Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ চেম্বার আদালতের রায় বহাল রাখেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো।



এসময় পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর কোটা নিয়ে নিয়মিত আপিল করার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করে সুপ্রিমকোর্টের রায় পরিবর্তন করা যায় কি না- সেটিও জানতে চান প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। 


এর আগে সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্য কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র গত ৫ জুন অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে। 



মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। 


এই রায়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়। এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিলও করে রাষ্ট্রপক্ষ।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটের  মোরেলগঞ্জে দিনভর কর্মসূচি পালন করছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার বেলা ১০ টার দিকে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচ.এম বদিউজ্জামান সোহাগ।

বেলা ১১ টার দিকে মোরেলগঞ্জ শহরে আনন্দ মিছিল যোগদেন দলটির শতশত নেতাকর্মী। পরে পৌরপার্কে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লিয়াকত আলী খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এমদাদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান মো রাসেল হাওলাদার, যুবলীগ নেতা খান হাসিবুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আজমিন নাহার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চকরণ ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার, খাউলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আব্দুল হাই খান, বারইখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান লাল, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু, তেলিগাতি ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার, বলইবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী খান, হোগলাবুনিয়া চেয়ারম্যান আকরামুজ্জামান, জিউধরা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, বহরবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রিপন তালুকদার প্রমুখ। 


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান 

 মঙ্গলবার দুপুরে তিনি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সময় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে পরে পবিত্র ফাতেহা পাঠ করে বঙ্গবন্ধুসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্ম উৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন তিনি

সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ
প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার চাচা শেখ কবির হোসেন, মিল্ক ভিটার চেয়ারম্যান শেখ নাদির হোসেন লিপু, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গোলাম কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খায়রুল আলম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল শেখ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈনুল হক, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুলসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন সহ ৩ জন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট কাম্পের চৌকস অভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ২শ' ৩৫ পিচ

বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন উদ্ধার ও নারী সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছেন। এব্যাপারে নওগাঁর পাশ্ববর্তী সান্তাহার রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব। সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব কাম্প থেকে জানানো হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ৬ জুলাই দিনগত রাত সারে ১১ টারদিকে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের চৌকস অভিযানিক দল। অভিযান চলাকালে ২ হাজার ২শ' ৩৫ পিচ

বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন উদ্ধার সহ

দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার

মধ্য দরগাপাড়া গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে মানিক (২৮), চান্দাপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে শাহীন আলম (২৯) এবং জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা গ্রামের নাসির উদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ আরোজা বেগম (৪৫)

হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। এসময়   দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার 

চান্দাপাড়া-দর্গাপাড়া গ্রামের আজাহার রহমান ওরফে রাজা'র ছেলে ও

চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কৌশলে পালিয়ে যায়। র‌্যাব আরো জানায়, পলাতক আসামী আতিয়ার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে মানিক, শাহীন এবং আরোজা বেগম এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত কয়েক দিন ধরে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল উক্ত ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করেন এবং ৬ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানাযায় যে, উক্ত আসামীগণ নীলসাগর এক্সপ্রেস এ মাদক বহনকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানাধীন আক্কেলপুর রেল স্টেশন প্লাটফর্ম এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর চৌকস আভিযানিক দল উক্ত আসামীদেরকে আটক করেন এবং মুলহোতা আতিয়ার কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ধৃত আসামীদের সাথে থাকা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগে তল্লাশী করলে তাদের নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ২ হাজার ২শ' ৩৫ পিচ বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে মামলা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব।


আরও খবর



তিস্তার বুকে গৃহহারা মানুষের আর্তনাদ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

একের পর বসতভিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে তিস্তার বুকে। শেষ সম্বলটুকুও হারানোর শঙ্কায় হাউ মাউ করে বলছিলেন বাড়ি নাই, ঘর নাই। হামার একটেও জায়গা নাই। মাইনষের বাড়িত যাবার নাগছি। ছাগল-গরু সউগ মাইনষের বাড়িত থোয়া নাগবে। বলেই মুখে কাপড় গুঁজে কান্না শুরু করেন বিভা রানী। মুখ লুকিয়ে ডুকরে কাঁদতে থাকেন। তিস্তার ভাঙনে বিভা রানী বসতভিটা হারিয়েছেন। নতুন করে বসতি গড়ার জায়গা নেই।

বিভা রানী কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চতুরা কালিরহাট গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর নিবারণের স্ত্রী। আগ্রাসী তিস্তার ভাঙনে তার বসতভিটার অর্ধেকেরও বেশি বিলীন হয়েছে। শেষ রক্ষা হবে না জেনে ঘর ও অন্যান্য উপকরণ সরিয়ে নিচ্ছিলেন। শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে এমন পরিস্থিতিতে কথা হয় তার সঙ্গে।

বিভা জানান, পরম যত্নে সাজানো সংসার তিস্তার ভাঙনে মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেছে। তারা অসহায়, নিরুপায়। বেদনার সেই কথা বলতে গিয়ে কষ্ট সংবরণ করতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন। বিভা রানীর সেই কান্না রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্বশীলদের কানে পৌঁছায় না। তিস্তার স্রোতের শব্দে সেখানেই মিলিয়ে যায়।

শুক্রবার বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শুধু বিভা রানী নন, তার প্রতিবেশী অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ ঘর ভেঙে উপকরণ স্কুলের আঙিনায় রেখেছেন, কেউবা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বাড়ির বিছানাপত্র নিয়ে বাজারের দোকানের ভেতর অনিশ্চিত সংসার পেতেছেন।

গ্রামটির কয়েকশ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে শতাধিক পরিবার, কালিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, পাকা সড়কসহ কালিরহাট বাজার। তিস্তা ভাঙতে ভাঙতে অনেক পরিবারের আঙিনায় এসে পৌঁছেছে। যদি সর্বনাশা তিস্তার অনুগ্রহ হয়, যদি শেষ রক্ষা হয়, এমন আশায় অনেকে ভাঙনের কিনারে অপেক্ষারত।

এমনই একটি পরিবার বানেশ্বর-ভারতী রানী দম্পতির। পাকা সড়কের কাছে তিস্তার ভাঙনের মুখে থেকেও এখনও বসতি সরাননি। তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। আঙিনায় বসে কলা গাছের মজ্জা আর কাঁঠালের বীজ দিয়ে দুপুরে খাবারের তরকারি প্রস্তুত করছিলেন ভারতী। সেই দৃশ্য ভারতীদের আর্থিক সামর্থ্যের জানান দিচ্ছিল। পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ভারতী বলেন, অবস্থা খারাপ। নদী ভাঙতেছে। অল্প এখনার জন্য আটক হয়া আছি। (নদী) দয়া করি যদি ফির ছাড়ি দেয়, এই আশায় আছি। না হইলে ঘর সরান লাগবে। কিন্তু জায়গা জমি নাই।

ভারতীর সঙ্গে কথা বলার সময় পাশ দিয়ে শো শো শব্দের তীব্র স্রোতে বয়ে চলছিল টইটম্বুর তিস্তা। নদীতীরের বাসিন্দারা অনেকে বসতি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ গাছপালা কাটছেন, কেউবা ভাঙনের কিনারে থাকা ক্ষেত থেকে পাট কেটে নিচ্ছেন। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, ভাঙন রক্ষায় কাজ শুরু হবে কবে?

তিস্তাতীরের বাসিন্দা ফজলুল হক ঘরবাড়ি ভেঙে ট্রাক্টরে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলেন। প্রবীণ এই বাসিন্দা বলেন, আমরা অসহায়। বাড়িঘর সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমি ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছি। এর আগে সাড়ে ৬ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন ভিটাটাও যাচ্ছে। ভাঙন রোধে আজ কাজ করে, কাল কাজ করে বলেও কাজ করছে না। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমাদের এলাকাটা রক্ষা করেন। নাহলে কয়েকশ পরিবার বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সেফারুল ইসলাম বলেন, তিস্তার ভাঙনের কবলে পড়ে একের পর এক পরিবারের বসতি বিলীন হচ্ছে। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনার জুম্মা এলাকা থেকে মৌলভীপাড়া পর্যন্ত তীরবর্তী শতাধিক পরিবার ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, তিস্তায় ভাঙন চলছে। বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজারের ভাটির দিকে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। মন্ত্রী মহোদয়কে (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী) বিষয়টি জানানোর পর প্রতিরক্ষা কাজের অনুমতি পাওয়া গেছে। আমরা আপাতত ২০০ মিটার স্থানজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলবো। দু-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

তবে কত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর পাউবো জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


আরও খবর



আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে যা যা থাকছে আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রোববার (২৩ জুন)। আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ‘প্লাটিনাম জয়ন্তী’ যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে দলটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।


১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে যে দলটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে পরবর্তীতে সেটি অসাম্প্রদায়িক রূপ লাভ করে আওয়ামী লীগ নামে আত্মপ্রকাশ করে।



এবার ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সেগুলো- রোববার সূর্যোদয়ের সময় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। 


সকাল ৭টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।


সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে। 


প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক বেগম শামসুন্নাহার, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।


প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।  


এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। এ সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আমন্ত্রিত অতিথিসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।


দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচির মাধ্যমে জাঁকালোভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের জেলা/মহানগর, উপজেলা/থানা, পৌর/ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড শাখাসহ সব স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 


আরও খবর