Logo
শিরোনাম

মণিপুরে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ৮১, ধ্বংসস্তূপে আরও ৫৫ জন

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ ভূমিধসে এ পর্যন্ত মোট ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে আটকা রয়েছেন আরও ৫৫ জন। এ খবর জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং।

এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। এটিকে রাজ্যের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বাজে ঘটনা’ বলে অভিহিত করেন উদ্ধারকাজ সরেজমিনে দেখতে ঘটনাস্থলে যাওয়া মুখ্যমন্ত্রী। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।

নিহত ৮১ জনের মধ্যে ১৮ জন সেনা সদস্য রয়েছেন। প্রায় ৫৫ জন এখনও ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে আছেন। মৃতদেহগুলি উদ্ধার করতে আরও দু’তিন দিন সময় লাগবে বলে জানান উদ্ধারকর্মীরা। উদ্ধারকাজে সাহায্যের জন্য জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনা সদস্যদের পাঠিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ানদের লাশ সসম্মানে তাদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে। এখনও ১৫ জন জওয়ানের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ রয়েছেন স্থানীয় ২৯ জন বাসিন্দাও। তাদের উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।

টানা বর্ষণে গত বৃহস্পতিবার টুপুল রেল স্টেশনের কাছে ভূমিধস নামে। সেখানেই আর্মির ক্যাম্প ছিল।  


আরও খবর



মমতাময়ী মাও তো একজন শিক্ষক

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক লেখক ও গবেষক :

পৃথিবীর প্রত্যেক সন্তানের প্রথম শিক্ষক হচ্ছেন তার মা | খুব উচ্চ শিক্ষিত, স্বল্প শিক্ষিত হবার প্রয়োজন নেই, স্বশিক্ষিত হবারও প্রয়োজন নেই | যখন একজন মা সন্তান জন্ম দেন তখন তার মধ্যে জন্ম নেয় কালজয়ী এক শিক্ষক | যে শিক্ষকের  তথাকথিত পৃথিবীর মতো কোনো স্কুল নেই, বড় বড় জ্ঞানগর্ভ বই নেই, মা নিজেই যেন শিক্ষার আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেন | মা এমন  একজন শিক্ষক যিনি এসবের বিনিময়ে কোনো বেতন নেননা, কোনো ধরণের সুযোগ সুবিধা নেননা, কেবল দিয়েই যান | তিল তিল করে নিজেকে  কেবল ত্যাগ করে যান, ভালোবাসার পরশ বুলিয়ে যান | মা এমন একজন নিঃস্বার্থ শিক্ষক যিনি সন্তানের মঙ্গলের জন্য নিজের জীবনও উৎসর্গ করতে পারেন | 

মমতাময়ী মাও তো একজন শিক্ষক। সেটা আমরা হয়তো বুঝতে পারিনা। তবে সময় আমাদের তা বুঝিয়ে দেয়। একটা ঘটনায় বিষয়টি অনেক সহজবোধ্য হয়ে যাবে।  বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের তখন শিশুকাল। এক দিন এডিসন ঘরে এসে তার মাকে খামবন্দি চিঠি দিলেন। তিনি মাকে বললেন, ‘আমার শিক্ষক আমাকে কাগজটি দিয়েছেন এবং শুধু তোমাকেই দিতে বলেছেন।’ মা চিঠিটি জোরে পড়া শুরু করলেন এবং তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে মাটিতে, ‘আপনার পুত্র মেধাবী। এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষ  শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।’ তার মা মারা যাওয়ার অনেক বছর পরের কথা। এডিসন তখন শতাব্দীর সেরা আবিষ্কারক। এক দিন তাঁর পারিবারিক পুরনো জিনিসপত্র দেখছিলেন। একটি ডেস্কের ড্রয়ারের কোনায় হঠাৎ তিনি একটি ভাঁজ করা কাগজ পেলেন। তিনি সেটি খুললেন। কাগজে লেখা ছিল—‘আপনার সন্তান মেধাহীন ও নিম্ন বুদ্ধিসম্পন্ন। আমরা তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না।’ এডিসন কয়েক ঘণ্টা ধরে কাঁদলেন। কারণ এডিসন বুঝতে পারলেন তার  মা সেদিন বড় কিছু ভাবেননি। বরং তার চিন্তাশক্তি প্রয়োগ করে ভেবেছেন কিভাবে একটা নেতিবাচক ধারণাকে ইতিবাচক ধারণায় পরিণত করা যায়। তিনি টমাস আলভা এডিসনকে গড়ার আগেই ভেঙে যেতে দেননি বরং তার  মধ্যে এই ধারণা সৃষ্টি করেছিলেন যে তার মতো মেধাবী পৃথিবীতে আর কেউ নেই। কয়েকটি শব্দের ইতিবাচক পরিবর্তন এডিসনের জীবন পাল্টে দিয়েছিল। এখানে এডিসনের মা একজন শিক্ষকের মতো কাজ করেছেন। কিন্তু তা  স্কুলের শিক্ষকরা তা পারেননি।

প্রতিদিন এমন মায়ের মতো ভালোবাসার বন্ধনে জড়িয়ে ধরা  নিঃস্বার্থ শিক্ষকদের খুঁজি। সেই প্রাণপ্রিয় মুখগুলিকে খুঁজি। কিন্তু কোথায় তারা। তারা তো আকাশের তারা হয়ে গেছে। সে তারা এখনও রাতে আলোর মশাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। আমাদের আলোকিত পথ দেখানোর অপেক্ষা করে। কিন্তু আমরা তো স্বার্থপর হয়ে গেছি। সবাই আর শিক্ষক নেই, কেউ কেউ শিক্ষক। এক দুষ্টচক্রে বাধা পড়ে গেছে শিক্ষকদের প্রকৃত সত্তা। শিক্ষকতা পেশা নয়, এটা একটা আত্মত্যাগ। এটা একটা সেবা। কিন্তু কে শুনবে কার কথা। ছাত্রদের মুখগুলো দেখে কষ্ট লাগে। ওরা ওদের প্রতিভার আলো ছড়িয়ে আলোকিত হতে চায়। কিন্তু শিক্ষক নামের সেই নিঃস্বার্থ মানুষটা তো আর নেই। সব যেন দুঃস্বপ্ন, সব যেন গন্তব্যহীন।


আরও খবর

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২




মানবিক মূল্যবোধ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ |
Image

-অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেয়া ঃ

পৃথিবীর নিয়মটাই অদ্ভুত | আর এই নিয়ম পরিবর্তনে সময়ের একটা মুখ্য ভূমিকা আছে | যখন সন্তানরা ছোট থাকে তখন সব ভাইবোনেরা মাকে নিজের সম্পদ বলে দাবি করতে গিয়ে ঝগড়া শুরু করে দেয় | সেই সময় মায়ের বুকটা গর্বে ভরে উঠে | সন্তানদের তার প্রতি এতো ভালোবাসা দেখে মা ভিতরে ভিতরে এমন ভাগ্য নিয়ে জন্ম নিতে পেরেছেন বলে আনন্দে কেঁদে উঠেন | সময় গড়ায়, সন্তানরা বড় হয় | নিজ নিজ সংসার গড়ে তুলে | মায়ের তখন বয়স হয়েছে | একসময়ের মূল্যবান মা তখন মূল্যহীন হয়ে যায় | অনেকটা নতুন প্রযুক্তি আগমনের সাথে সাথে পুরাতন প্রযুক্তির অপ্রচলিত পণ্যে পরিণত হবার মতো | সে সময়টাই মা খুব অসহায় হয় | সময় কেমন করে যেন সন্তানদের পাল্টে দেয় | এখন ভাইবোনদের কাছে তাদের মা আর সম্পদ নেই বরং মাথার বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে | এক সময় আমার মা, আমার মা দাবি করা সন্তানরা, ঠিক উল্টোভাবে বলতে থাকে তোর মা, তোর মা | তোর মায়ের দায়িত্ব তুই নে | খুব নির্মম একটা পৃথিবী  যেখানে আমার মা একদিন তোর মা হয়ে যায় | তখন কেউ আর মায়ের সন্তান হতে চায়না, দায়িত্ব নেবার মতো বড়ত্ব দেখাতে  পারেনা  |  এতগুলো সন্তান জন্ম দিয়ে এভাবেই একদিন আমাদের মায়েরা সন্তানহীন হয়ে পড়ে | মায়ের সেদিনের গর্বে ভরে উঠা বুকটাতে বরফ জমতেই থাকে, জমতে জমতে হয়তো তা একদিন সবার অজান্তে বাস্প হয়ে যায়  | মা এতগুলো কুসন্তান জন্ম দিয়েও তখনও  সন্তানদের জন্য মঙ্গল কামনা করতে থাকেন  | সন্তানদের কাছে মায়ের পরিচয় বদলে যায় কিন্তু মায়ের কাছে সন্তানরা সন্তান হিসেবেই আমৃত্যু থেকে যায় | 

একটা বস্তির ছেলে | লেখাপড়ার খুব ইচ্ছে অথচ দারিদ্র্যের কারণে লেখাপড়া হয়ে উঠছেনা | যে বয়সে হাতে বই থাকার কথা, সে বয়সে সংসারের দায়িত্বভার তাকেই নিতে হচ্ছে | ঠিক উল্টোদিকে  খুব নামকরা এক পরিবারের সন্তান | মা-বাবা কোনো ধরণের অভাব তার রাখেনি অথচ লেখাপড়ায় তার মন নেই | লেখাপড়ার চেয়ে ভোগ-বিলাসিতায় তার ঝোক বেশি | দুটো ছেলেই ভবিষ্যতে বড় হতে পারবেনা হয়তো |  কিন্তু বস্তির ছেলেটার অনেক বড় একজন মানুষ হবার সম্ভাবনা ছিল, তা তো হলোনা |কারণ স্বার্থের সমাজ নিজেরটাই বুঝে, সমাজের দায়িত্ব নেওয়াটা বুঝেনা | হয়তো সমাজ বস্তির ছেলেটার দায়িত্ব নিলে ছেলেটার  জীবনটাই বদলে যেত | সমাজ এখানে ব্যর্থ, যেমন ব্যর্থ অনেক মানবিক জায়গাতেও | 

সমাজে এমন অনেক অমীমাংসিত ও বিপরীতমুখী ঘটনার জন্ম হচ্ছে | আমরা কতটুকু এগুলোর বিশ্লেষণ করছি | বরং আমাদের বেশিরভাগ বিশ্লেষণ অন্য বিষয়গুলোতে যেগুলোর আসলে কোনো মানবিক মূল্য নেই | হয়তো সমাজ বদলাতে অর্থনৈতিক ভাবনার চেয়ে মানবিক ভাবনাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার | অর্থনীতির চাকা ঘুরলে টাকার পরিমান হয়তো  বাড়বে কিন্তু মানবিক মূল্যবোধের মানুষের সংখ্যা কমবে | সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সমাজ যখন মানবিক ধারণা দ্বারা তাড়িত হবে তখন অর্থনীতি নিজে নিজেই শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে যাবে |

-


আরও খবর

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২




মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বন্ধ থাকার পর আবারো কর্মী যাওয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়া। সোমবার রাত সাড়ে এগারোটায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তারা ঢাকা ছাড়েন।

তাদের বিদায় জানাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত টাকায় যেন বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়া যেতে পারে সেজন্য নজরদারি করা হবে। প্রথম দিন রিক্রুটিং এজেন্সি ক্যাথারসিস ইন্টারনেশনালের মাধ্যমে ৫৩ জন্য কর্মী ঢাকা ছাড়েন। আগষ্ট মাসেই আরো ১১টি ফ্লাইট কর্মী নিয়ে যাবে মালয়েশিয়া। 


আরও খবর



প্রবল রুশ গোলাবর্ষণের মধ্যে শস্য পরিবহন শুরু করতে যাচ্ছে ইউক্রেন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির আওতায় খাদ্যশস্য পরিবহন শুরু করতে যাচ্ছে ইউক্রেন। যুদ্ধের কারণে বিগত পাঁচ মাস যাবত জমে থাকা খাদ্যশস্য বিদেশে পাঠানো গেলে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট লাঘব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবার আঙ্কারায় তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য পরিবহনে চুক্তি করে রাশিয়া ও ইউক্রেন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ ষষ্ঠ মাসে পড়েছে। গেল সপ্তাহেও ইউক্রেনে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে রাশিয়া। চুক্তির পরদিন শনিবার ওডেসা বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রাশিয়া। এ কারণে পণ্য পরিবহনে ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছে ইউক্রেন।

ইউক্রেনের অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রী ওলেকসান্দার কুবরাকভ বলেন, কৃষিপণ্য পরিবহনে আমাদের কারিগরি প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, খাদ্যশস্য পরিবহনে রাশিয়া-ইউক্রেনের চুক্তির অনিশ্চয়তার মধ্যে সোমবার বৈশ্বিক গমের দাম বেড়েছে। যদিও শুক্রবার চুক্তি হওয়ার পর দাম কমেছিল। সূত্র: রয়টার্স


আরও খবর



বগুড়ায় ছাত্রলীগের সম্পাদকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

বগুড়া প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে সোনাতলা থানায় ৩০ বছর বয়সী ওই নারী মামলা করেছেন।  

অভিযুক্ত সুজন কুমার ঘোষ নামাজখালী গ্রামের সুভাষ ঘোষের ছেলে। 

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সোনাতলা থানা পুলিশের ওসি জালাল উদ্দিন। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী বগুড়া শহরের একটি তেলের ডিপোতে শ্রমিকের কাজ করেন।  তিনি প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বের যান ও রাতে বাড়িতে ফেরেন। 

এই সুযোগে ছাত্রলীগ নেতা সুজন গত তিন বছর ধরে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে আসছেন। 

বিষয়টি গোপন রাখার জন্য তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ওই নারীকে জীবন নাশের  হুমকি দিতেন। সর্বশেষ জুলাই মাসের ২৫ তারিখেও সুজন গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। 

এর মধ্যে গৃহবধূ বিষয়টি তার স্বামীকে জানান। পরে আজ মঙ্গলবার সোনাতলা থানায় ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেন। 

ওসি জালাল উদ্দিন জানান, গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সুজনকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। 


আরও খবর