Logo
শিরোনাম

'নারীদের নিজেদের চেয়ে ১০ বছরের বড় পুরুষের সঙ্গে ডেট করা উচিৎ'

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নারীদের তাদের চেয়ে অনেক বেশি বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে ডেটিং করা উচিৎ। অস্ট্রেলিয়ায় নিজেকে 'টাফ লাভ ডেটিং কোচ' ঘোষণা করা জেক ম্যাডক এই দাবি করেছেন। খবর ডেইলি মেইলের। 

জেক ম্যাডকের মতে, বছরের পর বছর সংগ্রাম করার পরে তিনি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে সঠিক সম্পর্ক সন্ধান ও নির্মাণ করতে হয়।   

জেক ম্যাডক একজন বিবাহিত পুরুষ। তার হাজার হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। তিনি বলেছেন, একজন নারী যখন একজন কম বয়সী পুরুষকে ডেট করেন, এটি খুব কমই কাজ করে।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, নারীদের বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে ডেট করার অনেক জৈবিক কারণ রয়েছে। আর না, ২০ বছরের ব্যবধান থাকতে হবে না। পাঁচ থেকে দশ বছর একটি আদর্শ উদাহরণ।

পুরুষ ও নারী ভিন্ন সময়ে মানসিকভাবে পরিপক্ব হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন নারীর তুলনায় পুরুষদের মানসিকভাবে পরিণত হতে প্রায় দশ বছর বেশি সময় লাগে।

একজন বয়স্ক মানুষ বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে পারে ও সে সম্পর্কটি কোথায় নিয়ে যেতে চায় সে সম্পর্কে আরও সিদ্ধান্তমূলক হয়। সম্পর্কের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রেও তার আরও পরিপক্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকে।

তিনি আরও বলেন, বয়স্ক পুরুষ তার ভুলগুলো বুঝবে ও ভবিষ্যতে যাতে এমন আর না হয় তার চেষ্টা করবে। সে আবেগ নিয়ে খেলবে না। সে নারীকে ভালো কারণে বেছে নিবে ও প্রশংসা করবে। ডেটিং গুরুর মতে হলিউডে এর বেশিরভাগ প্রমাণ রয়েছে। 


সুত্র: ইত্তেফাক



আরও খবর

যোগাসনে ব্যায়াম হবে পুরো শরীরের

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




প্রতারণা, মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’ নামে ব্র্যান্ডিং করে ‘বড় প্রতারণা’র ছকে শহুরে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ হচ্ছেই না। বারবার বিষয়টি নিয়ে কথা উঠলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় শিগগিরই মিনিকেট চালের বাজারজাত বন্ধে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, এই চালের যেহেতু কোনো ভ্যারাইটি নেই, তাই আমরা সুপারশপ এবং রাইস মিলগুলোতে চিঠি দেব, যাতে এর বাজারজাত বন্ধ করা হয়। এটা বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমরা অভিযান শুরু করব।

এক সময় উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে বীজ সংগ্রহ করা হতো। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এখন সরকারের সায় নিয়ে এই চাল বাজার থেকে তুলে নিতে মিলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপার শপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত নিত্যপণ্যের মূল্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সব কিছু ছাপিয়ে মিনিকেট প্রসঙ্গটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একই দিন সচিবালয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে ‘মিনিকেট’ নামে বাজারে প্রচলিত চালের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বাজার থেকে মিনিকেট চাল সরাতে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ তারা পেয়ে গেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যারা ধান গবেষণায় যুক্ত, তারা জানিয়েছেন, মিনিকেট নামে চালের কোনো ভ্যারাইটি নেই। এটি একটি প্রতারণার ছক। এর ব্র্যান্ডিং করে মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে মিনিকেট চালের বাজারজাতকরণ বন্ধের জন্য ভোক্তা অধিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সচিবালয়ে “মিনিকেটের উৎপত্তি সম্পর্কে মানুষ যদি জানত, তাহলে মিনিকেট চাল খুঁজতে যেতে না। এক সময় আমরা উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে কিছু বীজ সংগ্রহ করি। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এই হলো মিনিকেটের ইতিহাস। এটা অনেকবার বলা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার মিনেকেট নামটা উচ্ছেদ করার জন্য মোবাইল কোর্ট চালাতে পারে। আমরা একটা আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। এখন সেটা ভেটিংয়ের অপেক্ষায় আছে। ব্র্যান্ড যেটাই হোক, বস্তার গায়ে অবশ্যই ধানের জাতের কথা উল্লেখ করতে হবে। 

এদিকে, সুপার শপে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন পণ্য মোড়কীকরণ করে বিক্রি করতে গিয়ে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও ভোক্তা অধিকারের ভাষ্য। তবে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া সুপার শপ প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, খোলা বাজারে যে চাল ১২০ টাকা বিক্রি হয়, সেটা কিন্তু তিন হাতের লভ্যাংশ দেওয়ার পরই বিক্রি হয়। আপনারা এর সঙ্গে হয়তো একটা প্যাকেট যোগ করেছেন। সেজন্য খরচ হয়তো ৫ টাকা বাড়তে পারে। কিন্তু সেজন্য আপনি ৩০ টাকা লাভ করে বসতে পারেন না। তাছাড়া আজকের বাজারের সঙ্গে মেলালে আপনার হবে না। কারণ আপনি ধানটা কবে কিনে রেখেছিলেন, সেটা স্মরণ করেন। দিনাজপুরে ধানের মজুদের একটা ঘটনা ঘটেছে। সেটা নিয়ে আমি বলতে চাই না। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এভাবে মজুদ করে, আর বাজারের সঙ্গে তুলনা দেয়, তাহলে তো হবে না।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




নারায়ণগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ৯ ডাকাত আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থেকে দেশীয় অস্ত্র ও ককটেলসহ আন্ত:জেলা ডাকাত দলের দূর্ধর্ষ কাশেম বাহিনীর ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সরাবদী গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জে র‌্যাব-১১'র সদর দপ্তর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন উপ-অধিনায়ক মেজর সানরিয়া চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, গত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ১০/১২ জন সদস্যের একদল সশস্ত্র ডাকাত হাইজাদী ইউনিয়নের সরাবদী ও উদয়দী গ্রামের আটটি বাড়িতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমান নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যাবান মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় মামলা হলে পুলিশের পাশাপাশি অভিযানে নামে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে এই দূর্ধর্ষ ডাকাত দলের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ডাকাতি হওয়া স্বণালংকারসহ বেশ কিছু নগদ টাকা। জব্দ করা হয় ৭টি ককটেল, ৫টি টেঁটা ও ৩টি ছোঁড়াসহ বিভিন্ন ধরণের দেশীয় অস্ত্র।

গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও মাদকের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এই ডাকাত দলের সর্দার কাশেমের বিরুদ্ধেই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার বিভিন্ন থানায় অন্তত দশটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।


আরও খবর



শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শিরক একটি আরবি শব্দ যার অর্থ অংশ। ইসলামী পরিভাষায় সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার সঙ্গে কাউকে শরিক করা, কাউকে তাঁর সমকক্ষ ভাবা কিংবা অংশীদার করাকে শিরক বলে।

এটি একটি জঘন্য অপরাধ এবং কবিরা গুনাহ। মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালা শিরককে বড় মিথ্যা এবং জুলুম বলে আখ্যায়িত করেছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসে বলা হয়েছে- আল্লাহ তার বান্দার যে কোনো গুনাহকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু শিরকের গুনাহকে ক্ষমা করেন না। আমাদের সমাজে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে বিভিন্নভাবে এবং বিভিন্ন পন্থায় শিরক করা হয়ে থাকে। মানুষ পাথর, অগ্নি, গাছ ও কবর পূজা ইত্যাদির মাধ্যমে শিরক করে। তা ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, বিবাহশাদি, রোগ-শোক, আয়-রোজগার ইত্যাদির ক্ষেত্রেও বিভিন্নভাবে এবং বিভিন্ন পন্থায় শিরক করা হয়। শিরক চার ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। ১. আল্লাহর মূল সত্তায় শিরক, ২. আল্লাহর গুণাবলিতে শিরক, ৩. আল্লাহর অধিকারে শিরক, ৪. আল্লাহর এখতিয়ারে শিরক। পবিত্র কোরআনে শিরকের পরিণাম সম্পর্কে সতর্ক করে বলা হয়েছে- এটি একটি ক্ষমাহীন অপরাধ।

ইরশাদ করা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তার সঙ্গে কাউকে শরিক করে। এ ছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং কেউ আল্লাহর সঙ্গে শরিক করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়। তারা তার পরিবর্তে শুধু দেবীরই পূজা করে এবং বিদ্রোহী শয়তানের পূজা করে।’ (৪-সুরা নিসা : ১১৬-১১৭)। যারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উপাস্য হিসেবে মানে তারা পথভ্রষ্ট। ইরশাদ করা হয়েছে- স্মরণ কর, যখন ইবরাহিম তার পিতা আজরকে বললেন : ‘তুমি কি প্রতিমাগুলোকে উপাস্য মনে কর? আমি দেখতে পাচ্ছি যে, তুমি ও তোমার সম্প্রদায় প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট।’ (৬ সুরা আনয়াম : ৭৪)। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। শিরকমুক্ত ইবাদতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধান করতে পারে।

সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। হজরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে দুনিয়ার বুকে প্রথম নবীর আগমন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের মাধ্যমে পৃথিবীতে নবী রসুলের আগমন পর্বের সমাপ্তি টানা হয়েছে। মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর পৃথিবীতে আর কোনো নবী আসবেন না। তিনি হলেন বিশ্ববাসীর জন্য মনোনীত নবী।

কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ পৃথিবীতে আসবে তারা তার উম্মতের মধ্যেই গণ্য হবে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকার এ মহান জিম্মাদারি তার উম্মতের মধ্যে যারা কোরআন হাদিসের জ্ঞানে জ্ঞানী তাদের ওপর দিয়েছেন। মহানবীর আগে যে হাজার হাজার নবী রসুল এসেছেন তাদের বিশেষ সম্প্রদায়ের নবী রসুল হিসেবে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আখেরি নবীর আগমন ঘটেছে সমগ্র মানবজাতির জন্য। ইরশাদ করা হয়েছে- ‘হে নবী আমি তোমাকে সারা বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ (২১ সুরা আম্বিয়া : ১০৭)।


আরও খবর

শারদীয় দুর্গোৎসব কাল শুরু

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




বিষখালি নদীতে হঠাৎ ভাঙ্গনে ৬টি দোকান বিলীন, এলাকায় আতঙ্ক

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ঃ

ঝালকাঠির রাজাপুরের বিষখালি নদীতে হঠাৎ নদী ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে ছয়টি দোকানঘর নদীর ভাঙনে বিলীন হয়েছে। এদের মধ্যে একটি মুদীমনোহারি, একটি ঋষি ও বাকি গুলো চায়ের দোকান ছিল। সোমবার দুপুরে উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বিশখালী নদী সংলগ্ন বাদুরতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার পর বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা হলো নাসির হাওলাদার, জুয়েল শরীফ, শাহজাহান শরীফ, জামাল হাওলাদার, আবু খলিফা ও বাবুল ঋষি। প্রত্যক্ষদর্শী মো. রুহুল আমিন, তরিকুল ইসলাম সুমন ও আব্দুল গফুর জানায়, দুপুরে হঠাৎ বিশখালী নদীতে ভাঙ্গন দেখা দেয়। এতে কয়েকটি দোকান নিয়ে মাটি দেভে পানিতে ভেসে যায় মালপত্রসহ দোকানগুলো। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নদী থেকে দোকান মালিকরা দোকানঘরও সহ মালামাল উদ্ধার করে। ততক্ষনে অনেক মালপত্র ভেসে যায়। 


মঠবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ জালাল হাওলাদার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই বাদুরতলা বাজারের দোকানগুলো ভেঙে বিলীন হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হঠাৎ দুপুরে ৬টি দোকান বিলীন হয়ে গেছে। এখনও ওই বাজারের অনেক দোকান ঝুকিতে রয়েছে। কয়েক দফা জিও ব্যাগ ফেলেও ভাঙনরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রæত স্থায়ী বাধ নির্মান করা প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান খান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেছি তাদের জন্য পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



১০ কোটি টাকা চেয়ে আদালতে সেই জজ মিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসানো আসামি জজ মিয়া ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে এবার হাইকোর্টে রিট করেছেন। গত (১২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে তার আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ বিষয়ে রিট করার অনুমতি নেন।

এর আগে ১১ আগস্ট জজ মিয়ার পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও আইনজীবী মোহাম্মদ কাউছার স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১১ জন বরাবরে এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেন। আরো যাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তারা হলেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি, পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), তৎকালীন আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, তৎকালীন এএসপি আব্দুর রশিদ, তৎকালীন এএসপি মুনশি আতিকুর রহমান এবং তৎকালীন বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন।

নোটিশে ওই ঘটনার জন্য জড়িত ব্যক্তিদের দায় নির্ধারণের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। যাদের দায় পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে ওই ক্ষতিপূরণ আদায় করে জজ মিয়াকে দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ জড়িত ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পত্তি জব্দের আইনগত পদক্ষেপের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। নোটিশে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় হাইকোর্টের রিট করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। তবে নোটিশে কোনো সাড়া না পেয়ে এবার হাইকোর্টে রিট করছেন জজ মিয়া।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে দলের নেতাকর্মীসহ ২২ জন নিহত হন।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২