Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

নওগাঁর সংগ্রামী নারী মরিয়ম নারীদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরনা

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সংগ্রামী নারী মরিয়ম নারীদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরনা।

অতিথি পাখির কলরব, পানির কলকল শব্দ আর দূর থেকে ভেসে আসা মাঝির গানে নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী বিলে এক অন্যবদ্য প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্য ফোটে উঠেছে। নওগাঁ শহর থেকে ২৫কিলোমিটার দূরে প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হাঁসাইগাড়ী বিল অবস্থিত। প্রতি নিয়তই বিভিন্ন স্থান থেকে বিলের সৌন্দর্য্য দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে। সেই হাসাই গাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মেঠো পথের প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন অদম্য নারী সংগ্রামী মরিয়ম আক্তারী। হাসাইগাড়ি গ্রামের শাহাদত হোসেন এর স্ত্রী মরিয়ম আক্তারী'র দু' ছেলে। বড় ছেলে পড়ালেখা শেষ করে বেসরকারী একটি কোম্পানীতে চাকরী করছেন আর ছোট ছেলে ডিপ্লোমায় পড়ালেখা করছে। 

নারী সংগ্রামী মরিয়ম আক্তারী জানান ছোট বেলা থেকেই দূরন্ত প্রকৃতির সঙ্গে গ্রামের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেরিয়েছেন সব সময়। তিনি ভাই-বোনদের মধ্যে সবার ছোট। ছোট বেলা থেকেই পরোপকারী অন্যের কষ্ট দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারতেন না। চঞ্চল ছোট সেই মেয়েটি কে এখন সবাই গ্রামের এক সংগ্রামী নারী হিসেবে চেনে। পুরো পরিবারের সহযোগিতা নিয়ে তিনি গরীব-দুঃখিদের পাশে থেকে সব সময় নিজের সাধ্যমতো সহযোগিতা করে আসছেন। পিছিয়ে পড়া নারীদের সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করে আসছেন বছরের পর বছর। নওগাঁ সদর উপজেলার হাসাইগাড়ি ইউপির অপরাজিতা সদস্য মরিয়ম অপরাজিতা প্রশিক্ষণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং নিজেকে অধিদপ্তরের লাইভস্টক প্রভাইডর হিসেবে নিজ ইউনিয়নে গোবাদী পশু পালনে সহায়তা করছেন। 

তিনি আরো জানান, ইতো মধ্যেই তিনি  প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের সরকারী সহায়তা উন্নত পশু পালনের জন্য ১৪০টি পরিবারে নূন্যতম ৩ হাজার ৪শ' টাকা থেকে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত এক কালীন অনুদান প্রদান করেছেন। ৬শ' ১০ টি পরিবারের কৃমিমুক্ত গোবাদি পশু পালনে কৃমির ঔষধ বিনামূলে বিতরন করেছেন এবং ৩শ' জন কৃষকের নাম তালিকা ভুক্ত করেছেন যাদের আগামী এপ্রিল-২০২৪ থেকে উন্নত প্রযুক্তিতে গরু পালনের প্রশিক্ষণ প্রদাণ করবেন। তিনি প্রতিটি ওর্য়াডে নারীদের একটি করে টিম করে দিয়েছে প্রশিক্ষণের জন্য যাতে করে কোনো নারীই বেকার না থাকে। তিনি চেষ্টা করছেন গ্রামের মেয়েদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করতে। তিনি শুধু প্রণোদনায় নয় প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারী আইনী সহায়তা, বাল্যবিয়ে, মাদক, মহামারি করোনা ভাইরাস সচেতনতা বিষয়ক উঠান বৈঠক করে থাকেন। দূর-দূরান্তে প্রতিদিন পথ হেটে চলেছে নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য।  

মরিয়ম আক্তারীর স্বপ্ন সম-অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাচনে সাধারণ আসন থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। একটি সমতার সমাজ যেখানে, ব্যবধান থাকবে না নারী আর পুরুষের মাঝে, নারীদের কাজে সহায়তা করবে পুরুষ উভয়ে মিলে-মিশে গড়বে এমন এক সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন মরিয়ম আক্তারীর হৃদয়ে। তিনি মনে করেন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সিঁড়ি। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করতে হলে নারীকে অর্থনৈতিক সাবলম্বিতা অর্জন করতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নারীকে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলে।

নওগাঁ জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবু তালেব জানান মরিয়ম সমাজের সকল নারীর জন্য একটি অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তাকে দেখলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস মনে জন্ম নেয়। তাই জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে সব সময় মরিয়মকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। আগামীতেও মরিয়মদের মতো এগিয়ে যাওয়া নারীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে। 


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ক্ষুধার নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজারো ফিলিস্তিনি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জার পাশাপাশি হামলা হচ্ছে হাসপাতালেও। এতে করে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই ভেঙে পড়েছে।

এরসঙ্গে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডটিতে দেখা দিয়েছে তীব্র মানবিক সংকট। এমন অবস্থায় গাজায় হাজার হাজার মানুষ ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে গাজায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির দাবিও জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য বিতরণ বন্ধ করার পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, গাজার হাজার হাজার মানুষ ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছেন এবং যখন তাদের সহায়তা বাড়ানো দরকার তখন সাহায্য বিতরণ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ডেনিস ফ্রান্সিস লিখেছেন, আমি আমার নিজের এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য আবারও দাবি করছি। যুদ্ধবিরতি হওয়াটা এখন নিষ্পাপ শিশুদেরসহ সাধারণ মানুষের জীবন ও মৃত্যুর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। আর এরপরই গাজার মানুষের দুরাবস্থা নিয়ে সরব হলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি।

গাজার উত্তরাঞ্চলে লাইভ-সেভিং খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে ডব্লিউএফপি বলেছে, ব্যাপক বিশৃঙ্খলার কারণে তাদের সহায়তা কনভয়গুলো সম্পূর্ণরূপে বিপর্যয় এবং সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, এই সিদ্ধান্তটি সহজভাবে নেওয়া হয়নি। তাদের সদস্যরা ব্যাপক ভিড়, বন্দুকযুদ্ধ এবং লুটপাটের সম্মুখীনও হয়েছেন।

এছাড়া জাতিসংঘ গত বছরের ডিসেম্বর থেকে গাজার উত্তরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কার কথা বলে আসছে। ডব্লিউএফপি বলেছে, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে এই ভূখণ্ডে ক্ষুধা ও রোগের দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ রয়েছে।

গত মাসে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, অন্তত ৩ লাখ মানুষ এখনও উত্তর গাজায় রয়েছেন যারা বেঁচে থাকার জন্য তাদের সহায়তার ওপর নির্ভর করছেন।

মূলত তীব্র সংঘাতের কারণে গাজার উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ বিতরণ হয়ে থাকে খুবই কম। এছাড়াও অল্প পরিমাণে যে সহায়তা বিতরণ হয় সেটিও আবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা ছাড়পত্রের ওপর নির্ভরশীল।

এছাড়া গত সোমবার ডব্লিউএফপি এবং জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের একটি যৌথ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গাজার উত্তরে পরিস্থিতি বিশেষ করে খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। ডব্লিউএফপি বলছে, উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, দুই বছরের কম বয়সী ১৫ শতাংশেরও বেশি শিশু তীব্রভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।


আরও খবর



নওগাঁয় সরকারি গাছ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় সড়কের পাশে রোপন করা সরকারি গাছ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে। নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়ন এর বড়বড়িয়া বাজার হতে রেললাইন সংযোগ সড়ক এর দুই ধারে সরকারি ভাবে রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছগুলো রাতের আধাঁরে কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে সড়কের পাশ দিয়ে এই গাছগুলো রোপন করা হয়েছিলো বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ রাতের আধাঁরে কে বা কারা চুরি করে কেটে নিয়ে গেছে। অনুমতি ছাড়াই এসব গাছগুলো কর্তন করায় একদিকে সরকারের লাখ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। বড়বড়িয়া হতে রেললাইন সড়কের দু' পাশে পড়ে আছে শুধু মাটির ভিতরে থাকা গাছের গোড়ার মুল অংশ টি। প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ গাছগুলো লুট করছে বলেই জানান স্থানীয়রা। সরকার দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যেখানে নানা জাতের পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন গাছ রোপনে নানা প্রকল্প গ্রহণ করছে, আর ঠিক সেই সময়-ই সরকারী রাস্তার গাছ রাতের আঁধারে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কেটে নিয়ে গেলেও তেমন কোন পদক্ষেপ নেই প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের।

বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাণীনগর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইমানুর রশীদ জানান, আমি গাছ কাটার ঘটনা জানতে পেরে সেখানে লোক পাঠিয়েছি এবং অনুসন্ধান চলছে। যেই গাছ কাটুক না কেন, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরায়েলি বর্বরতায় গাজায় নিহত ২৮৩৪০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা শেষে জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ গাজায় লড়াই শেষ করার জন্য পূর্ণ যুদ্ধবিরতির আহবান জানিয়েছেন। তবে রাজার সঙ্গে আলোচনায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাননি বাইডেন। তিনি চান- ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি। এছাড়া হামাসকে নির্মূল করতে ইসরায়েলকে সময় দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হোয়াইট হাউজে দ্বিতীয় আব্দুল্লাহকে পাশে নিয়ে বাইডেন বলেন, গাজার দক্ষিণে রাফা শহরে ইসরায়েল যে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাতে যেন বেসামরিক মানুষদের অবশ্যই নিরাপত্তা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, জর্ডানের রাজা যেকোনো অভিযানের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন। খবর রয়টার্সের

বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গাজা ভূখণ্ডের যুদ্ধে অন্তত ছয় সপ্তাহের বিরতির জন্য আলোচনা চালাচ্ছে। এই সাময়িক বিরতি আরও বিস্তীর্ণ একটি সমঝোতার অংশ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে, যার মধ্যে জিম্মিদের মুক্তির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে জর্ডানের রাজা বলেন, আমাদের এই মুহূর্তে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন। এই যুদ্ধের অবসান হতেই হবে।

গত বছর ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েল যে হামলা চালাচ্ছে সেটি বন্ধ করার জন্য দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ বারবার পূর্ণ যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ দিয়েছেন। সেই আক্রমণের পর বাইডেনের সাথে প্রথম সামনা-সামনি বৈঠকে জর্ডানের রাজা বলেন, রাফার উপর ইসরায়েলের হামলা এই বিশ্ব মেনে নিতে পারে না। এটা আরেকটি মানবিক বিপর্যয় নিয়ে আসবে। আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এটা আর চলতে দিতে পারি না।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে সোমবার জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েল গাজায় ২৪ ঘন্টায় ১৬৪ জনকে হত্যা করেছে। এই সময় ১৯টি পরিবারে গণহত্যা চালিয়েছে তারা। আহত হয়েছেন আরও ২০০ জন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছে কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না।

৭ অক্টোবর থেকে হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছেন ২৮ হাজার ৩৪০ জন। আহতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৮৪ জন। ইসরায়েলের সামরিক অভিযান গাজাকে ব্যাপকভাবে বাস্তুচ্যুত, ধ্বংস এবং খাদ্য, পানি ও আশ্রয়ের ঘাটতির দিকে পরিচালিত করেছে।

আন্তর্জাতিক ক্ষোভ সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় স্থল আক্রমণের পরিকল্পনা করেছে। সেখানে এখন তারা বিমান হামলা চালাচ্ছে। সেখানে সীমিত জায়গার মধ্যে গাজার ২৩ লাখ মানুষের মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের আশ্রয় খুঁজে পেয়েছে।


আরও খবর



নতুন বছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ে চমক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ডলার সংকটের মাঝেই সুখবর বয়ে আনলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। নতুন বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই ছিল চমক। সংশ্লিষ্টদের ধারণা ছিল, রেমিট্যান্স প্রবাহের গতি অব্যাহত থাকলে মাসটিতে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। অবশেষে সেই ধারণাই সত্য হলো।

জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ২০১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র বলছে, নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ২০১ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২২ হাজার ১১০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার সমান ১১০ টাকা) ।

বৈধপথে রেমিট্যান্স আনার উদ্যোগের ফলে এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর সঙ্গে বাড়তি প্রণোদনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও উৎসাহিত করছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে সবশেষ ২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল রেমিট্যান্স। মাঝে প্রায় ৬ মাসের বেশি সময় অতিক্রম করলেও ২ বিলিয়ন ডলার বা এর বেশি আসেনি। তবে চলতি বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসার ধারা ভালো ছিল। ধারণা করা হয়েছিল মাসটিতে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় আসবে। এখন নিরাপদ ও বাড়তি প্রণোদনা পাওয়ায় প্রবাসীরা উৎসাহিত হচ্ছেন। আগামীতে আরও রেমিট্যান্স আসবে বৈধপথে।

সদ্য বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি আসে। আর দিনে এসেছে ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার বা ৭০৪ কোটির টাকার বেশি।

এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭২ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালে হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক রেমিট্যান্স এসেছিল। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি এ যাবতকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে করোনাকালীন ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

 


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গজারিয়ায় ৪৫'তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় কলেজ পর্যায়ে ১ম জিস্ট পলিটেকনিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল (গজারিয়া) মুন্সীগঞ্জ: 

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় "বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী সমৃদ্ধি" স্লোগানকে সামনে রেখে গজারিয়া উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে ৪৫'তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ্ এবং বিজ্ঞান মেলা- ২০২৪ এর সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় গজারিয়া উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করে।গজারিয়া ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি জিস্ট পলিটেকনিক গজারিয়া উপজেলায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে। এই অর্জনের ফলে উপজেলা পর্যায়ে টানা ২য় বারের মত ১ম স্থান অর্জন করে সফলতার ধারা অক্ষুন্ন রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২য় অর্জন করে গজারিয়া সরকারি কলেজ ও ৩য় স্থান অর্জন করে গজারিয়া কলিমুল্লাহ্ কলেজ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী সভায় গজারিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর আক্তার, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান নেকী খোকন, জিস্ট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট  অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মোঃ মামুন শরীফ ও রেজিস্ট্রার ইঞ্জি. সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল সহ প্রমূখ শিক্ষক শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেনী পেশার ব্যক্তিবর্গ ।


আরও খবর