Logo
শিরোনাম

নারী ক্রিকেটারকে হেনস্তা, পাকিস্তানে কোচ বরখাস্ত

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দলে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে এক নারী ক্রিকেটারকে যৌন হেনস্তা করেছেন কোচ পাকিস্তানের সাবেক পেসার ও জাতীয় পর্যায়ের কোচ নাদিম ইকবালের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। 

তাকে বরখাস্ত করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। খবর ইএসপিএন ক্রিকইনফোর। পিসিবির এক কর্মকর্তা এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নাদিম ইকবালের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়। তার অপরাধের তদন্ত করার দায়িত্ব নিয়েছে পুলিশ। দেশের আইনেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে নাদিমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি এখন আর বোর্ডের হাতে নেই। কোনো অপরাধের তদন্ত করার এখতিয়ার পিসিবির নেই। তবে আমরা এখন দেখছি আমাদের সঙ্গে থাকা চুক্তির কোনো শর্ত নাদিম ভেঙেছেন কিনা।’

কোচ নাদিমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন সেই নারী ক্রিকেটার। এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় দলে সুযোগ করে দেওয়া ও বোর্ডে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সে (নাদিম) আমার ঘনিষ্ঠ হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে তার বন্ধুদের নিয়ে আমাকে যৌন নির্যাতন করে। এর ভিডিও বানিয়ে রেখে আমাকে ব্ল্যাকমেইলও করেছে।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করেন নাদিম। ওই সময় তাকে ওয়াকার ইউনিসের চেয়েও বেশি প্রতিভাবান ধরা হতো। নতুন বলে দারুণ সুইং পেতেন তিনি। ব্যাটারকে পরাস্ত করতে পারতেন। কিন্তু নিজের প্রতিভাকে আর বিকশিত করতে পারেননি এ পেসার। পাকিস্তানের জার্সি গায়ে কখনো খেলা হয়নি ৫০ বছর বয়সি এ কোচের। ঘরোয়া ক্রিকেটে ৮০টি প্রথম শ্রেণি ও ৪৯টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন নাদিম।

২০০৪ সালে শেষ পেশাগত ক্রিকেট ম্যাচ খেলেন তিনি।নাদিম ইকবাল দক্ষিণ পাঞ্জাব অঞ্চলের কোচ ছিলেন।


আরও খবর



পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে হাজার হাজার পরিবার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুন্সী মো: আল ইমরান: বান্দরবানে ভারী বর্ষণের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে পাহাড়ের পাদদেশ। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধসে ঘটতে পারে প্রাণহানির ঘটনা। এ অবস্থায় আতঙ্কে দিন পার করছে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী ৩০ হাজার পরিবার। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানে প্রায় প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন তাদের রক্ষার্থে প্রতি বছর নানা উদ্যোগ নিলেও পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বসবাসকারীদের সরিয়ে আনতে পারেনি। শহরের ইসলামপুর, লাঙ্গিপাড়া, হাফেজ ঘোনা, কালাঘাটা, বনরুপা, ক্যাচিং ঘাটাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার কয়েক হাজার পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে।

স্থানীয়দের তথ্য মতে, প্রতি বছরই শুষ্ক মৌসুমে পাহাড় কেটে তার পাদদেশে নতুন নতুন বসতি নির্মাণ করা হচ্ছে। পাহাড়ি জমির মূল্য সমতলের তুলনায় কম হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ পাহাড় কেটে সেখানে বসতি নির্মাণ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেন। আর বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকায় পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ। স্থানীয়রা জানান, বান্দরবান সদর ছাড়াও লামা, আজিজনগর, ফাসিয়াখালী, ফাইতং, গজালিয়া, রোয়াংছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে নতুন নতুন বসতি গড়ে উঠেছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে সেখানে অপরিকল্পিতভাবে বসতবাড়ি গড়ে তুলেছে হাজার হাজার পরিবার। ফলে সেখানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি ও মৃত্যুর সম্ভাবনা আগের তুলনায় বেড়ে গেছে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করে এমন কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার জরিপ অনুযায়ী, সাত উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে অপরিকল্পিতভাবে বসতি গড়ে তুলেছে ৩০ হাজারের বেশি পরিবার। এ বছর পাহাড়ের পাদদেশে নতুন নতুন বসতি গড় ওঠায় গত বছরর তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও পরিবারের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।

তাদের তথ্য মতে, শুষ্ক মৌসুমে উন্নয়নের নামে পাহাড় কেটে সেই মাটি দিয়ে বিভিন্ন এলাকার সড়কে সৃষ্ট গর্ত ভরাট, নতুন সড়কে মাটি দেওয়াসহ নানা কাজ করা হয়। এ ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়। বর্ষাকালে টানা বৃষ্টিতে মাটি নরম হয়ে সেই পাহাড়ের কাটা অংশ ধসে গিয়ে ঘরের ওপর পড়ে। এতে মাটি চাপা পড়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বিগত বছরগুলোতে এভাবেই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছিল। তবে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীরা জানিয়েছেন তাদের অসহায়ত্বের কথা। তাদের ভাষ্য মতে, বেঁচে থাকার তাগিদে কয়েক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছেন। সরকার প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি শুরু হলেই মাইকিং করে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলে। তখন পুনর্বাসনের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ঘটনা কেটে গেলে আশ্বাস বাস্তবায়ন হয় না। প্রতি বছর বলা হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।

বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড এলাকার কাসেমপাড়ায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমার বাড়িটি পাহাড়ের পাদদেশে। যারা নিচে থাকে তারা প্রভাব দেখিয়ে পাহাড়ের মাটি কেটে ফেলায় আমার বাড়ি এখন ঝুঁকিপূর্ণ। কালাঘাটায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী নোয়ারা বেগম বলেন, আমরা বাধ্য হয়েই এখানে বসবাস করছি। এ ছাড়া আমাদের যাওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই।

বান্দরবানের মৃত্তিকা ও পানি সংরক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, বৃক্ষ নিধন, অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটা, প্রাকৃতিকভাবে ভূমিকম্প এবং অতিবৃষ্টি- এসব কারণে পাহাড়ের মাটির গঠন দুর্বল হয়ে যায়।

এ ব্যাপার বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কায়েসুর রহমান বলেন, বান্দরবানে বিভিন্ন উপজেলায় ঝুঁকিতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে।

এ অবস্থায় এবার দ্রুত সময়ের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের অন্যত্র সরিয়ে না নিলে পাহাড় ধসে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সরকারি তথ্য মতে, ২০০৬ সালে জেলা সদরে তিন, ২০০৯ সালে লামা উপজেলায় শিশুসহ ১০, ২০১০ সালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পাঁচ, ২০১১ সালে রোয়াংছড়ি উপজেলায় দুই, ২০১২ সালে লামা উপজেলায় ২৮ ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ১০, ২০১৫ সালে লামায় চার, সিদ্দিকনগরে এক ও সদরের বনরুপা পাড়ায় দুই, ২০১৭ সালের ১৩ জুন সদরের কালাঘাটায় সাত ও রুমা সড়কে ২৩ জুলাই পাঁচ, ২০১৮ সালের ৩ জুলাই কালাঘাটায় এক ও লামায় তিন, ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই লামাতে এক, ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর আলীকদমের মিরিঞ্জা এলাকায় এক ও ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সাইঙ্গ্যা ঝিরিতে এক পরিবারের তিনজন পাহাড় ধসে নিহত হন।


আরও খবর



৯শত পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় তাদের নিকট থেকে ৯শত পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, বেগমগঞ্জ উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের আলাদি নগর গ্রামের মৃত আক্কাছ মিয়ার ছেলে হারুনুর রশিদ কাজল (৫৮) এবং ছয়ানী ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে ইকবাল হোসেন(৪২)।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী সদর উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও বলেন,নোয়াখালী পৌরসভার হাউজিং এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নয়শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।শুক্রবার বিকেলে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হবে।


আরও খবর



ভারতে ভূমিধসে নিহত ১৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ভারতের মনিপুরে প্রবল বৃষ্টিতে ভূমিধসে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, মনিপুরের ননী জেলায় টুপুল ইয়ার্ড রেলওয়ে কন্সট্রাকশন সাইটের কাছে একটি সেনা ক্যাম্পে বুধবার গভীর রাতে ওই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

জিরিবাম থেকে ইম্ফল পর্যন্ত একটি রেললাইন নির্মাণকাজের নিরাপত্তার জন্য টুপুল রেলওয়ে স্টেশনের কাছে টেরিটোরিয়াল আর্মির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল। ভূমিধস যখন হয়, তারা তখন তাঁবুর ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন।

যাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের অন্তত সাতজন টেরিটোরিয়াল আর্মির সদস্য বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।


আরও খবর



নোয়াখালীতে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ |
Image

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।

 গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমজিদ গ্রামের মৃত হাফেজ উল্যাহর ছেলে খাইরুল ইসলাম আজাদ(৩৫) ও একই গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে মো.সাজিদ হোসেন পয়েল (২৯)।

মঙ্গলবার (২১ জুন) রাত পৌনে আটটার দিকে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ  এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ইয়াবা বিক্রয়লদ্ধ নগদ দশ হাজার তিনশত টাকা জব্দ করা হয়। 

এসপি আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হচ্ছে। ওই মামলায় বুধবার সকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।  


আরও খবর



সারাদেশে চলছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আজ থেকে শুরু হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টি সেবার (এনএনএস) সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আজ থেকে চার দিনব্যাপী দেশ জুড়ে চলবে এ ক্যাম্পেইন।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১ লাখ আইইউ মাত্রার একটি নীল ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ২ লাখ আইইউ মাত্রার একটি লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

দেশের সব ইপিআই কেন্দ্র এবং স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোয় চার দিন ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। নির্ধারিত ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডের (পুরোনো) আটটি সাব-ব্লকে সপ্তাহের চার কর্মদিবসে নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবী কর্তৃক উদ্দিষ্ট শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তাছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায়ও ইপিআই কেন্দ্রগুলোয় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।



আরও খবর