Logo
শিরোনাম
বন্ধের ঘোষণা এলে বেড়ে যায় চাঁদার রেট

মহাসড়কে অবাধে চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

রাজধানীর অলি-গলিসহ প্রধান সড়কগুলোতেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার সংযোগ সড়কে তো আছেই। মূল সড়কেও দাপটের সাথে চলছে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশা। এমনকি রাজধানীর অভিজাত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতেও এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে দেখা যায়। তাদের চলার ভংগি এমন, কাউকেই তোয়াক্কা করার সময় নেই। রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে তার সেই নির্দেশের কোনো বাস্তবায়ন নেই। অন্য স্বাভাবিক দিনের মতো রাজধানীর সড়ক, অলিগলিতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করেছে।

বিপজ্জনক উল্লেখ করে বিভিন্ন সময় এসব রিকশা চলাচল বন্ধের দাবি উঠলেও তা কমছে না। এবার খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এসবের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তার পরেও অবাধে চলছে এসব যান। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল দিনদিন বেড়েই চলেছে। এসব গাড়ির নিয়ন্ত্রণহীন চলাচলের কারণে প্রতিদিনই ঘটছে কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা। সরকারের নির্দেশনা দিলেও, এখনো তা কার্যকর হয়নি। পুলিশ প্রশাসনের সামনেই চলছে সব। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আটো রিকশার দৌরাত্ম্যে অসহায় সাধারণ মানুষ। এসব যানের অনিয়িন্ত্রিত চলাচলে যানজট লেগেই থাকে সারাক্ষণ। চালকদের ভাষ্য, তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই সড়কে এ যান চালাচ্ছেন। তবে বন্ধের ঘোষণা এলে চাঁদার রেট বেড়ে যায়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। বিদ্যুৎ ঘাটতির সময়ে অবৈধ এই যানবাহন চলতে দেওয়া কোনোভাবেই উচিত হচ্ছে না। এছাড়া বাহন নিরাপদও নয়। সাধারণ রিকশার অবকাঠামো কিছুটা পরিবর্তন করে তৈরি এসব রিকশা বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এতে প্রায়ই সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। রাজধানীতে প্রায় দুই লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এগুলোর জন্য একদিকে যেমন বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে অদক্ষ চালক ও বেপরোয়া চলাচলের কারণে প্রায়ই হচ্ছে দুর্ঘটনা। এসব যান নিয়ন্ত্রণে আছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। ফলে এসব রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকেও অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। পুরান ঢাকার কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, হাজারীবাগ, মগবাজার এবং মিরপুর এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার আধিক্য বেশি। এসব জায়গায় শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এসব যান। দিনপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার চুক্তিতে পাওয়া যায় ব্যাটারিচালিত রিকশা। অবশ্য রিকশাপ্রতি মাসে ২ হাজার টাকার মতো চাঁদা গুনতে হয়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশায় সয়লাব রাজধানীর মূল সড়ক। অবৈধ ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল করতে দেখলেই পুলিশ আটক করলেও বাহনগুলোর চলাচল অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীর পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, আরামবাগ, যাত্রাবাড়ী, সদরঘাট, মালিবাগসহ কয়েকটি সড়কে রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। রামপুরা, খিলগাঁও, বাড্ডা, নয়াবাজার, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, বাংলামটর, কাওরান বাজার, ফার্মগেট, কামরাঙ্গীরচর, চকবাজার, নাজিরাবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, দনিয়া, শনির আখড়াসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্যাডেল রিকশায় মোটর ও ব্যাটারি লাগিয়ে চলাচল করছে। এলাকায় মোড় দখল করে নিয়েছে ওই বাহনটি। রাতে অন্যান্য গাড়ির চাপ কমে গেলে ব্যাটারিচালিত এসব গাড়ি নামতে থাকে। চলতে থাকে সকল রুটেই। কোন রুটেই বাধা নেই তাদের যেতে।

শ্যামপুর, জুরাইন, কদমতলী, ডেমরা, সায়েদাবাদ, সদরঘাট, মোহাম্মদপুর, দারুসসালাম, কাফরুল, পল্লবী, উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, খিলগাঁও, সবুজবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, তুরাগ, হাজারীবাগ, আদাবর থানা এলাকার অলি-গলিতে অবাধে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলতে দেখা যায়। অনেক এলাকায় পুলিশের সামনেই এসব যান দাপট নিয়ে চলছে। এমনকি অলি-গলি ছাড়িয়ে অটোরিকশাগুলো মূল সড়কে চলে আসায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজটও। মিরপুর-১০ নম্বরের সড়কজুড়ে দেখা মিললো ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য। স্পষ্ট হলো, মন্ত্রীর কড়া নির্দেশ এখানে উপেক্ষিত। শুধু ১০ নম্বর না, অবৈধ অটোরিকশার অবাধ বিচরণ পুরো মিরপুর জুড়ে। পুরো এলাকা ঘুরেও চোখে পড়েনি অটোরিকশা বন্ধে কোনো বিশেষ অভিযানের।

নূর ইসলাম নামের এক চালক বলেন, সরকার যখন বন্ধের ঘোষণা দেয়, এই সুযোগে যারা এসব নিয়ন্ত্রণ করে তারা প্রথমে কয়দিন বন্ধ রাখতে বলে। পরে চাঁদার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া এই অটো চালিয়ে সংসার চলে। যদি না চালাতে পারি তাহলে সমস্যায় পড়ে যাব।

তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়ে হাইকোর্টের একটা নির্দেশনা ছিল। ট্রাফিক যেসব এলাকাতে থাকে সেসব এলাকাতে ব্যাটারিচালিত রিকশা যাতে কোনোভাবে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা অনেক আগে থেকেই সচেষ্ট আছি। ব্যাটারিচালিত রিকশার মূল উৎপত্তিস্থল চার্জিং পয়েন্ট এবং যেখানে গ্যারেজ আছে, যেসব ব্যক্তি এগুলোর সঙ্গে জড়িত সেসব ব্যক্তিরও তালিকা প্রণয়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ব্যাটারিচালিত যানের জন্য সড়কে একদিকে যেমন বাড়ছে যানজট, তেমনি দুর্ঘটনার নতুন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১০ সালের পর থেকেই এই ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়কে বাড়ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ না করায় সড়কে বেড়েই চলেছে ব্যাটারিচালিত যান। ব্যাটারি, মোটর আমদানি করার নিষেধাজ্ঞা না থাকায় দেশে এসব যান ঢুকে গেছে। কোনোভাবেই সিটিতে চালানো যাবে না।


আরও খবর



র‍্যাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে না যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে না যুক্তরাষ্ট্র। 


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সহকারী প্রেসসচিব বেদান্ত প্যাটেল এ তথ্য জানিয়েছেন।


ব্রিফিং চলাকালে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু ঢাকা সফরের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেছেন, হোয়াইট হাউজ ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচার বহির্ভূত হত্যার দায়ে র‍্যাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে আগ্রহী। 


হোয়াইট হাউজ ও পররাষ্ট্র দফতর এ নিয়ে কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।


এ সময় প্যাটেল বলেন, এ দাবিগুলো অসত্য। র‍্যাবের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে না। এসব দাবি অসত্য। নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য আচরণ পরিবর্তন এবং জবাবদিহিতা প্রচার।



আরও খবর



হামলা জোরদার করতে পারে রাশিয়া

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

রুশ বাহিনী হামলা আরো জোরদার করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

এক সাক্ষাৎকারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মিত্রদের কাছে আরো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও যুদ্ধবিমান দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন জেলেনস্কি। শনিবার এএফপির খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে রুশ সেনাদের। ইউক্রেনে একের পর এক গ্রাম দখলে নিচ্ছে তারা। খারকিভ অঞ্চল জুড়ে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে কয়েক দিন আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট অফিস জানিয়েছে, আসন্ন দিনগুলোয় আন্তর্জাতিক যে সফর রয়েছে, তা স্থগিত রাখবেন জেলেনস্কি। অর্থাৎ তিনি দেশেই থাকবেন। কারণ, খারকিভের উত্তরপূর্বাঞ্চলে রুশ সেনাদের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে।

জেলেনস্কি আগামী মাসে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন ও উন্নয়নশীল বিশ্বের অনেক দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চীনের মতো বিশ্ব খেলোয়াড়দের রাশিয়ার ওপর প্রভাব রয়েছে। জেলেনস্কি আরো বলেছেন, আমরা চাই ন্যায্য শান্তির সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হোক। পশ্চিমারা চাচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ শেষ হোক।

রুশ আগ্রাসনের মুখে খারকিভ থেকে হাজার হাজার লোক পালাতে বাধ্য হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেছেন, খারকিভের পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে, তবে সেখানে স্থিতিশীলতা নেই।

সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি আকাশ প্রতিরক্ষা প্রসঙ্গে বলেছেন, দেশ রক্ষায় প্রয়োজনের তুলনায় ইউক্রেনের শুধু ২৫ শতাংশ আকাশ প্রতিরক্ষা রয়েছে।

তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতে আমাদের ১২০ থেকে ১৩০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দরকার। তিনি এসব যুদ্ধাস্ত্র দিতে আবারও পাশ্চাত্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।


আরও খবর



আজ মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে সাড়ে ৩১ হাজার শ্রমিকের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


মালয়েশিয়ায় কর্মী ভিসায় যাওয়ার সময় আজ শুক্রবার রাতেই শেষ হয়ে যাবে। দেশটির সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজই দেশটিতে কর্মীদের যাওয়ার শেষ সুযোগ। 


আগামীকাল শনিবার থেকে আর কোনো কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। এ কারণে বাংলাদেশের অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে।



বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়।


 ২১ মের পর আর অনুমোদন দেয়ার কথা না থাকলেও বিএমইটির তথ্য বলছে, মন্ত্রণালয় আরও এক হাজার ১১২ জন কর্মীকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। 


এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে চার লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ বাংলাদেশ থেকে মাত্র এক হাজার ৫০০ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। অর্থাৎ অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর যাত্রা বাতিল হয়ে যাচ্ছে।


কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক বিমান টার্মিনালের ফ্লোরে গতকাল পর্যন্ত ১৪টি দেশ থেকে আসা প্রায় ২০ হাজার কর্মী অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী বাংলাদেশের।


এই মুহূর্তে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কর্মীর উপচে পড়া ভিড়। দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের।র্মীরা বলছেন, তারা তিন-চার দিন ধরে বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। কেউ নিয়োগকর্তার খোঁজ পাচ্ছেন, আবার কেউ পাচ্ছেন না।



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাতটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের দুটি, ইউএস-বাংলার দুটি, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি, এয়ার এশিয়ার একটি এবং বাতিক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ায় যাবে।


মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের সময় ঘনিয়ে আসায় বাড়তি দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করেছে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইটের টিকিটের দামও এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগপ্রক্রিয়ার দুর্নীতি নিয়ে গত ২৮ মার্চ মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয় জাতিসংঘের চারজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ। তবে দুই দেশের সরকারই এই চিঠির কোনো উত্তর দেয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।


গত রবিবার জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) এই চিঠি প্রকাশ করেন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ টোমোয়া ওবোকাটা, রবার্ট ম্যাককরকোডালে, গেহাদ মাদি ও সিওবান মুল্লালি এই চিঠি দেন।



চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের জনপ্রতি সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার ডলার পর্যন্ত নিয়োগ ফি দিতে হচ্ছে, যা ২০২১ সালে এই দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খেলাপ। ওই এমওইউ অনুযায়ী, এই ফি হবে ৭২০ ডলার পর্যন্ত।


জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা উভয় সরকারের কাছে এ বিষয়ে তদন্ত, অপরাধীদের বিচার এবং নৈতিক নিয়োগের নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। তবে ৬০ দিনের মধ্যে কোনো সরকার থেকে জবাব না আসায় এই চিঠি মানবাধিকার কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়।


আটকে থাকা কর্মীদের বিষয় কোনো পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের সভাপতি আবুল বাশার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। 


আমরা দু-এক মাস সময় বাড়িয়ে দেয়ার কথা বলেছিলাম। তাহলে সব কর্মীকে পাঠানো যেত। কারণ কর্মীরা যেতে না পারলে তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে। তারা অনেক টাকা দিয়ে বসে আছে। 


বৃহস্পতিবারও এই বিষয় মন্ত্রণালয়কে অবগত করেছি। কাল (শুক্রবার) মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের পর জানা যাবে বিষয়টির কী হবে।’


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কর্মসংস্থান) গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার বলেন, ‘এ বিষয় আন্ত মন্ত্রণালয়ের বৈঠক চলছে। সামনেও বৈঠক হবে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’


আরও খবর



দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হামাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক ডিজিটাল ডেস্ক :

চলতি মাসের শুরুতে মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের একটি যুদ্ধবিরতির আলোচনা হয়।

তবে শর্ত পছন্দ না হওয়ায় ইসরায়েল এ যুদ্ধবিরতির আলোচনা থেকে সরে আসে। এরপর হামাস জানায়, যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলকে আর ছাড় দেবে না তারা।

শুক্রবার (১৭ মে) এক ভিডিওবার্তায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন হামাসের মুখপাত্র আবু ওবায়দা। খবর আল জাজিরা।

ভিডিওবার্তায় আবু ওবায়দা বলেন, আগ্রাসন যতই দীর্ঘস্থায়ী হোক না কেন, ফিলিস্তিনিরা রাফাহ এবং গাজার অন্যান্য স্থানে আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

আমরা শত্রুর বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তাদের এমন এক জলাভূমিতে টেনে নিয়ে যাচ্ছি, যেখানে তারা তাদের সৈন্যদের মৃত্যু এবং তাদের কর্মকর্তাদের বন্দিত্ব ছাড়া আর কিছুই পাবে না।


হামাসের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা বড় শক্তি- এটা প্রমাণের জন্য আমাদের লড়াই না। আমরা এই মাটির সন্তান এবং প্রকৃত মালিক।

হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা ১০০টিরও বেশি ইসরায়েলি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি টানেল উড়িয়ে, রকেট ও মর্টার হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত করেছে।


গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালান হামাসের যোদ্ধারা। ওই হামলায় সবমিলিয়ে ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকরা নিহত হন।

পরে হামাসের হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এই হামলায় নিহত হয়েছে, যাদের এক তৃতীয়াংশই শিশু।


আরও খবর



মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হওয়ার আগে কনডেম সেলে না রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image


ডিজিটাল ডেস্ক

মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে ফাঁসির আসামিদের কনডেম সেলে না রাখার সিদ্ধান্ত আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট।


বুধবার (১৫ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।


মঙ্গলবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় হাইকোর্টের এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে ১৩ মে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ সাড়ে ৩ ঘণ্টাব্যাপী রায় ঘোষণা করা হয়।


আরও খবর