Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

নেত্রকোনায় হুমায়ূন আহমেদ এর ৭৫তম জন্মদিনকে ঘিরে হিমু উৎসব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

মির্জা হৃদয় সাগর, নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনায় নেচে গেয়ে হুমায়ূন ভক্তরা উদযাপন করেছে হিমু উৎসব নামে লেখকের ৭৫তম জন্মদিন।  

এ উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় তারুণ্য নির্ভর হিমু পাঠক আড্ডার কাঙ্খিত উৎসবের আয়োজনে সকালে ১১ টায় আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে। 

অবরোধ ভেঙ্গে সাতপাই সংগঠনের কার্যালয় থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা প্রতি বছরের ন্যায় উদ্বোধন করেছেন  বরেণ্য বুদ্ধিজীবী চিন্তাবিদ অধ্যাপক যতীন সরকার।  

বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধন করেন এবার।

পরে লেখক চিত্রনির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ এর নাটক সিনেমায় ব্যবহৃত গানের তালে তালে সাতপাই থেকে আনন্দ শোভাযাত্রাটি মোক্তারপাড়া আসলে পুলিশ সুপার মো ফয়েজ আহমেদ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিসিট) বিপীন চন্দ্র বিশ্বাস হিমু রুপাদের বরণ করে নেয়।

ঐতিহাসিক মোক্তারপাড়া মাঠের মুক্তমঞ্চে এসে শেষ করে হিমু-রুপাদের সাথে নিয়ে কেক কাটেন।  

আনন্দ শোভাযাত্রায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী, লেখক,  সাংবাদিক, সাহিত্যিক,  শিক্ষক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সকল ধরনের নেতৃবৃন্দরা তরুণদের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে হিমু উৎসবের এই আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। নারীরা নীল শাড়িতে রুপা সাজে এবং পুরুষরা হলুদ পাঞ্জাবি ও টি শার্ট পড়ে হিমু সেজে নান্দনিক শোভাযাত্রা শেষ করেন। 

সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে গানে ও আড্ডায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।  

কেক কাটা অনুষ্ঠানে সংগঠনের পরিচালক সাংবাদিক আলপনা বেগমের সভাপতিত্বে মুক্তমঞ্চে কেক কাটা পূর্ববর্তী আলোচনায় অতিথিরা বক্তব্য রাখেন।  

এছাড়াও অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকার, সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এডভোকেট হাবিবুর রহমান, উদীচীর সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,  চচন্দ্রনাথ কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ার হাসান, মৃনাল কান্তি চক্রবর্তী, কবি সাজ্জাদ খান, কলেজ শিক্ষক সাইফুল আলম স্বপন, বাউল সমিতির নেতা বেতারের শিল্পী আবুল বাশারসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশ নেন।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় পুকুর মালিক, ভিকু ও টাক্টরের মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নওগাঁয় পুকুর খনন করে পুকুর থেকে মাটি ও বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করার অপরাধে এস্কেভেটর (ভেকু) ব্যবসায়ী, পুকুর মালিক ও ট্যাক্টর চালকের মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর মুন্সিপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর মুন্সিপুর এলাকায় একটি পুকুর খনন করা হচ্ছিল। আইন অমান্য করে পুকুর মালিক, ভেকু ব্যবসায়ী ও ট্যাক্টর চালক যোগসাজসে ঐ পুকুর থেকে মাটি ও বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছিলেন। এতে ট্যাক্টর থেকে পাকা সড়কে মাটি পড়ে সড়কের বেহাল দশা হচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় পুকুর মালিক ওমর আলীর ৫০ হাজার টাকা, ভেকু ব্যবসায়ী রনি'র ২০ হাজার টাকা ও ট্যাক্টর চালক সাদ্দাম এর ৫ হাজার টাকা মোট ৩ জনের ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরো জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঐ পুকুর খনন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুমতির বাহিরে তারা যদি পুকুর খনন করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জিকির-বয়ানে মশগুল মুসল্লিরা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি)। ময়দানে জিকিরে ও বয়ানে মশগুল রয়েছেন মুসল্লিরা। ভোরে ফজরের নামাজের পর চলছে ধর্মীয় বয়ান। ফজরের পরে বয়ান করছেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ। বাংলা তরজমা করছেন মুফতি ওসামা ইসলাম। আসরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

আগামীকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শুরু হবে আখেরি মোনাজাত। আর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সাদপন্থীদের তাবলীগ জামাতের এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

ইজতেমার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইজতেমা ময়দানের ৮৯টি খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন দেশ-বিদেশি লাখো মুসল্লি। ফজরের নামাজের পর পিনপতন নিরবতায় ধর্মীয় বয়ান শুনছেন তারা। বয়ানের পর এগুলো থেকে নেওয়া শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি খিত্তায় দল বেঁধে নিজস্ব আমিরের (দলনেতা) নেতৃত্বে হবে আলোচনা।

সকাল সাড়ে ১০টায় তালিমে হালকা মোয়াল্লেমেরদের নিয়ে কথা বলবেন মাওলানা আব্দুল আজিম।

তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বিরা আরবি, উর্দু ও হিন্দিতে বয়ান করলেও তাৎক্ষণিকভাবে এগুলো বাংলা, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া যারা তাবলীগের দাওয়াতী কাজে বের হবেন খিত্তা অনুযায়ী তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।

ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে যোহরের নামাজের পরে বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা শরিফ, বাংলা তরজমায় মাওলানা মাহমুদুল্লাহ, আসরের পরে বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান, বাংলা তরজমায় মাওলানা আজিম উদ্দিন। বয়ানের পরে অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

তিনি বলেন, মূল বয়ান মঞ্চের পাশে শরীয়া আইন অনুযায়ী কনের অনুপস্থিতিতে তার অভিভাবক, বর ও আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি ইয়াকুব, বাংলা তরজমায় মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

রবিবার ফজরের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি মাকসুদ, বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা আব্দুল্লাহ। বয়ানের পরেই হেদায়াতি বয়ান ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। মজলিশে শূরার সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।

এদিকে, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১৫ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ময়দানের ভেতরে ও বাইরে কাজ করছে। সিসিটিভি ও ওয়াচ টাওয়ার দিয়ে পুরো ময়দান ও আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন, সরকারের বিভিন্ন দফতরের লোকজন সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করে বিপাকে বাদি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা করে বাদি বিপাকে পড়েছেন। মামলার বাদি ও স্বাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে আবারও মারপিট করে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া হবে বলে অভিযোগ করেছেন পঞ্চকরণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহŸায়ক আব্দুল রাজ্জাক খলিফা।

গত ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল রাজ্জাকসহ কয়েকজনকে পিটিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলে রাজ্জাক চিকিৎসা শেষে ৫ ফেব্রæয়ারি ১০ জনের নামে বাগেরহাট আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩১/২৪, তারিখ-৫.২.২০২৪।  আদালতের নির্দেশে মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ ওই  অভিযোগপত্রটি ৭  ফেব্রুয়ারি এজাহার হিসেবে গ্রহন করে। এর পর থেকে মামলার বাদি আব্দুল রাজ্জাক ও তার স্বজনদেরকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছে মামলার প্রধান আসামি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস হাওলাদারসহ অপর আসামিরা।

মামলার বাদি আব্দুল রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধের কারনে তাদেরকে মারপিট করা হয়েছে। কয়েকটি দোকানের ভাড়াটিয়াকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রাস্তা ও বাজার ঘাটে বের হলেই গালমন্দ করা হয়। মামলা প্রত্যাহার না করলে আরও খারাপ পরিনতির হুমকী দিচ্ছে আসামিরা। পুলিশ রহস্যজনক কারনে এ মামলার আসামিদেরকে গ্রেফতার করছেনা বলেও অভিযোগ বাদির।

  এ বিষয়ে মারপিটের মামলার প্রধান আসামি যুবলীগ নেতা গিয়াস হাওলাদার এসব অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা এলাকার বাইরে রয়েছি। জামিন নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। হুমকীর অভিযোগ সঠিক নয়। 


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরে দাঁড়ালেন বিলাওয়াল

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানে নতুন সরকার গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাঝে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থিতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারে তার দল পিপিপি যোগ দেবে না বলে জানিয়েছেন বিলাওয়াল।

দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) বৈঠকে পিপিপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিলাওয়াল বলেছেন, এটা সত্য যে, পিপিপির কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের ম্যান্ডেট নেই। আর এই কারণে আমি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থিতায় থাকছি না।

তিনি বলেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং পিএমএল-এন জাতীয় পরিষদে তার দলের চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পিপিপির সাথে কোনও সংলাপে জড়াবেন না বলে ঘোষণা দেওয়ায় দেশে পিটিআই বা স্বতন্ত্রদের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের কোনও সম্ভাবনা নেই।

দেশটির তরুণ এই রাজনীতিক বলেন, পিপিপি কেন্দ্রে সরকার গঠনের অবস্থানে না থাকায় কোনও মন্ত্রণালয়েও যোগ দেবে না। তিনি বলেন, আমরা দেশে বিশৃঙ্খলা বা দেশে চিরস্থায়ী সংকট দেখতে চাই না।

লোভনীয় পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীকে সমর্থন করার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে বিলাওয়াল বলেন, পিপিপি দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএল-এনের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে, ইমরান খানের পিটিআই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য মজলিস-ই-ওয়াহদাত-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) পার্টির সাথে জোট করবে বলে জানিয়েছে। ইমরান খানের নির্দেশে কেন্দ্র এবং পাঞ্জাব প্রদেশে দলটির সাথে পিটিআই এই জোট গড়বে বলে পিটিআইয়ের মুখপাত্র রউফ হাসান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তানের (এমকিউএম-পি) সাথে সরকার গঠনের সব ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে এমডব্লিউএমের সাথে জোট করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত আসন নিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে জামায়াত-ই-ইসলামির (জেআই) সঙ্গে পিটিআইকে জোট করতে বলেছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯২টি আসনে জয় পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া পিএমএল-এন ৭৯ ও পিপিপি ৫৩ আসনে জয় পেয়েছে। দেশটিতে কোনও দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ব্যাপক রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

এর মাঝেই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে পিএমএল-এন এবং পিপিপির তাদের সংসদীয় অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দলে ভেড়ানোর জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে এমডব্লিউএম। এখন এই দলটির সাথে কেন্দ্রে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিটিআই। আর পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে ইমরান খানের দলের সমর্থিত ১১৬ প্রার্থী জয় পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীদের যেকোনও একটি দলে যোগ দিতে হবে। যদি কোনও দলে যোগ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে সংরক্ষিত আসনের বরাদ্দ পাবে না পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ীরা।

দেশটির সংবিধানে বলা আছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি অথবা নির্বাচনের দিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে। দেশটির জাতীয় পরিষদে মোট ৩৩৬টি আসন রয়েছে। যার মধ্যে ২৬৬টি আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পরিষদে ৭০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি নারীদের এবং ১০টি অমুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত। জাতীয় পরিষদে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান অনুযায়ী এসব আসন বণ্টন করা হয়।

সূত্র: জিও নিউজ, ডন।


আরও খবর



সরকার গঠনে নওয়াজ-জারদারি বৈঠক

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট নির্বাচনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)।

তবে পিটিআই দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় সরকার গঠনে তোড়জোর চালাচ্ছেন নওয়াজ শরিফ। এ জন্য তিনি তৃতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সঙ্গে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতেই বৈঠক করেছেন তিনি।

এরআগে, সন্ধ্যায় পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের চেয়ে পিছিয়ে থেকেও বিজয় ভাষণ দেন নওয়াজ। লাহোরে পিএমএল-এনের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে দেয়া বিজয় ভাষণে তিনি বলেন, জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পিএমএল-এন সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পিএমএল-এন পাকিস্তানকে সংকট থেকে উদ্ধার করেছে দাবি করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও তার দল দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবে।

তবে ভাষণে পিএমএল-এন নেতা স্বীকার করেন সরকার গঠনের জন্য তার দল প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। জোট সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে খুব শিগগিরই আলোচনা শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।

এরপরই খবর আসে পিপিপির কো-চেয়ারর‌্যান আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে বৈঠক করেছেন নওয়াজ শরিফ। পিপিপির সূত্রের বরাত দিয়ে ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, লাহোর দুই নেতার মধ্যে এই বৈঠক হয়েছে।

তবে বৈঠকে আর কারা উপস্থিত ছিলেন বা কী আলোচনা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েই আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

২০২২ সালে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পিপিপি ও পিএমএল-এন একসঙ্গে জোট করেছিল।

আল জাজিরার তথ্য বলছে, ২৬৬টি আসনের মধ্যে ২৫০টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

এরমধ্যে পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯৯টি আসন। আর নওয়াজ শরীফের মুসলিম লীগ-এন (পিএমএলএন) জয় পেয়েছে ৭১টি আসনে। বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৩টি আসন।

এছাড়া অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ২৭টি আসন। একটি আসনের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার বাকি আরও ১৫ আসনের।

পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা কী করবেন

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাত্ত্বিকভাবে সংসদ সদস্যরা দলমত নির্বিশেষে সরকার গঠন করতে সক্ষম। পিটিআই যেহেতু দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি, সেক্ষেত্রে দলটির সমর্থিত প্রার্থীরা অন্য কোনো দলে যোগদান না করেও নিজেরা সংসদীয় স্বাধীনতা বজায় রাখার পথ বেছে নিতে পারেন।

সেক্ষেত্রে এটা তাদের সরকার গঠনের সুযোগ করে দিতে পারে। যদি তারা সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় আসন তথা ম্যাজিক ফিগার পূরণ করতে পারেন। অর্থাৎ ২৬৬ আসনের মধ্যে ১৩৪টি আসন পেতে হবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই যদি ঘটে, তাহলেও তা হবে অত্যন্ত দুর্বল একটা সরকার। কারণ স্বতন্ত্র সাংসদ যেকোনো মুহূর্তে ক্ষমতাসীন জোটকে পরিত্যাগ করতে পারেন। যার ফলে ভেঙে যেতে পারে সরকার।

স্বতন্ত্র থাকার আরেকটি অসুবিধা হলো ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংরক্ষিত আসনের যে কোটা রয়েছে তা থেকে বঞ্চিত হবেন। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে নারী ও সংখ্যালঘু মিলিয়ে ৭০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি আসন নারীদের জন্য এবং ১০টি সংখ্যালঘুদের জন্য বরাদ্দ। যে দল সরকার গঠন করবে তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে এগুলো বণ্টন করা হয়।

পিটিআই দল হিসেবে নির্বাচনের সুযোগ না পাওয়ায় দলটির সমর্থিত প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সংরক্ষিত আসনের এই কোটার সুবিধা পাবে না। এ অবস্থায় পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা কী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন, তার জন্য আরও ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর