Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

নওগাঁয় বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসে ৬ জন শিশু পেলো হুইল চেয়ার

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় র‍্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজন এর মধ্যে দিয়ে ৩২ তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২৫ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের অফিস চত্বর থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নওগাঁ জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এসে শেষ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে "প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথে সম্মিলিত অংশ গ্রহণ,  নিশ্চিত করবে এসডিজি অর্জন" শিরোনামে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি এস এম জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবা অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদ। আলোচনা সভায় স্বগত বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবা অধিদপ্তর নওগাঁ'র সহকারী পরিচালক মোঃ মহতাসিম বিল্লাহ।  

নওগাঁ জেলা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা সাবেরা সুলতানা আল আমান্না, নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন, বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন রানী'র প্রধান নির্বাহী ফজলুল হক খান এবং ধামইর উপজেলার আমবাটি প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক আঁখি আকতার। 

অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের উদ্যোগে ৬ জন প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৫ বছর

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির সকালটাও আজকের দিনের মতোই স্বাভাবিক হতে পারত। শুরুটা হয়তো স্বাভাবিকই ছিল কিন্তু তা শেষ হয় এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ দিয়ে। যার বীভৎসতায় বিমূঢ় হয়ে পড়েছিল গোটা জাতি।


সেদিনের সকালটা শুরু হয়েছিল বার্ষিক বিশেষ আয়োজন দিয়ে। তবে শেষ হলো রক্ত, লাশ আর বারুদের গন্ধে। সেদিন পিলখানায় বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহী জওয়ানেরা নৃশংসভাবে হত্যা করেন ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে।

আজ রোববার সেই মর্মন্তুদ ঘটনার ১৫ বছর। এই ঘটনায় করা হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিপথগামী সদস্যরা কিছু দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে তাণ্ডব চালায়।

এ ঘটনায় নিহত ৭৪ জনের মধ্যে তৎকালীন বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও আছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাকে নৃশংসতম বলে বর্ণনা করা হয়।

নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি কোনো মামলার। এনিয়ে করা দুটি মামলার মধ্যে হত্যা মামলার বিচার আপিল বিভাগে শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ। ২০১১ সালে শুরু হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার ঢাকার আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের পর ছয় বছরে সর্বোচ্চ আদালতে শুনানি হয়নি। তবে চলতি বছরের মধ্যে আপিল শুনানি শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। আসামিপক্ষের প্রত্যাশা, আপিল বিভাগে বিচারক বাড়িয়ে আলাদা বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাক্রম :

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ২ মিনিট: পিলখানায় দরবার শুরু। দরবারে মোট উপস্থিত ছিলেন দুই হাজার ৫৬০ জন।

৯টা ২৬ মিনিট: ডিজির বক্তব্য চলাকালে মঞ্চের বাম দিকের পেছন থেকে দুজন বিদ্রোহী অতর্কিত মঞ্চে প্রবেশ করেন। এদের একজন ছিলেন সশস্ত্র। বিদ্রোহ শুরু হয়।

৯টা ৩০ মিনিট: ডিজি নিজে প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধানসহ অন্যদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে দ্রুত সেনা হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানান।

১০টা ১৫ মিনিট: র‍্যাবের একটি দল পিলখানার ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ফটকে পৌঁছায়।

১০টা ৩০ মিনিট: বিদ্রোহীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে দরবার হলে ঢোকেন এবং কর্মকর্তাদের বের হয়ে আসার নির্দেশ দেন। ওইসময় ডিজিকে বৃত্তাকারে ঘিরে কর্মকর্তারা মঞ্চের পেছন দিক থেকে বের হয়ে আসেন।

আনুমানিক ১০টা ৩৫ মিনিট: ডিজির নেতৃত্বে কর্মকর্তারা এক সারিতে দরবার হল থেকে বের হয়ে মাত্র সিঁড়িতে কয়েক পা দিয়েছেন, তখনই বাইরে দাঁড়ানো মুখ বাঁধা সৈনিকরা ব্রাশফায়ার করে। মুহূর্তে ঢলে পড়েন ডিজিসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা।

বেলা ১১টা: বিদ্রোহীরা ম্যাগাজিন ভেঙে গুলি-বারুদ সংগ্রহ করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগার ভেঙে অস্ত্র লুট করেন তারা। ১১টা নাগাদ সেনাবাহিনীর একটি দল ধানমন্ডির মেডিনোভা ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নেয়। বিদ্রোহীরা ১৬টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। বাইরে থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পিলখানায় বিদ্রোহীদের প্রতি অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট ছাড়া হয়। এসময় হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। হেলিকপ্টারে ছয়টি গুলি লাগে।

১২টা ৩০ মিনিট: ৩ নম্বর ফটকের সামনে বিডিআরের পক্ষে শতাধিক মানুষের একটি মিছিল হয়। এরপর বিদ্রোহীরা প্রায় ২০ মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। তারা মাইকে জানান, আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একা আসতে হবে।

১টা ৩০ মিনিট: আলোচনার মাধ্যমে বিদ্রোহীদের নিরস্ত্রীকরণের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাদা পতাকা নিয়ে ৪ নম্বর ফটকের সামনে যান প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সরকারি দলের হুইপ মির্জা আজম।

বিকেল ৩টা: প্রতিমন্ত্রী নানক, সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস ও হুইপ মির্জা আজমের সঙ্গে ফটকের সামনে অবস্থানরত বিডিআর বিদ্রোহীরা কথা বলতে রাজি হন। তারা বিদ্রোহীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে রাজি করান।

৩টা ৪০ মিনিট: তারা ১৪ সদস্যের বিডিআর প্রতিনিধিদলকে নিয়ে সরকারি অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। যমুনায় তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তখন যমুনায় তিন বাহিনীর প্রধান, আওয়ামী লীগের নেতা তোফায়েল আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ৬টা: আলোচনা শেষে জাহাঙ্গীর কবির নানক অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, বিডিআর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহী সদস্যদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন এবং অস্ত্র জমা দিয়ে তাদের ব্যারাকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৬টা ৪৫ মিনিট: যমুনা থেকে বিদ্রোহীদের প্রতিনিধিদলকে সঙ্গে নিয়ে নানক ও মির্জা আজম পিলখানায় ফেরেন।

সন্ধ্যা ৭টা: প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণাকে গেজেট আকারে প্রকাশের দাবি করেন এবং আগের মতো উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করেন জওয়ানরা।

রাত ৮টা: ধানমন্ডির হোটেল আম্বালা-ইনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের সঙ্গে বিদ্রোহীদের আরেকটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক শুরু। নানক ও মির্জা আজম, পুলিশের আইজি, র্যাবের ডিজি, গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যার পর পিলখানায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কর্মকর্তাদের মরদেহ সরানো শুরু ও পুঁতে ফেলা হয়।

২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইন প্রতিমন্ত্রী ও আইজিপি পিলখানার ভেতরে যান এবং বিদ্রোহীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।

রাত ১টা ৩০ মিনিট: বিদ্রোহীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে কিছু অস্ত্র সমর্পণ করেন।

২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ১০ মিনিট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আটকে পড়া ১৫ জন জিম্মিকে বের করে আনেন।

সকাল সাড়ে ৯টা: মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সংসদ সদস্য তাপস বিডিআর সদর দপ্তরের ৪ নম্বর ফটকে উপস্থিত হন।

সকাল ১০টা: যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ ও মহাজোটের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক শুরু।

বেলা ১১টা ৩০ মিনিট: প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত। এরপর তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক।

দুপুর ১টা ৩০ মিনিট: সংসদ সদস্য মাহবুব আরা ও সেগুফতা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল পিলখানায় যায়। প্রায় এক ঘণ্টা পর তারা তিন সেনা কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের বের করে আনেন। একই সময়ে হোটেল আম্বালায় মতিয়া চৌধুরী ও এরশাদসহ অন্যদের সঙ্গে বিদ্রোহীদের বৈঠক ভেঙে যায়।

বিদ্রোহীদের দুপুর ২টার মধ্যে সব অস্ত্র জমা দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সরকার। পিলখানার মূল ফটকে জওয়ানদের আবার গুলিবর্ষণ।

দুপুর ২টা ৩০ মিনিট: সরকারের ১২ সদস্যের মধ্যস্থতাকারী কমিটি গঠন। আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে এই কমিটি পিলখানায় যায়। কমিটি বিদ্রোহীদের সঙ্গে হোটেল আম্বালায় আবার বৈঠক করে।

টেলিভিশন ও বেতারে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ প্রচার। বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণ করে ব্যারাকে ফিরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ভাষণের পর বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন।

বিকেল ৪টা: হোটেল আম্বালায় অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের বৈঠক। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নানক ও মির্জা আজম পিলখানার ভেতরে যান।

বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণ শুরু।

সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট: সমর্পিত অস্ত্র হেফাজতে নিতে পিলখানায় পুলিশের প্রবেশ। রাতে পুলিশ পিলখানায় অবস্থান নেয়।

রাত ৮টা ৩০ মিনিট: পিলখানা থেকে বেরিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণাপরিস্থিতি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মামলার রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন

২০০৯ সালের বর্বরোচিত এ ঘটনার পর দুটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এরমধ্যে বিস্ফোরক মামলাটির শুনানি এখনো নিম্ন আদালতে বিচারাধীন। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর নিম্ন আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে ৮৫০ আসামির মধ্যে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৭৮ জনকে খালাস দেন আদালত। রায় ঘোষণার আগেই মারা যান চার আসামি।

নিম্ন আদালতের রায়ের বিপরীতে আসামিরা উচ্চ আদালতে যান। শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর ৫৫২ জনকে বিচারের আওতায় এনে বাকি ২৮৩ জনকে খালাস দেন আদালত।

উচ্চ আদালতে শুনানি চলাকালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট ৮৩৫ জনের বিরুদ্ধে শুনানি হয় আলোচিত এ মামলায়।

নিম্ন আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন উচ্চ আদালত। আটজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে খালাস দেন হাইকোর্ট। এরপর আসামিদের অনেকেই আপিল বিভাগে আপিল করেন, যার শুনানি এখনো শুরু হয়নি। আর বিস্ফোরক মামলাটির বিচার এখনো চলছে নিম্ন আদালতেই।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আবারও বালুবাহী হ্যান্ডট্রলি (লড়ি) চাপায় মেহেদী হাসান শাকিল (২৮) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন৷

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যার দিকে দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দুর্গাপুর পৌর শহরের দক্ষিণপাড়া মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত শিক্ষার্থী শাকিল দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের নগরসিংহা গ্রামের রায়হান উদ্দিনের ছেলে। 

তিনি মুন্সিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পড়াশুনা করতো বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্গাপুর পৌর শহরের দক্ষিণপাড়া মোড় এলাকায় শাকিলের মোটরসাইকেলের সামনে দিয়ে একটি বালুবাহী লড়ি যাচ্ছিল। 

এ সময় শাকিলের মোটরসাইকেলটি ব্যাটারি চালিত একটি অটোর সাথে ধাক্কা লেগে চলন্ত লড়ি ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে পরে যায় শাকিল।

পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)  জহিরুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, লড়িটি জব্দ করা হলেও চালক পলাতক রয়েছেন। 

লাশ থানায় রাখা হয়েছে। এব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আপাতত শঙ্কামুক্ত অনুশীলনের সময় বলে মাথায় আঘাত পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান। তার স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্র।

জানা গেছে, মাথায় সেলাই শেষে ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল থেকে তাকে টিম হোটেলে নেওয়া হবে। এ সময় ফিজকে ২৪ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

মোস্তাফিজের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে মিডিয়া ম্যানেজার খান নয়ন জানান, মোস্তাফিজ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের ঘরের ছেলে। এমন দুর্ঘটনায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের টপ অফিশিয়ালরা সবাই হাসপাতালে চলে এসেছেন। এ মুহূর্তে মোস্তাফিজের কন্ডিশন স্পষ্ট করে কিছু বলা সম্ভব নয়। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আশা করি, আজকের দিনের পর তার ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

এর আগে, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ম্যাথু ফোর্ডের স্ট্রেইট ড্রাইভে মাথায় বল লাগে দ্য ফিজের। মূলত বল করে ফেরার পথেই এ ঘটনা ঘটে।

পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফিজিও জাহিদুল ইসলাম সজলের বরাত দিয়ে কুমিল্লা জানায়, আঘাতের পর তাৎক্ষণিকভাবে রক্ত পড়া থামাতে মোস্তাফিজের মাথায় ব্যান্ডেজ করা হয়। পরে দ্রুত ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে করা হয় সিটি স্ক্যান।


আরও খবর

রানে ফিরেছেন সাকিব

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু হওয়া সীমান্ত হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবীতে হানিফ বাংলাদেশী নামে একটি সংগঠন লালমনিরহাটে অবস্থান কর্মসূচি ও  মিছিল করেছে। প্রতীকী এই কর্মসূচি প্রায় এক ঘন্টা স্থায়ী ছিল।

বৃহস্পতিবার (২২ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জেলার প্রাণকেন্দ্র মিশনমোড় গোল চত্বরে বাংলাদেশ গণশক্তি পার্টির  হানিফ বাংলাদেশীর নেতৃতে এ প্রতীকী  লাশ নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি ও  মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

লাশ নিয়ে প্রতীকী এই কর্মসূচি চলাকালে গণশক্তি পার্টির আহবায়ক হানিফ বাংলাদেশী তার বক্তব্যে বলেন,  বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের  সীমান্ত রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিবেশী দু'দেশ ভারত ও মিয়ানমার কিন্তু এই দেশ দু'টি  সব সময় বাংলাদেশের উপর আগ্রাসন ও সীমান্তে প্রতিনিয়ত হত্যা  চালিয়ে যাচ্ছে। ভারত সীমান্তে নিরিহ মানুষকে পাখির মত গুলি করে হত্যা করছে। কিছুদিন আগে যশোর সীমান্তে  বাংলাদেশের একজন বিজিবি  সদস্যকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করেছে। এদিকে গত ৪ মাসে ভারত সীমান্তে ২১ জন বাংলাদেশী  বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা গুলোর হিসেবে ২০১০ সাল থেকে প্রায় ১২৭৬ জন বাংলাদেশীকে বিএসএফ হত্যা করেছে ও ১১৮৩ জন  আহত হয়েছে।  আরেক  প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার তাদের ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে অত্যাচার করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের আভান্তরিন যুদ্ধে মটারসেলে দুজন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লাশ নিয়ে প্রতীকী কর্মসূচি পালনে উদ্দেশ্য সীমান্ত আগ্রাসন ও হত্যা বন্ধে রাস্ট্রীয় হস্তক্ষেপ ও জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে ২০২০ সাল হতে প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম জেলায় পদযাত্রা করেছি। এবার ১৬ ফেব্রুয়ারি হতে পুনরায় দেশের  কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে প্রতীকী লাশ নিয়ে লালমনিরহাটসহ সকল সীমানাবর্তী জেলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি  শুরু করেছি। এই কর্মসূচি আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি যশোহর সীমান্তে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে শেষ হবে।

বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশীর দেশের সীমান্তে হত্যার পরে বলা হয় এরা গরু চোর বা গরু চোরাকারবারি, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে গরু চোর বা  চোরাকারবারি কে কী আন্তর্জাতিক সীমান্ত  আইনে হত্যা করা যায়৷ সীমান্ত অপরাধ বন্ধে আন্তর্জাতিক আইনে গ্রেফতার করে বিচার করা হোক এই দাবি আমাদের। সীমান্তে গুলি করে হত্যা কোন সমাধান হতে পারে না। তাদের দাবী দেশের সব  শাসকদের আমলে দুর্বল নতজানুর কারনে ভারত ও মিয়ানমার বাংলাদেশের উপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারত ও মিয়ানমারের সাথে অন্য কোন দেশের সীমান্তে বাংলাদেশের সীমান্তের মত বীভৎস এই আচরণ করা হয় না।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




থাইরয়েড রোগী কী খাবেন

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

অনেকেরই থাইরয়েডের সমস্যা আছে। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের এ সমস্যা বেশি হয়। এই হরমোনের ঘাটতি বা আধিক্যের কারণে ব্যাপক শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে। থাইরয়েডের সমস্যায় সুস্থ থাকতে জীবনযাত্রা ও ডায়েটে পরিবর্তন আনতে হবে। থাইরয়েড স্বাস্থ্য বজায় রাখা নিশ্চিত করার জন্য থাইরয়েড সমর্থনকারী পুষ্টিতে ভরা ডায়েট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনই কিছু খাবারের কথা বলা হয়েছে।

সেলেনিয়াম: সেলেনিয়াম শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে। ব্রাজিল বাদাম, ঝিনুক, সার্ডিন এবং স্যামন মাছে সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। এই উপাদানটি থাইরয়েডের সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করে। তবে খুব বেশি সেলেনিয়াম আবার থাইরয়েডের জন্য ক্ষতিকারকও হতে পারে।

আয়োডিন: থাইরয়েডে আয়োডিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই উপাদান মাছ, চিংড়ি এবং ডিমে পাওয়া যায়। আয়োডিন শরীরের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।

জিঙ্ক: শরীরের জিঙ্কের অভাব হাইপোথাইরয়েডিজম হতে পারে। তাই যেই সমস্ত খাবারে জিঙ্ক রয়েছে তা খেতে হবে। এসব খাবারের মধ্যে সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য খাবার যেমন-চিংড়ি, মাংস, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, বাদাম, শিম, মাশরুম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ভিটামিন ডি: মাশরুম, স্যামন এবং ডিমে পাওয়া ভিটামিন ডি হাইপোথাইরয়েডিজমের মতো থাইরয়েড ব্যাধিগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি : কুমড়োর বীজ, তিল এবং বাদামে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভিটামিন বি খেতে হবে। ভিটামিন বি থায়রয়েড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 


আরও খবর

চোখ রাঙাচ্ছে এডিস মশা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪