Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নাঈমের ঘূর্ণিতে ৩৯৭ রানে শেষ শ্রীলঙ্কার ইনিংস

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

নাঈম ইসলামের ঘূর্ণিতে ৩৯৭ রানে শেষ হয়েছে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস। ১৯৯ রান করেছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। আর নাঈম ইসলাম একাই নিয়েছেন ৬ উইকেট।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাথিউসের সেঞ্চুরিতে প্রথম দিন শেষে ৯০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৮ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। সোমবার চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন আগের দিন অপরাজিত থাকা শ্রীলঙ্কার দুই ব্যাটার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দিনেশ চান্দিমাল।

তবে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ৬৬ রানে বিদায় নেন চান্দিমাল। একই ওভারের পঞ্চম বলে ব্যাট করতে নামা নিরোশান ডিকওয়েলাকে ৩ রানে বিদায় করে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন নাঈম। ৩২৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশন শেষ করে শ্রীলঙ্কা।  

লাঞ্চ বিরতির পর মাঠে নেমেই উইকেটের দেখা পান সাকিব আল হাসান। ওভারের দ্বিতীয় বলে রামেশ মেন্ডিসকে (১) বোল্ড করার পরের বলেই ব্যাট করতে নামা লাসিথ এমবুলদেনিয়াকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পেলেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি শ্রীলঙ্কার।

পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে স্বস্তি ফেরালেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সাকিবদের। ব্যাট হাতে থিতু হয়ে শ্রীলঙ্কাকে এগিয়ে নিতে থাকেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। তাকে সঙ্গ দিয়ে সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বিশ্ব ফার্নান্দো। কিন্তু চা বিরতির আগে শরিফুল ইসলামের বলে মাথার হেলমেটে লেগে চোট পান তিনি। ফলে চার বিরতির পর এই ব্যাটারের বদলি হয়ে নামেন আসিথা ফার্নান্দো।

ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ কিছুক্ষণ ব্যাট করে গেলেও শেষ পর্যন্ত নাঈম ইসলামের পঞ্চম শিকার হন আসিথা। ২৭ বলে ১ রান করে বোল্ড হন তিনি। ডাবল সেঞ্চুরির আশায় একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট করতে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্য সহায় হলো না ম্যাথিউসের। নাঈমের স্পিন ঘূর্ণিতে ডাবলের এক রান আগেই সাকিবের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ৩৯৭ বলে ১৯৯ রান করে বিদায় নেন এই ব্যাটার। ৩৯৭ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে ১০৫ রান খরচায় একাই ৬ উইকেট শিকার করেন নাঈম। এটিই টেস্টে তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এছাড়া ৩৯ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান। একটি উইকেট পান তাইজুল ইসলাম।


আরও খবর



গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

চট্টগ্রামের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইনের ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ মেরামত ও গ্যাস কমিশনিং সম্পন্ন হয়েছে।

তবে শুক্রবার গ্যাসের চাপ কিছুটা কম থাকলেও শনিবার সকালের মধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় সংকট অনেকটাই কেটে গেছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ হচ্ছে।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ঘণ্টাপ্রতি উৎপাদন চিত্রে দেখা গেছে, জাতীয় গ্রিডে এলএনজির সরবরাহ বাড়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্রের উৎপাদন একদিনের ব্যবধানে প্রায় ১২০০ মেগাওয়াট বেড়েছে।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্র থেকে উৎপাদন হয় ৫ হাজার ৩৮১ মেগাওয়াট। এক দিন আগে শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদন হয়েছিল ৪ হাজার ১৯১ মেগাওয়াট। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ায় কমেছে লোডশেডিং।

পিজিসিবির তথ্যে আরও দেখা যায়, শনিবার বেলা ৩টার দিকে ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ১৩ হাজার ৪৮১ মেগাওয়াট। ওই সময় লোডশেডিং ছিল ২০৯ মেগাওয়াট।

পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্তের বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, সব পাইপলাইনের ম্যাপ সঙ্গে রাখতে হবে। ম্যাপ হাতে থাকলে এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। গ্রাহক ভোগান্তি লাঘব করতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়াতে হবে। এ সময় তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




সুবর্ণচরে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে আব্দুল খালেক ওরফে খাজা মিয়াকে (৮০) জবাই করে হত্যা তেরদিন পর ক্লুলেস এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে।  
 
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, উপজেলার চররশিদ গ্রামের মন্তাজ মিয়ার বাড়ির মো.জয়নাল আবেদীরে ছেলে আইয়ুব আনছারী (২৯), পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের শফিক উল্যার ছেলে আব্দুল হাকিম (২৩) ও একই গ্রামের রেজাউল হক চৌধুরীর ছেলে মো.রাজু (২২)।

রোববার (১৪ জুলাই)  বিকেল ৫টায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয়া সেন।

নিহত খাজা মিয়া উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চর রশিদ গ্রামের খালেক মিয়ার বাড়ির মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি ৫সন্তানের জনক ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, বৃদ্ধ খাজা মিয়ার হত্যাকান্ডের শিকার হওয়ার দুই দিন আগে তার ছোট ছেলে আব্দুল্যার মোবাইলে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে এবং তার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পুলিশ ওই মোবাইল নম্বরের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সন্দিগ্ধ আসামি আইয়ুব আনছারীকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের আইয়ুব আনছারী এই হত্যাকান্ডে তার সহযোগী হিসেবে আব্দুল হাকিমের নাম প্রকাশ করে। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আব্দুল হাকিমকে উপজেলার কাঞ্চন বাজার এলাকা থেকে আটক করে। এরপর পুলিশ দুই আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত আইয়ুবকে ৪ দিন ও আব্দুল হাকিমের ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করে।

পুলিশ জানায়, রিমান্ডে থাকা সন্দিগ্ধ আসামি আব্দুল হাকিম পুলিশের কাছে আরো একজনের জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য দেয়। তার ভাষ্যমতে অপর সন্দিগ্ধ আসামি মো.রাজুকে আটক করে। এরপর রাজুকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রাজু পুরো ঘটনা পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

আসামি রাজু পুলিশকে জানায়, গত ৫ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আইয়ুব আনছারীর উদ্যোগে স্থানীয় কাঞ্চন বাজারে স-মিলের সামনে তারা তিনজন একত্রিত হয়। ওই সময় আইয়ুব আনছারী অপর দুইজনকে জানায় যে, চরজব্বর থানার মামলা নং- ০২, এর বাদী শফিকের সাথে মামলার বিষয়ে কথা হয়েছে। শফিক আব্দুল খালেক খাজা অথবা খাজার ছোট ছেলে আব্দুলকে শায়েস্তা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। যদি আইয়ুব শফিকের সাথে থাকে তাহলে ওই মামলার বাদী শফিক আইয়ুবকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। আসামি আইয়ুব আনছারী শফিকের এই প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে আব্দুল খালেক খাজা অথবা খাজার ছোট ছেলে আব্দুলকে মেরে ফেলার ছক আঁকতে শুরু করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ আরও জানায়, আসামি আইয়ুব আনছারী অপর দুই আসামিকে আব্দুল খালেক খাজা মিয়াকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা জানায় এবং কে কি দায়িত্ব পালন করবে তা বন্টন করে দেয়। আব্দুল হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয় কাঞ্চন বাজারে ভিকটিমের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য। বিনিময়ে আইয়ুব আনছারী আব্দুল হাকিমকে নগদ ২হাজার টাকা দেয় এবং কাজ হয়ে গেলে আরো টাকা দিবে মর্মে জানায়। অপর সহযোগী রাজু কে পরবর্তীতে ৫হাজার টাকা দিবে বলে আশ্বস্থ করে। ঘটনার দিন গত ৬ জুলাই শনিবার বিকেল ৪টা থেকে আব্দুল হাকিম কাঞ্চন বাজারে ভিকটিমকে খোঁজাখুজি শুরু করে। মাগরিবের নামাজের পর আব্দুল হাকিম খাজা মিয়াকে জিরোপয়েন্টে দেখতে পেয়ে বিষয়টি আইয়ুব আনছারীকে জানায়। এর কিছুক্ষণ পর রাত ৮টার দিকে ভিকটিম আব্দুল খালেক খাজা মিয়াকে আবুল কালামের সাথে জিরো পয়েন্টে দেখে নিশ্চিত হয়ে ভিন্নপথে দ্রুত ঘটনাস্থল সংলগ্ন মাদরাসার সামনে থাকা আইয়ুব আনছারীর সাথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে গিয়ে মিলিত হয়। এর ২/৩ মিনিট পর অপর সহযোগী রাজু সেখানে উপস্থিত হয়। পরবর্তীতে তিনজনই ভিকটিম আসার অপেক্ষায় ভিকটিম খাজা মিয়ার বাড়ির প্রবেশের রাস্তায় খড়ের স্তূপের পিছনে ওঁৎ পেতে থাকে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয়া সেন বলেন, হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী আইয়ুব আনছারী খড়ের স্তূপের পিছন থেকে বের হয়ে ভিকটিমকে আক্রমণ করে। আইযুব আনছারী ডান হাত দিয়ে ভিকটিমের সামনে থেকে গলা চাপ দিয়ে ধরে এবং বাম হাত দিয়ে ভিকটিমের পিঠে ছুরিকাঘাত করে। ছুরিকাঘাতের ফলে ভিকটিমের হাতে থাকা বেতের লাঠিটি পড়ে গেলে ভিকটিম মাটিত লুটিয়ে পড়ে। এরই মধ্যে আইয়ুব আনছারী ভিকটিমের তলপেটের বাম পার্শ্বে উপর্যুপুরি দুইবার ছুরিকাঘাত করে। তখন খড়ের স্তূপের আড়াল থেকে আব্দুল হাকিম ও রাজু (২২) এসে সন্দিগ্ধ আসামি আইয়ুব আনছারীর নির্দেশে সন্দিগ্ধ আসা আব্দুল হাকিম (২৩) ভিকটিমের বাম হাত মাটিতে চাপিয়া ধরে এবং মো.রাজু ভিকটিমের মাথা চাপিয়া ধরিলে সন্দিগ্ধ আসামি আইয়ুব আনছারী ভিকটিমের বুকের উপর হাঁটু গেড়ে বসে ডান হাত দিয়ে ভিকটিমের গলার সামনের অংশে ছুরি চালিয়ে জবাই করে হত্যা করে। আভিযানিক দল পুলিশ রিমান্ডে থাকা আইয়ুব আনছারীর দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে।  


আরও খবর



ফুলবাড়িতে,২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) :

চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি কে আটক করে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার ০৪ (জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এর মাদক উদ্ধার কারী একটি চৌকস টিম ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের ফুলমতি ঘাট পাড় ব্রীজ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চর গোড়ক মন্ডল এলাকার মাদক কারবারি মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩২) কে ২০ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করে।

এব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমিন জানান,গ্রেফতার কৃত আসামির বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় নিয়মিত মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ১৯৬ তালিকায় রয়েছেন যারা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সদরুল আইন:

চারদিনের সফরে চীনের বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চীনে সরকারপ্রধানের সফরসঙ্গী হিসাবে রয়েছেন ১৯৬ জন। 

যাদের মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট সোমবার (৮ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকা ত্যাগ করে এবং স্থানীয় সময় বিকেল ৬টায় বেইজিং পৌঁছায়। 

বুধবার (১০ জুলাই) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর। গুরুত্বপূর্ণ ওই দুই বৈঠকে বাংলাদেশ ডেলিগেশনের স্বল্প সংখ্যক সদস্য অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে।  

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন-

১. পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

২. অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী

৩. প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান

৪. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

৫. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

৬. ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

৭. বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু

৮. প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া

৯. প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ, এসজিপি এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, 

১০. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

১১. প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মনিরা বেগম

১২. প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ আল মামুন মুর্শেদ

১৩. প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ড. ইসমাত মাহমুদা

১৪. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. তৌহিদা নওয়াজেশ রোজী

১৫. প্রধানমন্ত্রীর উপ-সামরিক সচিব কর্নেল জি এম রাজীব আহমেদ

১৬. পরিচালক-১ মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান

১৭. প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোহাম্মদ শামীম মুসফিক

১৮. পরিচালক-৯ মোহাম্মদ নাজমুল হক

১৯. প্রধানমন্ত্রীর এডিসি মেজর উম্মে সালমা দিনা 

২০. স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর রহমান

২১. বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব নাহিয়ান আহমেদ

২২. মেডিকেল অফিসার রুবাইয়াৎ ফেরদৌসী

২৩. প্রোগ্রামার আতাউল করিম

২৪. প্রধানমন্ত্রীর নার্সিং অফিসার মেজর আকলিমা

২৫. অফিস সহকারী প্রটোকল শাখা মানিক চন্দ্র শীল

২৬. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত স্টাফ আবদুর রহমান শেখ

২৭. মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্স কর্পোরাল মো. শাহ আলম

২৮. প্যান্ট্রিম্যান মো. হজরত আলী 

২৯. মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব)

৩০. তৌফিক হাসান, মহাপরিচালক (পূর্ব এশিয়া ও প্যাসিফিক অনুবিভাগ) 

৩১. নাঈম উদ্দিন আহমেদ, রাষ্ট্রাচার প্রধান

৩২. মো. হাসান আব্দুল্লাহ্ তৌহিদ, রাষ্ট্রাচার উপ-প্রধান (সফর) 

৩৩. মো. জসিম উদ্দিন, এনডিসি, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত 

৩৪. লোকমান হোসেন মিয়া, নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

৩৫. সত্যজিত কর্মকার, সিনিয়র সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

৩৬. শিবলি রুবাইয়াত উল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন

৩৭. মো. কামরুল হাসান, এনডিসি সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

৩৮. মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ

৩৯. নাজমুল আহসান, সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

৪০. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব), পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ

৪১. প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর

৪২. আবুল কালাম আজাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৪৩. ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৪৪. মিজ মিরানা মাহরুখ, অতিরিক্ত সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ

৪৫. মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান, বিজিবিএম, বিএএম. এনডিসি, পিএসসি, মহাপরিচালক- এসএসএফ

৪৬. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খালেদ কামাল, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি, কমান্ডার- পিজিআর

৪৭. লেফটেন্যান্ট কর্ণেল দেওয়ান মঞ্জুরুল হক, পিএসসি, পরিচালক- এসএসএফ

৪৮. মেজর মো. তাওহীদুল ইমাম, উপ-পরিচালক, এসএসএফ

৪৯. লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাজিবুল হাসান, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৫০. এএসপি ইমরানুল ইসলাম, পিপিএম সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫১. এএসপি পার্থ চক্রবর্তী, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫২. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সামান্থা সিলভিয়া, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৩. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শাবনূর রহমান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৪. ক্যাপ্টেন রুমায়া ফারিন, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৫. ক্যাপ্টেন আলভি আকিফ বিন সিদ্দিক, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৫৬. মো. নাসির উদ্দিন মন্ডল, সহকারী পুলিশ সুপার, এসবি

৫৭. কর্ণেল মো. শহীদুর রহমান, পিবিজিএম, পিবিজিএমএস, পরিচালক, এসএসএফ

৫৮. মেজর মো. নাজীব হাসান, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৫৯. মেজর মো. তাসনিফুজ্জামান উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬০. মেজর মো. ইমরান হোসেন, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬১. মেজর ফাহিম তালহা, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬২. মেজর মো. রাকিবুল আলম, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬৩. ক্যাপ্টেন মো. তকি ইয়াছির, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৪. ক্যাপ্টেন মাহবুব হাসান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৫. ক্যাপ্টেন ফাহিম শাহরিয়ার, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৬. ক্যাপ্টেন মো. তানভীর রহমান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৭. লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. আরিফুল ইসলাম হিমেল, এসপিপি, পিএসসি, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৬৮. মেজর মো. নাজমুছ ছাকিব, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৬৯. মেজর ইকবালুর রহমান, পিএসসি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

৭০. শামীম, সহকারী পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

৭১. মো. নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার

৭২. মো. নাঈমুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

৭৩. এম. এম. ইমরুল কায়েস, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব

৭৪. মিজ্ গুল শাহানা,  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব

৭৫. এস এম গোর্কি, প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র ফটোগ্রাফার

৭৬. মো আতাউর রহমান. নির্বাহী প্রযোজক বার্তা, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৭৭. আশরাফুল হক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৭৮. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সিনিয়র করেসপনডেন্ট ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ

৭৯. মো. রুবাইয়াত হাসান খান, সিনিয়র ক্যামেরাম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৮০. মহিউদ্দিন মাহমুদ, সিনিয়র করেসপনডেন্ট, বাংলা নিউজ ২৪.কম

৮১. মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন, অফিসিয়াল ফিল্ম ক্যামেরাম্যান, ডিএফপি

৮২. মো. আলতাফ হোসেন, অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার, তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি)

৮৩. সাইফুল ইসলাম কল্লোল, সিনিয়র ফটোসাংবাদিক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৮৪. ইয়াসিন কবীর জয়, সিনিয়র ফটোগ্রাফার, ফোকাস বাংলা নিউজ

৮৫.  স্বদেশ রায়, এডিটর এ্যান্ড পাবলিসার (সাবেক নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক জনকণ্ঠ)

৮৬.  কাসেম হুমায়ন, ম্যানেজিং এডিটর, দৈনিক সংবাদ

৮৭.  শেখ নাজমুল হক সৈকত, এডিটর ইন চিফ, কিংস নিউজ (সাবেক বার্তা প্রধান, মাই টিভি)

৮৮.  মোজাম্মেল হক, সভাপতি-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও প্রধান সম্পাদক-একাত্তর টেলিভিশন

৮৯.  শ্যামল দত্ত, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ; সাধারণ সম্পাদক-জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সম্পাদক, দৈনিক ভোরের কাগজ

৯০.  এম শামসুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও সিইও এবং প্রধান সম্পাদক, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন লিঃ

৯১.  মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও সম্পাদক, এনার্জি এন্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম

৯২.  রফিকুল ইসলাম রতন, আহবায়ক, বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম ও সম্পাদক, বাংলাদেশ বুলেটিন

৯৩.  মাহফুজ রহমান রিমন, সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব, সম্পাদক ফোরাম এবং সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)

৯৪  রাজু আলীম, সভাপতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) ও সিনিয়র সাংবাদিক, চ্যানেল আই এবং সদস্য, সম্পাদক


৯৫.  মাহবুবুল আলম, সভাপতি, এফবিসিসিআই

৯৬.  এস এম মান্নান (কচি) সভাপতি, বিজিএমইএ

৯৭.  মো. জসিম উদ্দিন

৯৮. মিজ শমী কায়সার, সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ভাইস চেয়ারম্যান, বেঙ্গল গ্রুপ ও আরটিভি সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সিইও, ধানসিঁড়ি কমিউনিকেশন লিমিটেড

৯৯.  মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি, গাজীপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রোপ্রাইটর, গ্লোব ট্রেড

১০০.  রাশেদুল হোসেন চৌধুরী (রনি), সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সিইও, মায়া কর্পোরেশন

১০১.  যশোদা জীবন দেব নাথ, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেকনোমিডয়া লিমিটেড

১০২.  খান আহমেদ শুভ, এমপি পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, দেশবাসী প্রিন্টিং প্রেস, মেসার্স শুভ এন্টারপ্রাইজ

১০৩.  মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই

১০৪.  মো. হাবিব উল্লাহ ডন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সভাপতি, সিআইএ-বিসিসিআই, সভাপতি, বারতি চেয়ারম্যান, এ এম গ্রুপ

১০৫.  আশরাফ আহমেদ, সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), চিফ এক্সিকিউটিং অফিসার, রিভারস্টোন ক্যাপিটাল লিমিটেড

১০৬.  মোহাম্মদ আলী খোকন, সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস, এসোসিয়েশন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, ম্যাকসনস স্পিনিং মিলস লিমিটো।

১০৭.  ওমর হাজ্জাজ, সভাপতি, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, মেসার্স রিলায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল

১০৮.  কামরান তানভিরুর রহমান, সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা

১০৯.  মো. সাইফুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড

১১০.  মো. আমিনুল হক শামীম, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা লিমিটেড

১১১.  দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেড

১১২. মিসেস হাসিনা নেওয়াজ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্কিড প্রিন্টার্স লিমিটেড

১১৩. মিজ নাজ ফারহানা আহমেদ, সভাপতি, ঢাকা উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারপার্সন, আলফা ইকুইটিজ লিমিটেড, উইমেন্স এগ্রো ইকনোমিক সোসাইটি, স্টার এভিয়েশন, আলফা এগ্রো, উপদেষ্টা, ইআরবিএ, আলফা এন্ড এসোসিয়েট

১১৪.  মুনতাকিম আশরাফ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সিনিয়র, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ভ্যানটেজ হাই-টেক লিমিটেড

১১৫.  তাবারাকুল তোসাদ্দেক হোসেন খান, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, আহবাব গ্রুপ

১১৬.  মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স নিজাম এন্টারপ্রাইজ, হাসিনা ইয়াসিন মার্কেট

১১৭.  মোহাম্মদ বজলুর রহমান, পরিচালক, এফবিসিসিআই

১১৮.  খন্দকার রুহুল আমিন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স খন্দকার ট্রেডার্স

১১৯.  সুজীব রঞ্জন দাস, পরিচালক, এফবিসিসিআই, পরিচালক, ইউরো-পেট্রো প্রোডাক্ট লিমিটেড, নাভানা যানক্লেভ

১২০. নিহাদ কবির, সাবেক সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-ঢাকা, সিনিয়র পার্টনার, সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এন্ড

এসোসিয়েটস, পরিচালক, কেদারপুর টি কোম্পানি লিমিটেড

১২১. ড. মুনাল মাহবুব, সিনিয়র ভাইস সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডিং, চেয়ারম্যান, মাটিটা রিসোর্ট, আলফা শামস

১২২. হাসিনা রুমি, পরিচালক, ইউরোগ্যাজ এলপিজি, নুর ট্রেডিং

১২৩.  মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড, জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ার

১২৪.  মো. শাহ জালাল, পরিচালক, এফবিসিসিআই, মেসার্স জনতা ট্রেডার্স

১২৫.  মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সিআইপি, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নিজাম গ্রুপ অব কোম্পানি

১২৬.  মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান ভুইয়া, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন, পরিচালক, এফবিসিসিআই

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাজ ভুইয়া টেক্সটাইল মিলস এন্ড মেসার্স জে বি ইলেকট্রনিক্স

১২৭.  মোহাম্মদ রিয়াদ আলী, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইন্ট্রাকো গ্রুপ, পরিচালক হোটেল আগ্রাবাদ, সভাপতি, ইন্দোনেশি

১২৮.  রাকিবুল আলম দিপু, পরিচালক, এফবিসিসিআই

১২৯.  মো. শহীদুল হক মোল্লা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, মোল্লা গ্রুপ, প্রোপ্রাইটর, মোল্লা মেশিনারি এন্ড মটরস

১৩০.  রাসেল টি আহমেদ, সভাপতি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস পরিচালক, এফবিসিসিআই সিইও, টিম ক্রিয়েটিভ

১৩১.  মোহাম্মদ ফরিদ খান (সিআইপি), পরিচালক, এফবিসিসিআই, ভাইস, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

১৩২.  সালমান খান, পরিচালক, সামিট ওয়েল এন্ড শিপিং লিমিটেড, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেড

১৩৩. গোলাম মো. আলমগীর, চেয়ারম্যান, ম্যাক্স গ্রুপ

১৩৪. হাফেজ হাজী হারুনুর রশিদ, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

১৩৫. সৈয়দ মো. বকতিয়ার, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, একটিভ লজিস্টিকস লিমিটেড

১৩৬. মিজ তাসফিয়া জসিম, পরিচালক, এফবিসিসিআই, পরিচালক, বেঙ্গল প্যাকেজিং এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড

১৩৭. মোহাম্মদ ইছাকুল হোসেন সুইট, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর এন্ড সিইও, মেসার্স তোহফা এন্টারপ্রাইজ, চেয়ারম্যান, সামিট কমিউনিকেশন্স লিমি 

১৩৮. আমজাদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেড

১৩৯. এএসএম মাইনুদ্দিন মোনেম, সিইও এন্ড ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আব্দুল মোনেম লিমিটেড

১৪০. মো. আমির হোসেন (সোহেল), পরিচালক, পিএইচপি গ্রুপ

১৪১. মো. জামাল উদ্দিন, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম জামাল এন্ড কোম্পানি লিমিটেড

১৪২. খন্দকার মশিউজ্জামান (রোমেল), সভাপতি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশন, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান এন্ড সিইও, পিপুলস গ্রুপ, মেসার্স পিপুলস ফ্যাশন লিমিটেড

১৪৩. মো. হেলাল উদ্দিন, সভাপতি, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স নিলময় ভ্যারাইটিজ স্টোর

১৪৪.  আবু হোসেন ভূঁইয়া (রানু), সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই

১৪৫. এম.জি.আর নাসির মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা, সেঞ্চুরি গ্রুপ অব কোম্পানিজ, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই

১৪৬. নুরুল কাইয়ুম খান, সভাপতি, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস এসোসিয়েশন, চেয়ারম্যান, কিউএনএস কন্টেইনার সার্ভিসেস লিমিটেড, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কিউএনএস গ্রুপ

১৪৭. শাহাব উদ্দিন খান, সভাপতি, কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৪৮. সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রথম সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ, ডিরেক্টর, ওয়েল গ্রুপ

১৪৯. খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড

১৫০. মো. আকতার হোসেন, সিআইপি, সহ-সভাপতি, বিকেএমইএ, প্রোপ্রাইটর, বুনবক্স এ্যাপারেলস, গ্রুপ ডিরেক্টর, উইজডম গ্রুপ

১৫১. ফজলে শামীম এহসান, সহ-সভাপতি, বিকেএমইএ, ফতুল্লা এপারেলস

১৫২. আনোয়ার হোসেন (মানিক), পরিচালক, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক; টেক্স টাউন লিমিটেড

১৫৩. শামস মাহমুদ, পরিচালক, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শাশা গার্মেন্টস লিমিটেড

১৫৪. মো. মিজানুর রহমান, পরিচালক, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি (বিসিআই), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেটা বিজনেস সলিউশন্স লিমিটেড

১৫৫. মো. শামীম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেসার্স ফেইথ লজিস্টিক্স

১৫৬. রাশেক রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বুরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ কোম্পানি

১৫৭. মোহাম্মদ ওয়াহিদ রিহান ইফতেখার মাহমুদ, সহ সভাপতি, চট্টগ্রাম মেট্রপলিটন চেম্বার

১৫৮. মোহাম্মদ বাবুল আখতার, সভাপতি, বাংলাদেশ নন প্যাকার ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৫৯. সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন

১৬০. মোহাম্মদ মনসুর, মহাসচিব, বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিট্যাবলস এন্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মনসুর জেনারেল ট্রেডিং কো

১৬১. মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, চেয়ারম্যান, এটুআই গ্রুপ

১৬২. রফিকুর রহমান খান ইউসুফজাই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ই.বি সলিউশন্স লিমিটেড

১৬৩. আবুল হাসানাত কবির, চেয়ারম্যান, কেআরসি কম্পোসিট টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, আরও টেক্সটাইল মিলস (প্রাইভেট) লিমিটেড; ভাইস চেয়ারম্যান, একলিপস গ্রুপ; ব্যবস্থাপনা পার্টনার, ফারাজ ইন্টারন্যাশনাল বিডি, প্রোপাইটর: এইচ.কে কনটেক্সচার

১৬৪. হাসানুর বারি, মহাসচিব, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংক ওনার্স এসোসিয়েশন; চেয়ারম্যান, সী লিয় শিপিং কো. লিমিটেড

১৬৫. যাদব দেবনাথ, চেয়ারম্যান এবং সিইও, যাদ্রু গ্রুপ

১৬৬. মিসেস শামিমা আখতার

১৬৭. খন্দকার আশিকুজ্জামান, পরিচালক, পিপলস শিপিং লিমিটেড

১৬৮. জি এস আকন্দ মাসুম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সর্নালি গ্রুপ

১৬৯. মোস্তাফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যান, জি টেক সলিউশন লি.

১৭০. খান নুরে আলম সিদ্দিকী, যুগ্ম মহাসচিব এফবিসিসিআই 

১৭১. সৈয়দ আমিরুল ইসলাম নাদিম, উপ মহাসচিব (পিএস টু প্রেসিডেন্ট), এফবিসিসিআই মেম্বার, বিকেএমইএ; ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কেপস ফ্যাশন লিমিটেড

সচিব, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, টাঙ্গাইল উপজেলা


১৭২.  মো. মুনির হোসেন, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই

১৭৩. মো. আতাউর রহমান ভুইয়া, পরিচালক, এফবিসিসিআই এন্ড তমা কস্ট্রাকশন কো. লিমিটেড চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি-টেক সলিউশন লিমিটেড

১৭৪. কাউসার আহমেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপাইটর এন্ড সিইও, রুপসা ট্রেডিং কর্পোরেশন

১৭৫. মোহাম্মদ আফতাব জাবেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপাইটর, নাভেদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, ইম্পেরিয়াল

১৭৬. ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান, পরিচালক, কানাডা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স, পরিচালক, এম আলাম গ্রুপ, প্রোপাইটর, টিআর ট্রেডিং

১৭৭. মাসুম জামিল খান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, কসমস গ্রুপ

১৭৮. মীর আসাদ হোসেন টিটু, প্রোপাইটর, টুশি এন্টারপ্রাইজ

১৭৯. শাহরিয়ার হাসান, কো-ফাউন্ডার এন্ড সিইও, ই-পোস্ট সফটওয়্যার লিমিটেড, প্রতিষ্ঠাতা এবং উপদেষ্টা, পেপারফ্লাই প্রাইভেট লিমিট।

১৮০. খন্দকার তাসফিন আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার, দারাজ বাংলা লিমিটেড

১৮১. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিতু, চেয়ারম্যান, টেলিলিংক গ্রুপ

১৮২. কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ন্যাশনাল এ ইম্পোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট লিমিটেড, ও ফার্মা লিমিটেড; সভাপতি, বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

১৮৩. এসফারুল কাইয়ুম খান, পরিচালক, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ এসোসিয়েশন

১৮৪. এলথেম বি. কবির, চেয়ারম্যান, ইকে এন্ড এক্সেসরিজ

১৮৫. এস.এম ফারুকী হাসান, সিআইপি চেয়ারম্যান, প্রতিক গ্রুপ

১৮৬. খাইরুল হুদা চপল, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি, সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৮৭. আব্দুস সামাদ লাবু, পরিচালক, এস আলম গ্রুপ

১৮৮. মোহাম্মদ আলামগীর পারভেজ, প্রোপাইটর, মেসার্স ফ্র্যাংক এন্টারপ্রাইজ, পরিচালক, দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৮৯. এ.কে.এম শামসুদ্দোহা, সভাপতি, দোহাটেক নিউ মিডিয়া

১৯০. এজাজ মোহাম্মদ, মহাসচিব, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গালফ মেডিকেল সেন্টার্স (বিএজিএমসি)

১৯১. মো. মাহবুব উর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এইচএসবিসি

১৯২. তানভির এ মিশুক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নগদ লিমিটেড

১৯৩. মোহাম্মদ কামাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ফ্রে ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৯৪. ইমরান করিম, ভাইস চেয়ারম্যান, কনফিডেন্স গ্রুপ

১৯৫. জিয়াউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বে গ্রুপ

১৯৬. খন্দকার ফজলে রাব্বি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সীরক এ্যাপারেলস।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




তিস্তার বুকে গৃহহারা মানুষের আর্তনাদ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

একের পর বসতভিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে তিস্তার বুকে। শেষ সম্বলটুকুও হারানোর শঙ্কায় হাউ মাউ করে বলছিলেন বাড়ি নাই, ঘর নাই। হামার একটেও জায়গা নাই। মাইনষের বাড়িত যাবার নাগছি। ছাগল-গরু সউগ মাইনষের বাড়িত থোয়া নাগবে। বলেই মুখে কাপড় গুঁজে কান্না শুরু করেন বিভা রানী। মুখ লুকিয়ে ডুকরে কাঁদতে থাকেন। তিস্তার ভাঙনে বিভা রানী বসতভিটা হারিয়েছেন। নতুন করে বসতি গড়ার জায়গা নেই।

বিভা রানী কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চতুরা কালিরহাট গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর নিবারণের স্ত্রী। আগ্রাসী তিস্তার ভাঙনে তার বসতভিটার অর্ধেকেরও বেশি বিলীন হয়েছে। শেষ রক্ষা হবে না জেনে ঘর ও অন্যান্য উপকরণ সরিয়ে নিচ্ছিলেন। শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে এমন পরিস্থিতিতে কথা হয় তার সঙ্গে।

বিভা জানান, পরম যত্নে সাজানো সংসার তিস্তার ভাঙনে মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেছে। তারা অসহায়, নিরুপায়। বেদনার সেই কথা বলতে গিয়ে কষ্ট সংবরণ করতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন। বিভা রানীর সেই কান্না রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্বশীলদের কানে পৌঁছায় না। তিস্তার স্রোতের শব্দে সেখানেই মিলিয়ে যায়।

শুক্রবার বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শুধু বিভা রানী নন, তার প্রতিবেশী অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ ঘর ভেঙে উপকরণ স্কুলের আঙিনায় রেখেছেন, কেউবা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বাড়ির বিছানাপত্র নিয়ে বাজারের দোকানের ভেতর অনিশ্চিত সংসার পেতেছেন।

গ্রামটির কয়েকশ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে শতাধিক পরিবার, কালিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, পাকা সড়কসহ কালিরহাট বাজার। তিস্তা ভাঙতে ভাঙতে অনেক পরিবারের আঙিনায় এসে পৌঁছেছে। যদি সর্বনাশা তিস্তার অনুগ্রহ হয়, যদি শেষ রক্ষা হয়, এমন আশায় অনেকে ভাঙনের কিনারে অপেক্ষারত।

এমনই একটি পরিবার বানেশ্বর-ভারতী রানী দম্পতির। পাকা সড়কের কাছে তিস্তার ভাঙনের মুখে থেকেও এখনও বসতি সরাননি। তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। আঙিনায় বসে কলা গাছের মজ্জা আর কাঁঠালের বীজ দিয়ে দুপুরে খাবারের তরকারি প্রস্তুত করছিলেন ভারতী। সেই দৃশ্য ভারতীদের আর্থিক সামর্থ্যের জানান দিচ্ছিল। পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ভারতী বলেন, অবস্থা খারাপ। নদী ভাঙতেছে। অল্প এখনার জন্য আটক হয়া আছি। (নদী) দয়া করি যদি ফির ছাড়ি দেয়, এই আশায় আছি। না হইলে ঘর সরান লাগবে। কিন্তু জায়গা জমি নাই।

ভারতীর সঙ্গে কথা বলার সময় পাশ দিয়ে শো শো শব্দের তীব্র স্রোতে বয়ে চলছিল টইটম্বুর তিস্তা। নদীতীরের বাসিন্দারা অনেকে বসতি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ গাছপালা কাটছেন, কেউবা ভাঙনের কিনারে থাকা ক্ষেত থেকে পাট কেটে নিচ্ছেন। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, ভাঙন রক্ষায় কাজ শুরু হবে কবে?

তিস্তাতীরের বাসিন্দা ফজলুল হক ঘরবাড়ি ভেঙে ট্রাক্টরে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলেন। প্রবীণ এই বাসিন্দা বলেন, আমরা অসহায়। বাড়িঘর সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমি ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছি। এর আগে সাড়ে ৬ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন ভিটাটাও যাচ্ছে। ভাঙন রোধে আজ কাজ করে, কাল কাজ করে বলেও কাজ করছে না। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমাদের এলাকাটা রক্ষা করেন। নাহলে কয়েকশ পরিবার বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সেফারুল ইসলাম বলেন, তিস্তার ভাঙনের কবলে পড়ে একের পর এক পরিবারের বসতি বিলীন হচ্ছে। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনার জুম্মা এলাকা থেকে মৌলভীপাড়া পর্যন্ত তীরবর্তী শতাধিক পরিবার ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, তিস্তায় ভাঙন চলছে। বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজারের ভাটির দিকে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। মন্ত্রী মহোদয়কে (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী) বিষয়টি জানানোর পর প্রতিরক্ষা কাজের অনুমতি পাওয়া গেছে। আমরা আপাতত ২০০ মিটার স্থানজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলবো। দু-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

তবে কত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর পাউবো জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


আরও খবর