Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে উপহার সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক: 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বুধবার সকালে প্রয়াত এমপি ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।

বেসরকারি সংস্থা মোরেলগঞ্জ এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর আয়োজনে বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস, ওয়ার্ল্ড ভিশন প্রোগ্রাম অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন, মোরেলগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি মেহেদী হাসান লিপন প্রমুখ। বিতরণী অনুষ্ঠানে ডাঃ  মোজাম্মেল হোসেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী সহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন ধরনের খেলনা, চেয়ার, ক্যারাম, বই সহ ৩৬ প্রকার উপহার সামগ্রী স্কুলে প্রদান করা হয়। 


আরও খবর



রাঙ্গাবালীতে অনলাইন হোল্ডিং এন্ট্রি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নিজস্ব সংবাদদাতা,রাঙ্গাবালীঃ

ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে অনলাইন ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য  পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে অনলাইন হোল্ডিং ডাটা এন্ট্রি ও রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । এ লক্ষ্যে রোববার সকাল ১০ টায় ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। 

উপজেলা ভূমি অফিস এ আয়োজন করেন। রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের প্রশিক্ষণ হয়। এতে অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।  

এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের  প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ। তিনি ডাটা এন্ট্রি ও রেজিষ্ট্রেশন করার নিয়ম পদ্ধতি বিষয়ে সার্বিক নিকনির্দেশনা দেন প্রশিক্ষণার্থীদের। 

এ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির আব্দুল লতিফ, রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মুরাদুল ইসলাম ও বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ৷ 

সংশ্লিষ্টরা জানান,  জনগণের ভূমি বিষয়ক সেবা প্রাপ্তী সহজকরণ, ভূমি সেবা গ্রহীতাদের স্বল্প ব্যয়ে, স্বল্প সময়ে ও হয়রানিমুক্তভাবে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ভূমি সেবা অটোমেশনের অংশ হিসেবে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।


আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

কলড্রপের ক্ষতিপূরণ বাড়ছে ১ অক্টোবর থেকে

মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২




মোরেলগঞ্জে পিআইওর দপ্তরের অর্ধ দিবস কলম বিরতি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি :

সারাদেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ন্যায্য দাবী আদায়ের লক্ষে অর্ধ দিবস কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে স্বারকলিপি প্রদান।

 সোমবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৮টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত অর্ধ দিবসে কলম বিরতি পালন করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামানসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ।

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারি কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলমান থাকবে। তাদের সকল ন্যায্য দাবি মেনে না নেওয়া হলে পরবর্তীতে লাগাতার কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে মহাষ্টমীতে মন্ডপে মন্ডপে উপচেপড়া ভীড়

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট:

শারদীয় দুর্গোৎসবের তৃতীয় দিনে আজ সোমবার মহাষ্টমী। সকাল থেকেই মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় কুমারী পূঁজা। দেবীকে মহালক্ষী হিসেবে সম্পদ, স্থিতিশীলতা, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে পূজা করছেন ভক্তরা। 

পুষ্পাঞ্জলির মধ্যে দিয়ে মহা মায়া দেবির  প্রতি আরাধনায় জাতির কল্যাণ কামনা ও করোনা মুক্তি কামনা করা হয়। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মহাষ্টমীতে ৭৫টি দূর্গা মন্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী পুরুষ পূজারী ভক্তবৃন্দরা অঞ্জলী প্রদানের মাধ্যমে কুমারি পূঁজা সম্পন্ন করেছেন। সকাল থেকেই পৌর শহরে সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরিসভা মন্দির, সেরেস্তাদারবাড়ি নবারন সংঘ দূর্গা মন্দির, সাধক রামপ্রসাদ মন্দিরসহ প্রতিটি মন্দিরেই ভক্তদের উপচেপড়া ভীড়। অঞ্জলী প্রদানের অপেক্ষায়। 

এ উপলক্ষে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় বাগেরহাট-৪, আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু, পৌরসভার মেয়র এ্যাড. মনিরুল হক তালুকদার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, জাতীয় পার্টির নেতা সাজন কুমার মিস্ত্রী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল মালেক, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃর্বৃন্দ প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ পৃথক পৃথক মন্দিরগুলো পরিদর্শন করেছেন। 

এদিকে শারদীয় দূর্গোৎসবকে ঘিরে পূর্জার প্রথম দিন থেকেই আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে কঠোর নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি মন্ডপে পুলিশ, আনসার ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবক টিম সার্বক্ষনিক অবস্থান করছেন। মোবাইলটিম  ও সিসি ক্যামেরায় আওতায় রয়েছে প্রতিটি মন্ডপ। সন্ধ্যায় প্রতিটি মন্দিরেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এবারে দূর্গোৎসবে প্রানবন্ত হয়ে উঠেছে সাম্প্রদায়িক বন্ধনে মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে এখন গোটা উপজেলায়।  


আরও খবর



ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রপাতের আভাস

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশের ২০ জেলার নদীবন্দরকে সতর্ক সংকেত দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে জেলাগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রপাতের আভাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানান, দুপুর ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই পূর্বাভাসে ২০ জেলার ওপর দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ ঝড় বয়ে যেতে পারে।

জেলাগুলো হলো- রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়, সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ছোঁয়াচে ‘চোখ ওঠা’ রোগ ছড়াচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সারা দেশে হঠাৎ করেই কনজাংটিভাইটিস (চোখের প্রদাহ) রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। চোখ ওঠা নামে পরিচিত এই রোগে সব বয়সিরাই আক্রান্ত হচ্ছে। তবে শিশুদের বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অনেক অভিভাবক সংক্রমণ হওয়ার ভয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। সংক্রমিতরা বেশিরভাগই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে অনেকেই অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার হচ্ছে। এক পরিবারের একজনের হলে পর্যায়ক্রমে অন্যদের হচ্ছে। দেশের সর্বত্রই রোগটি ছড়িয়েছে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সংবাদদাতারা জানিয়েছেন। চোখ ওঠা রোগটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় কনজাঙ্কটিভিজি বা কনজাঙ্কটিভা বলে। ভাইরাসের কারণে রোগটি হয়ে থাকে। রোগটি হলে কারো কারো কোনো চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। আবার কারো চিকিৎসা লাগে। সাধারণত বছরের এ সময়টাতেই চোখ ওঠা রোগ হয়ে থাকে। এই রোগ হলে চোখ গোলাপি অথবা লাল হয়ে যায়।

আক্রান্ত হলে এক চোখে অথবা দুই চোখেই জ্বলতে পারে, সাথে চোখ লাল বা গোলাপি আকার ধারণ করতে পারে। জ্বালাপোড়ার সাথে চুলকানি হয়। খচখচে ভাব হতে পারে, মনে হতে পারে চোখে কাটা ফুটেছে। আবার চোখ থেকে পানি পড়ে, বারবার সাদা ময়লা আসা, কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীব্র ব্যথা হয়।


রোগটি এতই ছোঁয়াচে যে, চোখ ওঠা রোগীর সংস্পর্শে না এসে কাছাকাছি থাকলে এ চোখ ওঠে যেতে পারে। কারণ ভাইরাসটি বাতাসে ছড়াতে পারে। রোগীর ব্যবহার্য রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিসু অন্যরা ব্যবহার করলে তারা আক্রান্ত হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, কাছাকাছি না থাকলেও অন্যদের হয় আবার খুবই কাছাকাছি থাকার পরও চোখ ওঠে না। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কারো দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠলে (অ্যান্টিবডি হয়ে গেলে) কাছাকাছি থাকলেও হয় না। ভাইরাসের সংক্রমণে প্রদাহ হয়, চোখের মধ্যে থাকা খুবই সুক্ষ্ম রক্তনালী ফুলে যেতে পারে। রক্তনালীগুলো ফুলে যায় বলেই চোখের রঙ লাল হয়।

এমন রোগীর কাছাকাছি থাকলে একটু সাবধান থাকতে হয়। বারবার চোখে বা মুখে হাত না ছোঁয়ানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যাদের চোখ ওঠে তাদের চোখ খুব চুলকাতে পারে। চোখে হাত ছোঁয়াতে চাইলে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আক্রান্তদের চোখের পানি টিস্যু দিয়ে মুছে আবদ্ধ জায়গায় বা বাস্কেটে ফেলতে হবে। তা নাহলে রোগটি আশেপাশে যারা থাকবে তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। তা ছাড়া চোখ ওঠা রোগীর ব্যবহার্য সামগ্রী না ধুয়ে অন্যদের ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখ ওঠা সমস্যা এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে অবশ্যই চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ জানিয়েছেন, বর্তমানে যে ভাইরাসে চোখ ওঠা রোগটি হচ্ছে এই ভাইরাসটি চোখের কালো (কনজাঙ্কটিভা) অংশটিকে বেশি আক্রান্ত করে। তবে মাঝে মধ্যে চোখের কর্নিয়াকেও আক্রান্ত করতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে চোখের বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি মেশিনে চোখ পরীক্ষা করে কিছু ওষুধ দেবেন। বরং আমি বলব, মেশিনে পরীক্ষা করে চোখের চিকিৎসা করালেই যথাযথ চিকিৎসা হয়। চোখের ডাক্তার রোগীকে অ্যান্টি হিস্টাসিন দিতে পারেন। দিতে পারেন চোখের অ্যান্টিবায়োটিক। একই সাথে তিনি লো স্টেরয়েডও দিতে পারে।

চিকিৎসক নর্মাল স্যালাইন দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলতে পারেন। নরসল নামে চোখের ড্রপ পাওয়া যায় ওষুধের দোকানে। রোগটি কর্নিয়াকে আক্রান্ত করলে যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা করা দরকার। না হলে কর্নিয়াতে দাগ পড়ে যেতে পারে। ফলে রোগী পরে স্থায়ীভাবে ঝাপসা দেখতে পারেন। অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস আরো বলেন, চোখ ওঠার রোগীর চোখের পানি পাতলা টিস্যু দিয়ে মুছে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। চোখের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাস থাকে। এই পানিটি খুব সাবধানে মুছে টিস্যুই হোক বা অন্য কিছু হোক যত্রতত্র ফেলা যাবে না। অন্যরা এই পানির সংস্পর্শে এলে তাদেরও চোখ ওঠা রোগটি হয়ে যেতে পারে। প্রথমে একটি চোখে সমস্যা সৃষ্টি করলেও পরে আরেকটি চোখে সমস্যা হতে পারে। সাবধানে থাকলে, গরম সেঁক দেয়া হলে চোখে আরাম বোধ করবেন রোগী। এই রোগের সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা পরে নিলে রোগী আরাম বোধ করবেন। কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

 


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২