Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় ২২মে গুটি আম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে বাজারে আসতে শুরু করবে

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আমের নতুন রাজধানী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে দেশের উত্তরের খাদ্যভান্ডার বরেন্দ্র অঞ্চল নওগাঁ। ধান উৎপাদনের পাশাপাশি বিগত কয়েক বছর আম উৎপাদনে রাজশাহী ও চাপাই নবাবগঞ্জকে ছাড়িয়ে গেছে নওগাঁ। আগামী ২২মে থেকে গুটি আম বা স্থানীয় জাতের আম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে বাজারে আসছে নওগাঁর আম। এছাড়াও নওগাঁর ঐতিহ্য আম্রপালি আমসহ অন্যান্য জাতের সুস্বাদু ও সুমিষ্ট আম পেতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে ভোক্তাদের।

বর্তমানে আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে ভারতীয় সীমান্ত ঘেষা উপজেলা সাপাহারের পাশাপাশি পোরশা, নিয়ামতপুর, ধামইরহাটসহ জেলার ১১টি উপজেলাতে গড়ে উঠছে বাণিজ্যিক ভাবে আম বাগান। আর দেশের মধ্যে শুধুমাত্র নওগাঁতেই উৎপাদন হওয়া সুস্বাদু আম্রপালি আমের সুনাম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবছরই নওগাঁয় উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আমের চাহিদা ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  

সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আম সংগ্রহ করার জাতীয় ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মিল রেখে এক সভায়  বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ওই সভায় আমচাষী, ব্যবসায়ী, কৃষি কর্মকর্তা ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ২২মে গুটি আম বা স্থানীয় জাত, ২৮মে থেকে গোপালভোগ, ২জুন ক্ষীরসাপাত/হিমসাগর, ৭জুন নাক ফজলি, ১০জুন ল্যাংড়া ও হাঁড়িভাঙা, ২০ জুন ফজলি, ২২জুন আম্রপালি এবং ১০জুলাই থেকে আশ্বিনা, বারি আম-৪, গৌড়মতি ও কাটিমন আম সংগ্রহ করা যাবে।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে জেলার ৩৩ হাজার ৩শ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে। যা থেকে ৪লাখ ৩১ হাজার ৫০০টন আম উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। বিভিন্ন বাগানে উচ্চ মূল্যের ব্যানানা ম্যাংগো, মিয়াজাকি, কাটিমন, গৌড়মতি, বারি-৪ আমচাষসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ১৬জাতের আম চাষ করা হয়েছে। তবে চলতি মৌসুমে আমের মুকুল কম আসায় ও প্রচন্ড দাবদাহে কিছু আম ঝড়ে যাওয়ার কারণে আমের ফলনে কিছুটা তারতম্য হওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।


জাত ভেদে নাকফজলি ৮৯৮ হেক্টর, ল্যাংড়া ১ হাজার ৬১৫ হেক্টর, ফজলি ১ হাজার ৪০৮ হেক্টর, গোপালভোগ ৬১০ হেক্টর, ক্ষীরশাপাত ১ হাজার ৪৭ হেক্টর, বারি-৪ ২ হাজার ৪০২ হেক্টর, বারি-১১ আম ৪২ দশমিক ৫০ হেক্টর, মল্লিকা ৩৭ হেক্টর, কাটিমন ১৫৪ দশমিক ৫০ হেক্টর, গৌড়মতি ১৪৩ দশমিক ২৫ হেক্টর, হাড়িভাঙা ৪১ দশমিক ৭৫ হেক্টর, ব্যানানা ম্যাংগো ১০৭ দশমিক ৫০ হেক্টর, আশ্বিনা ২ হাজার ৩২২ দশমিক ৫০ হেক্টর, কুমড়াজালি ১৩ হেক্টর, গুটি বা স্থানীয় ৬০৭ হেক্টর এবং আম্রপালি ১৮হাজার ৪২২ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। জেলায় যে পরিমাণ আম বাগান রয়েছে তার মধ্যে আম্রপালি ৬০ দশমিক ৮০শতাংশ।

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার আমচাষী আব্দুর রশিদ বলেন, দিন দিন আম চাষ অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই বাগানের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্য বদলে দিয়েছে এই আম চাষ। আমের মুকুল আসা থেকে শুরু করে বাজারজাত করা পর্যন্ত বিঘাতে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ পড়ে। তবে চলতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ খরার কারণে বিঘা প্রতি ৪-৫হাজার টাকা বেশি খরচ হয়েছে। এছাড়া খরায় কিছু আম ঝড়ে পড়ার কারণে ফলন কিছুটা কম হবে। তাই আমের দাম সঠিক ভাবে পেলে লোকসান কিছুটা পুষে নেয়া সম্ভব হবে। তাই এবার আম চাষীদের বাঁচাতে সঠিক ওজনে আম বিক্রয় করা ও ঠিকঠাক দাম বেধে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আমরা সুদৃষ্টি কামনা করছি।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, চলতি মৌসুমে নওগাঁ থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার আম বাণিজ্যের আশা করা হচ্ছে। চলতি বছর আমের মুকুল কিছুটা কম আসলেও গাছে বর্তমান থাকা আমের আকার ও রং ভালো থাকার কারণে আমচাষীরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া গতবছরের চেয়ে চলতি বছর নওগাঁ থেকে আরো বেশি পরিমাণ আম বিদেশে রপ্তানি করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রপ্তানি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দ্রæতই নওগাঁর বিভিন্ন আম বাগান পরিদর্শন করতে আসবেন।


আরও খবর



ভারতে ভোট গননা চলছে, এগিয়ে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। 


আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল আটটায় ভোট গণনা শুরু হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ ২৭০ আসনে এবং বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া ১৭৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। 



দেশটিতে লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল গত ১৯ এপ্রিল। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সাত ধাপের এই নির্বাচন শেষ হয়েছে গত শনিবার (১ জুন)। আজ চলছে ভোট গণনা। খবর আলজাজিরার।



ভোট গণনা শেষে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে শেষ হাসি হাসবে কে? মোদি রয়ে যাবে নাকি ভারত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখবে নতুন মুখ।


এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ এর অনলাইন জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট (এনডিএ) ৪১১ আসন পেতে পারে। সরকার গঠন করতে হলে কোনো জোটকে ৫৪৩ আসনের বিপরীতে অন্তত ২৭২টি আসনে জয় লাভ করতে হবে।


ইতোমধ্যে বিভিন্ন জরিপে তৃতীয় মেয়াদেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থাকছেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার অনলাইন সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি লোকসভায় ৩৫০ থেকে ৩৮০টি আসন পেতে পারে।


 ২০১৯ সালের নির্বাচনেও ভারতীয় জনতা পার্টি ৫৪৩ আসনের বিপরীতে ৩০৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু, বিরোধীদলগুলো আশা করছে, হিন্দু জাতীয়তাবাদ নিয়ে রাজনীতি করা বিজেপি সরকারের পতন সন্নিকটে।


ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বলেছে, ‘এই বছর মোট ভোটারের উপস্থিতি ছিল ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের নির্বাচনের তুলনায় এক শতাংশ কম। অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এ বছর ভোট পড়েছে ৬৪ কটি ২০ লাখ। এটি ভারতীয় নির্বাচনের ইতিহাসে ভোটের সর্বোচ্চ রের্কড বলেও জানায় কমিশন।  



বিরোধী দলগুলো বলেছে, ভোট গণনা কীভাবে হচ্ছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের কিছু জানায়নি। এ নিয়ে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দলগুলো।


যদি অনলাইন সমীক্ষাগুলো বাস্তবে রূপ নেয়, তাহলে নরেন্দ্র মোদির সরকার ইতিহাস তৈরি করবে। যদি এমনটি হয় তাহলে নরেন্দ্র মোদি হবেন ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে যাচ্ছেন। এর আগে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু তিন মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন।



এদিকে, ভারতীয় নির্বাচন কমিশমনের ফল ঘোষণা করা প্রথম আসন গুজরাটের সুরাট। সেখানে জয়লাভ করেছে বিজেপি। এই জয় দিয়ে বিজেপির স্বপ্নযাত্রার শুরু।


অন্যদকি, অধিকাংশ মূলধারার সংবাদমাধ্য়মে যে বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখানো হয়েছে তাতে বলা হচ্ছে, বিপুল সংখ্য়াগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে মোদি সরকার। বস্তুত, অধিকাংশ সংবাদমাধ্য়মের সমীক্ষা বলছে, বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ ৩৫০ এর বেশি আসন পেতে চলেছে। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় ২৭২ ম্য়াজকি ফিগার। 


যে দল ২৭২টি আসন পাবে, সে দলই সরকার গঠন করতে পারবে। ২০১৯ সালে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩টি আসন। এনডিএ পেয়েছিল ৩৩০ এর বেশি আসন। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে বলে বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিত।



তবে বিজেপি বুথ ফেরত সমীক্ষাকে স্বাগত জানালেও কংগ্রেস ইতোমধ্যে এর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কংগ্রেস হাইকমান্ড কর্মীদের জানিয়েছে, ভোটগণনার আগে বিরোধী শক্তিকে মানসিক চাপে ফেলতেই গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে বিজেপি। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলাফল তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোটগণনার দিন কর্মচারীদের শেষ পর্যন্ত গণনা কেন্দ্রে থাকার হুইপ জারি করেছে কংগ্রেস। 


তৃণমূলসহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক দল একই কথা বলছে। তাদের বক্তব্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ক্ষেত্রেও বিজেপি মিডয়াকে ব্যবহার করেছে। যে ফলাফল দেখানো হচ্ছে, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই।



আরও খবর



এনডিএ জোটকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


ভারতের নির্বাচনে এনডিএ জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।


 বুধবার (৫ জুন) দুপুরে ঢাকায় সফররত ইন্টারন্যাশনাল রেডক্রস ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক ব্রিফিংয়ে ‍ তিনি এ অভিনন্দন জানান।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইন্ডিয়া জোটকেও অভিনন্দন জানাই। তারাও ভালো ফলাফল করেছে। নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অনেক উন্নয়ন হয়েছে। সামনের দিনে আমরা সম্পর্ক আরও উন্নত করব।



ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে আমার ভারত সফরে কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, কিছু বিষয়ে আলোচনার জন্য ভারতের নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করা প্রয়োজন ছিল। আসন্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে সেসব বিষয়ে আলোচনা হবে।


এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। এর সঙ্গে অন্য কোনো দেশের সম্পর্কের তুলনা হয় না।


আরও খবর



গঙ্গা চুক্তি অনুযায়ী পানি পাচ্ছে না বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গঙ্গা চুক্তির চেয়ে গত দুই থেকে তিন বছর বেশি পানি পেলেও এবার চুক্তির চেয়ে অনেক কম পানি পেয়েছে বাংলাদেশ। শুকনো মৌসুমে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী হার্ডিঞ্জ সেতুর উজান ও ভাটিতে পদ্মার পানির স্তর নেমে যাওয়ায় এ অঞ্চলে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এক সময়ের প্রমত্তা পদ্মা পরিণত হয়েছে ছোট নদীতে। মৃত্যু ঘণ্টা বেজেছে এই অঞ্চলের সুতা নদী, কমলা নদী, ইছামতি নদী ছাড়াও আরও অন্তত ১৭টি নদীর।

ভারতের সঙ্গে গঙ্গা চুক্তি হয়েছিল সেই ২৮ বছর আগে। এর মধ্যে জলবায়ুর পরিবর্তন হয়েছে, পানির চাহিদা বেড়েছে, অনেক কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে। তাই পদ্মাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এবং এ অঞ্চলের মানুষকে বাঁচাতে গঙ্গা পানি চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এবারের ফারাক্কা দিবসের প্রাক্কালে এমন দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে নদী গবেষক ও বিশ্লেষক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীকে নদীর মত করে বাঁচতে না দিলে প্রাণ-প্রকৃতি ক্রমেই ধ্বংস হয়ে যাবে। এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পৃথিবী। গঙ্গা পানি চুক্তি রিভিউ করে তা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষক ও পরিবেশবিদরা।

তাদের মতে, পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পদ্মাসহ সকল শাখা নদী এখন মৃতপ্রায়। ফলে বছরের পর বছর ধরে হুমকির মুখে পড়ে আছে পদ্মার দুই পাড়ের পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও হাইড্রোলজি বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতীয় প্রতিনিধি দল এ বছর খরা ও অনাবৃষ্টির ফলে ফারাক্কায় পানির প্রবাহ কমে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন। ঈশ্বরদীর পাকশী পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মায় পানির প্রবাহও কমেছে একই কারণে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে মরুময়তার হাত থেকে রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০ বছরের পানি চুক্তি হয়। সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেব গৌড় ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হায়দ্রাবাদ হাউজে ঐতিহাসিক ৩০ শালা পানি চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে প্রতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেয়ার কথা।

পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৬৯ কিউসেক। তার আগের দিন মঙ্গলবার এখানে পানি পাওয়া গেছে ২৬ হাজার ৬৫৬ কিউসেক।

পাবনা হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন জানান, বুধবার ভারতীয় নদী কমিশনের সদস্য ও নির্বাহী প্রকৌশলী অপর্ভা রাজ ও সুদীপ্তা মাহান্তিসহ ভারতীয় প্রতিনিধি দল পদ্মা নদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সরেজমিনে পানি পরিমাপ করেছেন। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন তারা পনির প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানান। তিনি বলেন, পানির প্রবাহ প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছে।

ভারতীয় নদী কমিশনের সদস্য ও নির্বাহী প্রকৌশলী অপর্ভা রাজ বলেন, পানি কমের কারণে এখন ফারাক্কা প্রান্তে যে পানি প্রবাহ হচ্ছে তা দুই ভাগে ভাগ করে অর্ধেক বাংলাদেশে দেয়া হচ্ছে।

পরিবেশবিদ ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর শাহনেওয়াজ সালাম বলেন, পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র এখনো হুমকির মুখে। এসব থেকে রক্ষা পেতে আমার মনে হয় নতুন করে গঙ্গার পানি চুক্তি হওয়া দরকার।

উত্তরাঞ্চলীয় পানি পরিমাপ বিভাগ ও পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেয়ার কথা। সে অনুযায়ী বর্তমানে আমরা কম পানি পাচ্ছি।


আরও খবর



বাংলাদেশের অনেক সন্ত্রাসী কাঠমান্ডুকে ব্যবহার করছে: ডিবিপ্রধান

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেছেন, শাহীনের সহকারী সিয়াম নেপালে আটক হয়েছে বলে শুনেছি। 


হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার পর অন্যান্য আসামিদেরও নেপালে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ইদানিং বাংলাদেশের অনেক সন্ত্রাসী কাঠমান্ডুকে ব্যবহার করছে।


শনিবার (১ জুন) সকালে হত্যাকাণ্ড তদন্তে নেপালে রওয়ানা দেয় ডিবির একটি দল। সে সময় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন হারুন অর রশিদ।


তিনি বলেন, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ কাঠমান্ডু থাকতে পারে। আবার কেউ সেখান থেকে অন্য দেশে চলে যেতে পারে। আগেও সন্ত্রাসীরা নেপালে পালিয়ে থেকেছে। অনেক আসামি কাঠমান্ডুকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে থাকে।


হারুন আরও বলেন, ইন্টারপোলকে ইতোমধ্যে চি‌ঠি দেওয়া হয়েছে। কাঠমান্ডু পু‌লি‌শের সাথে তথ্য আদান-প্রদান চলছে। এ হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো ক্রস চেক করতে নেপাল যাচ্ছি।


প্রসঙ্গত, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের 'মাস্টারমাইন্ড' আক্তারুজ্জামান শাহীনও কাঠমান্ডুর মাটি ব্যবহার করে অন্য দেশে চলে গেছেন।


আরও খবর



মোবাইল হারালে জিডি নয়, সরাসরি মামলা করুন: ডিবিপ্রধান

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  ডিজিটাল রিপোর্ট:


মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কিংবা চুরির পর ফিরে পেতে ভুক্তভোগী প্রথমে থানায় ডিজি করেন। তবে এ ক্ষেত্রে জিডি না করে সরাসরি চুরির মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।


বুধবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে ধর্মমন্ত্রীর চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।



হারুন অর রশীদ বলেন, অনেকে মোবাইল চুরি হলে জিডি পর্যন্ত করতে চান না। তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ মোবাইল চুরির সঙ্গে সঙ্গে একটি মামলা করবেন। 


মামলা ছাড়াও মোবাইল চুরি রোধে মোবাইলে স্ট্রং পাসওয়ার্ড এবং নামাজ ও জানাজাতে গেলে পাঞ্জাবীর পকেটে মোবাইল ফোন রাখবেন না। কেউ জানাজা বা নামাজ পড়তে যায় চোরেরা তখন সুযোগ পেয়ে মোবাইল নিয়ে যায়।


এছাড়া অনুমোদিত বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো স্থান বা ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল ফোন ক্রয় না করা, পুরোনো মোবাইল ফোন না কেনা, চিকিৎসা করার টাকা নাই তাই রাস্তায় দাঁড়িয়ে মোবাইল বিক্রি করতে চাওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল না কেনা এবং মোবাইলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সম্বলিত রশিদ ছাড়া মোবাইল ফোন ক্রয় করবে না। 


চোরাই মোবাইল ফোন কেনা-বেচা দুটোই অপরাধ। চোরাই মোবাইল ফোন যার কাছে পাওয়া যাবে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর