Logo
শিরোনাম

মিল্টন সমাদ্দারের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ করলো সমাজসেবা অধিদপ্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


বহুল আলোচিত মিল্টন সমাদ্দারের গড়া প্রতিষ্ঠান ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ারে’ প্রশাসক নিযুক্ত করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।


রোববার (২৬ মে) সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. রকনুল হকের স্বাক্ষতির এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।


তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সমাজসেবা কর্তৃক প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের সাময়িক দায়িত্ব অফিসিয়ালি প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


রিমান্ড শেষে কারাগারে মিল্টন সমাদ্দার

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকেল ৩টায় কল্যাণপুরস্থ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।


এদিকে মিরপুর মডেল থানার আরেক মামলায় মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালত শুনানি শেষে এ রায় দেন।


এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সিকদার মহিতুল আলম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। সোমবার আদালতের মিরপুর মডেল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


প্রসঙ্গত, গত ২ মে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জালজালিয়াতির মাধ্যমে মৃত্যু সনদ তৈরি করার অভিযোগে করা মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 



তিন দিনের রিমান্ড শেষে গত ৫ মে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তখন এ মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।


এ ছাড়া মানবপাচার আইনের আরেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে ডিবি পুলিশ। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুবের আদালত এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান। 


ওইদিন দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শান্তা আক্তারের আদালত তার ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এর আগে রাজধানীর মিরপুর থেকে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর জোনাল টিম।


আরও খবর



বাবার পদবি বাদ দিতে আদালতে ব্র্যাড পিট-জোলির কন্যা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


নিজ নামের শেষ অংশ থেকে বাবার নাম বাদ দিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দম্পতির কন্যা শিলো নুভেল জোলি-পিট। 



‘পিট’ পদবি বাদ দিয়ে এখন শুধু ‘শিলো জোলি’ নামেই পরিচিত হতে চান তিনি। এজন্য গত ২৭ মে তার ১৮ তম জন্মদিনে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। 



২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তবে তাদের বিচ্ছেদের রায় এখনও চূড়ান্ত হয়নি। উপরন্তু, তারা বর্তমানে একসাথে কেনা একটি ফরাসি ওয়াইনারি শ্যাটো মিরাভাল নিয়েও আইনি লড়াইয়ে জড়িত।


অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের ছয় সন্তানের মধ্যে শিলো তৃতীয়। তবে তিনিই প্রথম নন যিনি পিট নাম থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। এ বছরের শুরুর দিকে তার ১৫ বছর বয়সী বোন ভিভিয়েন 'দ্য আউটসাইডারস' মঞ্চনাটকে শুধু তার মায়ের শেষ নাম ব্যবহার করেন। 


২০২৩ সালের একটি ভিডিওতে, বড় মেয়ে জাহারাকে স্পেলম্যান কলেজে আলফা কাপ্পা আলফা সোরোরিটিতে যোগদানের সময় নিজেকে জাহারা মার্লে জোলি হিসাবে পরিচয় দিতে শোনা যায়।


তবে অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র কুংফু পান্ডা ৩-এ ভয়েস অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করা শিলো ভাইবোনদের মধ্যে প্রথম যিনি যিনি আইনিভাবে নাম পরিবর্তনের পথে হাঁটলেন। 


ব্র্যাড এবং অ্যাঞ্জেলিনার ছয় সন্তানের নাম ম্যাডক্স, জাহারা, শিলো, প্যাক্স এবং যমজ নক্স ও ভিভিয়েন। তারা বর্তমানে জোলির অভিভাবকত্বে রয়েছে।



আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




পর্দার প্রেম থেকে এবার রণবীরের প্রতিবেশী তৃপ্তি

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বিডি টু ডে বিনোদন ডেস্ক:


বলিউডের নতুন সেনসেশন তৃপ্তি দিমরি। ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার জোয়া চরিত্রটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। চরিত্রটির উপস্থিতি ছিল কম। 


কিন্তু সিনেমাটি মুক্তির পরপরই রণবীর কাপুরের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ দৃশ্য় তৈরি করেছিল বিতর্কের সুনামি। আর তাতেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন এই অভিনেত্রী।



অ্যানিমেল মুক্তির সপ্তাহখানেকের মধ্যে নতুন নতুন সিনেমায় যুক্ত হওয়ার খবরও দিয়েছেন তৃপ্তি দিমরি। সন্দীপ রেড্ডি ভাঙার ‘স্পিরিট’ দিয়ে শুরু, এরপর যুক্ত হয়েছেন ‘ভুলভুলাইয়া ৩’ ও ‘ধড়ক ২’ সিনেমায়।



অ্যানিমেল মুক্তির পর নিয়মিত খবরের শিরোনাম হওয়া তৃপ্তি এবার রণবীর কাপুরের আরও কাছে। রণবীরের বাড়ির কাছেই মুম্বাইয়ের পশ্চিম বান্দ্রায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন তিনি। 


রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট ছাড়াও বান্দ্রার কার্টার রোডে শাহরুখ, সালমান, রেখাসহ বলিউডের অনেক তারকার বসবাস।



২২২৬ বর্গফুটের ফ্ল্যাটটি কিনতে তৃপ্তিকে খরচ করতে হয়েছে ১৪ কোটি রুপি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বাড়িটির জন্য ইতিমধ্যেই ৭০ লাখ রুপি পরিশোধ করেছেন তৃপ্তি। তবে নতুন বাংলো সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি অভিনেত্রী। তৃপ্তির নতুন ফ্ল্যাট কেনার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।


 অনেক নেটিজেন মনে করছেন, বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের সমকক্ষ হতেই এত অর্থ খসিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন নায়িকা।


অ্যানিমেল দিয়ে আলোচনায় এলেও বলিউডে নতুন নন তৃপ্তি দিমরি। ২০১৭ সালে শ্রীদেবীর সঙ্গে ‘মম’ দিয়ে অভিনয় শুরু তাঁর। একই বছর সানি দেওলের সঙ্গে ‘পোস্টার বয়েজ’ সিনেমায় দেখা যায় তৃপ্তিকে। পরের বছর ‘লায়লা মজনু’তে অভিনয় করে পরিচিতি পান।


২০২০ সালে নেটফ্লিক্সে ‘বুলবুল’ ওয়েব সিরিজটি আলোড়ন তোলে। সিরিজের বুলবুল চরিত্রে অভিনয় করে নজর কাড়েন তৃপ্তি। ‘কলা’ সিনেমাতেও তৃপ্তির অভিনয় সমালোচকদের মুগ্ধ করে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় অ্যানিমেলে তাঁর অভিনীত জোয়া চরিত্রটি।



আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪




ভাওয়াল রিসোর্টের বিরুদ্ধে মামলা, বনভূমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

গাজীপুরে আলোচিত ভাওয়াল রিসোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।


রোববার (২ জুন) গাজীপুরের বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ নাজমুন নাহারের আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। 


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সরকার। তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।

আগামী ৬ নভেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।


অন্যদিকে, ভাওয়াল রিসোর্টের দখলে থাকা ৩.৬৮ একর বনভূমি উদ্ধারে অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে গাজীপুর জেলা প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক। 


ভাওয়াল রিসোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে মামলার বাদীরা হলেন- ঢাকার কলাবাগান থানার সার্কুলার রোডের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বজলুল হক, তার ভাই ডা. মো. সিরাজুল হক, বোন সামসুন্নাহার এবং ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মো. জাহিদুল হক, পাপিয়া পারভিন ও তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। 


অন্যদিকে মামলার মূল অভিযুক্তরা হলেন- আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শওকত আজিজ রাসেল। অন্যরা হলেন- রফিকুল ইসলাম মাস্টার, ভাওয়াল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা- এর ম্যনেজার সুমন ও মো. কামরুল ইসলাম।  


মামলায় মোকাবেলা বিবাদী করা হয়েছে, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি), গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা। 


মামলার বিবরণে জানা যায়, গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়ইপাড়া মৌজা নলজানী গ্রামে বাদীপক্ষের ১০২ শতাংশ সম্পত্তি ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি বিবাদীরা জোরপূর্বক জবরদখল করে। জীবনের ভয়ে তারা এতদিন মামলা করতে সাহস পায়নি। মামলায় জমি থেকে আসামিদের উচ্ছেদ করে বাদীপক্ষের নালিশি জমি উদ্ধারের আবেদন করা হয়েছে। 


বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সরকার বলেন, আদালত শুনানীতে সন্তুষ্ট হয়ে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৬ নভেম্বর আসামিদের আদালতে হাজির হয়ে জবাব দিতে বলেছেন। 


তিনি আরও বলেন, আমরা শুনেছি, পুলিশের সোবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ ভাগ শেয়ারের মালিক। আমরা তার ঠিকানা জানি না, তাই তাকে এ মামলায় বিবাদী করা হয়নি। ঠিকানা পাওয়া গেলে তাকেও এ মামলায় পক্ষভূক্ত করা হবে।


স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, ২০১৩ সালে গাজীপুর সদরের বারইপাড়া মৌজায় ভাওয়াল রিসোর্ট প্রতিষ্ঠা করে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প গ্রুপ পারটেক্স। গ্রুপটির মালিক ও বিএনপি নেতা এম এ হাশেম। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে শওকত আজীজ রাসেল বর্তমানে এটির মালিকানায় রয়েছেন।  


অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় অনেক অসহায় মানুষের জমি জোরপূর্বক দখল করে বানানো হয়েছে এই রিসোর্ট। 


স্থানীয় লোকেরা আরও জানান, বেনজীর আহমেদ কোনো প্রকার বিনিয়োগ ছাড়াই ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ শতাংশের মালিক হয়েছেন। এ কারণে বেনজীরের ভয়ে স্থানীয় লোকজন ভাওয়াল রিসোর্টের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেতেন না।


এদিকে, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন বিভাগের ৩.৬৮ একর জমি উদ্ধারের বিষয়ে ভাওয়াল রিসোর্টের করা মামলায় উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল। এ কারণে জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। 


গত বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে মামলায় রায় হয়েছে। আদালত স্থগিতাদেশটি প্রত্যাহার ও ভাওয়াল রিসোর্টের মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় কোনো বাধা নেই। 


তিনি আরো বলেন, এখন আইনীভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা আইন অনুযায়ী ৭ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দেব। তারপর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে। আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েক দিন লাগতে পারে।


আরও খবর



ঈদে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলতে পারবে না : আইজিপি

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়ক-মহাসড়কে ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। 


তিনি বলেন, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত স্বস্তিদায়ক করতে হবে।’


আজ সোমবার (৩ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে ঈদকে সামনে রেখে ‘সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, সড়ক, রেলপথ ও নৌপথের নিরাপত্তা এবং জনগণের নিরাপদ যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত’ সভায় সভাপতিত্বকালে এ আইজিপি এ কথা বলেন। 


ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আইজিপি। একইসঙ্গে জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। 


সড়ক অথবা নৌপথে কোরবানির পশু পরিবহণের ক্ষেত্রে গাড়ির সামনে গন্তব্যস্থান উল্লেখ করে ব্যানার লাগাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান পুলিশ প্রধান।


 কোরবানির পশু পরিবহণে কেউ বাধার সৃষ্টি করলে নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার অনুরোধও জানান তিনি। আইজিপি বলেন, ‘পশু ব্যবসায়ীদের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিতে হবে।’ 



অজ্ঞান ও মলম পার্টির অপতৎপরতা প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। দুর্ঘটনা এড়াতে পণ্যবাহী গাড়ি বা ট্রাকে ভ্রমণ না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। 


গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতকেন্দ্রিক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে অনেকে বিনোদনকেন্দ্রে বেড়াতে যাবেন। বিনোদনকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে হবে।’ 


সভায় আরও ছিলেন– অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপ এবং ঢাকার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।



আরও খবর



ভাড়া করা ফ্ল্যাটে খুন হন এমপি আনার

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) কলকাতার নিউটাউন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে তারা।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে উত্তরের বরানগরে বন্ধুর বাড়িতে ছিলেন আনার। ১৩ মে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি।

পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪ জানিয়েছে, আনারের শেষ মোবাইল লোকেশন মিলেছিল বিহারে। গত ১৪ মে থেকে তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। গত আট দিন ধরে নিখোঁজ থাকলেও তার ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে মেসেজ পাঠানো হয় যে তিনি নয়াদিল্লি চলে গেছেন।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ মে নিউটাউনের একটি বাড়িতে যান এমপি আনার। সেই বাড়িতেই খুন করা হয় তাকে।

পুলিশের বরাতে কলকাতা২৪ জানিয়েছে, নিউটাউনে যে বাড়িতে তিনি গিয়েছিলেন সেটা একজন এক্সাইজ অফিসারের। ভাড়া নেয়া বাড়িতে খুন করা হয়েছে এমপি আনারকে। খুনের দিন এই বাড়িতে নাকি নারীসহ একাধিক লোকজন ছিলেন। কিন্তু আনারের রহস্যজনক মৃত্যুর পর সবাই ভারত থেকে পালিয়ে গেছেন।

মো. আনোয়ারুল আজিম আনারের জন্ম ৩ জানুয়ারি ১৯৬৮ সালে। পেশায় ব্যবসায়ী আনার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে তিনি তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে তিনবার (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) নির্বাচিত সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার একজন ক্রীড়া সংগঠক এবং এক সময়ের জনপ্রিয় ফুটবল খেলোয়াড়। ছাত্রজীবনে আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ফুটবলে তার নেতৃত্বাধীন দল কালীগঞ্জ সরকারি ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ছাত্রজীবন থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে রাজনীতিতে পা রাখেন। স্থানীয় পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচন দিয়ে ভোটের রাজনীতি শুরু করেন তিনি। এর আগে বিশাল ভোটের ব্যবধানে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় নির্বাচনগুলোতেও তিনি জয়ের ব্যবধান দিয়ে একই জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রাখেন।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় কখনও তাকে পুলিশি প্রটোকল ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। তিনি নিজেই মোটরসাইকেল চালিয়ে দিন অথবা রাতে যখন প্রয়োজন তখনই নির্বাচনী এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের যে কোনও গ্রামে পৌঁছে যেতেন।


আরও খবর