Logo
শিরোনাম
রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা শিক্ষার্থী ৮ শিক্ষক ২

মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

সুচিত্রা সেন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নায়িকার নাম। এই মহানায়িকার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

১৯৫২ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম পা রাখেন তিনি। মহানায়ক উত্তম কুমারের সাথে ১৯৫৩ সালে "সাড়ে চুয়াত্তর" ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে।আজও স্মরণীয় হয়ে আছে উত্তম-সুচিত্রা জুটি।
২৬ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি অগ্নিপরীক্ষা, সাগরিকা, দেবদাস, হারানো সুর, ইন্দ্রানী, সপ্তপদীর মতো সুপারহিট সব চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। ১৯৭৮ সালে 'প্রণয় পাশা' ছবি করার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান এই মহানায়িকা। এরপর আর কোনোদিন জনসমক্ষে আসেননি। তবু তার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থান আইন সংশোধন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :মালয়েশিয়া এমপ্লয়মেন্ট (কর্মসংস্থান) আইন সংশোধন করেছে। যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের ৬০ ধারা সংশোধন করে লেবারের ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এজন্য নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্ত রয়েছে; যেমন—এমপ্লয়মেন্ট আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ইস্যু পেন্ডিং থাকা যাবে না; এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা; সকসো, মিনিমাম বেতন এবং মিনিমাম আবাসনের শর্ত প্রতিপালন না করার কারণে নিয়োগ কর্তাকে কোনো দণ্ড আরোপ করলে এবং সে মোতাবেক অবস্থার উন্নয়ন না করলে; মানবপাচার ও জবরদস্তিমূলক শ্রমের জন্য নিয়োগকর্তা শাস্তি পেলে নিয়োগের অনুমতি পাবে না।

বর্তমান আইন অনুযায়ী বিদেশিকর্মী নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে নিয়োগকর্তাদের এবং অবশ্যই কোন পদে বা কোন কাজের জন্য নিয়োগ করবে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা; কর্মরত স্থানীয় কর্মীর সংখ্যা; কর্মরত বিদেশি কর্মীর সংখ্যা, কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কোম্পানির ঠিকানা ও অবস্থান; কোম্পানির যোগাযোগের তথ্যাদি; সেক্টর; কোম্পানি বা ব্যবসা শুরুর তারিখ; কোম্পানির বর্তমান অবস্থা; সকসো নম্বর তথ্য দিতে হবে।

জি-টু-জি প্লাসের নিয়োগের সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম উইং ডিমান্ড এটেস্টেশন করার পূর্বে সরেজমিন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির উপযুক্ততা নির্ণয়ের জন্য যেসব বিষয়াদি যাচাই করেছিল ঠিক সে বিষয়গুলো মালয়েশিয়া সংশোধিত এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে এনেছে।

হাইকমিশনের শক্ত অবস্থানের কারণে জি-টু-জি প্লাসের সময় তুলনামূলক ভালো এবং শতভাগ কর্মসংস্থান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার সংসদেও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত অভিবাসন খরচের ইস্যুর ভিড়ে ভালো কর্মসংস্থানের ইস্যুটি চাপা রয়ে গেছে।

এমন কি কোম্পানির পরিচালকের সাক্ষাৎ এবং লিখিত ঘোষণাও নিয়েছিল যেন বাংলাদেশি কর্মীরা ভালো থাকে। উপযুক্ততা না থাকায় অনেক কোম্পানির এটেস্টেশন করেনি এবং পদ্ধতি অনুসরণ না করায় মালয়েশিয়ার বিমান বন্দরে আগত কর্মীকে নিয়োগকর্তা নিজ খরচে ফেরত পাঠিয়ে এবং পুনরায় যথা নিয়মে মালয়েশিয়ায় আনয়ন করেছিল।

সে সময়ের লেবার কাউন্সিলর সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের যৌক্তিক এবং নিরাপদ মাইগ্রেশন অর্থাৎ সঠিক কোম্পানিতে কাজ পাওয়া এবং ভালোভাবে থাকার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জের এবং অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। ফলে অনেক চাপ ও বিরোধিতা এবং নেতিবাচক প্রপাগান্ডা সত্ত্বেও আমরা নিয়োগকর্তার ও কোম্পানির অবস্থা যাচাই না করে এটেস্টেশন করিনি। এতে দীর্ঘদিনের কাজ না পাওয়া, অমানবিক অবস্থার শিকার হওয়ার যে দুর্নাম ছিল সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব হয়েছে।

করোনার আগে মালয়েশিয়ায় আগমনে বিদেশি কর্মীদের উচ্চ অভিবাসন খরচ এবং কর্মীদের মানহীন আবাসনের কারণে আমেরিকা ও ইউরোপ মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত পণ্য গ্রহণ না করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আন্তর্জাতিকভাবে এ দুটিকে মানবপাচার এবং জবরদস্তিমূলক শ্রম অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগ মালয়েশিয়ার উন্নত দেশের স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য মালয়েশিয়া সরকার জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং দেশীয় এনজিওদের সঙ্গে কাজ করছে।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার আইএলও কনভেনশনে সই করেছে। বর্তমান সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োজন প্রক্রিয়া বেশি সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার কাজ করছে।


আরও খবর



নওগাঁয় তীব্র শীত অপেক্ষা করে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা মূলত উত্তর জনপদের খাদ্যশস্য ভান্ডার খ্যাত হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। 

ইতি মধ্যেই নওগাঁ জেলায় হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

জেলার আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে চলছে এখন বোরো ধান রোপনের কাজ। শুধু আত্রাই উপজেলা নয় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে মাঠে (বিশেষ করে নিচু জমিতে) চলছে আগাম বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ। সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপন করতে পেরে খুশি কৃষকরা।

প্রচন্ড শীত আর সেই সাথে ঘণ কুয়াশায় বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে চারা রোপন করা পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটছে ধান চাষি কৃষকদের। ইতোমধ্যে নানা সমস্যার মধ্যেও বোরো চারা রোপনের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এখন গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপনের কাজ চলছে। কোনো জমিতে চলছে চাষ, বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে বীজ, চলছে রোপন সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে চলছে বোরো ধান রোপনের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, এক ফসল বিক্রি করে অন্য ফসল আবাদ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এখন কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধান চাষের কৃষি জমিগুলো লিজ দিয়ে তৈরি  করছেন মাছ চাষের পুকুর। এতে করে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ৩ ফসলী শত শত বিঘা কৃষি জমি।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সাহাগোলা গ্রামের ধান চাষি কৃষক আজাদ সরদার বলেন, গত বছর তিনি ৮বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এবার করছেন ৫বিঘা জমিতে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে প্রায় জমি তৈরির কাজ শেষের দিকে। আর ক’দিনের মধ্যে চারাগাছ রোপন করা শুরু করব।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, পৌষ মাসের শুরুতেই বোরো ধান রোপন করা শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারেননি। তাই চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলো। এতে করে ফলনও একটু ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা পোষন করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার তেমন একটা ক্ষতি না হওয়ায় আত্রাই উপজেলার কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছে। তিনি আরোও জানান, উপজেলায় চলতি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় শতকরা ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হয়েছে। অতিদ্রুত পুরো উপজেলার সকল মাঠের জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদি।

এছাড়াও উপজেলার কৃষকদের বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে জমিতে চারা রোপন করা পর্যন্ত সকল পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। কৃষি অফিস যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর



ডলারের অস্থিরতা আর কতদিন ?

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবীর আমজাদ :আলোচনা টেবিলে বার বার ঘুরে-ফিরে বিষয় এখন একটাই। আর তা হলো ডলার। সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগের পরও ডলার নিয়ে অস্থিরতা কাটছে না। বরং দিনের পর দিন টাকার মান কমছে, বাড়ছে ডলারের দাম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দাম থেকে অনেক বেশি দরে বিক্রিও হচ্ছে। সবশেষ খোলাবাজারে ১২১ টাকা ছুঁয়েছে এক ডলারের বিনিময়মূল্য। সামনে আরও বাড়বে এমন গুঞ্জনও আছে বাজারে। তাই কোথায় গিয়ে থামবে ডলারের দাম আর সংকট কবে কমবে তা কারো বলার যেন সাধ্য নেই!

বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ডলারের এই অবস্থা দিনে দিনে কেটে যাবে এমনটা মনে করার কারণ নেই। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে আমদানির বিষয়ে নির্দেশনাসহ সরকারের নেওয়া উদ্যোগের সঠিক প্রয়োগ, স্বল্প এবং মধ্যমেয়াদে পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের কৌশল ঠিক করতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হওয়ার আশঙ্কার কথাও বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যেই ডলার-সংকট নিরসনে সরকার নানামুখি উদ্যোগও নিয়েছে।


এদিকে আনুষ্ঠানিক দরের বালাই নেই খোলা বাজারে। খোলা বাজারে ১১৫ টাকার বিক্রি হওয়া ডলার মাঝে একদিন আশুরার বন্ধের পর বুধবার এক লাফে সাত টাকা বেড়ে খোলা বাজারে ১২১ টাকায় পৌঁছেছে। যা দেশের ইতিহাসে খোলাবাজারে সর্বোচ্চ দর। গত সোমবারও এই দাম ছিল ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও ১০৮ থেকে ১১০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে ডলার। কিন্তু দামে রেকর্ড হওয়ার পরও ডলার সংকট কাটছে না। এর প্রভাব পড়ছে বিদেশগামী সাধারণ মানুষ, ভোক্তা, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবার ওপর।


আরও খবর



নির্বাচনী দ্বন্দ্বে কুমিল্লায় আ'লীগ সভাপতির গাড়ি ভাঙচুর !

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো :

ইউপি নির্বাচনী দ্বন্দ্বে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রহুল আ‌মি‌নের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দাউদকান্দি উপজেলার ইউনিয়নের সম্বুরদিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।     

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, 'গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে দাউদকান্দির বর্তমান চেয়ারম্যান মহিন উদ্দিনের সমর্থক ও উত্তর জেলা-উপজেলা নেতাকর্মীদের মাঝে দ্বন্দ্ব তৈরী। অভিযোগ আছে টাকা নিয়েও নির্বাচনে মহিন উদ্দিনের পক্ষে কাজ করেননি আওয়ামী লীগ নেতারা। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে তৈরী হয় ক্ষোভ। শনিবার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াতে যান কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রুহুলামিন। বিকেলে সেখান থেকে ফেরার পথে বিক্ষুব্ধ ইউপি চেয়ারম্যান সমর্থকরা হামলা চালান জেলা সভাপতির গাড়িতে। 

এসময় গাড়িতে ছিলেন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রুহুল আ‌মিন, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মহিউদ্দিন সিকদার, জেলা সভাপতির ব্যক্তিগত সহকারী ও গাড়ির চালক। ঘটনায় জেলা সভাপতির গাড়ি ভাঙচুর করা হলেও, কেউ আহত হননি। 

দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মহিউদ্দিন সরকার জানান, বিয়ের দাওয়াত থেকে আসার পথে শুণি ইউপি চেয়ারম্যান মহিন উদ্দিনের সমর্থকরা আমাদের উপর হামলা করবে। এসময় আমরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে চেস্টা করি। কিন্তু তারা আমাদের গাড়িকে লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। জেলা সভাপতির গাড়িটি ভেঙে ফেলে ও জেলা সভাপতিসহ আমাদের আঘাতের চেস্টা করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রাণে বেঁচে যায় নেতাকর্মীরা। 

অভিযোগের বিষয়ের দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মহিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে কিছু বিষয় নিয়ে ক্ষোভ তৈরী হয়, এটা সঠিক। তবে শনিবারের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না, এলাকায়ও ছিলাম না। আমি শুনেছি ঘটনার এক ঘন্টা পর। এই ঘটনার জন্য আমি অনুতপ্ত।

হামলার স্বীকার কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন জানান, দাউদকান্দির দৌলতপুর ইউনিয়নে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে গেলে উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বসির উল্লাহ মিয়াজী কে খোঁজার জন্য স্থানীয় কয়েকজন ধাওয়া করে। না বুঝে আমার গাড়ী ও আমার সাথে থাকা লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মনোনয়ন বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের এই নেতা অভিযোগ অস্বীকার করেন। 

কেন হামলা করা হলো গাড়িতে?  এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,'ইউপি নির্বাচন নিয়ে হয়তো থানা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে ইউপি চেয়ারম্যান সমর্থকদের দ্বন্দ্ব ছিল। বিষয়টা আমি পরে জেনেছি৷ সেই ক্ষোভ থেকেই ওদের খোঁজতে গিয়ে আমার গাড়িতে হামলা করা হয়েছে। 

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলমগীর ভূইয়াঁ জানান, ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পু‌লি‌শের অভিযান চলমান র‌য়ে‌ছে।                      এ‌দি‌কে দাউদকা‌ন্দি উপ‌জেলা আওয়ামীলীলী‌গের সভাপ‌তি ও সাধারণ সম্পাদক এ ঘটনায় প্রেসবার্তায় তীব্র নিন্দা জা‌নি‌য়ে দুস্কৃ‌তিকারী‌দের গ্রেপ্তা‌রের দাবী জানান।


আরও খবর



স্ত্রীর চেম্বার দেখিয়ে নিজেকে ডাক্তার বলে টাকা হাতিয়ে নিতো মুকুল

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :


স্ত্রীর চেম্বারকে নিজের বলে ছবি তুলে মানুষকে দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাতে ডাক্তার পরিচয়েধারী ওই ব্যক্তিকে কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয়।


এসময় তার নিকট হতে দুইটি ভুয়া ডাক্তারি আইডি কার্ড ও তার নিজস্ব ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি জানিয়েছেন র‌্যাব ১১ কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।


গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার মোঃ মোশারফ বিশ্বাসের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫)।


র‌্যাব-১১ অধিনায়ক সাকিব বলেন, পূর্বের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রতারক আব্দুস সালাম এক ভুক্তভোগীর নিকট হতে তার দোকানের ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্থা সম্পর্কে খোজ-খবরসহ তার মোবাইল নম্বর নেয়। একপর্যায়ে আব্দুস সালাম বিভিন্নভাবে নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দেয়। পরে ডাক্তারি ব্যবসার জন্য তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়। পরবর্তীতে ভিকটিমের নিকট আরো টাকা দাবী করে। ভিকটিম আব্দুস সালামের ডাক্তারি ব্যবসার সত্যতা যাচায়ের জন্য তার নিকট প্রমাণ চাইলে প্রতারক আব্দুস সালাম তার স্ত্রীর কর্মস্থল মনোহরগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চেম্বারের ভিতরে তোলা ছবি, চেয়ারে বসা অবস্থায় তোলা ছবি, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভিকটিমকে দেয়। পরবর্তীতে ভিকটিম আরো সত্যতা যাচায়ের জন্য নিজে তার চেম্বার দেখার জন্য নিজে যেতে চাইলে প্রতারক আব্দুস সালাম বিভিন্ন তাল-বাহানা শুরু করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।


র‌্যাবের ১১এর অধিনায়ক সাকিব বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীর দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, সে বিভিন্ন সময় একই পন্থা অবলম্বন করে সাভার, গাজীপুর, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ইতিমধ্যে সে কয়েকজনের নিকট হতে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানায়। 

 

এ বিষয়ে উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


আরও খবর