। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেতে পারে ১৫২ আসন থেকে ১৮২ আসন। ভারতের কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ২৭২ আসন।

তাই ম্যাজিক সংখ্যা থেকেও বিজেপির আসন প্রাপ্তির সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি বলে আভাস দিচ্ছে একাধিক সমীক্ষা।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার, এবিপি আনন্দের যৌথ বুথ ফেরত মত বলছে, বিজেপি এবার এককভাবে ৩১৫ আসন পাবে। আর কংগ্রেস পাবে ৭৪টি আসন।

শনিবার (১ জুন) সাত দফার ভোট গ্রহণের শেষ দফা ভোট পর্ব শেষ হতেই এক এক করে দেশটির গণমাধ্যম গুলো বুথ ফেরত ফলাফল প্রকাশ করতে শুরু করে। আর সেখানে এমন আভাস পেয়ে কার্যত খুশি মোদির দল।

তবে এটাও সত্যি যে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪০০ আসনের বেশি আসন পেয়ে বিজেপি সরকার গড়বে বলে যে দাবি করেছিলেন- সেই দাবি কিন্তু বুথ ফেরত সমীক্ষার আভাস পুরোপুরে খারিজ করে দিয়েছে।


দেশটির অধিকাংশ সমীক্ষক সংস্থার আভাস বলছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানে বিজেপি তাদের অবস্থান ধরে রাখবে। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের কেরালাও বিজেপি এবার খাতা খুলতে পারে। একই সঙ্গে মমতার রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গেও তৃণমূলের চেয়ে বেশি আসন প্রাপ্তির সম্ভাবনাও দেখাচ্ছে সমীক্ষা।

দেশটির তিনটি বড় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার, অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া, টুডেজ টানক্য-এর সমীক্ষার গড় হিসেব করলে মমতার রাজ্যে মোদির দল এবার ২৫টিরও বেশি আসন পেতে পারে।

আর তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১৫টি আসন। ৪২ আসনের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি গেলবার ১৮টি আসন, তৃণমূল ২২ টি আর কংগ্রেস ২টা আসন পেয়েছিল। সে হিসেবে তৃণমূল এবার ৭টি আসন হারাতে চলেছে।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




কিম-পুতিন বৈঠক শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উন পিয়ংইয়ংয়ে শীর্ষ বৈঠক শুরু করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার বৈঠকে দুই দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল ও পারস্পারিক সামরিক সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


পুতিন কুমসুসান স্টেট গেস্ট হাউসে আয়োজিত এ আলোচনার আগে একটি অনুষ্ঠানের জন্য কিম ইল সুং স্কয়ারে পৌঁছান। স্থানটি রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার পতাকা এবং দুই নেতার বড় প্রতিকৃতি দিয়ে সজ্জিত ছিল।  



রাষ্ট্রীয় মিডিয়া জানায়, পুতিনের এই সফরকালে দু’দেশের মধ্যে একটি ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।এর আগে কিম বিমানবন্দরে পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান। এই সময় দুই নেতা লাল গালিচায় পরস্পরকে আলিঙ্গন করেন।



পুতিন ও কিম দু’দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর জোর দেন। তাদের এই ঘোষণা সিউল ও ওয়াশিংটনে জন্য উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এটি ২০০০ সালের পর উত্তর কোরিয়ায় পুতিনের প্রথম সফর।


পশ্চিমা দেশগুলো কিমকে উভয় দেশের উপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইউক্রেনে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ এনেছে। যদিও মস্কো ও পিয়ংইয়ং আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


গত সেপ্টেম্বরে স্পেস এয়ারপোর্টে পুতিনের সাথে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কিম তার বুলেট প্রুফ ট্রেনে রাশিয়ার সুদূর পূর্ব অঞ্চলে যাওয়ার পর এক বছরের মধ্যে এটি দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক।পুতিনের এই ফিরতি সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘অজেয়তা ও স্থায়িত্ব’ তুলে ধরছে।


পুতিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভসহ বেশ কয়েকজন রুশ কর্মকর্তার সঙ্গে সফর করছেন। সফরটি প্রতিরক্ষা সম্পর্কের দিকে মনোনিবেশ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। যদিও নেতারা অর্থনৈতিক খাতে দু’দেশের সহযোগিতাকে প্রকাশ্যে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


তবে যে কোনো ধরনের অস্ত্র চুক্তি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে রেজুলেশন রয়েছে, তা লঙ্ঘন করবে।


উত্তর কোরিয়া বিষয়ক গবেষক ডংগুক বিশ্ববিদ্যালয় ইমেরিটাস অধ্যাপক কোহ ইউ-হওয়ান বলেন, ‘ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সমর্থন প্রয়োজন, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার চাপ কমাতে উত্তর কোরিয়ার খাদ্য, শক্তি ও উন্নত অস্ত্রের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সমর্থন প্রয়োজন।’


দক্ষিণ কোরিয়ার পাশাপাশি ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপারে পুতিনের এই উত্তর কোরীয় সফরটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সোমবার ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে।


দুই কোরিয়া তাদের ১৯৫০-৫৩ সালের দ্বন্দ্বের পর থেকে প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধে লিপ্ত এবং তাদের বিভক্ত করা সীমান্তটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সুরক্ষিত সীমানা।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24